নারীর ক্ষমতায়নে 'খ' চিহ্নিত সংস্থাটির ভূমিকা আলোচনা কর।
উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত 'খ' চিহ্নিত সংস্থাটি হলো জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ সনদ বা সিডও। নারীর ক্ষমতায়নে 'খ' চিহ্নিত সংস্থাটির ভূমিকা অনস্বীকার্য। নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ সনদটি 'সিডও' নামে পরিচিত। ১৯৭৯ সালের ডিসেম্বর মাসে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এ সনদ গৃহীত হয়। ১৯৮১ সালে ২০টি দেশ সমর্থন করার পর এটি কার্যকর হয়। বাংলাদেশসহ মোট ১৩২টি দেশ বর্তমানে সনদটি সমর্থন করেছে। এ সনদের বিশেষ বেশিষ্ট্য হলো এটি নারীর অধিকারের একটি পূর্ণাঙ্গ দলিল। ১৯৯৫ সালে বেইজিং-এ বিশ্ব নারী সম্মেলন এই সনদের মূল্যবোধ ধারণ করেই আয়োজন করা হয়। সাথে সাথে ১৯৭৬-১৯৮৫ এ দশ বছর নারী দশক ঘোষণা করা হয়। অতএব বোঝা যাচ্ছে, 'খ' দ্বারা সিডওকে নির্দিষ্ট করা হয়েছে। সিডও নারীর ক্ষমতায়নে পৃথিবীব্যাপী ব্যাপক ভূমিকা রেখে যাচ্ছে। নারী ও পুরুষের সমতার নীতির ওপর ভিত্তি করে সিডও সনদটি তৈরি। নারীর মানবাধিকারের বিষয়টিও এখানে উঠে এসেছে। আইনগত পদ্ধতিতে এই অধিকারগুলো ম্যান্ডেটযুক্ত করার সমর্থনকারী দেশগুলো এই সনদ মেনে চলতে বাধ্য। এই সনদে স্বীকার করা হয় যে, বিভিন্ন দেশে নারীর আইনগত অধিকার বলবৎ থাকলেও বৈষম্য রয়েছে। অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে নারীর প্রবেশাধিকার খর্ব করার মাধ্যমে তা করা হয়ে থাকে। এই সনদ নারীর প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্বকে নিশ্চিত করে। এতে ৩০টির মতো ধারার ১৬টিতে বৈষম্যের বিশ্লেষণ এবং ১৪টিতে বৈষম্য গুলো বিলোপ সম্পর্কিত আলোচনা করা হয়েছে। অতএব দেখা যাচ্ছে, সিডও সনদ নদীর ক্ষমতায়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে।
SSC বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায়-৯ : জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ (Full Syllabus) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় · অধ্যায়-৯ : জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ (Full Syllabus) · সৃজনশীল
নারীর ক্ষমতায়নে 'খ' চিহ্নিত সংস্থাটির ভূমিকা আলোচনা কর।
উদ্দীপক

Barisal · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর
