শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের মানিক ব্যানার্জীর মধ্যে তোমার পাঠ্যপুস্তকের যে মহাপুরুষের প্রভাব লক্ষ করা যায়- তা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: উদ্দীপকের মানিক ব্যানার্জীর মধ্যে পাঠ্যপুস্তকের শ্রীরাম কৃষ্ণের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। নিম্নে তা বিশ্লেষণ করা হলো- গদাধরের অল্প বয়সে তাঁর পিতার মৃত্যুর হয়। পিতার মৃত্যুর পর তাঁর জীবনে এক অদ্ভুত পরিবর্তন আসে। তিনি কখনো শ্মশানে গিয়ে বসে থাকেন। কখনো বা নির্জন বাগানে গিয়ে সময় কাটান। সাধু-বৈষ্ণবদের দেখলে কৌতূহল ভরে তাঁদের আচরণ লক্ষ করেন। তাঁদের নিকট ভজন শেখেন। এ অবস্থায় অগ্রজ রামকুমার তাঁকে কোলকাতা নিয়ে যান। সেখানে ঝামাপুকুরে অবস্থিত নিজের টোলে তাঁকে ভর্তি করিয়ে দেন। কিন্তু গদাধরের মনের কোনো পরিবর্তন হয় না। আগের মতোই লেখাপড়ায় তিনি উদাসীন থাকেন। এমন সময় রানি রাসমণি প্রতিষ্ঠিত কালী মন্দিরের পুরোহিত হিসেবে রামকুমার দক্ষিণেশ্বরে আসেন। গদাধরও তাঁর সঙ্গে আসেন। মা-কালীর বিগ্রহ এবং পূজার্চনা দেখে তিনি খুবই আনন্দিত হন। তিনি যেন এতদিন এমন একটা কিছুই চেয়েছিলেন। তাই কখনও তিনি মায়ের মন্দিরে ভাবতন্ময় হয়ে থাকেন, কখনও বা আত্মমগ্ন অবস্থায় গঙ্গার তীরে ঘুরে বেড়ান। হঠাৎ একদিন অগ্রজ রামকুমারের অকালমৃত্যু হয়। ফলে মায়ের পূজার ভার পড়ে গদাধরের ওপর। মনেপ্রাণে তিনি মায়ের পূজা আরম্ভকরেন। মায়ের পূজায় ভক্তিগীতি গাওয়ার সময় প্রায়ই তিনি অচেতন হয়ে পড়তেন। কালক্রমে এখানেই কালীসাধনায় তাঁর সিদ্ধিলাভ ঘটে। তিনি স্ত্রী সারদা দেবীকে আধ্যাত্মিক জ্ঞান দান করেন, যা অচিরেই তাঁকে 'আধ্যাতিক জননী' পদে উন্নীত করে। এভাবে গদাধর সর্বত্র চৈতন্যরূপিনী দেবীর দর্শন লাভ করেন। এরপর গদাধরের সাধন জীবনে আসেন সন্ন্যাসী তোতাপুরী। তিনি গদাধরকে বেদান্ত সাধনায় দীক্ষিত করেন এবং তান্ত্রিক সাধনায় সিদ্ধিলাভ করেন। পরিশেষে বলা যায়, মানিক ব্যানার্জীও ছোটবেলা থেকে ভাব তন্ময় হয়ে থাকতেন। পরবর্তীতে দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দিরে মায়ের পূজায় মন সপে দেন। তাই মানিক ব্যানার্জীর মধ্যে রামকৃষ্ণের প্রভাব লক্ষণীয়।

SSC হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা অধ্যায়-১০: অবতার ও আদর্শ জীবন চরিত CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা · অধ্যায়-১০: অবতার ও আদর্শ জীবন চরিত · সৃজনশীল

