শেয়ারFacebookWhatsApp

"আধুনিক যুগে বিভিন্ন মহাপুরুষের উপাসনা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সামাজিক ও ধর্মীয় মতভেদ সৃষ্টি করছে।”- উক্তিটি পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

উত্তর: 'আধুনিক যুগে বিভিন্ন মহাপুরুষের উপাসনা হিন্দুধর্মাবলম্বীদের মধ্যে সামাজিক ও ধর্মীয় মতভেদ সৃষ্টি করেছে' উক্তিটি যথার্থ। আধুনিক যুগে হিন্দু সম্প্রদায় বিভিন্ন দেব-দেবীর উপাসনার মাধ্যমে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গোষ্ঠীতে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এ যুগের মহাপুরুষ ও ধর্মসংস্কারকগণ বিভিন্নভাবে ধর্মীয় তত্ত্ব উপস্থাপন করেন। রাজা রামমোহন রায় বলেন, সব উপাস্য একই ব্রহ্মের বিভিন্ন প্রকাশ। তিনি হিন্দুধর্মাবলম্বীদের এক ব্রহ্মের সাধনার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ব্রহ্মই একমাত্র আরাধ্য এবং হিন্দুরা একেশ্বরবাদী। আবার শ্রীরামকৃষ্ণ একেশ্বরবাদী ধারণা এবং বহু দেব-দেবীরূপে ঈশ্বর আরাধনার কথা বলেছেন। তার উপদেশ হলো- 'যত মত, তত পথ'; 'যত্র জীব, তত্র শিব'। হরিচাঁদ ঠাকুর হিন্দু সমাজে সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষকে এক হরিনামে মেতে থাকার আহ্বান জানান। তার মতে, হরিনামই জগতে কল্যাণ, শান্তি, সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠা করতে সমর্থ। চৈতন্য মহাপ্রভুর হিন্দুধর্ম চেতনায় বিভিন্ন দেব-দেবীর অনুসারীদের বিদ্বেষ এবং বর্ণভেদ দূর করতে প্রেমভক্তি মতবাদের প্রচলন করেন। তিনি বলেন, প্রেমপূর্ণ ভক্তি দিয়েই ভগবানকে লাভ করা যায়। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সমবেত উপাসনায় চরিত্র গঠন, সমাজসংস্কার, ব্রহ্মচর্য, স্বাবলম্বন ও জগতের কল্যাণের জন্য স্বামী স্বরূপানন্দ 'অযাচক আশ্রম' প্রতিষ্ঠা করেন। স্বামী প্রণবানন্দ সেবাদর্শের কথা প্রচার করেছেন। লোকনাথ ব্রহ্মচারী লোকসেবা বা লোকশিক্ষার কথা প্রচার করেছেন। সততা, নিষ্ঠা, সংযম, সাম্য ও সেবা ছিল তার নৈতিক আদর্শের মূলমন্ত্র। উপরে আলোচনায় হিন্দুধর্মের চিন্তা-চেতনায় বিভিন্ন মত ও পথের সন্ধান পাওয়া যায়। তবে এই ভিন্ন মত ও পথগুলোর মধ্যে এক মহামিলন লক্ষ করা যায়। আর তা হলো, মানব জীবনের ব্যবহারিক সমৃদ্ধিসহ আধ্যাত্মিক জীবনের পরম কল্যাণ তথা ঈশ্বরলাভ।

SSC হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা অধ্যায়-১ : স্রষ্টা ও সৃষ্টি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা · অধ্যায়-১ : স্রষ্টা ও সৃষ্টি · সৃজনশীল

"আধুনিক যুগে বিভিন্ন মহাপুরুষের উপাসনা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সামাজি…

উদ্দীপক

নিচের ছক অনুসারে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও : question image

Mymensingh · 2024

উত্তর

দেহের ইন্দ্রিয়গুলোকে নিজ নিজ বিষয় হতে মুক্ত করে চিত্তের অনুগামী করার নাম প্রত্যাহার।

উত্তর

ধর্মাধর্ম নির্ণয় বেদের পরেই স্মৃতিশাস্ত্রের স্থান। বেদের পরে কর্তব্য বা অকর্তব্য ধর্ম বা অধর্ম নির্ণয়ের জন্য রচিত গ্রন্থাবলিকে বলা হয় স্মৃতিশাস্ত্র। মনুসংহিতা, পরাশর সংহিতা, যাজ্ঞবন্ধ্য সংহিতা প্রভৃতি স্মৃতিশাস্ত্রের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ। ধর্মাধর্ম নির্ণয়ে স্মৃতিশাস্ত্রগুলো দ্বিতীয় প্রমাণ।

