শেয়ারFacebookWhatsApp

ইউটিউব (YouTube)-এর বক্তার বক্তব্যটি ইসলামের দৃষ্টিতে কীরূপ? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: ইউটিউব (You Tube) এর বক্তার বক্তব্যটি ইসলামের দৃষ্টিতে কুফরি এর অন্তর্ভুক্ত। কুফর ইমানের ঠিক বিপরীত। ইসলামের মৌলিক সাতটি বিষয়ের যেকোনো একটির প্রতি অবিশ্বাস বা সন্দেহ পোষণ করাই কুফর। এ সাতটি বিষয় হলো- এক আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস, ফেরেশতাদের প্রতি বিশ্বাস, নবি রাসুলগণের প্রতি বিশ্বাস, আসমানি কিতাবের প্রতি বিশ্বাস, তাকদিরের (ভাগ্যের ভালোমন্দ) উপর বিশ্বাস, মৃত্যুর পর পুনরুত্থানের (পুনরায় জীবিত হওয়া) উপর বিশ্বাস এবং আখিরাত বা পরকালের প্রতি বিশ্বাস। ইউটিউব এর বক্তা পরকাল বা চিরস্থায়ী জীবনের প্রতি অবিশ্বাস পোষণ করেছে। আখিরাত হলো মৃত্যুর পরের জীবন। মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মানুষের এ জীবনের শুরু হয়। এর কোনো শেষ নেই। অনন্তকাল ধরে এ জীবন চলতে থাকবে। দুনিয়াতে যারা ভালো কাজ করবে, আখিরাতে তারা চিরস্থায়ী সুখের আবাস জান্নাত লাভ করবে। আর যারা ইহকালীন জীবনে আল্লাহর নির্দেশ অমান্য করে নিজেদের খেয়ালখুশি মতো জীবন পরিচালনা করবে; তারা অনন্তকাল জাহান্নামের আগুনে শাস্তি ভোগ করবে। যারা এ অনন্ত ও চিরস্থায়ী জীবনের প্রতি অবিশ্বাস পোষণ করবে, তারা কাফির। সুতরাং বলা যায়, ইউটিউব এর বক্তার মনোভাব কুফরের অন্তর্ভুক্ত।

SSC ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা অধ্যায়-২ : শরিয়তের উৎস CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা · অধ্যায়-২ : শরিয়তের উৎস · সৃজনশীল

ইউটিউব (YouTube)-এর বক্তার বক্তব্যটি ইসলামের দৃষ্টিতে কীরূপ? ব্যাখ্…

উদ্দীপক

শাকিল ইউটিউব (YouTube)-এ একটি আলোচনায় এক বক্তাকে বলতে শুনলেন যে, মানবজীবনে ইহকালীন ও পরকালীন কল্যাণের জন্য শুধুমাত্র কুরআন জানা ও মানা আবশ্যক। হাদিসের অনুসরণের কোনো প্রয়োজন নেই। বক্তব্য শুনে সে দ্বিধাদ্বন্দে পড়ে স্থানীয় এক ইমাম সাহেবকে বললেন। ইমাম সাহেব তাকে সূরা আল-হাশরের ৭নং আয়াতখানা পাঠ করে এর অর্থ "রাসুল তোমাদের যা প্রদান করেন তা তোমরা গ্রহণ কর। আর যা নিষেধ করেন তা থেকে বিরত থাক" এবং ব্যাখ্যা শুনিয়ে দেন।

Mymensingh · 2024

উত্তর

যে হাদিসের শব্দ ও ভাষা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর নিজস্ব; কিন্তু তার অর্থ, ভাব ও মূলকথা আল্লাহ তায়ালার নিকট থেকে ইলহাম বা স্বপ্নযোগে প্রাপ্ত, তাকে হাদিসে কুদসি বলে।

উত্তর

কিয়াস ইসলামি শরিয়তের একটি বিজ্ঞানসম্মত ও যৌক্তিক উৎস হলেও শরিয়তে এর স্থান সর্বনিম্নে। কুরআন ও সুন্নাহর আইন বা নীতির সাদৃশ্যের ভিত্তিতে বিচার-বুদ্ধি প্রয়োগ করে পরবর্তীতে উদ্ভূত সমস্যার সমাধান দেওয়াকে কিয়াস বলে। তবে নিজের খেয়াল খুশি মতো স্বার্থপরভাবে কিয়াস করা বৈধ নয়। যেসব বিষয়ের সমাধান কুরআন, হাদিস ও ইজমায় পাওয়া যায় সেসব বিষয়ে কিয়াস করা যাবে না। অর্থাৎ শরিয়তে বিষয়সমূহের সঠিক ধারাবাহিকতা অনুযায়ী কিয়াসের স্থান সবার পরে। এ বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়ে কিয়াস করতে হবে।