উদ্দীপকের মানিক ব্যানার্জীর মধ্যে তোমার পাঠ্যপুস্তকের যে মহাপুরুষের…

উদ্দীপক

ঘটনা-১: উচ্চ শিক্ষিত বিধান রায় নিজ এলাকার সমাজের খারাপ অবস্থা দেখে খুবই কষ্ট পান। তিনি নিজ এলাকা ঘুরে ঘুরে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করেন এবং সমস্যা নিরসন ও এলাকার উন্নয়নের জন্য মানুষকে ধর্মপথে চলতে অনুপ্রাণিত করেন। মানবধর্মে বিশ্বাসী এই যুবক সকল ধর্মের সমন্বয়ে সমাজে শান্তি স্থাপনে বিশ্বাসী ছিলেন। তিনি হিন্দু ধর্মের প্রচারের জন্য আমেরিকার এক সেমিনারে যোগ দেন। ঘটনা-২ : মানিক ব্যানার্জি ছোট বেলায় মাঝে মাঝে প্রকৃতির বিভিন্ন রূপ দেখে ভাবাবিষ্ট হয়ে পড়তেন। স্কুলের পড়ালেখায় তাঁর মন বসে না। তার মন পড়ে থাকে ভজন কীর্তন ও পূজা পার্বনে। তিনি মাঝে মাঝে নির্জন জায়গায় ভাবাবিষ্ট হয়ে থাকেন। এক সময় তিনি দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দিরে মায়ের পূজায় মন সপে দেন।

Barisal · 2025

উত্তর

ভগবান বিষ্ণু যখন বিভিন্ন রূপ ধরে পৃথিবীতে অবতরণ করেন, তখন তাকে বলা হয় অবতার।

উত্তর

আধুনিক গবেষকদের মতে, সুশ্রুত খ্রিষ্টপূর্ব ৬০০ অব্দে বর্তমান ছিলেন। তিনি বর্তমান বারাণসী ন গরে গঙ্গার তীরে বাস করতেন এবং চিকিৎসাবিদ্যা চর্চা করতেন। তিনি প্রধানত শল্যবিদ্যার চর্চা করতেন। এজন্য তাকে বলা হয় 'ভারতীয় শল্যবিদ্যার জনক'।

উত্তর

উদ্দীপকে বিধান রায়ের সাথে পাঠ্যবইয়ের যে মহাপুরুষের মিল পাওয়া যায় তাঁর নাম হলো স্বামী বিবেকানন্দ। নিম্নে তা ব্যাখ্যা করা হলো- স্বামী বিবেকানন্দ ১৮৬৩ সালের ১২ই জানুয়ারি কলকাতার জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা বিশ্বনাথ দত্ত এবং মাতা ভুবনেশ্বরী দেবী। বিবেকানন্দের প্রকৃত নাম নরেন্দ্রনাথ দত্ত। নরেন্দ্রনাথ ১৮৮৪ সনে বিএ পাস করেন। তারপর তিনি শ্রীরামকৃষ্ণের নিকট দীক্ষা নেন। তখন তার নাম হয় বিবেকানন্দ। বিবেকানন্দ গৃহত্যাগ করে সারা ভারতবর্ষ ঘুরলেন এবং নিজের চোখে ভারতবাসীর দুরবস্থা দেখলেন। কীভাবে এ দেশ থেকে দেশবাসীকে উদ্ধার করা যায়, সে কথাও চিন্তা করতে লাগলেন। ১৮৯৩ খ্রিষ্টাব্দে বিবেকানন্দ আমেরিকা যান এবং শিকাগো শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্বধর্ম সম্মেলনে বক্তৃতা দেন। তিনি হিন্দু-ধর্ম-দর্শন, বিশেষত বেদান্ত দর্শন ও মানবধর্ম সম্পর্কে একের পর এক বক্তৃতা দিয়ে আমেরিকা জয় করেন। প্রায় চার বছর পর বিবেকানন্দ ১৮৯৭ সালে দেশে ফিরে আসেন। এবং সমস্ত অন্যায় ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলেন। তার কাছে কোনো জাতিভেদ ছিল না। তিনি বললেন- নীচ জাতি, মূর্খ, দরিদ্র, অজ্ঞ, মুচি, মেথর সকলেই আমাদের ভাই। বিবেকানন্দ নারী শিক্ষাকে সর্বান্তঃকরণে সমর্থন করতেন। তাঁর মতে, যে জাতি নারীদের সম্মান দেয় না, সে জাতি কখনো বড় হতে পারে না। তিনি দেশের উন্নতির জন্য শিক্ষা ও সমাজ সংস্কারের কথাও ভাবতেন। সমাজের দরিদ্রের মধ্যে শিক্ষা বিস্তার এবং খাদ্যের অভাব পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তিনি সতীদাহ প্রথা এবং বাল্যবিবাহের ঘোর বিরোধী ছিলেন। এভাবে স্বামী বিবেকানন্দ ধর্ম প্রচারের পাশাপাশি সমাজ সংস্কার এবং দেশের উন্নয়নের কথাও ভেবেছেন।