উত্তর

জাগতিক জীবনে মঙ্গল লাভের জন্য আমি আধুনিক যুগের ধর্মবৈশিষ্ট্যকে বেছে নেব। বর্তমান বিশ্বে প্রচলিত ধর্মসমূহের মধ্যে সনাতন ধর্ম তথা হিন্দুধর্ম প্রাচীন এবং নবীন ধর্ম। তবে সময়ের অগ্রগতিতে মানব সভ্যতার ক্রমবিকাশে হিন্দুধর্মের চিন্তা-চেতনার নতুনত্বের সংযোজন ঘটে। হিন্দুধর্মে বৈদিক, পৌরাণিক ও আধুনিক এই তিনটি যুগ বিভাগ রয়েছে। বৈদিক যুগের ঋষিদের চিন্তা-চেতনায় জাগতিক ও পারমার্থিক উভয়বিধ কল্যাণ অর্জনের উদ্দেশ্য ছিল। বৈদিক যুগে ঋষিগণ ছিলেন সুখবাদী, জীবনবাদী। তবে এ যুগে সন্ন্যাসবাদের আবির্ভাব ঘটে। পৌরাণিক যুগে হিন্দুধর্মের চিন্তাজগতে ভক্তির প্রাধান্য লক্ষ করা যায়। আধুনিক যুগকে বলা হয় ধর্মসংস্কারের যুগ। ঊনবিংশ শতকে হিন্দুধর্মে এক বিশেষ চিন্তা-চেতনার বিকাশ লক্ষ করা যায়। এ সময় সমাজ সংস্কারকগণ হিন্দুধর্মের প্রচলিত পূজা-পার্বণ, ধ্যানধারণা ইত্যাদি নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেন। তারা মনে করেন যুক্তিসংগত নির্দেশ ছাড়া সামাজিক আচার-আচরণে যে প্রচলিত ধর্মীয় বিধি-বিধান রয়েছে সেগুলো সংস্কারের প্রয়োজন। আধুনিক যুগের ধর্মসংস্কারকগণ ধর্মের সাথে কর্মের সংযোগ ঘটান। তারা ধর্মীয় বিধিবিধান মেনে গার্হস্থ্য জীবনের ওপর জোর দিয়েছেন। তাই আমিও জাগতিক জীবনে মঙ্গল লাভের জন্য আধুনিক যুগের ধর্মবৈশিষ্ট্যকে বেছে নেব। তাহলে আমার জাগতিক ও পারমার্থিক উভয় কল্যাণ লাভ হবে।

উত্তর

'আধুনিক যুগে বিভিন্ন মহাপুরুষের উপাসনা হিন্দুধর্মাবলম্বীদের মধ্যে সামাজিক ও ধর্মীয় মতভেদ সৃষ্টি করেছে' উক্তিটি যথার্থ। আধুনিক যুগে হিন্দু সম্প্রদায় বিভিন্ন দেব-দেবীর উপাসনার মাধ্যমে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গোষ্ঠীতে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এ যুগের মহাপুরুষ ও ধর্মসংস্কারকগণ বিভিন্নভাবে ধর্মীয় তত্ত্ব উপস্থাপন করেন। রাজা রামমোহন রায় বলেন, সব উপাস্য একই ব্রহ্মের বিভিন্ন প্রকাশ। তিনি হিন্দুধর্মাবলম্বীদের এক ব্রহ্মের সাধনার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ব্রহ্মই একমাত্র আরাধ্য এবং হিন্দুরা একেশ্বরবাদী। আবার শ্রীরামকৃষ্ণ একেশ্বরবাদী ধারণা এবং বহু দেব-দেবীরূপে ঈশ্বর আরাধনার কথা বলেছেন। তার উপদেশ হলো- 'যত মত, তত পথ'; 'যত্র জীব, তত্র শিব'। হরিচাঁদ ঠাকুর হিন্দু সমাজে সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষকে এক হরিনামে মেতে থাকার আহ্বান জানান। তার মতে, হরিনামই জগতে কল্যাণ, শান্তি, সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠা করতে সমর্থ। চৈতন্য মহাপ্রভুর হিন্দুধর্ম চেতনায় বিভিন্ন দেব-দেবীর অনুসারীদের বিদ্বেষ এবং বর্ণভেদ দূর করতে প্রেমভক্তি মতবাদের প্রচলন করেন। তিনি বলেন, প্রেমপূর্ণ ভক্তি দিয়েই ভগবানকে লাভ করা যায়। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সমবেত উপাসনায় চরিত্র গঠন, সমাজসংস্কার, ব্রহ্মচর্য, স্বাবলম্বন ও জগতের কল্যাণের জন্য স্বামী স্বরূপানন্দ 'অযাচক আশ্রম' প্রতিষ্ঠা করেন। স্বামী প্রণবানন্দ সেবাদর্শের কথা প্রচার করেছেন। লোকনাথ ব্রহ্মচারী লোকসেবা বা লোকশিক্ষার কথা প্রচার করেছেন। সততা, নিষ্ঠা, সংযম, সাম্য ও সেবা ছিল তার নৈতিক আদর্শের মূলমন্ত্র। উপরে আলোচনায় হিন্দুধর্মের চিন্তা-চেতনায় বিভিন্ন মত ও পথের সন্ধান পাওয়া যায়। তবে এই ভিন্ন মত ও পথগুলোর মধ্যে এক মহামিলন লক্ষ করা যায়। আর তা হলো, মানব জীবনের ব্যবহারিক সমৃদ্ধিসহ আধ্যাত্মিক জীবনের পরম কল্যাণ তথা ঈশ্বরলাভ।
SSCহিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষাঅধ্যায়-১ : স্রষ্টা ও সৃষ্টি
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নিচের ছক অনুসারে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও : question image

