উদ্দীপকের [গণিত] যৌগ হতে বিশুদ্ধ জিঙ্ক ধাতু নিষ্কাশন কার্বন বিজারণ এবং তড়িৎ বিশ্লেষণ উভয় প্রক্রিয়াই আবশ্যক – বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: উদ্দীপকের (i) নং বিক্রিয়াটি সম্পূর্ণ করে পাই, [চিত্র] উপরিউক্ত বিক্রিয়ার যৌগ জিংক কার্বনেট হতে বিশুদ্ধ জিংক ধাতু কার্বন বিজারণ ও তড়িৎ বিশ্লেষণ উভয় পদ্ধতি ব্যবহার করে নিষ্কাশন করা যায়; নিম্নে তা বিশ্লেষণ করা হলো: ZnCO3 উত্তাপে বিয়োজিত হয়ে ZnO এবং [গণিত] উৎপন্ন করে। [গণিত] উৎপাদ ZnO কে C দ্বারা বিজারিত করে Zn ধাতু নিষ্কাশন করা হয়। [গণিত] সুতরাং কার্বন বিজারণ পদ্ধতি দ্বারা ক্যালামাইন থেকে Zn ধাতু নিষ্কাশন করা সম্ভব। সুতরাং উৎপন্ন জিংক অক্সাইডের সাথে কোক চূর্ণ (কার্বন) মিশ্রিত করে একমুখ বন্ধ সিলিন্ডার আকৃতির রিটর্টে নেওয়া হয়। এ রিটর্টটি অগ্নিসহ মাটির তৈরি। এর খোলামুখে মাটির তৈরি গ্রাহক নল জুড়ে দেওয়া হয়। এ নলটি জিংক বাষ্পের জন্য কনডেনসার বা শীতকরূপে কাজ করে। শীতকের শেষ মাথায় লোহার তৈরি একটি ক্ষুদ্রাকার শীতক থাকে, যাকে প্রোলং (prolong) বা প্রবর্ধন বলে। প্রথম শীতকে যে জিংক বাষ্প ঘনীভূত হয় না, তাকে সঞ্চয় করাই এ প্রোলং-এর কাজ। [চিত্র] জিংক অক্সাইড ও কোকের মিশ্রণকে গ্যাসের সাহায্যে প্রায় ২৪ ঘণ্টা উত্তপ্ত করা হয়। এ সময় জিংক অক্সাইড বিজারিত হয়ে জিংকে রূপান্তরিত হয় এবং কার্বন জারিত হয়ে কার্বন মনোক্সাইড উৎপন্ন করে, যা কনডেনসারের মুখে জ্বলতে থাকে। [গণিত] উৎপাদিত জিংক রিটর্ট হতে বাষ্পাকারে বের হয়ে আসে এবং এর বড় অংশ কনডেনসারে ঠান্ডা হয়ে তরল জিংক হিসেবে জমা হয়। এভাবে উৎপন্ন জিংক 97-98% বিশুদ্ধ হয়। প্রয়োজনবোধে তড়িৎ বিশোধনের সাহায্যে একে আরো বিশুদ্ধ করা হয়। এভাবে ক্যাথোডে 99.98% বিশুদ্ধ জিংক (Zn) জমা হয়। অতএব ক্যালামাইন হতে উৎপন্ন ZnO হতে জিংক ধাতু নিষ্কাশনে কার্বন বিজারণ ও তড়িৎ বিশ্লেষণ উভয় প্রক্রিয়াই আবশ্যক।
SSC রসায়ন অধ্যায়-১২ : আমাদের জীবনে রসায়ন (Full Syllabus) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · রসায়ন · অধ্যায়-১২ : আমাদের জীবনে রসায়ন (Full Syllabus) · সৃজনশীল
উদ্দীপকের যৌগ হতে বিশুদ্ধ জিঙ্ক ধাতু নিষ্কাশন কার্বন বিজারণ এবং তড়…
উদ্দীপক
Sylhet · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উপরিউক্ত বিক্রিয়ার যৌগ জিংক কার্বনেট হতে বিশুদ্ধ জিংক ধাতু কার্বন বিজারণ ও তড়িৎ বিশ্লেষণ উভয় পদ্ধতি ব্যবহার করে নিষ্কাশন করা যায়; নিম্নে তা বিশ্লেষণ করা হলো:
ZnCO3 উত্তাপে বিয়োজিত হয়ে ZnO এবং উৎপন্ন করে।
উৎপাদ ZnO কে C দ্বারা বিজারিত করে Zn ধাতু নিষ্কাশন করা হয়।
সুতরাং কার্বন বিজারণ পদ্ধতি দ্বারা ক্যালামাইন থেকে Zn ধাতু নিষ্কাশন করা সম্ভব।
সুতরাং উৎপন্ন জিংক অক্সাইডের সাথে কোক চূর্ণ (কার্বন) মিশ্রিত করে একমুখ বন্ধ সিলিন্ডার আকৃতির রিটর্টে নেওয়া হয়। এ রিটর্টটি অগ্নিসহ মাটির তৈরি। এর খোলামুখে মাটির তৈরি গ্রাহক নল জুড়ে দেওয়া হয়। এ নলটি জিংক বাষ্পের জন্য কনডেনসার বা শীতকরূপে কাজ করে। শীতকের শেষ মাথায় লোহার তৈরি একটি ক্ষুদ্রাকার শীতক থাকে, যাকে প্রোলং (prolong) বা প্রবর্ধন বলে। প্রথম শীতকে যে জিংক বাষ্প ঘনীভূত হয় না, তাকে সঞ্চয় করাই এ প্রোলং-এর কাজ।
জিংক অক্সাইড ও কোকের মিশ্রণকে গ্যাসের সাহায্যে প্রায় ২৪ ঘণ্টা উত্তপ্ত করা হয়। এ সময় জিংক অক্সাইড বিজারিত হয়ে জিংকে রূপান্তরিত হয় এবং কার্বন জারিত হয়ে কার্বন মনোক্সাইড উৎপন্ন করে, যা কনডেনসারের মুখে জ্বলতে থাকে।
উৎপাদিত জিংক রিটর্ট হতে বাষ্পাকারে বের হয়ে আসে এবং এর বড় অংশ কনডেনসারে ঠান্ডা হয়ে তরল জিংক হিসেবে জমা হয়। এভাবে উৎপন্ন জিংক 97-98% বিশুদ্ধ হয়। প্রয়োজনবোধে তড়িৎ বিশোধনের সাহায্যে একে আরো বিশুদ্ধ করা হয়।
এভাবে ক্যাথোডে 99.98% বিশুদ্ধ জিংক (Zn) জমা হয়।
অতএব ক্যালামাইন হতে উৎপন্ন ZnO হতে জিংক ধাতু নিষ্কাশনে কার্বন বিজারণ ও তড়িৎ বিশ্লেষণ উভয় প্রক্রিয়াই আবশ্যক।