শেয়ারFacebookWhatsApp

কমল বাবুর অনুসরণকৃত পদ্ধতিতে কি ঈশ্বর লাভ সম্ভব? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর: হ্যাঁ, কমল বাবুর অনুসরণকৃত পদ্ধতি তথা ঈশ্বরজ্ঞানে জীবসেবার মাধ্যমে ঈশ্বর লাভ করা যায়। সাধারণ অর্থে 'সেবা' বলতে পরিচর্যা করা বোঝায়। যেমন- অতিথি সেবা, জীবসেবা, ঈশ্বর সেবা প্রভৃতি। অপরের সন্তোষ বিধানের জন্য দেহ ও মনের সমন্বয়ে কল্যাণকর যে কাজ করা হয় তাকে সেবা বলে। জীবসেবা বলতে জীবের পরিচর্যা, সংরক্ষণ ও বৃদ্ধি করাকে বোঝায়। এ ছাড়াও বুদ্ধি দিয়ে, পরামর্শ দিয়ে, সহানুভূতি জানিয়ে, বিপদে পাশে দাঁড়িয়ে নানাভাবে সেবা করা যায়। আমরা জীবের সেবা করব কেন? আমরা জানি, ঈশ্বর জীবাত্মারূপে জীবের মধ্যে অবস্থান করেন। তাই জীবসেবা করলে ঈশ্বরকে সেবা করা হয়। জীবের সেবা করা হিন্দুধর্মের অন্যতম প্রধান ব্রত হিসেবে বিবেচিত। 'যত্র জীবঃ তত্র শিবঃ'। অর্থাৎ যেখানে জীব সেখানেই শিব। এখানে শিব বলতে ঈশ্বরের কথাই বোঝানো হয়েছে। স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন: 'বহুরূপে সম্মুখে তোমার ছাড়ি কোথা খুঁজিছ ঈশ্বর জীবে প্রেম করে যেইজন, সেইজন সেবিছে ঈশ্বর।' এ কথার তাৎপর্য এই যে, বহুরূপে অর্থাৎ বহুজীবরূপে ঈশ্বর আমাদের সম্মুখেই আছেন। তাই তাঁকে খুঁজে বেড়ানোর দরকার নেই। যিনি জীবকে ভালোবাসেন, তিনি সেই সেবার মধ্য দিয়ে ঈশ্বরের সেবা করেন। তাই হিন্দুধর্মে জীবকে ঈশ্বর বা ব্রহ্মজ্ঞানে সেবা করতে বলা হয়েছে। কারণ জীবকে সেবা করলেই ঈশ্বরের সেবা করা হয়। সুতরাং বলা যায়, কমল বাবুর অনুসরণকৃত পদ্ধতিতে ঈশ্বর লাভ করা সম্ভব।

SSC হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা অধ্যায়-১ : স্রষ্টা ও সৃষ্টি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা · অধ্যায়-১ : স্রষ্টা ও সৃষ্টি · সৃজনশীল

কমল বাবুর অনুসরণকৃত পদ্ধতিতে কি ঈশ্বর লাভ সম্ভব? তোমার উত্তরের সপক্…

উদ্দীপক

অমল বাবু প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে সূর্যকে প্রণাম করেন। স্নান সেরে তিনি মন্দিরে গিয়ে বিভিন্ন উপাচারের মাধ্যমে দেবতার পূজা করেন। অপরদিকে কমল বাবু প্রতিদিন সকালে বাগান পরিচর্যা করেন এবং গরিব-দুঃখীদের বিভিন্নভাবে আর্থিক সহযোগিতা করেন।

Dhaka · 2025

উত্তর

অপরের সন্তুষ্টির জন্য দেহ ও মনের সমন্বয়ে কল্যাণকর কাজকেই সেবা বলে।

উত্তর

যঈশ্বর সাকার ও নিরাকার-উভয়ই। কোনো প্রতীক বা আকারকে যখন ঈশ্বর রূপে কল্পনা করে উপাসনা করা হয় তখন সেটাকে ঈশ্বরের সাকার রূপ বলা হয়। আর যখন ধ্যান, উপলব্ধির মাধ্যমে ঈশ্বরকে উপাসনা করা হয় তখন তাকে ঈশ্বরের নিরাকার রূপ বলা হয়। গীতায় বলা হয়েছে, যারা যেভাবে আমাকে ভজনা করে, তাকে সেভাবেই আমি (ঈশ্বর) কৃপা করে থাকি। দেবদেবীগণ ঈশ্বরের বিভিন্ন রূপ। অর্থাৎ নিরাকার ঈশ্বরের সাকার রূপ হচ্ছে দেবদেবী। তাই বলা যায়, ঈশ্বর সাকার, নিরাকার উভয় রূপেই বিদ্যমান।

