শেয়ারFacebookWhatsApp

মাধবীদের গ্রামের বাড়িতে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানটি তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: মাধবীদের গ্রামের বাড়িতে দোলযাত্রা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। দোল পূর্ণিমার দিন রাধা-কৃষ্ণকে দোলায় রেখে আবীর, কুমকুমে রাঙিয়ে পূজা করা হয়। তাদের পূজা দিয়ে পরস্পরকে রং বা আবীর মাখিয়ে সকলে আনন্দ করে। এ পূজার আগের দিন অর্থাৎ ফাল্গুনী শুক্লা চতুর্দশীর দিন 'বুড়ির ঘর' বা 'মেড়া' পুড়িয়ে অমঙ্গলকে দূর করার বা ধ্বংস করার প্রতীকী অনুষ্ঠান করা হয়। অনেক স্থানে এসময় সমস্বরে বলা হয়, "আজ আমাদের নেড়া পোড়া, কাল আমাদের দোল, পূর্ণিমাতে বলো সবাই, বলো হরিবোল।" এটি মূলত বৈষ্ণবীয় উৎসব। এ ফাল্গুনী পূর্ণিমা বা দোল পূর্ণিমার দিন বৃন্দাবনে শ্রীকৃষ্ণ আবীর নিয়ে রাধিকা ও অন্যান্য গোপীগণের সাথে রং খেলায় মেতেছিলেন। সে ঘটনা থেকেই এ দোল খেলার প্রবর্তন। একে বসন্ত উৎসবও বলা যায়। উদ্দীপকে মাধবীদের গ্রামের বাড়িতে ফাল্গুনী পূর্ণিমার বিশেষ তিথিতে এক উৎসবের আয়োজন করা হয়। গ্রামবাসীরা গুড়া রং মাখামাখি করে আনন্দ উৎসবে মেতে উঠে। উৎসবে 'বুড়ির ঘর' পুড়িয়ে প্রতীকী অনুষ্ঠান পালন করা হয়। যা পাঠ্যবইযের দোলযাত্রার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, মাধবীদের গ্রামের বাড়িতে দোলযাত্রা অনুষ্ঠান অনষ্ঠিত হয়।

SSC হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা অধ্যায়-১০: অবতার ও আদর্শ জীবন চরিত CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা · অধ্যায়-১০: অবতার ও আদর্শ জীবন চরিত · সৃজনশীল

মাধবীদের গ্রামের বাড়িতে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানটি তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলো…

উদ্দীপক

মাধবীদের গ্রামের বাড়িতে ফাল্গুনী পূর্ণিমার বিশেষ তিথিতে এক উৎসবের আয়োজন করা হয়। গ্রামবাসীরা গুড়া রং মাখামাখি করে আনন্দ উৎসবে মেতে উঠে। উৎসবে 'বুড়ির ঘর' পুড়িয়ে প্রতীকী অনুষ্ঠান পালন করা হয়। অন্যদিকে, মাধুরীদের বাড়ির সামনের মন্দিরে কয়েকদিনব্যাপী চলে এ অনুষ্ঠানটি। অনেক দূর-দূরান্ত থেকে ভক্তগণ এসে যোগ দেয় এ অনুষ্ঠানে। রাম ও কৃষ্ণের নাম বার বার উচ্চারিত হতে থাকে এ অনুষ্ঠানে।

Chittagong · 2024

উত্তর

বাংলা মাসের শেষ দিনকে বলা হয় সংক্রান্তি।

উত্তর

দীপাবলি ধর্মাচারের মাধ্যমে মনের কালিমা মুছে সারা পৃথিবীকে আলোকিত করা যায়। শ্যামা বা কালীপূজার দিন রাত্রে অনুষ্ঠিত হয় 'দীপাবলি' উৎসব। প্রদীপ জ্বালিয়ে অন্ধকার দূর করা হয়। সচেতনতার আলো জ্বালিয়ে মনের অজ্ঞানতার মোহান্ধকার দূর করার প্রতীক হিসেবে এই দীপাবলি উৎসব। সকল কুসংস্কার প্রদীপের আগুনে পুড়িয়ে জ্ঞানের আলোকে সারা বিশ্ব আলোকিত হোক এ ব্রত নিয়েই দীপাবলি উৎসব পালন করা হয়।

