ইমাম সাহেবের বক্তব্যে যে কিতাবের ইঙ্গিত পাওয়া যায় তা চিহ্নিত করে এর তেলাওয়াতের ফজিলত বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: ইমাম সাহেবের বক্তব্যে মহাগ্রন্থ আল-কুরআনের ইঙ্গিত পাওয়া যায়। কুরআন ও হাদিসে এ মহাগ্রন্থ অনুসরণ এবং তিলাওয়াতের অসীম ফজিলত বর্ণনা করা হয়েছে। কুরআন তিলাওয়াত সর্বশ্রেষ্ঠ নফল ইবাদত। এর দ্বারা বান্দা বিরাট সম্মান ও মর্যাদার অধিকারী হয়। হাদিসে এসেছে, 'তোমাদের মধ্যে ঐ ব্যক্তি উত্তম যে কুরআন শেখে এবং অপরকেও তা শিক্ষা দেয়।' (বুখারি) এছাড়া কুরআন তিলাওয়াতকারীর পিতামাতাকে কিয়ামতের দিন মুকুট পরানো হবে। ইমাম সাহেব যে কিতাবের কথা বলেন সেটি পাঠ করলে মানুষের অন্তর পরিশুদ্ধ হয়। মানুষ নৈতিক ও মানবিক গুণাবলিতে উদ্ভাসিত হয়। আল-কুরআন সম্পর্কেই এ কথাগুলো সত্য। আল-কুরআন মানবজাতির হেদায়াতের প্রধান উৎস। মানবজাতির জন্য কোন পথ কল্যাণকর আর কোন পথ ধ্বংসের তা আমরা যথাযথভাবে জানতে পারি কুরআন থেকে। আল-কুরআন আমাদের নৈতিক ও মানবিক আদর্শ শিক্ষা দেয়। এ আদর্শ ধারণ করে আমরা উত্তম চরিত্রবান হিসেবে গড়ে উঠতে পারি। আল কুরআন তিলাওয়াতের ফজিলতও অনেক। হাদিসে বলা হয়েছে, এ মহাগ্রন্থের একটি হরফ পাঠ করলে দশটি নেকি পাওয়া যায়। মহানবি (স) আরও বলেছেন, 'তোমরা কুরআন তিলাওয়াত করো। কেননা কিয়ামতের দিন তা পাঠকারীদের জন্য সুপারিশ করবে।' (মুসলিম) উপরের আলোচনা শেষে বলা যায়, ইমাম সাহেব আল কুরআনের কথা বলেছেন, যা তিলাওয়াতের জন্য অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ কিতাব।
SSC ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা অধ্যায়-২ : শরিয়তের উৎস CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা · অধ্যায়-২ : শরিয়তের উৎস · সৃজনশীল
ইমাম সাহেবের বক্তব্যে যে কিতাবের ইঙ্গিত পাওয়া যায় তা চিহ্নিত করে এর…
উদ্দীপক
Jessore · 2020
উত্তর
উত্তর