শেয়ারFacebookWhatsApp

চিত্রে বিদ্যমান যেকোনো একটি খাদ্যশৃঙ্খলের শক্তি প্রবাহ ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: উদ্দীপকের চিত্র থেকে একটি খাদ্যশৃঙ্খল হলো- গম গাছ (উৎপাদক) → ফড়িং → ব্যাঙ → সাপ → ঈগল। নিচে খাদ্যশৃঙ্খলটির শক্তি প্রবাহ ব্যাখ্যা করা হলো- পৃথিবীতে সূর্য থেকে যতটুকু আলোক শক্তি আসে তার শতকরা ১ থেকে ২ ভাগ কাজে লাগিয়ে সবুজ উদ্ভিদ (গম গাছ) শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে। অর্থাৎ সর্ব প্রথমে সবুজ উদ্ভিদে শক্তি স্থিতিশীল হয়। সবুজ উদ্ভিদ (গম গাছ) খেয়ে বেঁচে থাকে ফড়িং। এভাবে সবুজ উদ্ভিদ থেকে শক্তি ফড়িং এ পৌঁছায়। এরপর ফড়িংকে খায় ব্যাঙ, ব্যাঙকে খায় সাপ। এভাবে ব্যাঙ ও সাপে শক্তি সঞ্চায়িত হচ্ছে। শেষ পর্যায়ে সাপকে খায় ঈগল। ফলে শক্তি ঈগলে সঞ্চারিত হয়। ঈগল মরে গেলে বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক ঈগল-এর মৃতদেহ পচিয়ে ফেলে। ফলে শক্তি পুনরায় মাটিতে ফিরে আসে। সবুজ উদ্ভিদ (গম গাছ) পুনরায় মাটি থেকে শক্তি শোষণ করে নেয়। এভাবে বাস্তুতন্ত্রে খাদ্য শিকলের মাধ্যমে শক্তির প্রবাহ প্রতিনিয়ত আবর্তিত হচ্ছে।

SSC জীববিজ্ঞান অধ্যায়-১২ : জীবের বংশগতি ও জৈব অভিব্যক্তি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · জীববিজ্ঞান · অধ্যায়-১২ : জীবের বংশগতি ও জৈব অভিব্যক্তি · সৃজনশীল

চিত্রে বিদ্যমান যেকোনো একটি খাদ্যশৃঙ্খলের শক্তি প্রবাহ ব্যাখ্যা করো।

উদ্দীপক

নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ করো- question image

উত্তর

একটি জীব কর্তৃক সৃষ্ট জৈব রাসায়নিক পদার্থের কারণে যদি অন্য জীবের বৃদ্ধি ও বিকাশ আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে বাধাগ্রস্ত হয় অথবা মৃত্যু ঘটে তখন সেই প্রক্রিয়াই হলো অ্যান্টিবায়োসিস।

উত্তর

লাইকেন এর মধ্যে ধনাত্মক আন্ত:ক্রিয়া দেখা গেলেও স্বর্ণলতায় ঋণাত্মক আন্ত:ক্রিয়া দেখা যায়; কারণ ছত্রাক ও শৈবাল মিলে লাইকেন তৈরি করে। লাইকেনে শৈবালসমূহ ছত্রাকের কাছে আশ্রয় এবং ছত্রাকসমূহ শৈবালের কাছে পুষ্টি লাভ করে। পরস্পরের এই আন্ত:ক্রিয়ায় পরস্পর উপকৃত হয়। তাই লাইকেন গঠন একটি ধনাত্মক আন্ত:ক্রিয়া। অন্যদিকে, স্বর্ণলতা হস্টোরিয়া নামক চোযক অঙ্গের মাধ্যমে আশ্রয়দাতা উদ্ভিদ থেকে খাদ্যসংগ্রহ বা শোষণ করে ফলে আশ্রয়দাতা উদ্ভিদ প্রয়োজনীয় পুষ্টি থেকে বঞ্চিত হয় বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ কারণেই স্বর্ণলতাকে ঋণাত্মক আন্ত:ক্রিয়া বলা হয়।

উত্তর

উদ্দীপকের চিত্র থেকে একটি খাদ্যশৃঙ্খল হলো- গম গাছ (উৎপাদক) → ফড়িং → ব্যাঙ → সাপ → ঈগল। নিচে খাদ্যশৃঙ্খলটির শক্তি প্রবাহ ব্যাখ্যা করা হলো- পৃথিবীতে সূর্য থেকে যতটুকু আলোক শক্তি আসে তার শতকরা ১ থেকে ২ ভাগ কাজে লাগিয়ে সবুজ উদ্ভিদ (গম গাছ) শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে। অর্থাৎ সর্ব প্রথমে সবুজ উদ্ভিদে শক্তি স্থিতিশীল হয়। সবুজ উদ্ভিদ (গম গাছ) খেয়ে বেঁচে থাকে ফড়িং। এভাবে সবুজ উদ্ভিদ থেকে শক্তি ফড়িং এ পৌঁছায়। এরপর ফড়িংকে খায় ব্যাঙ, ব্যাঙকে খায় সাপ। এভাবে ব্যাঙ ও সাপে শক্তি সঞ্চায়িত হচ্ছে। শেষ পর্যায়ে সাপকে খায় ঈগল। ফলে শক্তি ঈগলে সঞ্চারিত হয়। ঈগল মরে গেলে বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক ঈগল-এর মৃতদেহ পচিয়ে ফেলে। ফলে শক্তি পুনরায় মাটিতে ফিরে আসে। সবুজ উদ্ভিদ (গম গাছ) পুনরায় মাটি থেকে শক্তি শোষণ করে নেয়। এভাবে বাস্তুতন্ত্রে খাদ্য শিকলের মাধ্যমে শক্তির প্রবাহ প্রতিনিয়ত আবর্তিত হচ্ছে।

