শেয়ারFacebookWhatsApp

“২নং-এর সাথে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের আনুষ্ঠানিকতা শুরুর সম্পর্ক রয়েছে”- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: ২নং এর সাথে অর্থাৎ ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের বঙ্গবন্ধুর ভাষণের সাথে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক শুরুর সম্পর্ক রয়েছে। জাদুর স্পর্শে বাঙালি জাতিকে বীরের জাতিতে রূপান্তরিত করার এই ভাষণ বিশ্বের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অনন্য দৃষ্টান্ত। রাজনৈতিকভাবে চরম দুর্যোগময় একটি পরিস্থিতিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৭ই মার্চের ভাষণ প্রদান করেন। এ ভাষণে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ডাক দেন এবং জনগণকে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান করেন। রেসকোর্স ময়দানের এ ভাষণে বঙ্গবন্ধু পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকদের দুঃশাসন ও শোষণ, বঞ্চনার ইতিহাস, নির্বাচনে জয়ের পরও ক্ষমতা হস্তান্তরে টালবাহানার কথা বলেন। এ ভাষণে বঞ্চনার বেড়াজাল ছিন্ন করতে বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার প্রেরণা ও নির্দেশনা প্রদান করেন। উদ্দীপকের ২নং এ দেওয়া আছে "রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরও দেবো... এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম... এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।” এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ। এ ভাষণের মাধ্যমেই বাঙালি জাতি সম্মিলিতভাবে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার অনুপ্রেরণা পেয়েছিল। মূলত ৭ মার্চের ভাষণেই বাঙালি জাতির গন্তব্য নির্ধারিত হয় এবং জনগণ মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি নেয়। এ ভাষণে বঙ্গবন্ধু প্রতিরোধ সংগ্রাম, যুদ্ধের কলাকৌশল ও শত্রু মোকাবিলার উপায় সম্পর্কেও দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। এ ঘোষণা ও কর্মসূচিতে সাড়া দিয়ে সকল স্তরের জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। পরবর্তীতে নয় মাস যুদ্ধের মাধ্যমে আমরা বিজয় লাভ করি। উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের ধারাবাহিকতায়ই মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়। পরবর্তীতে সশস্ত্র যুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। অতএব ৭ মার্চের ভাষণের সাথে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরুর সম্পর্ক রয়েছে বলা যায়।

SSC বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায়-১ : পূর্ব বাংলার আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদের উত্থান (১৯৪৭-১৯৭০) (Full Syllabus) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় · অধ্যায়-১ : পূর্ব বাংলার আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদের উত্থান (১৯৪৭-১৯৭০) (Full Syllabus) · সৃজনশীল

“২নং-এর সাথে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের আনুষ্ঠানিকতা শুরুর সম্পর্…

উদ্দীপক

বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসে শিক্ষক ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদেরকে দুটি অডিও রেকর্ড শোনান। অডিও রেকর্ডে একজন নেতার বলিষ্ঠ কণ্ঠে উচ্চারিত হয়- ১নং : "---- ইহাই হয়ত আমার শেষ বার্তা, আজ হইতে বাংলাদেশ স্বাধীন ------"। ২নং : "---- রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরও দেব, এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম----"।

Jessore · 2023

উত্তর

ছয়দফা কর্মসূচি হলো বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ।

উত্তর

মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ সরাসরি অংশগ্রহণ করে বিজয় অর্জনকে ত্বরান্বিত করেছিল। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের বিরাট অংশ সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে। অনেকে ভারতে প্রশিক্ষণ গ্রহণ শেষে দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে প্রতিরোধ করে। মুক্তিবাহিনীতে একক গোষ্ঠী হিসেবে ছাত্রছাত্রীদের সংখ্যা ছিল সবচেয়ে বেশি। মুক্তিযুদ্ধে ছাত্র সমাজের মহান আত্মত্যাগ ব্যতীত বিজয় অর্জন কঠিন হতো।

