উদ্দীপকের A, B ও C এর পারস্পরিক কার্যকারিতায় কীভাবে নতুন উদ্ভিদ সৃষ্টি হয়? বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: উদ্দীপকের চিত্রে A, B ও C চিহ্নিত অংশগুলো যথাক্রমে দলমণ্ডল, পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক। দলমণ্ডল সাধারণত রঙিন হয়। এরা ফুলের পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবককে রোদ ও বৃষ্টি থেকে রক্ষা করে। উজ্জ্বল ঝলমলে রঙের দলমণ্ডল পোকামাকড় ও পশুপাখি আকর্ষণ এবং পরাগায়নে সহায়তা করে যা ফুল ও বীজ উৎপাদন প্রক্রিয়ার পূর্বশর্ত। অনেকসময় কোনো কোনো পোকামাকড় ফুলের পাপড়িতে (দল) বসে মধু আহরণ করে। এসব কার্যক্রম চলাকালীন সময়ে পরাগায়নের কাজটি হতে থাকে। একটি পুংস্তবকে এক বা একাধিক পুংকেশর থাকতে পারে। পুংকেশরের দণ্ডের মতো অংশকে পুংদণ্ড এবং শীর্ষের থলের মতো অংশকে পরাগধানী বলে। পরাগধানীর মধ্যে পরাগ উৎপন্ন হয়। পরাগরেণু অঙ্কুরিত হয়ে পোলেন টিউব গঠন করে। এই পোলেন টিউবে পুংজনন কোষ উৎপন্ন হয়। অন্যদিকে স্ত্রীস্তবকের গর্ভপত্র, গর্ভাশয়, গর্ভদণ্ড ও গর্ভমুণ্ড নিয়ে গঠিত হয়। গর্ভাশয়ের ভিতরে এক বা একাধিক ডিম্বক (চিত্র C অংশ) বিশেষ নিয়মে সজ্জিত থাকে। এসব ডিম্বকের মধ্যে স্ত্রী প্রজনন কোষ বা ডিম্বাণু সৃষ্টি হয়। পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবকে উৎপন্ন পুংজনন কোষ ও স্ত্রীজনন কোষ সরাসরি প্রজননে অংশগ্রহণ করে। অর্থাৎ পরাগায়নের পর পুংজনন কোষ স্ত্রীজনন কোষের সাথে মিলিত হয়ে জাইগোট গঠন করে। জাইগোট বা নিষিক্ত ডিম্বকটি পরবর্তীতে বীজ ও গর্ভাশয়টি ফলে পরিণত হয়। এরপর ফলের পরিণতি লাভ ও বীজের বিস্তরণের মাধ্যমে নতুন চারা গাছ হয় এবং উদ্ভিদের বংশবিস্তার ঘটে। এভাবে দলমণ্ডলের পাপড়িসমূহ, পুংস্তবকের পরাগধানীর পরাগরেণু ও স্ত্রীস্তবকের ডিম্বকের পারস্পরিক সংশ্লিষ্টতার মাধ্যমে উদ্ভিদের বংশবিস্তারের মূল কাজটি সম্পন্ন হয়।
SSC জীববিজ্ঞান অধ্যায়-১১ : জীবে প্রজনন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · জীববিজ্ঞান · অধ্যায়-১১ : জীবে প্রজনন · সৃজনশীল
উদ্দীপকের A, B ও C এর পারস্পরিক কার্যকারিতায় কীভাবে নতুন উদ্ভিদ সৃষ…
উদ্দীপক

Barisal · 2019
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর