শেয়ারFacebookWhatsApp

'উদ্দীপকে জমিলা বেগমের ছেলের মতো অসংখ্য মানুষের আত্মত্যাগে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে'- 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার আলোকে বিশ্লেষণ করো।

উত্তর: "উদ্দীপকের জমিলা বেগমের ছেলের মতো অসংখ্য মানুষের আত্মত্যাগে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার আলোকে মন্তব্যটি যথার্থ। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় বাঙালি জাতিকে দমিয়ে রাখার জন্য এদেশের মানুষের ওপর অমানুষিক অত্যাচার চালায় পাকহানাদার বাহিনী। হত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ ইত্যাদির মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ এদেশকে তারা মৃত্যুপুরীতে পরিণত করে। এর প্রতিবাদে গর্জে ওঠে বীর বাঙালি। স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষায় সব ধরনের ত্যাগ স্বীকার করে তারা। উদ্দীপকের জমিলা বেগম মুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহতা স্বচক্ষে দেখেছেন। হানাদারদের বর্বরতার অসংখ্য দৃশ্য তিনি প্রত্যক্ষ করেছেন। শুধু তাই নয়, যুদ্ধে তিনি স্বামী-সন্তান সবই হারিয়েছেন। তাই স্বাধীন দেশের মানচিত্র দেখলে জমিলা বেগমের চোখ সেখানে আটকে যায়। তার চোখে আজ কেবল স্বামী-সন্তানের রক্তাক্ত মুখচ্ছবিই ভেসে ওঠে। একইভাবে, আলোচ্য কবিতায়ও স্বাধীনতার জন্য এদেশের সর্বস্তরের মানুষের নিদারুণ আত্মত্যাগের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে। 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় স্বাধীনতার জন্য সর্বস্তরের মানুষের আত্মদানের ইতিহাসকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করা হয়েছে। বাঙালির স্বাধীনতা কেড়ে নিতে চেয়েছিল পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী। তাই জন্মগত এই অধিকার অর্জনের লক্ষ্যে মুক্তিকামী বাঙালি যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। দেশের প্রতিটি মানুষের মনে সেদিন স্বাধীনতার যে আশা জেগেছিল, এ কবিতার প্রতিটি চরিত্রের ভেতর দিয়ে সেই আত্মত্যাগ, সেই আকুলতাই প্রকাশ পেয়েছে। উদ্দীপকের জমিলা বেগমও তেমনি স্বাধীনতা প্রত্যাশী এক আত্মত্যাগী নারী। তার স্বামী-সন্তানসহ একাত্তরের সকল শহিদ স্বাধীনতার জন্যই প্রাণ উৎসর্গ করেছেন। তাই স্বাধীন দেশের মানচিত্রে তিনি তাদের মুখচ্ছবি দেখতে পান। এদিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথাযথ।

SSC বাংলা ১ম পত্র তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · বাংলা ১ম পত্র · তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা · সৃজনশীল

'উদ্দীপকে জমিলা বেগমের ছেলের মতো অসংখ্য মানুষের আত্মত্যাগে বাংলাদেশ…

উদ্দীপক

জমিলা বেগম মুক্তিযুদ্ধে স্বামী, সন্তান হারিয়ে দুঃখের সাগরে আজ ভাসছে। তিনি দেখেছেন, নদীতে, রাস্তা-ঘাটে, বন-জঙ্গলে অসংখ্য লাশ। মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে পাড়ি দিয়েছে দূর-দূরান্তের পথ। অথচ একমাত্র সন্তান জীবন দিয়ে তাকে উপহার দিয়েছেন স্বাধীন মানচিত্র। তাই তো জামিলার চোখে আটকে থাকে লাল-সবুজ পতাকা।

Mymensingh · 2024

উত্তর

শামসুর রাহমানের কবিতায় অতি আধুনিক কাব্যধরার বৈশিষ্ট্য সার্থকভাবে প্রকাশ পেয়েছে।

