শেয়ারFacebookWhatsApp

[গণিত] -এর কোন অভাবটি নির্দেশ করছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: 'A [গণিত] দ্বারা SDG এর অন্যতম অভীষ্ট 'দারিদ্র্য বিলোপ' অভীষ্টকে নির্দেশ করছে। জাতিসংঘের সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোলস (এসডিজি) এর মধ্যে প্রথম অভীষ্ট হলো দারিদ্র্য বিলোপ। এই অভীষ্টের মূল লক্ষ্য হলো ২০৩০ সালের মধ্যে সকল রূপের দারিদ্র্য বিলোপ করা। দারিদ্র্য হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে মানুষ তার মৌলিক চাহিদা পূরণে অক্ষম। এই অভীষ্টের অধীনে, বিশ্বের সকল দেশ একত্রিত হয়ে দারিদ্র্য বিলোপের জন্য কাজ করছে। উদ্দীপকে 'A [গণিত] তে বলা হয়েছে যে, দরিদ্র মানুষের হার ৪০% থেকে নিচে নামিয়ে আনা। এর মাধ্যমে মূলত এসডিজি এর অন্যতম অভীষ্ট দরিদ্র বিলোপ কে নির্দেশ করা হয়েছে। সারা বিশ্বে এই অভীষ্ঠ তথা দারিদ্র্য বিলোপের জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা, এবং কর্মসংস্থানের মতো বিষয়গুলোতে বিনিয়োগ করা হচ্ছে। এছাড়াও, স্থানীয় সম্প্রদায়ের উন্নয়নের মাধ্যমে এবং টেকসই কৃষি প্রক্রিয়া এবং পরিবেশ বান্ধব শিল্প উন্নয়নের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিলোপের লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা করা হচ্ছে। এই অভীষ্টের অন্যতম উপায় হলো অর্থনৈতিক সমতা সৃষ্টি করা এবং সকলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা। এই অভীষ্টের অর্জনের মাধ্যমে বিশ্বের সকল মানুষের জীবনমান উন্নত হবে এবং একটি টেকসই ভবিষ্যত নিশ্চিত হবে। দারিদ্র্য বিলোপের জন্য বিশ্বের সকল দেশের সমন্বিত প্রচেষ্টা এবং সম্প্রীতি অপরিহার্য। এই অভীষ্টের অর্জনের মাধ্যমে আমরা একটি সমৃদ্ধ এবং সমতামূলক বিশ্ব গড়ে তুলতে পারবো, যেখানে কেউ দারিদ্র্যের শিকার হবে না। এই লক্ষ্যের অধীনে, বিশ্বের সকল দেশের জন্য দারিদ্র্যের হার কমিয়ে আনা এবং মানুষের জীবনমান উন্নত করা অন্তর্ভুক্ত। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে, দারিদ্র্য বিলোপের চ্যালেঞ্জ বিশেষ করে জরুরি কারণ দেশটি দ্রুত শিল্পায়ন ও শহরায়নের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যা অসম আয় বিতরণ এবং সামাজিক অসাম্য তৈরি করেছে।

SSC বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায়-৯ : জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ (Full Syllabus) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় · অধ্যায়-৯ : জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ (Full Syllabus) · সৃজনশীল

-এর কোন অভাবটি নির্দেশ করছে? ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপক

question image

Barisal · 2024

উত্তর

উন্নয়নের সুফল ভোগকারী গোষ্ঠীই হলো অংশীজন।

উত্তর

টেকসই উন্নয়নের মূল ভিত্তি হলো বিশুদ্ধ পানি ও সুষ্ঠু পয়ঃনিষ্কাশন। এই দুই উপাদান ছাড়া স্বাস্থ্য, শিক্ষা, অর্থনীতি এবং পরিবেশের উন্নয়ন অসম্ভব। বিশুদ্ধ পানি মানব দেহের জন্য অপরিহার্য, এটি রোগ প্রতিরোধ করে এবং জীবনের মান উন্নত করে। অন্যদিকে, সুষ্ঠু পয়ঃনিষ্কাশন পরিবেশ দূষণ রোধ করে এবং জলজ ব্যাধি প্রতিরোধ করে। এই দুইয়ের অভাবে মানুষ ডায়রিয়া, কলেরা, টাইফয়েড এর মতো জলজনিত রোগে ভুগতে পারে। বিশুদ্ধ পানির অভাবে শিশুরা পুষ্টির অভাবে ভুগতে পারে, যা তাদের শিক্ষাগত উন্নয়নে বাধা দেয়। পরিবেশের ক্ষেত্রে, অপরিশোধিত পয়ঃনিষ্কাশন নদী, হ্রদ এবং মহাসাগরের জলজীবন ধ্বংস করে এবং পানির মান হ্রাস করে। সব মিলিয়ে, বিশুদ্ধ পানি ও সুষ্ঠু পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা টেকসই উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য।