উত্তর

উদ্দীপকের ১নং-এ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাটি ফুটে উঠেছে। বাংলাদেশ যখন স্বাধীনতার পথে অগ্রসর হচ্ছে তখন বাঙালির স্বাধীনতা আন্দোলনকে অঙ্কুরে বিনষ্ট করতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে ইতিহাসের বর্বরতম গণহত্যা 'অপারেশন সার্চলাইট' চালায়। ইয়াহিয়া খানের নির্দেশে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং বহু মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করে। ঐদিন রাতেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়া হয়। গ্রেফতার হওয়ার পূর্ব মুহূর্তে অর্থাৎ ২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। ঘোষণাটি ছিল ইংরেজিতে যার বাংলা অনুবাদ ছিল: "ইহাই হয়ত আমার শেষ বার্তা, আজ হইতে বাংলাদেশ স্বাধীন। চূড়ান্ত বিজয় অর্জন না করা পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাও।” স্বাধীনতার এ ঘোষণা বাংলাদেশের সকল স্থানে তদানীন্তন ইপিআর এর ট্রান্সমিটার, টেলিগ্রাম ও টেলিপ্রিন্টারের মাধ্যমে প্রচার করা হয়। স্বাধীনতার ঘোষণায় উজ্জীবিত হয়ে বাঙালি ছাত্র, জনতা, পুলিশ, ইপিআর সাহসিকতার সাথে হানাদার বাহিনীর বিপক্ষে যুদ্ধে নামে। উদ্দীপকের ১নং লেখা আছে, "ইহাই হয়ত আমার শেষ বার্তা, আজ হইতে বাংলাদেশ স্বাধীন।” এটা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক দেওয়া বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণার প্রথম অংশ। উক্ত ঘোষণার সাথে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশের সূচনা। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের ১নং-এ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা ফুটে উঠেছে।

উত্তর

২নং এর সাথে অর্থাৎ ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের বঙ্গবন্ধুর ভাষণের সাথে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক শুরুর সম্পর্ক রয়েছে। জাদুর স্পর্শে বাঙালি জাতিকে বীরের জাতিতে রূপান্তরিত করার এই ভাষণ বিশ্বের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অনন্য দৃষ্টান্ত। রাজনৈতিকভাবে চরম দুর্যোগময় একটি পরিস্থিতিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৭ই মার্চের ভাষণ প্রদান করেন। এ ভাষণে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ডাক দেন এবং জনগণকে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান করেন। রেসকোর্স ময়দানের এ ভাষণে বঙ্গবন্ধু পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকদের দুঃশাসন ও শোষণ, বঞ্চনার ইতিহাস, নির্বাচনে জয়ের পরও ক্ষমতা হস্তান্তরে টালবাহানার কথা বলেন। এ ভাষণে বঞ্চনার বেড়াজাল ছিন্ন করতে বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার প্রেরণা ও নির্দেশনা প্রদান করেন। উদ্দীপকের ২নং এ দেওয়া আছে "রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরও দেবো... এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম... এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।” এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ। এ ভাষণের মাধ্যমেই বাঙালি জাতি সম্মিলিতভাবে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার অনুপ্রেরণা পেয়েছিল। মূলত ৭ মার্চের ভাষণেই বাঙালি জাতির গন্তব্য নির্ধারিত হয় এবং জনগণ মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি নেয়। এ ভাষণে বঙ্গবন্ধু প্রতিরোধ সংগ্রাম, যুদ্ধের কলাকৌশল ও শত্রু মোকাবিলার উপায় সম্পর্কেও দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। এ ঘোষণা ও কর্মসূচিতে সাড়া দিয়ে সকল স্তরের জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। পরবর্তীতে নয় মাস যুদ্ধের মাধ্যমে আমরা বিজয় লাভ করি। উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের ধারাবাহিকতায়ই মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়। পরবর্তীতে সশস্ত্র যুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। অতএব ৭ মার্চের ভাষণের সাথে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরুর সম্পর্ক রয়েছে বলা যায়।
SSCবাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়অধ্যায়-১ : পূর্ব বাংলার আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদের উত্থান (১৯৪৭-১৯৭০) (Full Syllabus)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জিহাদের দাদা আবুল হোসেন দেশের গল্প শোনাতে গিয়ে জিহাদকে একটি আন্দোলনের বর্ণনা দিলেন। যা ৪০ এর দশকে শুরু হয়ে ৫০ এর দশকে শেষ হয় এবং এ আন্দোলনে অনেক ছাত্র জনতা শহিদ হয়। দাদার দেওয়া একটি বই পড়ে জিহাদ আরও জানতে পারল এ দেশের একজন মহান নেতা জনগণের অধিকার আদায়ে শাসকগোষ্ঠীর কাছে তার অঞ্চলের জন্য মুদ্রা, প্রতিরক্ষা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তাসহ ভোটাধিকারের দাবি পেশ করেন।