উত্তর

মাধবীদের গ্রামের বাড়িতে দোলযাত্রা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। দোল পূর্ণিমার দিন রাধা-কৃষ্ণকে দোলায় রেখে আবীর, কুমকুমে রাঙিয়ে পূজা করা হয়। তাদের পূজা দিয়ে পরস্পরকে রং বা আবীর মাখিয়ে সকলে আনন্দ করে। এ পূজার আগের দিন অর্থাৎ ফাল্গুনী শুক্লা চতুর্দশীর দিন 'বুড়ির ঘর' বা 'মেড়া' পুড়িয়ে অমঙ্গলকে দূর করার বা ধ্বংস করার প্রতীকী অনুষ্ঠান করা হয়। অনেক স্থানে এসময় সমস্বরে বলা হয়, "আজ আমাদের নেড়া পোড়া, কাল আমাদের দোল, পূর্ণিমাতে বলো সবাই, বলো হরিবোল।" এটি মূলত বৈষ্ণবীয় উৎসব। এ ফাল্গুনী পূর্ণিমা বা দোল পূর্ণিমার দিন বৃন্দাবনে শ্রীকৃষ্ণ আবীর নিয়ে রাধিকা ও অন্যান্য গোপীগণের সাথে রং খেলায় মেতেছিলেন। সে ঘটনা থেকেই এ দোল খেলার প্রবর্তন। একে বসন্ত উৎসবও বলা যায়। উদ্দীপকে মাধবীদের গ্রামের বাড়িতে ফাল্গুনী পূর্ণিমার বিশেষ তিথিতে এক উৎসবের আয়োজন করা হয়। গ্রামবাসীরা গুড়া রং মাখামাখি করে আনন্দ উৎসবে মেতে উঠে। উৎসবে 'বুড়ির ঘর' পুড়িয়ে প্রতীকী অনুষ্ঠান পালন করা হয়। যা পাঠ্যবইযের দোলযাত্রার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, মাধবীদের গ্রামের বাড়িতে দোলযাত্রা অনুষ্ঠান অনষ্ঠিত হয়।

উত্তর

মাধুরীদের বাড়ির সামনের মন্দিরে নামযজ্ঞ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানের পারিবারিক ও সামাজিক গুরুত্ব অপরিসীম। উদ্দীপকে মাধুরীদের বাড়ির সামনের মন্দিরে কয়েকদিন ব্যাপী চলে এ অনুষ্ঠানটি। অনেক দূর-দূরান্ত থেকে ভক্তগণ এসে যোগ দেয় এ অনুষ্ঠানে। রাম ও কৃষ্ণের নাম বার বার উচ্চারিত হতে থাকে এ অনুষ্ঠানে। যা পাঠ্যবইয়ের নামযজ্ঞ অনুষ্ঠানের সাথে মিল রয়েছে। ফাল্গুনী পূর্ণিমার দিন রাধা-কৃষ্ণকে দোলায় রেখে আবির, কুমকুমে রাঙিয়ে পূজা করা হয়। তাঁদের পূজা দিয়ে পরস্পর পরস্পরকে রং বা আবির মাখিয়ে আনন্দ করে। এ পূজার আগের দিন অর্থাৎ ফাল্গুনী শুক্লা চতুর্দশীর দিন 'বুড়ির ঘর' বা 'মেড়া' পুড়িয়ে অমঙ্গলকে দূর করার বা ধ্বংস করার প্রতীকী অনুষ্ঠান করা হয়। অনেক জায়গায় এ সময় সমস্বরে বলা হয়- 'আজ আমাদের নেড়া পোড়া, কাল আমাদের দোল, পূর্ণিমাতে বলো সবাই, বলো হরিবোল'। ফাল্গুনী পূর্ণিমা বা দোল পূর্ণিমার দিন বৃন্দাবনে শ্রীকৃষ্ণ আবীর নিয়ে রাধিকা ও অন্য গোপীদের সাথে রং খেলায় মেতেছিলেন। সে ঘটনা থেকেই এ দোল খেলার প্রবর্তন। দোলপূর্ণিমার দিন দোলযাত্রা উপলক্ষ্যে বিভিন্ন স্থানে গান, মেলা প্রভৃতির আয়োজন করা হয়। এ উৎসবের দিন সকাল থেকেই শত্রু-মিত্র, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাই বিভিন্ন প্রকার রং নিয়ে খেলায় মত্ত হয়। জাতিগত ভেদাভেদ ভুলে সবাই এক হয়ে একে অপরকে রাঙিয়ে দেয়। সব ধর্ম-বর্ণের মানুষ এ উৎসবে অংশগ্রহণ করে। ফলে তাদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববন্ধনের সৃষ্টি হয়। ফলে সমাজে সুখ-শান্তি বিরাজ করে। এ পাঠটি পালনের মধ্য দিয়ে পারস্পরিক ভেদাভেদ এবং বৈষম্য হ্রাস পায়। সবাই সবাইকে আপন করে নেয়। বর্তমানে এ উৎসবটি সর্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে। উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, দোলযাত্রা সামাজিক ও পারিবারিক জীবনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
SSCহিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষাঅধ্যায়-১০: অবতার ও আদর্শ জীবন চরিত
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পরেশ বাবু একজন সজ্জন ব্যক্তি। তিনি সর্বদাই সবার সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়ান। তাঁর প্রতি যে কেউ অন্যায়-অবিচার করুক না কেন তিনি সবাইকে মনেপ্রাণে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ করে রাখেন। সমাজের অনেক অধার্মিক ব্যক্তিকে ধর্মপথে ফিরিয়ে আনেন। অপরদিকে তাঁর গ্রামের কমল বাবু ধর্ম প্রতিষ্ঠার জন্য দেশে বিদেশে ঘুরে বেড়ান। নিজের উপর ও ঈশ্বরের প্রতি প্রবল বিশ্বাস রেখেই তিনি যে কোনো কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন।

