শেয়ারFacebookWhatsApp

মানব প্রজননে গ্রন্থি নিঃসৃত রসগুলোর গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

উত্তর: মানব প্রজননে নালিবিহীন গ্রন্থি নিঃসৃত রসগুলো অর্থাৎ হরমোনের গুরুত্ব নিচে বিশ্লেষণ করা হলো- হরমোন এক ধরনের জৈব রাসায়নিক পদার্থ; যা নালিহীন গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়। এটি রাসায়নিক দূত হিসেবে সরাসরি রক্তের মাধ্যমে দেহের বিভিন্ন অঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে এবং দেহের বিভিন্ন বিপাকীয় ও শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে এবং বিভিন্ন রাসায়নিক ক্রিয়া ঘটাতে সাহায্য করে। হরমোন নির্দিষ্ট অথচ স্বল্পমাত্রায় নিঃসৃত হয়ে নানাবিধ শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। নির্দিষ্ট মাত্রার চেয়ে বেশি বা কম নিঃসরণ হলে দেহের বিভিন্ন কাজের ব্যাঘাত ঘটে। দেহের নানা রকম অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়। আমাদের শরীরে নিম্নলিখিত গ্রন্থিগুলো প্রজনন-সংক্রান্ত হরমোন নিঃসরণ করে: ১. পিটুইটারি গ্রন্থি ২. থাইরয়েড গ্রন্থি ৩. অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি ৪. শুক্রাশয়ের অনালগ্রন্থি ৫. ডিম্বাশয়ের অনালগ্রন্থি ৬. অমরা। পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে বিভিন্ন ধরনের বৃদ্ধি উদ্দীপক হরমোন এবং উৎপাদক হরমোন নিঃসৃত হয়। এ হরমোনগুলো জননগ্রন্থির বৃদ্ধি, ক্ষরণ এবং কাজ নিয়ন্ত্রণ করে, মাতৃদেহে স্তনগ্রন্থির বৃদ্ধি এবং দুগ্ধ ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে। তাছাড়া এগুলো জরায়ুর সংকোচন নিয়ন্ত্রণ করে। থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে থাইরক্সিন নিঃসৃত হয়। এ হরমোন দৈহিক এবং মানসিক বৃদ্ধি, যৌনলক্ষণ প্রকাশ এবং বিপাকে সহায়তা করে। অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত কিছু হরমোন যৌনাঙ্গ বৃদ্ধি এবং যৌনলক্ষণ প্রকাশে সহায়তা করে। শুক্রাশয় থেকে নিঃসৃত টেস্টোস্টেরন ও অ্যান্ড্রোজেন শুক্রাণু উৎপাদন, দাড়ি-গোঁফ গজানো, গলার স্বর পরিবর্তন ইত্যাদি যৌনলক্ষণ প্রকাশে সহায়তা করে। ডিম্বাশয় থেকে নিঃসৃত ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোন মেয়েদের নারীসুলভ লক্ষণগুলো সৃষ্টি, ঋতুচক্র নিয়ন্ত্রণ এবং গর্ভাবস্থায় জরায়ু, ভ্রূণ, অমরা ইত্যাদি বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে। তাছাড়া ডিম্বাণু উৎপাদনে ভূমিকা পালন করে। অমরা থেকে নিঃসৃত গোনাডোট্রপিন ও প্রোজেস্টেরন ডিম্বাশয়ের অনাল গ্রন্থিকে উত্তেজিত করে এবং স্তনগ্রন্থির বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে। উপরের আলোচনা থেকে তাই বলা যায় যে, মানব প্রজননে নালিবিহীন গ্রন্থি নিঃসৃত রস অর্থাৎ হরমোনের গুরুত্ব অপরিসীম।

SSC জীববিজ্ঞান অধ্যায়-১১ : জীবে প্রজনন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · জীববিজ্ঞান · অধ্যায়-১১ : জীবে প্রজনন · সৃজনশীল

মানব প্রজননে গ্রন্থি নিঃসৃত রসগুলোর গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

উদ্দীপক

মানবদেহের নালিবিহীন গ্রন্থি হতে কিছু জৈব-রাসায়নিক পদার্থ নিঃসৃত হয় যেগুলো মানব প্রজননে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে পিতামাতা জেনেটিক অসুখে আক্রান্ত হলে সন্তানও আক্রান্ত হয়। তেমনি জেনেটিক অসুখের বাহক জনাব রফিকের ছেলে রিয়াজ জন্মের পর থেকে রক্তশূন্যতায় ভুগছে।

Comilla · 2021

উত্তর

যখন কোনো ফুলে পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক দুটোই উপস্থিত থাকে, তখন তাকে উভলিঙ্গ ফুল বলে। যেমন: জবা, ধুতুরা।