Dhaka · 2023

ক
বাঙালি জাতীয়তাবাদ কাকে বলে?
খ
পাকিস্তান সরকারকে কীভাবে আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করতে বাধ্য করা হয়?
গ
উদ্দীপকে জিহাদের দাদা যে আন্দোলনের কথা শোনালেন তা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে বর্ণিত মহান নেতার পেশকৃত দাবিনামা বাঙীলর অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করে- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জিহাদের দাদা আবুল হোসেন দেশের গল্প শোনাতে গিয়ে জিহাদকে একটি আন্দোলনের বর্ণনা দিলেন। যা ৪০ এর দশকে শুরু হয়ে ৫০ এর দশকে শেষ হয় এবং এ আন্দোলনে অনেক ছাত্র জনতা শহিদ হয়। দাদার দেওয়া একটি বই পড়ে জিহাদ আরও জানতে পারল এ দেশের একজন মহান নেতা জনগণের অধিকার আদায়ে শাসকগোষ্ঠীর কাছে তার অঞ্চলের জন্য মুদ্রা, প্রতিরক্ষা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তাসহ ভোটাধিকারের দাবি পেশ করেন।

Dhaka · 2023

ক
বাঙালি জাতীয়তাবাদ কাকে বলে?
খ
পাকিস্তান সরকারকে কীভাবে আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করতে বাধ্য করা হয়?
গ
উদ্দীপকে জিহাদের দাদা যে আন্দোলনের কথা শোনালেন তা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে বর্ণিত মহান নেতার পেশকৃত দাবিনামা বাঙীলর অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করে- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.পাকিস্তান সরকারকে কীভাবে আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করতে বাধ্য করা হয়?

পাকিস্তান সরকারকে কীভাবে আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করতে বাধ্য করা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাঙালি জাতীয়তাবাদ কাকে বলে?

বাঙালি জাতীয়তাবাদ কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নির্বাচন বিষয়ক এক আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে আজমল হোসেন বলেন, "এটি পাকিস্তান আমলের নির্বাচন যাতে চারটি দল সম্মিলিতভাবে অংশগ্রহণ করে জয়ী হয় এবং তারা সরকার গঠন করে"। তিনি আরেকটি নির্বাচনের কথাও উল্লেখ করে বলেন, 'এটি এক ব্যক্তির এক ভোটের ভিত্তিতে অনুষ্ঠিতব্য সাধারণ নির্বাচন এবং এ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের প্রধান রাজনৈতিক দল বিপুল ভোটে বিজয়ী হন।"

Mymensingh · 2023

ক
তমদ্দুন মজলিস কী?
খ
৬-দফাকে বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকের শুরুতে কোন নির্বাচনের কথা বলা হয়েছে? ব্যখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকের ২য় নির্বাচনটি ছিল বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপদান”- সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নির্বাচন বিষয়ক এক আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে আজমল হোসেন বলেন, "এটি পাকিস্তান আমলের নির্বাচন যাতে চারটি দল সম্মিলিতভাবে অংশগ্রহণ করে জয়ী হয় এবং তারা সরকার গঠন করে"। তিনি আরেকটি নির্বাচনের কথাও উল্লেখ করে বলেন, 'এটি এক ব্যক্তির এক ভোটের ভিত্তিতে অনুষ্ঠিতব্য সাধারণ নির্বাচন এবং এ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের প্রধান রাজনৈতিক দল বিপুল ভোটে বিজয়ী হন।"

Mymensingh · 2023

ক
তমদ্দুন মজলিস কী?
খ
৬-দফাকে বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকের শুরুতে কোন নির্বাচনের কথা বলা হয়েছে? ব্যখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকের ২য় নির্বাচনটি ছিল বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপদান”- সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.৬-দফাকে বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ বলা হয় কেন?