Dinajpur · 2024

ক
অবতার কাকে বলে?
খ
বিজয়কৃষ্ণ কেন ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করেন? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে পরেশ বাবুর মধ্যে পাঠ্যবইয়ের কার মতাদর্শের সঙ্গে মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"কমল বাবুর অনুসৃত পথের মাধ্যমে ধর্মীয় চেতনাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ব"-পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বক্তব্যটি মূ ল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পরেশ বাবু একজন সজ্জন ব্যক্তি। তিনি সর্বদাই সবার সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়ান। তাঁর প্রতি যে কেউ অন্যায়-অবিচার করুক না কেন তিনি সবাইকে মনেপ্রাণে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ করে রাখেন। সমাজের অনেক অধার্মিক ব্যক্তিকে ধর্মপথে ফিরিয়ে আনেন। অপরদিকে তাঁর গ্রামের কমল বাবু ধর্ম প্রতিষ্ঠার জন্য দেশে বিদেশে ঘুরে বেড়ান। নিজের উপর ও ঈশ্বরের প্রতি প্রবল বিশ্বাস রেখেই তিনি যে কোনো কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন।

Dinajpur · 2024

ক
অবতার কাকে বলে?
খ
বিজয়কৃষ্ণ কেন ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করেন? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে পরেশ বাবুর মধ্যে পাঠ্যবইয়ের কার মতাদর্শের সঙ্গে মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"কমল বাবুর অনুসৃত পথের মাধ্যমে ধর্মীয় চেতনাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ব"-পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বক্তব্যটি মূ ল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বিজয়কৃষ্ণ কেন ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করেন? ব্যাখ্যা কর।

বিজয়কৃষ্ণ কেন ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.অবতার কাকে বলে?

অবতার কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

কমল গ্রামের দরিদ্র মেয়েদের শিক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ ও আর্থিক সাহায্য করেন। তিনি মনে করেন, মেয়েদের শিক্ষিত করতে পারলে দরিদ্রতা দূর হবে ও দেশ উন্নত হবে। অপরদিকে মিনু দেবীর লেখাপড়া ও অন্য কিছুর প্রতি তেমন আগ্রহ ছিল না। তিনি প্রকৃতির সাথে সময় কাটাতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতেন।

Sylhet · 2024

ক
পূর্ণাবতার কাকে বলে?
খ
চরক শরীরের কার্যকারিতার কয়টি উপাদানের কথা বলেছেন? ব্যাখ্যা কর।
গ
কমলের মধ্যে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন মহাপুরুষের গুণটি প্রকাশ পেয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের মিনু দেবীর চরিত্রটি নৈতিক জীবন গঠনে কতটুকু সহায়ক তা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

কমল গ্রামের দরিদ্র মেয়েদের শিক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ ও আর্থিক সাহায্য করেন। তিনি মনে করেন, মেয়েদের শিক্ষিত করতে পারলে দরিদ্রতা দূর হবে ও দেশ উন্নত হবে। অপরদিকে মিনু দেবীর লেখাপড়া ও অন্য কিছুর প্রতি তেমন আগ্রহ ছিল না। তিনি প্রকৃতির সাথে সময় কাটাতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতেন।