উত্তর

অমল বাবুর কর্মকাণ্ডের মধ্যে সাকার উপাসনার দিকটি ফুটে উঠেছে। দেব-দেবীরা হলেন ঈশ্বরের সাকার রূপ। ঈশ্বর এ মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা এবং ধ্বংসকর্তা। তিনি নিরাকার, আবার প্রয়োজনে সাকার রূপও ধারণ করেন। ঈশ্বর যখন নিজের কোনো গুণ বা ক্ষমতাকে কোনো বিশেষ আকার বা রূপে প্রকাশ করেন তখন তাদেরকে দেব-দেবী বলা হয়। যেমন- ব্রহ্মা, বিষ্ণু, শিব, দুর্গা, সরস্বতী ইত্যাদি। সাকার বা প্রতীক উপাসনা বিভিন্ন দেব-দেবীকে খুশি করার জন্য করা হয়। এ সময় দেব-দেবীর মূর্তি তৈরি করে তার সামনে পূজা করা হয়। উদ্দীপকে দেখা যায়, অমল বাবু প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে সূর্যকে প্রণাম করেন। স্নান সেরে তিনি মন্দিরে গিয়ে বিভিন্ন উপাচারের মাধ্যমে দেবতার পূজা করেন, যা পাঠ্যবইয়ের সাকার উপাসনার সাথে মিল রয়েছে। তাই বলা যায়, অমল বাবুর কর্মকাণ্ডে সাকার উপাসনার দিকটি ফুটে উঠেছে।

উত্তর

হ্যাঁ, কমল বাবুর অনুসরণকৃত পদ্ধতি তথা ঈশ্বরজ্ঞানে জীবসেবার মাধ্যমে ঈশ্বর লাভ করা যায়। সাধারণ অর্থে 'সেবা' বলতে পরিচর্যা করা বোঝায়। যেমন- অতিথি সেবা, জীবসেবা, ঈশ্বর সেবা প্রভৃতি। অপরের সন্তোষ বিধানের জন্য দেহ ও মনের সমন্বয়ে কল্যাণকর যে কাজ করা হয় তাকে সেবা বলে। জীবসেবা বলতে জীবের পরিচর্যা, সংরক্ষণ ও বৃদ্ধি করাকে বোঝায়। এ ছাড়াও বুদ্ধি দিয়ে, পরামর্শ দিয়ে, সহানুভূতি জানিয়ে, বিপদে পাশে দাঁড়িয়ে নানাভাবে সেবা করা যায়। আমরা জীবের সেবা করব কেন? আমরা জানি, ঈশ্বর জীবাত্মারূপে জীবের মধ্যে অবস্থান করেন। তাই জীবসেবা করলে ঈশ্বরকে সেবা করা হয়। জীবের সেবা করা হিন্দুধর্মের অন্যতম প্রধান ব্রত হিসেবে বিবেচিত। 'যত্র জীবঃ তত্র শিবঃ'। অর্থাৎ যেখানে জীব সেখানেই শিব। এখানে শিব বলতে ঈশ্বরের কথাই বোঝানো হয়েছে। স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন: 'বহুরূপে সম্মুখে তোমার ছাড়ি কোথা খুঁজিছ ঈশ্বর জীবে প্রেম করে যেইজন, সেইজন সেবিছে ঈশ্বর।' এ কথার তাৎপর্য এই যে, বহুরূপে অর্থাৎ বহুজীবরূপে ঈশ্বর আমাদের সম্মুখেই আছেন। তাই তাঁকে খুঁজে বেড়ানোর দরকার নেই। যিনি জীবকে ভালোবাসেন, তিনি সেই সেবার মধ্য দিয়ে ঈশ্বরের সেবা করেন। তাই হিন্দুধর্মে জীবকে ঈশ্বর বা ব্রহ্মজ্ঞানে সেবা করতে বলা হয়েছে। কারণ জীবকে সেবা করলেই ঈশ্বরের সেবা করা হয়। সুতরাং বলা যায়, কমল বাবুর অনুসরণকৃত পদ্ধতিতে ঈশ্বর লাভ করা সম্ভব।
SSCহিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষাঅধ্যায়-১ : স্রষ্টা ও সৃষ্টি
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নিচের ছক অনুসারে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও : question image