উত্তর

'A′A^{\prime} দ্বারা SDG এর অন্যতম অভীষ্ট 'দারিদ্র্য বিলোপ' অভীষ্টকে নির্দেশ করছে। জাতিসংঘের সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোলস (এসডিজি) এর মধ্যে প্রথম অভীষ্ট হলো দারিদ্র্য বিলোপ। এই অভীষ্টের মূল লক্ষ্য হলো ২০৩০ সালের মধ্যে সকল রূপের দারিদ্র্য বিলোপ করা। দারিদ্র্য হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে মানুষ তার মৌলিক চাহিদা পূরণে অক্ষম। এই অভীষ্টের অধীনে, বিশ্বের সকল দেশ একত্রিত হয়ে দারিদ্র্য বিলোপের জন্য কাজ করছে। উদ্দীপকে 'A′A^{\prime} তে বলা হয়েছে যে, দরিদ্র মানুষের হার ৪০% থেকে নিচে নামিয়ে আনা। এর মাধ্যমে মূলত এসডিজি এর অন্যতম অভীষ্ট দরিদ্র বিলোপ কে নির্দেশ করা হয়েছে। সারা বিশ্বে এই অভীষ্ঠ তথা দারিদ্র্য বিলোপের জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা, এবং কর্মসংস্থানের মতো বিষয়গুলোতে বিনিয়োগ করা হচ্ছে। এছাড়াও, স্থানীয় সম্প্রদায়ের উন্নয়নের মাধ্যমে এবং টেকসই কৃষি প্রক্রিয়া এবং পরিবেশ বান্ধব শিল্প উন্নয়নের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিলোপের লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা করা হচ্ছে। এই অভীষ্টের অন্যতম উপায় হলো অর্থনৈতিক সমতা সৃষ্টি করা এবং সকলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা। এই অভীষ্টের অর্জনের মাধ্যমে বিশ্বের সকল মানুষের জীবনমান উন্নত হবে এবং একটি টেকসই ভবিষ্যত নিশ্চিত হবে। দারিদ্র্য বিলোপের জন্য বিশ্বের সকল দেশের সমন্বিত প্রচেষ্টা এবং সম্প্রীতি অপরিহার্য। এই অভীষ্টের অর্জনের মাধ্যমে আমরা একটি সমৃদ্ধ এবং সমতামূলক বিশ্ব গড়ে তুলতে পারবো, যেখানে কেউ দারিদ্র্যের শিকার হবে না। এই লক্ষ্যের অধীনে, বিশ্বের সকল দেশের জন্য দারিদ্র্যের হার কমিয়ে আনা এবং মানুষের জীবনমান উন্নত করা অন্তর্ভুক্ত। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে, দারিদ্র্য বিলোপের চ্যালেঞ্জ বিশেষ করে জরুরি কারণ দেশটি দ্রুত শিল্পায়ন ও শহরায়নের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যা অসম আয় বিতরণ এবং সামাজিক অসাম্য তৈরি করেছে।