উত্তর

ইউটিউব (You Tube) এর বক্তার বক্তব্যটি ইসলামের দৃষ্টিতে কুফরি এর অন্তর্ভুক্ত। কুফর ইমানের ঠিক বিপরীত। ইসলামের মৌলিক সাতটি বিষয়ের যেকোনো একটির প্রতি অবিশ্বাস বা সন্দেহ পোষণ করাই কুফর। এ সাতটি বিষয় হলো- এক আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস, ফেরেশতাদের প্রতি বিশ্বাস, নবি রাসুলগণের প্রতি বিশ্বাস, আসমানি কিতাবের প্রতি বিশ্বাস, তাকদিরের (ভাগ্যের ভালোমন্দ) উপর বিশ্বাস, মৃত্যুর পর পুনরুত্থানের (পুনরায় জীবিত হওয়া) উপর বিশ্বাস এবং আখিরাত বা পরকালের প্রতি বিশ্বাস। ইউটিউব এর বক্তা পরকাল বা চিরস্থায়ী জীবনের প্রতি অবিশ্বাস পোষণ করেছে। আখিরাত হলো মৃত্যুর পরের জীবন। মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মানুষের এ জীবনের শুরু হয়। এর কোনো শেষ নেই। অনন্তকাল ধরে এ জীবন চলতে থাকবে। দুনিয়াতে যারা ভালো কাজ করবে, আখিরাতে তারা চিরস্থায়ী সুখের আবাস জান্নাত লাভ করবে। আর যারা ইহকালীন জীবনে আল্লাহর নির্দেশ অমান্য করে নিজেদের খেয়ালখুশি মতো জীবন পরিচালনা করবে; তারা অনন্তকাল জাহান্নামের আগুনে শাস্তি ভোগ করবে। যারা এ অনন্ত ও চিরস্থায়ী জীবনের প্রতি অবিশ্বাস পোষণ করবে, তারা কাফির। সুতরাং বলা যায়, ইউটিউব এর বক্তার মনোভাব কুফরের অন্তর্ভুক্ত।

উত্তর

ইমাম সাহেব শাকিলকে বোঝানোর জন্য সূরা আল-হাশরের ৮নং আয়াতটি বুঝিয়ে বলেছেন। ইউটিউবের বক্তার বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে এ বিষয়টি অত্যন্ত যৌক্তিক আলোচনা হিসেবে স্বীকৃত। কারণ এখানে হাদিসের গুরুত্ব ফুটে উঠেছে। ইসলামি শরিয়তে হাদিসের গুরুত্ব অপরিসীম। হাদিস হলো শরিয়তের দ্বিতীয় উৎস। এটিও এক প্রকার ওহি। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর বাণী ও কাজের অনুসরণ করা আবশ্যক। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আনুগত্য করলে প্রকারান্তে আল্লাহ তায়ালারই আনুগত্য করা হয়। আল্লাহ তায়ালা এতে সন্তুষ্ট হন। ইমাম সাহেবের আলোচ্য আয়াতটি হলো “রাসুল তোমাদের যা প্রদান করেন তা তোমরা গ্রহণ করো। আর যা নিষেধ করেছেন তা থেকে বিরত থাকো।” এ আয়াতে হাদিস তথা রাসুল (সা.)-এর আদেশ-নিষেধ মেনে চলার প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) কুরআনের বিধি-বিধানসমূহের প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা দিতেন। অনেকে ক্ষেত্রে নিজ আমল করার দ্বারা এসব বিধান হাতে-কলমে শিক্ষা দিতেন। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর এসব বাণী ও কর্মই হাদিস। সুতরাং কুরআনের বিধি-বিধান সুস্পষ্টরূপে অনুসরণের জন্য হাদিস অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। নিম্নের উদাহণের মাধ্যমে আমরা আরও ভালোভাবে বিষয়টি বুঝতে পারি। যেমন- কুরআন মাজিদে সালাত কায়েম করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কীভাবে, কোন সময়, কত রাকআত সালাত আদায় করতে হবে তার বিস্তারিত দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। ঠিক তেমনিভাবে কুরআনে যাকাত প্রদানেরও হুকুম দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কে যাকাত দেবে, কাকে দেবে, কত পরিমাণ দেবে, এর কোনো নিয়ম সবিস্তারে বর্ণনা করা হয়নি। রাসুলুল্লাহ (সা.) হাদিসের দ্বারা আমাদের এসব নিয়ম-কানুন সূক্ষ্মতিসূক্ষ্মভাবে বর্ণনা করেছেন। ফলে আমরা যথাযথভাবে এগুলো আদায় করতে পারছি। এ আয়াতে হাদিসের তথা রাসূল (সা.)-এর আদেশ-নিষেধ মেনে চলার প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। মহানবি হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, "আমি তোমাদের মধ্যে দুটি বস্তু রেখে যাচ্ছি। যতদিন তোমরা এ দুটোকে আকড়ে থাকবে ততদিন পর্যন্ত তোমরা পথভ্রষ্ট হবে না। একটি হলো কিতাব (আল-কুরআন) এবং অপরটি হলো তার রাসুলের সুন্নত। (মুয়াত্তা) তাই আমাদেরকে কুরআনের পাশাপাশি হাদিস অনুসরণ করাও অত্যাবশ্যক। ইমাম সাহেব শাকিলকে এ বিষয় বোঝানোর কারণে তার বক্তব্য যুক্তিযুক্ত।
SSCইসলাম ও নৈতিক শিক্ষাঅধ্যায়-২ : শরিয়তের উৎস
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.'শরিয়তের বিষয়বস্তু ও পরিধি অত্যন্ত ব্যাপক'- ব্যাখ্যা করো।