৬-দফাকে বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.তমদ্দুন মজলিস কী?

তমদ্দুন মজলিস কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জিহাদের দাদা আবুল হোসেন দেশের গল্প শোনাতে গিয়ে জিহাদকে একটি আন্দোলনের বর্ণনা দিলেন। যা ৪০ এর দশকে শুরু হয়ে ৫০ এর দশকে শেষ হয় এবং এ আন্দোলনে অনেক ছাত্র জনতা শহিদ হয়। দাদার দেওয়া একটি বই পড়ে জিহাদ আরও জানতে পারল এ দেশের একজন মহান নেতা জনগণের অধিকার আদায়ে শাসকগোষ্ঠীর কাছে তার অঞ্চলের জন্য মুদ্রা, প্রতিরক্ষা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তাসহ ভোটাধিকারের দাবি পেশ করেন।

Dinajpur · 2023

ক
বাঙালি জাতীয়তাবাদ কাকে বলে?
খ
পাকিস্তান সরকারকে কীভাবে আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করতে বাধ্য করা হয়?
গ
উদ্দীপকে জিহাদের দাদা যে আন্দোলনের কথা শোনালেন তা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে বর্ণিত মহান নেতার পেশকৃত দাবিনামা বাঙঙ্গীলর অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করে- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জিহাদের দাদা আবুল হোসেন দেশের গল্প শোনাতে গিয়ে জিহাদকে একটি আন্দোলনের বর্ণনা দিলেন। যা ৪০ এর দশকে শুরু হয়ে ৫০ এর দশকে শেষ হয় এবং এ আন্দোলনে অনেক ছাত্র জনতা শহিদ হয়। দাদার দেওয়া একটি বই পড়ে জিহাদ আরও জানতে পারল এ দেশের একজন মহান নেতা জনগণের অধিকার আদায়ে শাসকগোষ্ঠীর কাছে তার অঞ্চলের জন্য মুদ্রা, প্রতিরক্ষা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তাসহ ভোটাধিকারের দাবি পেশ করেন।

Dinajpur · 2023

ক
বাঙালি জাতীয়তাবাদ কাকে বলে?
খ
পাকিস্তান সরকারকে কীভাবে আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করতে বাধ্য করা হয়?
গ
উদ্দীপকে জিহাদের দাদা যে আন্দোলনের কথা শোনালেন তা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে বর্ণিত মহান নেতার পেশকৃত দাবিনামা বাঙঙ্গীলর অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করে- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.পাকিস্তান সরকারকে কীভাবে আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করতে বাধ্য করা হয়?

পাকিস্তান সরকারকে কীভাবে আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করতে বাধ্য করা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.বাঙালি জাতীয়তাবাদ কাকে বলে?

বাঙালি জাতীয়তাবাদ কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকে বর্ণিত মহান নেতার পেশকৃত দাবিনামা বাঙীলর অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করে- বউদ্দীপকে জিহাদের দাদা যে আন্দোলনের কথা শোনালেন তা ব্যাখ্যা কর।পাকিস্তান সরকারকে কীভাবে আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করতে বাধ্য করা হয়?বাঙালি জাতীয়তাবাদ কাকে বলে?"উদ্দীপকের ২য় নির্বাচনটি ছিল বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপদান”- সপউদ্দীপকের শুরুতে কোন নির্বাচনের কথা বলা হয়েছে? ব্যখ্যা কর।৬-দফাকে বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ বলা হয় কেন?তমদ্দুন মজলিস কী?উদ্দীপকে বর্ণিত মহান নেতার পেশকৃত দাবিনামা বাঙঙ্গীলর অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করেউদ্দীপকে জিহাদের দাদা যে আন্দোলনের কথা শোনালেন তা ব্যাখ্যা কর।পাকিস্তান সরকারকে কীভাবে আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করতে বাধ্য করা হয়?বাঙালি জাতীয়তাবাদ কাকে বলে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।