উত্তর

'B′B^{\prime} ও 'C′C^{\prime} দ্বারা টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টের ৪নং ও ৯নং অভীষ্টকে নির্দেশ করা হয়েছে যা 'গুণগত শিক্ষা' ও 'শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো' অভীষ্ট দুটোকে উপস্থাপন করে। বাংলাদেশের জন্য টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (SDG) অর্জনের পথে "গুণগত শিক্ষা" এবং "শিল্প উদ্ভাবন ও অবকাঠামো" দুটি মৌলিক স্তম্ভ হিসেবে কাজ করে। এই দুটি অভীষ্ট অর্জিত হলে বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে প্রত্যাশিত উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে অনেক দূর এগিয়ে যাবে। উদ্দীপকের B চিহ্নিত ৪নং অভীষ্ঠ এ বলা হয়েছে, বৃত্তিমূলক ও কারিগরি শিক্ষার পরিমাণ বাড়াতে হবে যা এসডিজির গুণগত শিক্ষা অভীষ্ঠকে উপস্থাপন করে। গুণগত শিক্ষা হলো সেই শিক্ষা যা শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, দক্ষতা, মূল্যবোধ এবং মনোভাব গঠনে সহায়তা করে। এটি শিক্ষার্থীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক জীবনে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুত করে। বাংলাদেশে গুণগত শিক্ষার উন্নয়নের জন্য যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ, পাঠ্যক্রমের আধুনিকীকরণ, শিক্ষার প্রযুক্তিগত অবকাঠামো উন্নয়ন এবং শিক্ষার সার্বজনীন প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যদিকে C চিহ্নিত অভীষ্ঠ শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো নামক অভীষ্ঠকে তুলে ধরে। শিল্প উদ্ভাবন ও অবকাঠামো হলো অর্থনৈতিক উন্নয়নের চালিকা শক্তি। এটি নতুন শিল্প সৃষ্টি, রফতানি বৃদ্ধি, এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে জাতীয় আয় বৃদ্ধি করে বাংলাদেশের জন্য এটি বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি দেশের অর্থনীতিকে প্রধানত কৃষি থেকে শিল্প ও সেবা খাতে পরিবর্তনে সহায়তা করে। এই দুটি অভীষ্ট অর্জনের জন্য সরকার, বেসরকারি খাত এবং সিভিল সোসাইটির সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। এছাড়াও, সামাজিক সচেতনতা, নীতি নির্ধারণে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা এই লক্ষ্যগুলি অর্জনের জন্য অপরিহার্য। সরকারের পাশাপাশি জনগণের অংশগ্রহণ এবং সচেতনতা এই প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করতে পারে। সব মিলিয়ে, গুণগত শিক্ষা এবং শিল্প উদ্ভাবন ও অবকাঠামোর উন্নয়ন হলো বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য দুটি মৌলিক ভিত্তি। এই দুটি অভীষ্ট অর্জিত হলে, বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে অনেক দূর এগিয়ে যাবে। তবে, এই পথ চলা সহজ নয় এবং এর জন্য সমগ্র জাতির ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
SSCবাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়অধ্যায়-৯ : জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ (Full Syllabus)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাংলাদেশ সরকার ২০০২ সালের জানুয়ারি মাস থেকে পলিথিনের উৎপাদন, পরিবহন, মজুদ ও ব্যবহারকে আইন করে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। পলিথিন অপচনশীল বলে মাটির উর্বরা শক্তিকে বিনষ্ট করে, খাদ্যসামগ্রীতে পলিথিনের ব্যবহারে ক্যান্সার, চর্মরোগসহ নানা রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটায় এবং এ রকম আরও বিভিন্ন সমস্যার কারণে পলিথিনকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু ইদানীং আবার পলিথিনের ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে, যা পৃথিবীর জন্য মারাত্মক হুমকির কারণ।

Mymensingh · 2023

ক
MDG এর পূর্ণরূপ লেখ।
খ
সম্পদের অসম বণ্টন রোধ করা প্রয়োজন কেন?
গ
উদ্দীপকে এসডিজি অর্জনের কোন চ্যালেঞ্জকে নির্দেশ করা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে পলিথিনের ব্যবহার বৃদ্ধি বাংলাদেশের এসডিজি অর্জনের পথকে কঠিন করে তুলবে- তুমি কি এ ব্যাপারে একমত? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাংলাদেশ সরকার ২০০২ সালের জানুয়ারি মাস থেকে পলিথিনের উৎপাদন, পরিবহন, মজুদ ও ব্যবহারকে আইন করে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। পলিথিন অপচনশীল বলে মাটির উর্বরা শক্তিকে বিনষ্ট করে, খাদ্যসামগ্রীতে পলিথিনের ব্যবহারে ক্যান্সার, চর্মরোগসহ নানা রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটায় এবং এ রকম আরও বিভিন্ন সমস্যার কারণে পলিথিনকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু ইদানীং আবার পলিথিনের ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে, যা পৃথিবীর জন্য মারাত্মক হুমকির কারণ।

Mymensingh · 2023

ক
MDG এর পূর্ণরূপ লেখ।
খ
সম্পদের অসম বণ্টন রোধ করা প্রয়োজন কেন?
গ
উদ্দীপকে এসডিজি অর্জনের কোন চ্যালেঞ্জকে নির্দেশ করা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে পলিথিনের ব্যবহার বৃদ্ধি বাংলাদেশের এসডিজি অর্জনের পথকে কঠিন করে তুলবে- তুমি কি এ ব্যাপারে একমত? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.সম্পদের অসম বণ্টন রোধ করা প্রয়োজন কেন?