'শরিয়তের বিষয়বস্তু ও পরিধি অত্যন্ত ব্যাপক'- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মানবজীবনে হারামের প্রভাব বর্ণনা করো।

মানবজীবনে হারামের প্রভাব বর্ণনা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.'ফরজে কিফায়া সকল মুসলমানের ওপর ফরজ নয়।'- ব্যাখ্যা করো।

'ফরজে কিফায়া সকল মুসলমানের ওপর ফরজ নয়।'- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.হারাম বর্জনীয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

হারাম বর্জনীয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষের গুরুত্ব অপরিসীম।- ব্যাখ্যা করো।

পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষের গুরুত্ব অপরিসীম।- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সূরা আল ইনশিরাহ কেন নাজিল করা হয়? লেখো।

সূরা আল ইনশিরাহ কেন নাজিল করা হয়? লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.শুদ্ধ উচ্চারণে কুরআন তিলাওয়াতের জন্য নাযিরা তিলাওয়াত কতটুকু জরুরি?

শুদ্ধ উচ্চারণে কুরআন তিলাওয়াতের জন্য নাযিরা তিলাওয়াত কতটুকু জরুরি?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.কিয়াসের দুটি নীতিমালা ব্যাখ্যা করো।

কিয়াসের দুটি নীতিমালা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.জিহাদ ও সন্ত্রাসবাদের মধ্যে পার্থক্য কী? ব্যাখ্যা করো।

জিহাদ ও সন্ত্রাসবাদের মধ্যে পার্থক্য কী? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.মীম বাড়ির সামনে আমগাছের বাগান তৈরি করেন। মীমের কাজের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হাদিসটির শিক্ষা লেখো।

মীম বাড়ির সামনে আমগাছের বাগান তৈরি করেন। মীমের কাজের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হাদিসটির শিক্ষা লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.'ফরজে কিফায়া'- ব্যাখ্যা দাও।

'ফরজে কিফায়া'- ব্যাখ্যা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.কিয়াসের দুটি নীতিমালা ব্যাখ্যা করো।

কিয়াসের দুটি নীতিমালা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

'শরিয়তের বিষয়বস্তু ও পরিধি অত্যন্ত ব্যাপক'- ব্যাখ্যা করো।মানবজীবনে হারামের প্রভাব বর্ণনা করো।'ফরজে কিফায়া সকল মুসলমানের ওপর ফরজ নয়।'- ব্যাখ্যা করো।হারাম বর্জনীয় কেন? ব্যাখ্যা করো।পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষের গুরুত্ব অপরিসীম।- ব্যাখ্যা করো।সূরা আল ইনশিরাহ কেন নাজিল করা হয়? লেখো।শুদ্ধ উচ্চারণে কুরআন তিলাওয়াতের জন্য নাযিরা তিলাওয়াত কতটুকু জরুরি?কিয়াসের দুটি নীতিমালা ব্যাখ্যা করো।জিহাদ ও সন্ত্রাসবাদের মধ্যে পার্থক্য কী? ব্যাখ্যা করো।মীম বাড়ির সামনে আমগাছের বাগান তৈরি করেন। মীমের কাজের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হাদিসটির 'ফরজে কিফায়া'- ব্যাখ্যা দাও।কিয়াসের দুটি নীতিমালা ব্যাখ্যা করো।

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।