Mymensingh · 2024

ক
প্রত্যাহার কাকে বলে?
খ
স্মৃতিশাস্ত্র কী? ব্যাখ্যা করো।
গ
তুমি যদি জাগতিক জীবনে মঙ্গল লাভ করতে চাও, তাহলে কোন যুগের ধর্ম বৈশিষ্ট্যকে বেছে নেবে? তোমার পাঠের আলোকে বর্ণনা করো।
ঘ
"আধুনিক যুগে বিভিন্ন মহাপুরুষের উপাসনা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সামাজিক ও ধর্মীয় মতভেদ সৃষ্টি করছে।”- উক্তিটি পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.স্মৃতিশাস্ত্র কী? ব্যাখ্যা করো।

স্মৃতিশাস্ত্র কী? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.প্রত্যাহার কাকে বলে?

প্রত্যাহার কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মিন্টু তার বাবার সাথে বেড়াতে লাউয়াছড়া উদ্যানে যায়। সেখানে প্রকৃতির মনোরম দৃশ্য দেখে মুগ্ধ হয়। গাছপালা, জীবজন্তু, বিভিন্ন জীববৈচিত্র্য দেখে তার মনে অনুভূতির সৃষ্টি হয়। সে বুঝতে পারে, এর মূলে রয়েছেন সুমহান স্রষ্টা, তিনি আদি পুরুষ। জ্ঞানীর কাছে তিনি ব্রহ্ম, যোগীর কাছে পরমাত্মা এবং ভক্তের কাছে ভগবান।

Mymensingh · 2024

ক
যোগসাধনা কাকে বলে?
খ
মহাদেবকে নটরাজ বলা হয় কেন?
গ
প্রকৃতিতে ঈশ্বর সম্পর্কে মিন্টুর ধারণা তোমার পাঠের আলোকে বর্ণনা করো।
ঘ
“জ্ঞানীর কাছে ব্রহ্ম, যোগীর কাছে পরমাত্মা"- উক্তিটি তোমার পঠিত বিষয়ের আলোকে মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মিন্টু তার বাবার সাথে বেড়াতে লাউয়াছড়া উদ্যানে যায়। সেখানে প্রকৃতির মনোরম দৃশ্য দেখে মুগ্ধ হয়। গাছপালা, জীবজন্তু, বিভিন্ন জীববৈচিত্র্য দেখে তার মনে অনুভূতির সৃষ্টি হয়। সে বুঝতে পারে, এর মূলে রয়েছেন সুমহান স্রষ্টা, তিনি আদি পুরুষ। জ্ঞানীর কাছে তিনি ব্রহ্ম, যোগীর কাছে পরমাত্মা এবং ভক্তের কাছে ভগবান।

Mymensingh · 2024

ক
যোগসাধনা কাকে বলে?
খ
মহাদেবকে নটরাজ বলা হয় কেন?
গ
প্রকৃতিতে ঈশ্বর সম্পর্কে মিন্টুর ধারণা তোমার পাঠের আলোকে বর্ণনা করো।
ঘ
“জ্ঞানীর কাছে ব্রহ্ম, যোগীর কাছে পরমাত্মা"- উক্তিটি তোমার পঠিত বিষয়ের আলোকে মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.মহাদেবকে নটরাজ বলা হয় কেন?

মহাদেবকে নটরাজ বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.যোগসাধনা কাকে বলে?

