শেয়ারFacebookWhatsApp

'M [গণিত] এর ফুলের বিভিন্ন স্তবকের কাজ ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: উদ্দীপকের 'M [গণিত] ফুলটি হলো জবা। জবা একটি সম্পূর্ণ ফুল এবং এর বিভিন্ন স্তবকের কাজ নিচে ব্যাখ্যা করা হলো— ১. পুষ্পাক্ষ : এটি ফুলের গোড়ার অক্ষ বা বোঁটার শীর্ষভাগ, যার ওপর ফুলের বাকি অংশগুলো সাজানো থাকে। এর প্রধান কাজ হলো ফুলের বাকি চারটি স্তবককে শক্তভাবে ধারণ করা এবং বিন্যস্ত রাখা। ২. বৃতি : এটি ফুলের সবচেয়ে বাইরের সবুজ অংশ। জবা ফুলের বৃতির নিচে উপবৃতিও থাকে। এর প্রধান কাজ হলো ফুলের ভেতরের নরম অংশগুলোকে রোদ, বৃষ্টি, কুয়াশা এবং পোকামাকড়ের হাত থেকে রক্ষা করা। সবুজ হওয়ার কারণে এটি সালোকসংশ্লেষণেও অংশ নেয়। ৩. দলমন্ডল বা পাপড়ি : জবার পাপড়িগুলো বেশ বড়ো এবং আকর্ষণীয় রঙের হয়। দলমন্ডলের মূল কাজ হলো ফুলের ভেতরের স্তবকগুলোকে রক্ষা করা। এছাড়া এর উজ্জ্বল রং মৌমাছি ও পাখিকে আকর্ষণ করে পরাগায়ন নিশ্চিত করতে সাহায্য করে। ৪. পুংস্তবক : জবা ফুলের পুংদণ্ডগুলো মিলে একটি নল তৈরি করে। এই স্তবকের পরাগধানীতে পরাগরেণু উৎপন্ন হয়। পরাগরেণু থেকে পুংগ্যামেট তৈরি হয়, যা নিষেকের জন্য অপরিহার্য। ৫. স্ত্রীস্তবক : এটি ফুলের কেন্দ্রে অবস্থিত। এর গোড়ায় থাকা গর্ভাশয়ের ভেতরে ডিম্বক থাকে। ডিম্বকে স্ত্রীগ্যামেট বা ডিম্বাণু উৎপন্ন হয়, যা নিষেকের পর বীজে পরিণত হয় এবং বংশবৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

SSC জীববিজ্ঞান অধ্যায়-১১ : জীবে প্রজনন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · জীববিজ্ঞান · অধ্যায়-১১ : জীবে প্রজনন · সৃজনশীল

'M এর ফুলের বিভিন্ন স্তবকের কাজ ব্যাখ্যা করো।

উদ্দীপক

নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ করো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও : question image

Barisal · 2026

উত্তর

সপুষ্পক উদ্ভিদের ডিম্বাণুর সাথে একটি পুংগ্যামেট এবং সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াসের সাথে অপর একটি পুংগ্যামেটের প্রায় একই সময়ে মিলন হওয়ার প্রক্রিয়াই দ্বিনিষেক।

উত্তর

যেসব ফল গর্ভাশয় ছাড়া ফুলের অন্যান্য অংশ যেমন— পুষ্পাক্ষ বা বৃত্যাংশ পুষ্ট হয়ে তৈরি হয়, সেগুলোকে অপ্রকৃত ফল বলে। চালতা ফুলের ক্ষেত্রে নিষেক প্রক্রিয়ার পর গর্ভাশয়ের সাথে সাথে ফুলের বৃত্যাংশও বৃদ্ধি পায়। এই মাংসল ও রসাল বৃত্যাংশটিই পরে পুরো গর্ভাশয়কে ঢেকে ফেলে এবং আমরা ফল হিসেবে মূলত এই অংশটিই খাই। যেহেতু চালতা ফলটি কেবল গর্ভাশয় থেকে তৈরি না হয়ে মূলত বৃত্যাংশ থেকে তৈরি হয়, তাই একে অপ্রকৃত ফল বলা হয়।