উত্তর

উদ্দীপকের মানিক ব্যানার্জীর মধ্যে পাঠ্যপুস্তকের শ্রীরাম কৃষ্ণের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। নিম্নে তা বিশ্লেষণ করা হলো- গদাধরের অল্প বয়সে তাঁর পিতার মৃত্যুর হয়। পিতার মৃত্যুর পর তাঁর জীবনে এক অদ্ভুত পরিবর্তন আসে। তিনি কখনো শ্মশানে গিয়ে বসে থাকেন। কখনো বা নির্জন বাগানে গিয়ে সময় কাটান। সাধু-বৈষ্ণবদের দেখলে কৌতূহল ভরে তাঁদের আচরণ লক্ষ করেন। তাঁদের নিকট ভজন শেখেন। এ অবস্থায় অগ্রজ রামকুমার তাঁকে কোলকাতা নিয়ে যান। সেখানে ঝামাপুকুরে অবস্থিত নিজের টোলে তাঁকে ভর্তি করিয়ে দেন। কিন্তু গদাধরের মনের কোনো পরিবর্তন হয় না। আগের মতোই লেখাপড়ায় তিনি উদাসীন থাকেন। এমন সময় রানি রাসমণি প্রতিষ্ঠিত কালী মন্দিরের পুরোহিত হিসেবে রামকুমার দক্ষিণেশ্বরে আসেন। গদাধরও তাঁর সঙ্গে আসেন। মা-কালীর বিগ্রহ এবং পূজার্চনা দেখে তিনি খুবই আনন্দিত হন। তিনি যেন এতদিন এমন একটা কিছুই চেয়েছিলেন। তাই কখনও তিনি মায়ের মন্দিরে ভাবতন্ময় হয়ে থাকেন, কখনও বা আত্মমগ্ন অবস্থায় গঙ্গার তীরে ঘুরে বেড়ান। হঠাৎ একদিন অগ্রজ রামকুমারের অকালমৃত্যু হয়। ফলে মায়ের পূজার ভার পড়ে গদাধরের ওপর। মনেপ্রাণে তিনি মায়ের পূজা আরম্ভকরেন। মায়ের পূজায় ভক্তিগীতি গাওয়ার সময় প্রায়ই তিনি অচেতন হয়ে পড়তেন। কালক্রমে এখানেই কালীসাধনায় তাঁর সিদ্ধিলাভ ঘটে। তিনি স্ত্রী সারদা দেবীকে আধ্যাত্মিক জ্ঞান দান করেন, যা অচিরেই তাঁকে 'আধ্যাতিক জননী' পদে উন্নীত করে। এভাবে গদাধর সর্বত্র চৈতন্যরূপিনী দেবীর দর্শন লাভ করেন। এরপর গদাধরের সাধন জীবনে আসেন সন্ন্যাসী তোতাপুরী। তিনি গদাধরকে বেদান্ত সাধনায় দীক্ষিত করেন এবং তান্ত্রিক সাধনায় সিদ্ধিলাভ করেন। পরিশেষে বলা যায়, মানিক ব্যানার্জীও ছোটবেলা থেকে ভাব তন্ময় হয়ে থাকতেন। পরবর্তীতে দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দিরে মায়ের পূজায় মন সপে দেন। তাই মানিক ব্যানার্জীর মধ্যে রামকৃষ্ণের প্রভাব লক্ষণীয়।
SSCহিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষাঅধ্যায়-১০: অবতার ও আদর্শ জীবন চরিত
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পরেশ বাবু একজন সজ্জন ব্যক্তি। তিনি সর্বদাই সবার সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়ান। তাঁর প্রতি যে কেউ অন্যায়-অবিচার করুক না কেন তিনি সবাইকে মনেপ্রাণে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ করে রাখেন। সমাজের অনেক অধার্মিক ব্যক্তিকে ধর্মপথে ফিরিয়ে আনেন। অপরদিকে তাঁর গ্রামের কমল বাবু ধর্ম প্রতিষ্ঠার জন্য দেশে বিদেশে ঘুরে বেড়ান। নিজের উপর ও ঈশ্বরের প্রতি প্রবল বিশ্বাস রেখেই তিনি যে কোনো কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন।