Mymensingh · 2024

ক
প্রত্যাহার কাকে বলে?
খ
স্মৃতিশাস্ত্র কী? ব্যাখ্যা করো।
গ
তুমি যদি জাগতিক জীবনে মঙ্গল লাভ করতে চাও, তাহলে কোন যুগের ধর্ম বৈশিষ্ট্যকে বেছে নেবে? তোমার পাঠের আলোকে বর্ণনা করো।
ঘ
"আধুনিক যুগে বিভিন্ন মহাপুরুষের উপাসনা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সামাজিক ও ধর্মীয় মতভেদ সৃষ্টি করছে।”- উক্তিটি পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নিচের ছক অনুসারে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও : question image

Mymensingh · 2024

ক
প্রত্যাহার কাকে বলে?
খ
স্মৃতিশাস্ত্র কী? ব্যাখ্যা করো।
গ
তুমি যদি জাগতিক জীবনে মঙ্গল লাভ করতে চাও, তাহলে কোন যুগের ধর্ম বৈশিষ্ট্যকে বেছে নেবে? তোমার পাঠের আলোকে বর্ণনা করো।
ঘ
"আধুনিক যুগে বিভিন্ন মহাপুরুষের উপাসনা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সামাজিক ও ধর্মীয় মতভেদ সৃষ্টি করছে।”- উক্তিটি পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.স্মৃতিশাস্ত্র কী? ব্যাখ্যা করো।

স্মৃতিশাস্ত্র কী? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.প্রত্যাহার কাকে বলে?

প্রত্যাহার কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মিন্টু তার বাবার সাথে বেড়াতে লাউয়াছড়া উদ্যানে যায়। সেখানে প্রকৃতির মনোরম দৃশ্য দেখে মুগ্ধ হয়। গাছপালা, জীবজন্তু, বিভিন্ন জীববৈচিত্র্য দেখে তার মনে অনুভূতির সৃষ্টি হয়। সে বুঝতে পারে, এর মূলে রয়েছেন সুমহান স্রষ্টা, তিনি আদি পুরুষ। জ্ঞানীর কাছে তিনি ব্রহ্ম, যোগীর কাছে পরমাত্মা এবং ভক্তের কাছে ভগবান।

Mymensingh · 2024

ক
যোগসাধনা কাকে বলে?
খ
মহাদেবকে নটরাজ বলা হয় কেন?
গ
প্রকৃতিতে ঈশ্বর সম্পর্কে মিন্টুর ধারণা তোমার পাঠের আলোকে বর্ণনা করো।
ঘ
“জ্ঞানীর কাছে ব্রহ্ম, যোগীর কাছে পরমাত্মা"- উক্তিটি তোমার পঠিত বিষয়ের আলোকে মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মিন্টু তার বাবার সাথে বেড়াতে লাউয়াছড়া উদ্যানে যায়। সেখানে প্রকৃতির মনোরম দৃশ্য দেখে মুগ্ধ হয়। গাছপালা, জীবজন্তু, বিভিন্ন জীববৈচিত্র্য দেখে তার মনে অনুভূতির সৃষ্টি হয়। সে বুঝতে পারে, এর মূলে রয়েছেন সুমহান স্রষ্টা, তিনি আদি পুরুষ। জ্ঞানীর কাছে তিনি ব্রহ্ম, যোগীর কাছে পরমাত্মা এবং ভক্তের কাছে ভগবান।

Mymensingh · 2024

ক
যোগসাধনা কাকে বলে?
খ
মহাদেবকে নটরাজ বলা হয় কেন?
গ
প্রকৃতিতে ঈশ্বর সম্পর্কে মিন্টুর ধারণা তোমার পাঠের আলোকে বর্ণনা করো।
ঘ
“জ্ঞানীর কাছে ব্রহ্ম, যোগীর কাছে পরমাত্মা"- উক্তিটি তোমার পঠিত বিষয়ের আলোকে মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.মহাদেবকে নটরাজ বলা হয় কেন?

