শেয়ারFacebookWhatsApp

দুর্যোগ মোকাবিলায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কর্মপরিকল্পনা প্রয়োগ নিশ্চিত করা উচিত। এর পক্ষে তোমার মতামত দাও।

উত্তর: দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কর্ম পরিকল্পনা প্রয়োগ 'নিশ্চিত করা অপরিহার্য। আমার মতামতের পক্ষে যুক্তিগুলো নিম্নরূপ: একটি সুনির্দিষ্ট কর্ম পরিকল্পনা থাকলে দুর্যোগের আগে, চলাকালীন ও পরে করণীয় সম্পর্কে সকলের স্পষ্ট ধারণা থাকে। এতে করে জরুরি সাড়াদান, ব্যবস্থা দ্রুত ও কার্যকর হয়। কর্মপরিকল্পনা সম্পদ ব্যবহারের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও অগ্রাধিকার নির্ধারণ করে। এর ফলে ত্রাণ ও পুনর্বাসনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো অপ্রয়োজনীয় অপচয় ছাড়াই বণ্টন সম্ভব হয়। কেবল সাড়াদানে মনোযোগ না দিয়ে কর্মপরিকল্পনা প্রশমন ও প্রস্তুতির ওপর জোর দেয়। যেমন: স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ বা সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা যায়। প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়েই আমাদের থাকতে হবে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান কার্যক্রম যেমন- উন্নয়ন, প্রতিরোধ, প্রশমন ও প্রস্তুতি ইত্যাদি স্বাভাবিক সময়ে অর্থাৎ দুর্যোগপূর্ব অবস্থায় সফলভাবে পরিচালিত করলে, দুর্যোগকালীন সময়ে আমরা দুর্যোগের হাত থেকে জীবন, সম্পদ ও পরিবেশকে বহুলাংশে রক্ষা করতে সক্ষম হব। তাই যথাযথ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং দুর্যোগ মোকাবিলার স্বার্থে আমাদেরকে দুর্যোগ কর্মপরিকল্পনা এবং দুর্যোগ সংক্রান্ত আপদকালীন পরিকল্পনা, ব্যক্তি, পরিবার, গ্রাম, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে তৈরি করে অনুশীলনের মাধ্যমে এসবের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা উচিত। বাংলাদেশের মতো একটি দুর্যোগপ্রবণ দেশের জন্য কেবল দুর্যোগ প্রস্তুতি নয়, বরং একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কার্যকারিতা বৃদ্ধি করবে।

SSC ভূগোল ও পরিবেশ অধ্যায়-১৪ : বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · ভূগোল ও পরিবেশ · অধ্যায়-১৪ : বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ · সৃজনশীল

দুর্যোগ মোকাবিলায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কর্মপরিকল্পনা প্রয়োগ নিশ্চিত…

উদ্দীপক

বাংলাদেশ একটি দুর্যোগপ্রবণ দেশ। বর্তমানে ঘূর্ণিঝড়ের, বন্য ও নদীভাঙনের মতো দুর্যোগে জীবন ও সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন।

উত্তর

বিপর্যয় হলো কোনো এক আকস্মিক ও চরম প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট ঘটনা।

উত্তর

বায়ুর নিম্নচাপ ও উর্ধ্বচাপের প্রবাহের কারণে ঘূর্ণিঝড় হয়। বঙ্গোপসাগর থেকে উত্থিত জলীয়বাষ্প উর্ধ্বমুখী হওয়ায় সেখানে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়। নিম্নচাপ এলাকার চারদিকে স্থলভাগে উচ্চ চাপ বিরাজ করে। ফলে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে উচ্চচাপ ও নিম্নচাপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়ে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি করে।

উত্তর

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র হলো দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস, প্রস্তুতি, সাড়াদান এবং পুনরুদ্ধারের জন্য গৃহীত কর্মসূচির একটি অবিচ্ছিন্ন প্রক্রিয়া। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা হচ্ছে এরূপ একটি ব্যবহারিক বিজ্ঞান যার আওতায় পড়ে যথাযথ পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং দুর্যোগে সাড়াদান ও পুনরুদ্ধার ইত্যাদি কার্যক্রম। দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রশমন এবং দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি ব্যবস্থাপনা চক্রের মুখ্য উপাদান। সুতরাং দুর্যোগকে কার্যত মোকাবিলার জন্য দুর্যোগপূর্ব সময়েই এর ব্যবস্থাপনার বেশি কাজ সম্পন্ন করতে হয়। অতীতে দুর্যোগ সাড়াদানকেই সম্পূর্ণ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বলে ধরে নেওয়া হতো।