সম্পদের অসম বণ্টন রোধ করা প্রয়োজন কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.MDG এর পূর্ণরূপ লেখ।

MDG এর পূর্ণরূপ লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বিভব ও তার বাবা টেলিভিশনে একটি প্রামান্যচিত্রে দেখতে পায় 'ক' দেশকে তার প্রতিবেশী দেশ যুদ্ধের মাধ্যমে দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে। ফলে একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা উক্ত দেশকে যুদ্ধ বন্ধ করতে বাধ্য করে। বিভবের বাবা তাকে বলে, উক্ত সংস্থায় বাংলাদেশের অনেকেই একটি বিশেষ বাহিনীর সদস্য হিসেবে কাজ করে বিশ্বে প্রশংসা অর্জন করেছে।

Mymensingh · 2023

ক
সিডও-এর পূর্ণরূপ লেখ।
খ
ইউনিসেফ গঠন করা হয়েছে কেন? বুঝিয়ে লেখ।
গ
উদ্দীপকে কোন আন্তর্জাতিক সংস্থাকে নির্দেশ করা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
বিশ্বশান্তি রক্ষায় উদ্দীপকে উল্লিখিত বাহিনীর অবদান মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বিভব ও তার বাবা টেলিভিশনে একটি প্রামান্যচিত্রে দেখতে পায় 'ক' দেশকে তার প্রতিবেশী দেশ যুদ্ধের মাধ্যমে দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে। ফলে একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা উক্ত দেশকে যুদ্ধ বন্ধ করতে বাধ্য করে। বিভবের বাবা তাকে বলে, উক্ত সংস্থায় বাংলাদেশের অনেকেই একটি বিশেষ বাহিনীর সদস্য হিসেবে কাজ করে বিশ্বে প্রশংসা অর্জন করেছে।

Mymensingh · 2023

ক
সিডও-এর পূর্ণরূপ লেখ।
খ
ইউনিসেফ গঠন করা হয়েছে কেন? বুঝিয়ে লেখ।
গ
উদ্দীপকে কোন আন্তর্জাতিক সংস্থাকে নির্দেশ করা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
বিশ্বশান্তি রক্ষায় উদ্দীপকে উল্লিখিত বাহিনীর অবদান মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ইউনিসেফ গঠন করা হয়েছে কেন? বুঝিয়ে লেখ।

ইউনিসেফ গঠন করা হয়েছে কেন? বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.সিডও-এর পূর্ণরূপ লেখ।

সিডও-এর পূর্ণরূপ লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Dinajpur · 2023

ক
অংশীজন কারা?
খ
টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে জাতীয় পর্যায়ে অংশীদারিত্ব গুরুত্বপূর্ণ কেন?
গ
ছক চিত্রে '?' চিহ্ন দ্বারা কী নির্দেশ করা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত বিষয়টি অর্জনের মাধ্যমে আমরা কী সুফল পেতে পারি? বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Dinajpur · 2023

ক
অংশীজন কারা?
খ
টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে জাতীয় পর্যায়ে অংশীদারিত্ব গুরুত্বপূর্ণ কেন?
গ
ছক চিত্রে '?' চিহ্ন দ্বারা কী নির্দেশ করা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত বিষয়টি অর্জনের মাধ্যমে আমরা কী সুফল পেতে পারি? বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে জাতীয় পর্যায়ে অংশীদারিত্ব গুরুত্বপূর্ণ কেন?

টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে জাতীয় পর্যায়ে অংশীদারিত্ব গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.অংশীজন কারা?

অংশীজন কারা?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকে পলিথিনের ব্যবহার বৃদ্ধি বাংলাদেশের এসডিজি অর্জনের পথকে কঠিন করে তুলবে- উদ্দীপকে এসডিজি অর্জনের কোন চ্যালেঞ্জকে নির্দেশ করা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।সম্পদের অসম বণ্টন রোধ করা প্রয়োজন কেন?MDG এর পূর্ণরূপ লেখ।বিশ্বশান্তি রক্ষায় উদ্দীপকে উল্লিখিত বাহিনীর অবদান মূল্যায়ন কর।উদ্দীপকে কোন আন্তর্জাতিক সংস্থাকে নির্দেশ করা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।ইউনিসেফ গঠন করা হয়েছে কেন? বুঝিয়ে লেখ।সিডও-এর পূর্ণরূপ লেখ।উক্ত বিষয়টি অর্জনের মাধ্যমে আমরা কী সুফল পেতে পারি? বিশ্লেষণ কর।ছক চিত্রে '?' চিহ্ন দ্বারা কী নির্দেশ করা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে জাতীয় পর্যায়ে অংশীদারিত্ব গুরুত্বপূর্ণ কেন?অংশীজন কারা?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।