Dinajpur · 2024

ক
অবতার কাকে বলে?
খ
বিজয়কৃষ্ণ কেন ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করেন? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে পরেশ বাবুর মধ্যে পাঠ্যবইয়ের কার মতাদর্শের সঙ্গে মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"কমল বাবুর অনুসৃত পথের মাধ্যমে ধর্মীয় চেতনাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ব"-পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বক্তব্যটি মূ ল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পরেশ বাবু একজন সজ্জন ব্যক্তি। তিনি সর্বদাই সবার সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়ান। তাঁর প্রতি যে কেউ অন্যায়-অবিচার করুক না কেন তিনি সবাইকে মনেপ্রাণে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ করে রাখেন। সমাজের অনেক অধার্মিক ব্যক্তিকে ধর্মপথে ফিরিয়ে আনেন। অপরদিকে তাঁর গ্রামের কমল বাবু ধর্ম প্রতিষ্ঠার জন্য দেশে বিদেশে ঘুরে বেড়ান। নিজের উপর ও ঈশ্বরের প্রতি প্রবল বিশ্বাস রেখেই তিনি যে কোনো কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন।

Dinajpur · 2024

ক
অবতার কাকে বলে?
খ
বিজয়কৃষ্ণ কেন ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করেন? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে পরেশ বাবুর মধ্যে পাঠ্যবইয়ের কার মতাদর্শের সঙ্গে মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"কমল বাবুর অনুসৃত পথের মাধ্যমে ধর্মীয় চেতনাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ব"-পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বক্তব্যটি মূ ল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বিজয়কৃষ্ণ কেন ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করেন? ব্যাখ্যা কর।

বিজয়কৃষ্ণ কেন ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.অবতার কাকে বলে?

অবতার কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

কমল গ্রামের দরিদ্র মেয়েদের শিক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ ও আর্থিক সাহায্য করেন। তিনি মনে করেন, মেয়েদের শিক্ষিত করতে পারলে দরিদ্রতা দূর হবে ও দেশ উন্নত হবে। অপরদিকে মিনু দেবীর লেখাপড়া ও অন্য কিছুর প্রতি তেমন আগ্রহ ছিল না। তিনি প্রকৃতির সাথে সময় কাটাতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতেন।

Sylhet · 2024

ক
পূর্ণাবতার কাকে বলে?
খ
চরক শরীরের কার্যকারিতার কয়টি উপাদানের কথা বলেছেন? ব্যাখ্যা কর।
গ
কমলের মধ্যে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন মহাপুরুষের গুণটি প্রকাশ পেয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের মিনু দেবীর চরিত্রটি নৈতিক জীবন গঠনে কতটুকু সহায়ক তা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

কমল গ্রামের দরিদ্র মেয়েদের শিক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ ও আর্থিক সাহায্য করেন। তিনি মনে করেন, মেয়েদের শিক্ষিত করতে পারলে দরিদ্রতা দূর হবে ও দেশ উন্নত হবে। অপরদিকে মিনু দেবীর লেখাপড়া ও অন্য কিছুর প্রতি তেমন আগ্রহ ছিল না। তিনি প্রকৃতির সাথে সময় কাটাতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতেন।

Sylhet · 2024

ক
পূর্ণাবতার কাকে বলে?
খ
চরক শরীরের কার্যকারিতার কয়টি উপাদানের কথা বলেছেন? ব্যাখ্যা কর।
গ
কমলের মধ্যে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন মহাপুরুষের গুণটি প্রকাশ পেয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের মিনু দেবীর চরিত্রটি নৈতিক জীবন গঠনে কতটুকু সহায়ক তা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.চরক শরীরের কার্যকারিতার কয়টি উপাদানের কথা বলেছেন? ব্যাখ্যা কর।

চরক শরীরের কার্যকারিতার কয়টি উপাদানের কথা বলেছেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.পূর্ণাবতার কাকে বলে?