মহাদেবকে নটরাজ বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.যোগসাধনা কাকে বলে?

যোগসাধনা কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বিনয় বিদেশ ভ্রমণে যাওয়ার পূর্বে একদিন সন্ধ্যায় তার দাদুর সাথে দেখা করতে গেলে তিনি বললেন, ভ্রমণে সর্বদা তোমাকে যিনি সৃষ্টি করেছেন, তাঁকে স্মরণ করবে। এসময় দাদুর এক প্রতিবেশীর মেয়ে নমিতার কণ্ঠে ঠাকুরের উদ্দেশ্যে গাওয়া ভক্তিমূলক গানের সুর ভেসে আসছিল।

Dinajpur · 2024

ক
সাকার উপাসনা কাকে বলে?
খ
মহাবিশ্বের মহাশক্তি হিসেবে বিশ্বাস এবং পূজা করা হয় কাকে? ব্যাখ্যা কর।
গ
বিনয়ের দাদুর উপদেশের সাথে সংশ্লিষ্ট দেবতার স্বরূপ পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা কর।
ঘ
নমিতা যে কাজে রত ছিল তার প্রয়োজনীয়তা পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বিনয় বিদেশ ভ্রমণে যাওয়ার পূর্বে একদিন সন্ধ্যায় তার দাদুর সাথে দেখা করতে গেলে তিনি বললেন, ভ্রমণে সর্বদা তোমাকে যিনি সৃষ্টি করেছেন, তাঁকে স্মরণ করবে। এসময় দাদুর এক প্রতিবেশীর মেয়ে নমিতার কণ্ঠে ঠাকুরের উদ্দেশ্যে গাওয়া ভক্তিমূলক গানের সুর ভেসে আসছিল।

Dinajpur · 2024

ক
সাকার উপাসনা কাকে বলে?
খ
মহাবিশ্বের মহাশক্তি হিসেবে বিশ্বাস এবং পূজা করা হয় কাকে? ব্যাখ্যা কর।
গ
বিনয়ের দাদুর উপদেশের সাথে সংশ্লিষ্ট দেবতার স্বরূপ পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা কর।
ঘ
নমিতা যে কাজে রত ছিল তার প্রয়োজনীয়তা পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মহাবিশ্বের মহাশক্তি হিসেবে বিশ্বাস এবং পূজা করা হয় কাকে? ব্যাখ্যা কর।

মহাবিশ্বের মহাশক্তি হিসেবে বিশ্বাস এবং পূজা করা হয় কাকে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সাকার উপাসনা কাকে বলে?

সাকার উপাসনা কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

"আধুনিক যুগে বিভিন্ন মহাপুরুষের উপাসনা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সামাজিক ও ধর্মীয় মততুমি যদি জাগতিক জীবনে মঙ্গল লাভ করতে চাও, তাহলে কোন যুগের ধর্ম বৈশিষ্ট্যকে বেছে স্মৃতিশাস্ত্র কী? ব্যাখ্যা করো।প্রত্যাহার কাকে বলে?“জ্ঞানীর কাছে ব্রহ্ম, যোগীর কাছে পরমাত্মা"- উক্তিটি তোমার পঠিত বিষয়ের আলোকে মূল্প্রকৃতিতে ঈশ্বর সম্পর্কে মিন্টুর ধারণা তোমার পাঠের আলোকে বর্ণনা করো।মহাদেবকে নটরাজ বলা হয় কেন?যোগসাধনা কাকে বলে?নমিতা যে কাজে রত ছিল তার প্রয়োজনীয়তা পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ কর।বিনয়ের দাদুর উপদেশের সাথে সংশ্লিষ্ট দেবতার স্বরূপ পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা কমহাবিশ্বের মহাশক্তি হিসেবে বিশ্বাস এবং পূজা করা হয় কাকে? ব্যাখ্যা কর।সাকার উপাসনা কাকে বলে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।