উত্তর

উদ্দীপকের 'M′M^{\prime} ফুলটি হলো জবা। জবা একটি সম্পূর্ণ ফুল এবং এর বিভিন্ন স্তবকের কাজ নিচে ব্যাখ্যা করা হলো— ১. পুষ্পাক্ষ : এটি ফুলের গোড়ার অক্ষ বা বোঁটার শীর্ষভাগ, যার ওপর ফুলের বাকি অংশগুলো সাজানো থাকে। এর প্রধান কাজ হলো ফুলের বাকি চারটি স্তবককে শক্তভাবে ধারণ করা এবং বিন্যস্ত রাখা। ২. বৃতি : এটি ফুলের সবচেয়ে বাইরের সবুজ অংশ। জবা ফুলের বৃতির নিচে উপবৃতিও থাকে। এর প্রধান কাজ হলো ফুলের ভেতরের নরম অংশগুলোকে রোদ, বৃষ্টি, কুয়াশা এবং পোকামাকড়ের হাত থেকে রক্ষা করা। সবুজ হওয়ার কারণে এটি সালোকসংশ্লেষণেও অংশ নেয়। ৩. দলমন্ডল বা পাপড়ি : জবার পাপড়িগুলো বেশ বড়ো এবং আকর্ষণীয় রঙের হয়। দলমন্ডলের মূল কাজ হলো ফুলের ভেতরের স্তবকগুলোকে রক্ষা করা। এছাড়া এর উজ্জ্বল রং মৌমাছি ও পাখিকে আকর্ষণ করে পরাগায়ন নিশ্চিত করতে সাহায্য করে। ৪. পুংস্তবক : জবা ফুলের পুংদণ্ডগুলো মিলে একটি নল তৈরি করে। এই স্তবকের পরাগধানীতে পরাগরেণু উৎপন্ন হয়। পরাগরেণু থেকে পুংগ্যামেট তৈরি হয়, যা নিষেকের জন্য অপরিহার্য। ৫. স্ত্রীস্তবক : এটি ফুলের কেন্দ্রে অবস্থিত। এর গোড়ায় থাকা গর্ভাশয়ের ভেতরে ডিম্বক থাকে। ডিম্বকে স্ত্রীগ্যামেট বা ডিম্বাণু উৎপন্ন হয়, যা নিষেকের পর বীজে পরিণত হয় এবং বংশবৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

উত্তর

উদ্দীপকের 'N′N^{\prime} হলো ধুতুরা, যা উভলিঙ্গ ফুল এবং 'P′P^{\prime} হলো পেঁপে, যা একলিঙ্গ ফুল। ধুতুরায় মূলত স্বপরাগায়ন এবং পেঁপেতে অবধারিত ভাবে পরপরাগায়ন ঘটে। প্রজাতির অস্তিত্ব রক্ষা ও টিকে থাকার লড়াইয়ে এই দুইটির মধ্যে পেঁপের পরপরাগায়ন অধিক কার্যকরী। নিচে এর কারণ বিশ্লেষণ করা হলো— ধুতুরার স্বপরাগায়ন : ধুতুরা উভলিঙ্গ হওয়ায় একই ফুলে পরাগায়ন সহজে ঘটে। এতে পরাগরেণুর অপচয় কম হয় এবং প্রজাতির বিশুদ্ধতা বজায় থাকে। তবে এতে কোনো নতুন বৈশিষ্ট্যের সৃষ্টি হয় না এবং নতুন বংশধরদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা ও অভিযোজন ক্ষমতা কমে যায়। প্রতিকূল পরিবেশে এরা সহজে বিলুপ্ত হতে পারে। পেঁপের পরপরাগায়ন : পেঁপেগাছ একলিঙ্গ হওয়ায় এতে ভিন্ন দুটি গাছের ফুলের মধ্যে পরাগায়ন ঘটে। এর ফলে জিনগত আদান-প্রদান ঘটে, যার কারণে নতুন বংশধরের মধ্যে বৈচিত্র্য দেখা দেয়। পরপরাগায়নের ফলে উৎপন্ন বীজগুলো তুলনামূলকভাবে বেশি জীবনীশক্তিসম্পন্ন এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন হয়। সুতরাং, প্রজাতির দীর্ঘমেয়াদী অস্তিত্ব রক্ষায় পেঁপের পরপরাগায়ন অধিক কার্যকরী। কারণ জিনগত বৈচিত্র্য প্রজাতিকে রোগবালাই ও অন্যান্য প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে টিকে থাকতে সাহায্য করে।
SSCজীববিজ্ঞানঅধ্যায়-১১ : জীবে প্রজনন
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1."পরাগায়নের মাধ্যম"-এর উপর একটি সংক্ষিপ্ত টীকা লেখো।

"পরাগায়নের মাধ্যম"-এর উপর একটি সংক্ষিপ্ত টীকা লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.পর-পরাগায়ন কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

পর-পরাগায়ন কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.লাউ কী ধরনের ফুল? ব্যাখ্যা করো।

লাউ কী ধরনের ফুল? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.ফুলের বৃতি অপেক্ষা দলের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন কেন?

ফুলের বৃতি অপেক্ষা দলের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.নিষেকের ফলে কী হয়? ব্যাখ্যা করো।

নিষেকের ফলে কী হয়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সালোকসংশ্লেষণ ও শ্বসন প্রক্রিয়ার পার্থক্য লেখো।

সালোকসংশ্লেষণ ও শ্বসন প্রক্রিয়ার পার্থক্য লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.নাইট্রোজেন কীভাবে সালোকসংশ্লেষণের গতি নিয়ন্ত্রণ করে, ব্যাখ্যা করো।

নাইট্রোজেন কীভাবে সালোকসংশ্লেষণের গতি নিয়ন্ত্রণ করে, ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.অ্যান্টিবায়োসিস বলতে কী বুঝায়?

অ্যান্টিবায়োসিস বলতে কী বুঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.কীভাবে সস্যকলার উৎপত্তি ঘটে?

কীভাবে সস্যকলার উৎপত্তি ঘটে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.ফলের উৎপত্তি কীভাবে হয়?

ফলের উৎপত্তি কীভাবে হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.দ্বিনিষেক বলতে কী বুঝ?

দ্বিনিষেক বলতে কী বুঝ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ধানকে বায়ুপরাগী উদ্ভিদ বলা হয় কেন?

ধানকে বায়ুপরাগী উদ্ভিদ বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।