উত্তর

দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কর্ম পরিকল্পনা প্রয়োগ 'নিশ্চিত করা অপরিহার্য। আমার মতামতের পক্ষে যুক্তিগুলো নিম্নরূপ: একটি সুনির্দিষ্ট কর্ম পরিকল্পনা থাকলে দুর্যোগের আগে, চলাকালীন ও পরে করণীয় সম্পর্কে সকলের স্পষ্ট ধারণা থাকে। এতে করে জরুরি সাড়াদান, ব্যবস্থা দ্রুত ও কার্যকর হয়। কর্মপরিকল্পনা সম্পদ ব্যবহারের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও অগ্রাধিকার নির্ধারণ করে। এর ফলে ত্রাণ ও পুনর্বাসনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো অপ্রয়োজনীয় অপচয় ছাড়াই বণ্টন সম্ভব হয়। কেবল সাড়াদানে মনোযোগ না দিয়ে কর্মপরিকল্পনা প্রশমন ও প্রস্তুতির ওপর জোর দেয়। যেমন: স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ বা সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা যায়। প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়েই আমাদের থাকতে হবে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান কার্যক্রম যেমন- উন্নয়ন, প্রতিরোধ, প্রশমন ও প্রস্তুতি ইত্যাদি স্বাভাবিক সময়ে অর্থাৎ দুর্যোগপূর্ব অবস্থায় সফলভাবে পরিচালিত করলে, দুর্যোগকালীন সময়ে আমরা দুর্যোগের হাত থেকে জীবন, সম্পদ ও পরিবেশকে বহুলাংশে রক্ষা করতে সক্ষম হব। তাই যথাযথ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং দুর্যোগ মোকাবিলার স্বার্থে আমাদেরকে দুর্যোগ কর্মপরিকল্পনা এবং দুর্যোগ সংক্রান্ত আপদকালীন পরিকল্পনা, ব্যক্তি, পরিবার, গ্রাম, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে তৈরি করে অনুশীলনের মাধ্যমে এসবের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা উচিত। বাংলাদেশের মতো একটি দুর্যোগপ্রবণ দেশের জন্য কেবল দুর্যোগ প্রস্তুতি নয়, বরং একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কার্যকারিতা বৃদ্ধি করবে।
SSCভূগোল ও পরিবেশঅধ্যায়-১৪ : বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.খরার ৪টি প্রভাব উল্লেখ কর।

খরার ৪টি প্রভাব উল্লেখ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগ কেন বেশি হয়?

বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগ কেন বেশি হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বন্যার মানবসৃষ্ট কারণগুলো উল্লেখ কর।

বন্যার মানবসৃষ্ট কারণগুলো উল্লেখ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.খরা দুর্যোগ কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়?

খরা দুর্যোগ কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.বাংলাদেশের প্রধান ২টি দুর্যোগের নাম লেখ।

বাংলাদেশের প্রধান ২টি দুর্যোগের নাম লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলতে কী বোঝায়?

প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.প্রাকৃতিক দুর্যোগের মানবসৃষ্ট কারণগুলো কী কী?

প্রাকৃতিক দুর্যোগের মানবসৃষ্ট কারণগুলো কী কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.নদীভাঙন কী? এর কারণ ব্যাখ্যা কর।

নদীভাঙন কী? এর কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.দুর্যোগের সংজ্ঞা দাও।

দুর্যোগের সংজ্ঞা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.খরার ২টি প্রভাব লেখ।

খরার ২টি প্রভাব লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ধাপগুলো লেখ।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ধাপগুলো লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.দুর্যোগ ও বিপর্যয়ের মধ্যে পার্থক্য উল্লেখ করো।

দুর্যোগ ও বিপর্যয়ের মধ্যে পার্থক্য উল্লেখ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।