উত্তর

এখানে কবি বিদেশি শত্রুদের দ্বারা বাঙালির ওপর বর্বরোচিত হামলা ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের আক্রমণের দিকটিকে বুঝিয়েছেন। 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় কবি এদেশের অর্জনের ক্ষেত্রে আত্মত্যাগের ভূমিকা তুলে ধরেছেন। বাংলাদেশ এক দিনে স্বাধীন হয়নি। পলাশির প্রান্তরে ১৭৫৭ সালে বাংলার স্বাধীনতার শেষ সূর্য অস্তমিত হয়। তারপর বাঙালিকে দীর্ঘপথ পাড়ি দিতে হয়। বায়ান্ন, উনসত্তর, একাত্তরে বাংলার মানুষের রক্তে রাজপথ রক্তিম হয়েছে। অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছে বাঙালি। এদেশের স্বাধীনতার জন্য বাঙালি জাতিকে রক্ত দিতে হয়েছে অনেকবার। জ্বলেছে মানুষের ঘরবাড়ি, ফসলের মাঠ। তাই কবি মহাভারতে বর্ণিত 'খাণ্ডব বন' যা ভীষণ অগ্নিকাণ্ডে পুড়েছিল- সেই উপমায় এ দেশের মানুষের দুর্দশার কথা বলেছেন।

উত্তর

উদ্দীপকে 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় উঠে আসা স্বাধীনতার জন্য এদেশের আপামর জনসাধারণের আত্মাহুতির চিত্র ফুটে উঠেছে। 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চিত্রপট ফুটে উঠেছে। এসময় পাকিস্তানি হানাদাররা এদেশের মানুষের ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালায়। জ্বালিয়ে দেয় গ্রামের পর গ্রাম। এমন পরিস্থিতিতে দেশ ও মানুষের মুক্তির জন্য, স্বাধীনতার জন্য এদেশের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে মুক্তিযুদ্ধে। উদ্দীপকে একজন দুঃখিনী নারীর সীমাহীন আত্মত্যাগের করুণ চিত্র ফুটে উঠেছে। জমিলা বেগম নামের সেই নারী মুক্তিযুদ্ধে তার স্বামী ও সন্তানকে হারিয়েছেন। নদীতে, রাস্তায়, জঙ্গলে অসংখ্য লাশ দেখে বিমূঢ় হয়ে গিয়েছেন তিনি। একইভাবে, 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায়ও কবি পাকিস্তানি সেনাদের নৃশংস হত্যাকান্ড ও ধ্বংসযজ্ঞের বর্ণনা দিয়েছেন। সেখানে তাদের এই ধ্বংসাত্মক কর্মকান্ডের ভয়াবহতাকে তুলে ধরতে তিনি একে 'খাণ্ডবদাহন' বলে অভিহিত করেছেন। আলোচ্য কবিতায় ফুটে ওঠা এ দিকটিই উদ্দীপকের জমিলা বেগমের জীবন বাস্তবতার মধ্য দিয়ে প্রতিফলিত হয়েছে।

উত্তর

"উদ্দীপকের জমিলা বেগমের ছেলের মতো অসংখ্য মানুষের আত্মত্যাগে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার আলোকে মন্তব্যটি যথার্থ। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় বাঙালি জাতিকে দমিয়ে রাখার জন্য এদেশের মানুষের ওপর অমানুষিক অত্যাচার চালায় পাকহানাদার বাহিনী। হত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ ইত্যাদির মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ এদেশকে তারা মৃত্যুপুরীতে পরিণত করে। এর প্রতিবাদে গর্জে ওঠে বীর বাঙালি। স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষায় সব ধরনের ত্যাগ স্বীকার করে তারা। উদ্দীপকের জমিলা বেগম মুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহতা স্বচক্ষে দেখেছেন। হানাদারদের বর্বরতার অসংখ্য দৃশ্য তিনি প্রত্যক্ষ করেছেন। শুধু তাই নয়, যুদ্ধে তিনি স্বামী-সন্তান সবই হারিয়েছেন। তাই স্বাধীন দেশের মানচিত্র দেখলে জমিলা বেগমের চোখ সেখানে আটকে যায়। তার চোখে আজ কেবল স্বামী-সন্তানের রক্তাক্ত মুখচ্ছবিই ভেসে ওঠে। একইভাবে, আলোচ্য কবিতায়ও স্বাধীনতার জন্য এদেশের সর্বস্তরের মানুষের নিদারুণ আত্মত্যাগের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে। 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় স্বাধীনতার জন্য সর্বস্তরের মানুষের আত্মদানের ইতিহাসকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করা হয়েছে। বাঙালির স্বাধীনতা কেড়ে নিতে চেয়েছিল পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী। তাই জন্মগত এই অধিকার অর্জনের লক্ষ্যে মুক্তিকামী বাঙালি যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। দেশের প্রতিটি মানুষের মনে সেদিন স্বাধীনতার যে আশা জেগেছিল, এ কবিতার প্রতিটি চরিত্রের ভেতর দিয়ে সেই আত্মত্যাগ, সেই আকুলতাই প্রকাশ পেয়েছে। উদ্দীপকের জমিলা বেগমও তেমনি স্বাধীনতা প্রত্যাশী এক আত্মত্যাগী নারী। তার স্বামী-সন্তানসহ একাত্তরের সকল শহিদ স্বাধীনতার জন্যই প্রাণ উৎসর্গ করেছেন। তাই স্বাধীন দেশের মানচিত্রে তিনি তাদের মুখচ্ছবি দেখতে পান। এদিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথাযথ।
SSCবাংলা ১ম পত্রতোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'আসাদের মৃত্যুতে আমি অশ্রুহীন; অশোক; কেননা নয়ন কেবল বজ্রবর্ষী, কেননা আমার বৃদ্ধ পিতার শরীরে এখন পশুদের প্রহারের চিহ্ন; কেননা আমার বৃদ্ধ মাতার কণ্ঠে নেই আর্ত হাহাকার, নেই অভিসম্পাত- কেবল দুর্মর ঘৃণার আগুন।'