Sylhet · 2024

ক
পূর্ণাবতার কাকে বলে?
খ
চরক শরীরের কার্যকারিতার কয়টি উপাদানের কথা বলেছেন? ব্যাখ্যা কর।
গ
কমলের মধ্যে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন মহাপুরুষের গুণটি প্রকাশ পেয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের মিনু দেবীর চরিত্রটি নৈতিক জীবন গঠনে কতটুকু সহায়ক তা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.চরক শরীরের কার্যকারিতার কয়টি উপাদানের কথা বলেছেন? ব্যাখ্যা কর।

চরক শরীরের কার্যকারিতার কয়টি উপাদানের কথা বলেছেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.পূর্ণাবতার কাকে বলে?

পূর্ণাবতার কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নরেশ বাবু একজন ধার্মিক লোক। ছাত্রজীবন শেষে তিনি সমাজসেবায় মনোনিবেশ করেন। সারা ভারত ঘুরে তিনি দেখতে পান, মানুষের দুঃখ-দুদর্শা এবং শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে নারীদের পিছিয়ে পড়ার চিত্র। নারীদের শিক্ষার জন্য তিনি নানা কর্মকাণ্ড শুরু করেন। তিনি নিজে কয়েকটি বাণী উল্লেখিত করে বলেন, “যে জাতি নারীদের সম্মান দেয় না, সে জাতি কখনো বড়ো হতে পারে না।"

Barisal · 2024

ক
দুধাজী কে ছিলেন?
খ
শ্রী বিজয়কৃষ্ণ কেন ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করেন?
গ
নরেশ বাবুর কর্মকাণ্ডের সাথে পাঠ্যপুস্তকের কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়- তা বর্ণনা করো।
ঘ
'নরেশ বাবুর কর্মকাণ্ড স্বামী বিবেকানন্দের কয়েকটি বাণীর পরিপূরক'- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নরেশ বাবু একজন ধার্মিক লোক। ছাত্রজীবন শেষে তিনি সমাজসেবায় মনোনিবেশ করেন। সারা ভারত ঘুরে তিনি দেখতে পান, মানুষের দুঃখ-দুদর্শা এবং শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে নারীদের পিছিয়ে পড়ার চিত্র। নারীদের শিক্ষার জন্য তিনি নানা কর্মকাণ্ড শুরু করেন। তিনি নিজে কয়েকটি বাণী উল্লেখিত করে বলেন, “যে জাতি নারীদের সম্মান দেয় না, সে জাতি কখনো বড়ো হতে পারে না।"

Barisal · 2024

ক
দুধাজী কে ছিলেন?
খ
শ্রী বিজয়কৃষ্ণ কেন ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করেন?
গ
নরেশ বাবুর কর্মকাণ্ডের সাথে পাঠ্যপুস্তকের কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়- তা বর্ণনা করো।
ঘ
'নরেশ বাবুর কর্মকাণ্ড স্বামী বিবেকানন্দের কয়েকটি বাণীর পরিপূরক'- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.শ্রী বিজয়কৃষ্ণ কেন ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করেন?

শ্রী বিজয়কৃষ্ণ কেন ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.দুধাজী কে ছিলেন?

দুধাজী কে ছিলেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

"কমল বাবুর অনুসৃত পথের মাধ্যমে ধর্মীয় চেতনাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ব"-পাঠ্যপুস্তকউদ্দীপকে পরেশ বাবুর মধ্যে পাঠ্যবইয়ের কার মতাদর্শের সঙ্গে মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।বিজয়কৃষ্ণ কেন ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করেন? ব্যাখ্যা কর।অবতার কাকে বলে?উদ্দীপকের মিনু দেবীর চরিত্রটি নৈতিক জীবন গঠনে কতটুকু সহায়ক তা মূল্যায়ন কর।কমলের মধ্যে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন মহাপুরুষের গুণটি প্রকাশ পেয়েছে? ব্যাখ্যা কর।চরক শরীরের কার্যকারিতার কয়টি উপাদানের কথা বলেছেন? ব্যাখ্যা কর।পূর্ণাবতার কাকে বলে?'নরেশ বাবুর কর্মকাণ্ড স্বামী বিবেকানন্দের কয়েকটি বাণীর পরিপূরক'- বিশ্লেষণ করো।নরেশ বাবুর কর্মকাণ্ডের সাথে পাঠ্যপুস্তকের কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়- তা বর্ণনা শ্রী বিজয়কৃষ্ণ কেন ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করেন?দুধাজী কে ছিলেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।