যোগসাধনা কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বিনয় বিদেশ ভ্রমণে যাওয়ার পূর্বে একদিন সন্ধ্যায় তার দাদুর সাথে দেখা করতে গেলে তিনি বললেন, ভ্রমণে সর্বদা তোমাকে যিনি সৃষ্টি করেছেন, তাঁকে স্মরণ করবে। এসময় দাদুর এক প্রতিবেশীর মেয়ে নমিতার কণ্ঠে ঠাকুরের উদ্দেশ্যে গাওয়া ভক্তিমূলক গানের সুর ভেসে আসছিল।

Dinajpur · 2024

ক
সাকার উপাসনা কাকে বলে?
খ
মহাবিশ্বের মহাশক্তি হিসেবে বিশ্বাস এবং পূজা করা হয় কাকে? ব্যাখ্যা কর।
গ
বিনয়ের দাদুর উপদেশের সাথে সংশ্লিষ্ট দেবতার স্বরূপ পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা কর।
ঘ
নমিতা যে কাজে রত ছিল তার প্রয়োজনীয়তা পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বিনয় বিদেশ ভ্রমণে যাওয়ার পূর্বে একদিন সন্ধ্যায় তার দাদুর সাথে দেখা করতে গেলে তিনি বললেন, ভ্রমণে সর্বদা তোমাকে যিনি সৃষ্টি করেছেন, তাঁকে স্মরণ করবে। এসময় দাদুর এক প্রতিবেশীর মেয়ে নমিতার কণ্ঠে ঠাকুরের উদ্দেশ্যে গাওয়া ভক্তিমূলক গানের সুর ভেসে আসছিল।

Dinajpur · 2024

ক
সাকার উপাসনা কাকে বলে?
খ
মহাবিশ্বের মহাশক্তি হিসেবে বিশ্বাস এবং পূজা করা হয় কাকে? ব্যাখ্যা কর।
গ
বিনয়ের দাদুর উপদেশের সাথে সংশ্লিষ্ট দেবতার স্বরূপ পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা কর।
ঘ
নমিতা যে কাজে রত ছিল তার প্রয়োজনীয়তা পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.মহাবিশ্বের মহাশক্তি হিসেবে বিশ্বাস এবং পূজা করা হয় কাকে? ব্যাখ্যা কর।

মহাবিশ্বের মহাশক্তি হিসেবে বিশ্বাস এবং পূজা করা হয় কাকে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.সাকার উপাসনা কাকে বলে?

সাকার উপাসনা কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সজল বাবু প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে সূর্যকে প্রণাম করেন। স্নান সেরে তিনি মন্দিরে গিয়ে বিভিন্ন উপাচারের মাধ্যমে দেবতার পূজা করেন। অন্যদিকে কাজল বাবু প্রতিদিন সকালে বাগান পরিচর্যা করেন এবং গরিব-দুঃখীদের বিভিন্নভাবে আর্থিক সহযোগিতা করেন।

Sylhet · 2024

ক
ঈশ্বর কাকে বলে?
খ
কাকে নটরাজ বলা হয়? ব্যাখ্যা কর
গ
সজল বাবুর কর্মকাণ্ডের মধ্যে কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
কাজল বাবুর অনুসরণকৃত পদ্ধতিতে কি ঈশ্বর লাভ সম্ভব? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি প্রদর্শন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

তুমি যদি জাগতিক জীবনে মঙ্গল লাভ করতে চাও, তাহলে কোন যুগের ধর্ম বৈশিষ্ট্যকে বেছে স্মৃতিশাস্ত্র কী? ব্যাখ্যা করো।প্রত্যাহার কাকে বলে?“জ্ঞানীর কাছে ব্রহ্ম, যোগীর কাছে পরমাত্মা"- উক্তিটি তোমার পঠিত বিষয়ের আলোকে মূল্প্রকৃতিতে ঈশ্বর সম্পর্কে মিন্টুর ধারণা তোমার পাঠের আলোকে বর্ণনা করো।মহাদেবকে নটরাজ বলা হয় কেন?যোগসাধনা কাকে বলে?নমিতা যে কাজে রত ছিল তার প্রয়োজনীয়তা পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ কর।বিনয়ের দাদুর উপদেশের সাথে সংশ্লিষ্ট দেবতার স্বরূপ পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা কমহাবিশ্বের মহাশক্তি হিসেবে বিশ্বাস এবং পূজা করা হয় কাকে? ব্যাখ্যা কর।সাকার উপাসনা কাকে বলে?কাজল বাবুর অনুসরণকৃত পদ্ধতিতে কি ঈশ্বর লাভ সম্ভব? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি প্রদর্শন

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।