উত্তর

গ্রেগর জোহান মেন্ডেল ১৮৬৬ সালে মটরশুঁটি নিয়ে গবেষণাকালে বংশগতির ধারক ও বাহকরূপে যে ফ্যাক্টরের কথা উল্লেখ করেছিলেন সেটি আজ 'জিন' রূপে পরিচিত হয়েছে। মাতা-পিতার বৈশিষ্ট্য উদ্ভিদের বংশধরদের মধ্যে কীভাবে প্রকাশ পায় সে সম্বন্ধে মেন্ডেল মটর গাছ নিয়ে পরীক্ষার মাধ্যমে মূল্যবান তত্ত্ব আবিষ্কার করেছিলেন তাই গ্রেগর জোহান মেন্ডেলকে বংশগতিবিদ্যার জনক বলা হয়।

উত্তর

উদ্দীপকের রিয়াজ রক্তশূন্যতায় আক্রান্ত কারণ সে থ্যালাসেমিয়ার রোগে ভুগছে। নিচে ব্যাখ্যা করা হলো- থ্যালাসেমিয়া রক্তের লোহিত রক্ত কণিকার এক অস্বাভাবিক অবস্থাজনিত রোগের নাম। এই রোগে লোহিত রক্ত কণিকাগুলো নষ্ট হয়। ফলে রোগী রক্তশূন্যতায় ভোগে। এই রোগ বংশপরম্পরায় হয়ে থাকে। এটি একটি অটোসোমাল রিসিসিভ ডিজঅর্ডার, অর্থাৎ বাবা ও মা উভয়ইে এ রোগের বাহক বা রোগী হলে তবেই তা সন্তানে রোগ লক্ষণ হিসেবে প্রকাশ পায়। চাচাতো-মামাতো-খালাতো ভাইবোন বা অনুরূপ নিকট আত্মীয়নের মধ্যে বিয়ে হলে এ ধরনের রোগে আক্রান্ত সন্তান জন্ম দেওয়ার আশঙ্কা বহুগুণ বেড়ে যায়। লোহিত রক্তকোষ দুধরনের প্রোটিন দিয়ে তৈরি, α\alpha-গ্লোবিউলিন এবং β\beta-গ্লোবিউলিন। থ্যালাসেমিয়া হয় লোহিত রক্তকোষে এ দুটি প্রোটিনের জিন নষ্ট থাকার কারণে, যার ফলে ত্রুটিপূর্ণ লোহিত রক্তকোষ উৎপাদিত হয়। দুধরনের জিনের সমস্যার জন্য দুই ধরনের থ্যালাসেমিয়া দেখা যায়, আলফা (α\alpha) থ্যালাসেমিয়া এবং বিটা (β\beta) থ্যালাসেমিয়া। আলফা থ্যালাসেমিয়া রোগ তখন হয়, যখন α\alpha-গ্লোবিউলিন তৈরির জিন অনুপস্থিত থাকে, কিংবা ত্রুটিপূর্ণ হয়। একইভাবে বিটা (β\beta) থ্যালাসেমিয়া তখনই হয়, যখন β\beta-গ্লোবিউলিন প্রোটিন উৎপাদন ব্যাহত হয়। বিটা থ্যালাসেমিয়াকে 'কুলির থ্যালাসেমিয়া'ও বলা হয়। জিনের প্রাপ্তির উপর নির্ভর করেও থ্যালাসেমিয়াকে দুভাবে দেখা হয়, থ্যালাসেমিয়া মেজর এবং থ্যালাসেমিয়া মাইনর। থ্যালাসেমিয়া মেজরের বেলায় শিশু তার বাবা ও মা দুজনের কাছ থেকেই থ্যালাসেমিয়া জিন পেয়ে থাকে। থ্যালাসেমিয়া মাইনরের বেলায় শিশু থ্যালাসেমিয়া জিন তার বাবা অথবা তার মায়ের কাছ থেকে পেয়ে থাকে। এ ধরনের শিশুরা থ্যালাসেমিয়ার কোনো উপসর্গ দেখায় না। তবে থ্যালাসেমিয়া জিনের বাহক হিসেবে কাজ করে।