পূর্ণাবতার কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নরেশ বাবু একজন ধার্মিক লোক। ছাত্রজীবন শেষে তিনি সমাজসেবায় মনোনিবেশ করেন। সারা ভারত ঘুরে তিনি দেখতে পান, মানুষের দুঃখ-দুদর্শা এবং শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে নারীদের পিছিয়ে পড়ার চিত্র। নারীদের শিক্ষার জন্য তিনি নানা কর্মকাণ্ড শুরু করেন। তিনি নিজে কয়েকটি বাণী উল্লেখিত করে বলেন, “যে জাতি নারীদের সম্মান দেয় না, সে জাতি কখনো বড়ো হতে পারে না।"

Barisal · 2024

ক
দুধাজী কে ছিলেন?
খ
শ্রী বিজয়কৃষ্ণ কেন ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করেন?
গ
নরেশ বাবুর কর্মকাণ্ডের সাথে পাঠ্যপুস্তকের কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়- তা বর্ণনা করো।
ঘ
'নরেশ বাবুর কর্মকাণ্ড স্বামী বিবেকানন্দের কয়েকটি বাণীর পরিপূরক'- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নরেশ বাবু একজন ধার্মিক লোক। ছাত্রজীবন শেষে তিনি সমাজসেবায় মনোনিবেশ করেন। সারা ভারত ঘুরে তিনি দেখতে পান, মানুষের দুঃখ-দুদর্শা এবং শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে নারীদের পিছিয়ে পড়ার চিত্র। নারীদের শিক্ষার জন্য তিনি নানা কর্মকাণ্ড শুরু করেন। তিনি নিজে কয়েকটি বাণী উল্লেখিত করে বলেন, “যে জাতি নারীদের সম্মান দেয় না, সে জাতি কখনো বড়ো হতে পারে না।"

Barisal · 2024

ক
দুধাজী কে ছিলেন?
খ
শ্রী বিজয়কৃষ্ণ কেন ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করেন?
গ
নরেশ বাবুর কর্মকাণ্ডের সাথে পাঠ্যপুস্তকের কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়- তা বর্ণনা করো।
ঘ
'নরেশ বাবুর কর্মকাণ্ড স্বামী বিবেকানন্দের কয়েকটি বাণীর পরিপূরক'- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.শ্রী বিজয়কৃষ্ণ কেন ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করেন?

শ্রী বিজয়কৃষ্ণ কেন ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.দুধাজী কে ছিলেন?

দুধাজী কে ছিলেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

"কমল বাবুর অনুসৃত পথের মাধ্যমে ধর্মীয় চেতনাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ব"-পাঠ্যপুস্তকউদ্দীপকে পরেশ বাবুর মধ্যে পাঠ্যবইয়ের কার মতাদর্শের সঙ্গে মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।বিজয়কৃষ্ণ কেন ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করেন? ব্যাখ্যা কর।অবতার কাকে বলে?উদ্দীপকের মিনু দেবীর চরিত্রটি নৈতিক জীবন গঠনে কতটুকু সহায়ক তা মূল্যায়ন কর।কমলের মধ্যে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন মহাপুরুষের গুণটি প্রকাশ পেয়েছে? ব্যাখ্যা কর।চরক শরীরের কার্যকারিতার কয়টি উপাদানের কথা বলেছেন? ব্যাখ্যা কর।পূর্ণাবতার কাকে বলে?'নরেশ বাবুর কর্মকাণ্ড স্বামী বিবেকানন্দের কয়েকটি বাণীর পরিপূরক'- বিশ্লেষণ করো।নরেশ বাবুর কর্মকাণ্ডের সাথে পাঠ্যপুস্তকের কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়- তা বর্ণনা শ্রী বিজয়কৃষ্ণ কেন ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করেন?দুধাজী কে ছিলেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।