সুমনের রোগটির উপযুক্ত চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: উদ্দীপকের সুমন থ্যালাসেমিয়াতে আক্রান্ত। এই রোগটি একটি বংশগত রোগ। এই রোগের কারণে জন্মের পূর্বেই মায়ের পেটে শিশুর মৃত্যু হতে পারে। আর থ্যালাসেমিয়া মেজরে আক্রান্ত শিশুরা জন্মের পর প্রথম বছরেই জটিল রক্তশূন্যতায় ভোগে। যেহেতু রোগটি বংশগত, তাই এই রোগের কোনো স্থায়ী সমাধান নেই। তবে নির্দিষ্ট সময় পরপর রক্ত প্রদান ও নির্দিষ্ট ওষুধ খাইয়ে থ্যালাসেমিয়া চিকিৎসা দেওয়া হয়। এই রোগটি ধরা পড়লে লৌহসমৃদ্ধ ফল বা ওষুধ পরিহার করা উচিত। কারণ লৌহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জমে গিয়ে বিভিন্ন অজৈব ক্ষতি সাধন করবে। এই রোগটি প্রতিরোধ করা সম্ভম্ব। তবে তা করতে একটি ছেলে ও মেয়ের বিয়ের আগেই রক্ত পরীক্ষা করে দেখতে হবে যে, তাদের কারও থ্যালাসেমিয়া আছে কি না বা তারা কেউ বাহক কি না। যেহেতু বাবা-মার থেকে সহজেই একটি শিশু এই রোগে আক্রান্ত হয় তাই বিয়ের আগেই বিষয়টি নিশ্চিত হলে অনাকাঙ্ক্ষিত এই রোগটি এড়ানো সম্ভব।
SSC জীববিজ্ঞান অধ্যায়-১২ : জীবের বংশগতি ও জৈব অভিব্যক্তি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · জীববিজ্ঞান · অধ্যায়-১২ : জীবের বংশগতি ও জৈব অভিব্যক্তি · সৃজনশীল
সুমনের রোগটির উপযুক্ত চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপক
Barisal · 2023
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর
RR – সুস্থ সন্তান
Rr - থ্যালাসেমিয়া বাহক সন্তান
rr – থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত সন্তান (সুমন)
সুস্থ সন্তান : থ্যালাসেমিয়া বাহক সন্তান : থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত
সন্তান = 1:2:1
অর্থাৎ পিতা মাতা উভয়ই থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহক হলে তাদের সুস্থ শিশু হওয়ার সম্ভাবনা ২৫%। থ্যালাসেমিয়া বাহক শিশু জন্মানোর সম্ভাবনা ৫০% এবং থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত শিশুর সম্ভাবনা ২৫%।
সুতরাং বলা যায় যে, সুমনের অন্য ভাইবোন থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহক হলেও উক্ত রোগে আক্রান্ত হবার কোন আশংকা নেই।