উত্তর

মানব প্রজননে নালিবিহীন গ্রন্থি নিঃসৃত রসগুলো অর্থাৎ হরমোনের গুরুত্ব নিচে বিশ্লেষণ করা হলো- হরমোন এক ধরনের জৈব রাসায়নিক পদার্থ; যা নালিহীন গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়। এটি রাসায়নিক দূত হিসেবে সরাসরি রক্তের মাধ্যমে দেহের বিভিন্ন অঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে এবং দেহের বিভিন্ন বিপাকীয় ও শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে এবং বিভিন্ন রাসায়নিক ক্রিয়া ঘটাতে সাহায্য করে। হরমোন নির্দিষ্ট অথচ স্বল্পমাত্রায় নিঃসৃত হয়ে নানাবিধ শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। নির্দিষ্ট মাত্রার চেয়ে বেশি বা কম নিঃসরণ হলে দেহের বিভিন্ন কাজের ব্যাঘাত ঘটে। দেহের নানা রকম অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়। আমাদের শরীরে নিম্নলিখিত গ্রন্থিগুলো প্রজনন-সংক্রান্ত হরমোন নিঃসরণ করে: ১. পিটুইটারি গ্রন্থি ২. থাইরয়েড গ্রন্থি ৩. অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি ৪. শুক্রাশয়ের অনালগ্রন্থি ৫. ডিম্বাশয়ের অনালগ্রন্থি ৬. অমরা। পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে বিভিন্ন ধরনের বৃদ্ধি উদ্দীপক হরমোন এবং উৎপাদক হরমোন নিঃসৃত হয়। এ হরমোনগুলো জননগ্রন্থির বৃদ্ধি, ক্ষরণ এবং কাজ নিয়ন্ত্রণ করে, মাতৃদেহে স্তনগ্রন্থির বৃদ্ধি এবং দুগ্ধ ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে। তাছাড়া এগুলো জরায়ুর সংকোচন নিয়ন্ত্রণ করে। থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে থাইরক্সিন নিঃসৃত হয়। এ হরমোন দৈহিক এবং মানসিক বৃদ্ধি, যৌনলক্ষণ প্রকাশ এবং বিপাকে সহায়তা করে। অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত কিছু হরমোন যৌনাঙ্গ বৃদ্ধি এবং যৌনলক্ষণ প্রকাশে সহায়তা করে। শুক্রাশয় থেকে নিঃসৃত টেস্টোস্টেরন ও অ্যান্ড্রোজেন শুক্রাণু উৎপাদন, দাড়ি-গোঁফ গজানো, গলার স্বর পরিবর্তন ইত্যাদি যৌনলক্ষণ প্রকাশে সহায়তা করে। ডিম্বাশয় থেকে নিঃসৃত ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোন মেয়েদের নারীসুলভ লক্ষণগুলো সৃষ্টি, ঋতুচক্র নিয়ন্ত্রণ এবং গর্ভাবস্থায় জরায়ু, ভ্রূণ, অমরা ইত্যাদি বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে। তাছাড়া ডিম্বাণু উৎপাদনে ভূমিকা পালন করে। অমরা থেকে নিঃসৃত গোনাডোট্রপিন ও প্রোজেস্টেরন ডিম্বাশয়ের অনাল গ্রন্থিকে উত্তেজিত করে এবং স্তনগ্রন্থির বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে। উপরের আলোচনা থেকে তাই বলা যায় যে, মানব প্রজননে নালিবিহীন গ্রন্থি নিঃসৃত রস অর্থাৎ হরমোনের গুরুত্ব অপরিসীম।
SSCজীববিজ্ঞানঅধ্যায়-১১ : জীবে প্রজনন
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.ধানকে বায়ুপরাগী উদ্ভিদ বলা হয় কেন?

ধানকে বায়ুপরাগী উদ্ভিদ বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.পরাগায়ন কী? বুঝিয়ে বলো। অথবা, পরাগায়ন কাকে বলে?

পরাগায়ন কী? বুঝিয়ে বলো। অথবা, পরাগায়ন কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.প্রাণিপরাগী ফুলের বৈশিষ্ট্য গুলো লেখো।

প্রাণিপরাগী ফুলের বৈশিষ্ট্য গুলো লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.দলমণ্ডল কীভাবে পরাগায়নে সহায়তা করে?

দলমণ্ডল কীভাবে পরাগায়নে সহায়তা করে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.পরাগায়নে মাধ্যমের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।

পরাগায়নে মাধ্যমের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সরিষা ফুলকে আদর্শ ফুল বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

সরিষা ফুলকে আদর্শ ফুল বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ফুলের বৃতি অপেক্ষা দলের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন কেন?

ফুলের বৃতি অপেক্ষা দলের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.নিষেকের ফলে কী হয়? ব্যাখ্যা করো।

নিষেকের ফলে কী হয়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.পর-পরাগায়ন কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

পর-পরাগায়ন কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10."পরাগায়নের মাধ্যম"-এর উপর একটি সংক্ষিপ্ত টীকা লেখো।

"পরাগায়নের মাধ্যম"-এর উপর একটি সংক্ষিপ্ত টীকা লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Dinajpur · 2016

ICBN এর পূর্ণরূপ লেখো।
শ্রেণিবিন্যাস বলতে কী বোঝ?
জীবের সঙ্গে উদ্দীপকের ছক "A" কীভাবে সম্পর্কিত? ব্যাখ্যা করো।
আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ছক B কতটুকু ভূমিকা রাখবে বলে তুমি মনে করো? যুক্তিসহ লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Dinajpur · 2016

ICBN এর পূর্ণরূপ লেখো।
শ্রেণিবিন্যাস বলতে কী বোঝ?
জীবের সঙ্গে উদ্দীপকের ছক "A" কীভাবে সম্পর্কিত? ব্যাখ্যা করো।
আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ছক B কতটুকু ভূমিকা রাখবে বলে তুমি মনে করো? যুক্তিসহ লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।