উত্তর

উদ্দীপকের চিত্রে ব্যাঙ হলো দ্বিতীয় স্তরের খাদক। ব্যাঙের যদি বিলুপ্তি ঘটে, তবে বাস্তুতন্ত্রে যে পরিবর্তন ঘটবে নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- পরিবেশের উপাদানসমূহ পরস্পরের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে সম্পর্কযুক্ত। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার স্বার্থেই এ জটিল সম্পর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বিপুল সংখ্যক জীবের তৎপরতার মধ্য দিয়ে পরিবেশে এ ভারসাম্য প্রতিষ্ঠিত হয়। পরিবেশে কেবলমাত্র একটি প্রজাতির বিলুপ্তি বিরাট বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। যেমনটি ঘটতে পারে দ্বিতীয় স্তরের খাদক ব্যাঙের বিলুপ্তির ফলে। একটি পূর্ণবয়স্ক ব্যাঙ একদিনে তার ওজনের সমপরিমাণ পোকামাকড় (ঘাসফড়িং) খেতে পারে। যা উৎপাদকের (গম গাছ) রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে। আর ব্যাঙ বিলুপ্ত হলে ফড়িং (পোকামাকড়) এর প্রাকৃতিক খাদক কমে যাবে, ফলে ফড়িং এর সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাবে। আবার ব্যাঙ বিলুপ্ত হলে সাপ এবং ব্যাঙ খায় এমন পাখিদের (চিত্রে ঈগল) অভাব দেখা দিবে। এর ফলে সাপ ও ঈগলের সংখ্যা কমে যেতে পারে বা তারা অন্য জায়গায় চলে যেতে পারে। ফলে বাস্তুতন্ত্রে দেখা দিবে বিশৃঙ্খলা। এজন্য বাস্তুতন্ত্রের দ্বিতীয় স্তরের খাদক ব্যাঙের মতো খাদ্য শিকলে বা খাদ্যজালের যেকোনো স্তরের খাদকের অবস্থান তাদের নিজ নিজ জায়গায় যেমন গুরুত্বপূর্ণ তেমনি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। উপর্যুক্ত বিশ্লেষণ থেকে বলা যায়, উদ্দীপকের চিত্রে দ্বিতীয় স্তরের খাদক ব্যাঙের বিলুপ্তি ঘটলে পুরো বাস্ততন্ত্র ভারসাম্যহীন হয়ে পড়বে।
SSCজীববিজ্ঞানঅধ্যায়-১২ : জীবের বংশগতি ও জৈব অভিব্যক্তি
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.DNA একটি কেন্দ্রীয় অণু যা নিজের প্রতিরূপ তৈরির ক্ষেত্রে অর্ধ-সংরক্ষণশীল পদ্ধতি অনুসরণ করে। এই পদ্ধতিটি বর্ণনা করো।

DNA একটি কেন্দ্রীয় অণু যা নিজের প্রতিরূপ তৈরির ক্ষেত্রে অর্ধ-সংরক্ষণশীল পদ্ধতি অনুসরণ করে। এই পদ্ধতিটি বর্ণনা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.থ্যালাসেমিয়া একটি জিনগত ত্রুটি কেন? ব্যাখ্যা করো।

থ্যালাসেমিয়া একটি জিনগত ত্রুটি কেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.অর্ধ-সংরক্ষণশীল পদ্ধতি বলতে কী বুঝ? ব্যাখ্যা করো।

অর্ধ-সংরক্ষণশীল পদ্ধতি বলতে কী বুঝ? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.যোগ্যতমের উর্ধ্বতন বলতে কী বুঝায়?

যোগ্যতমের উর্ধ্বতন বলতে কী বুঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.থ্যালাসেমিয়ার চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যাখ্যা করো।

থ্যালাসেমিয়ার চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সেক্স ক্রোমোজোম কী?

সেক্স ক্রোমোজোম কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.প্রকৃতিতে কীভাবে নতুন প্রজাতির শস্যের উদ্ভব ঘটে? ব্যাখ্যা করো।

প্রকৃতিতে কীভাবে নতুন প্রজাতির শস্যের উদ্ভব ঘটে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.ক্রোমোজোম বলতে কী বুঝায়?

ক্রোমোজোম বলতে কী বুঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.থ্যালাসেমিয়া রোগটি বর্ণনা করো।

থ্যালাসেমিয়া রোগটি বর্ণনা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.DNA অনুলিপন ব্যাখ্যা করো।

DNA অনুলিপন ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.DNA অনুলিপন বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো।

DNA অনুলিপন বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.লিমুলাস কোন ধরনের ফসিল? ব্যাখ্যা করো।

লিমুলাস কোন ধরনের ফসিল? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।