Mymensingh · 2020

ক
'সাহসী জননী বাংলা' কবিতায় চির কবিতার দেশ বলা হয়েছে কাকে?
খ
“এবার বাঘের থাবা, ভোজ হবে আজ প্রতিশোধে”- চরণটিতে কবিমনের কোন ধরনের অভিমত ব্যক্ত হয়েছে? বুঝিয়ে লেখ।
গ
উদ্দীপকের কবিতাংশে 'সাহসী জননী বাংলা' কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
“উদ্দীপকে 'সাহসী জননী বাংলা' কবিতার সমগ্র অনুভূতি দৃশ্যমান।”- উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'আসাদের মৃত্যুতে আমি অশ্রুহীন; অশোক; কেননা নয়ন কেবল বজ্রবর্ষী, কেননা আমার বৃদ্ধ পিতার শরীরে এখন পশুদের প্রহারের চিহ্ন; কেননা আমার বৃদ্ধ মাতার কণ্ঠে নেই আর্ত হাহাকার, নেই অভিসম্পাত- কেবল দুর্মর ঘৃণার আগুন।'

Mymensingh · 2020

ক
'সাহসী জননী বাংলা' কবিতায় চির কবিতার দেশ বলা হয়েছে কাকে?
খ
“এবার বাঘের থাবা, ভোজ হবে আজ প্রতিশোধে”- চরণটিতে কবিমনের কোন ধরনের অভিমত ব্যক্ত হয়েছে? বুঝিয়ে লেখ।
গ
উদ্দীপকের কবিতাংশে 'সাহসী জননী বাংলা' কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
“উদ্দীপকে 'সাহসী জননী বাংলা' কবিতার সমগ্র অনুভূতি দৃশ্যমান।”- উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.“এবার বাঘের থাবা, ভোজ হবে আজ প্রতিশোধে”- চরণটিতে কবিমনের কোন ধরনের অভিমত ব্যক্ত হয়েছে? বুঝিয়ে লেখ।

“এবার বাঘের থাবা, ভোজ হবে আজ প্রতিশোধে”- চরণটিতে কবিমনের কোন ধরনের অভিমত ব্যক্ত হয়েছে? বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.'সাহসী জননী বাংলা' কবিতায় চির কবিতার দেশ বলা হয়েছে কাকে?

'সাহসী জননী বাংলা' কবিতায় চির কবিতার দেশ বলা হয়েছে কাকে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

“গহর মরেনি। মরতে পারে না সে আজও রয়েছে বেঁচে। বাংলাদেশের বুকের ভিতর, হয়তো এখন তার ডান কাঁধ কামানের গোলায় ঝাঁঝরা, বাঁ হাতে ব্যান্ডেজ বাঁধা, তবুও বন্দুক হাতে এক লক্ষ্যে বসে আছে ট্রেঞ্চের ভিতর। গহর আমরা শুধু অফুরন্ত দিন গুনছি অগুনতি বছর। (বাংলাদেশ- দুর্গাদাস সরকার)

Barisal · 2020

ক
থুথুড়ে বুড়োর চোখের নিচে কী ছিল?
খ
'সাকিনা বিবির কপাল ভাঙল।”- এ কথার মাধ্যমে কী বোঝানো হয়েছে?
গ
উদ্দীপকের 'ডান কাঁধ কামানের গোলায় ঝাঁঝরা' চরণটি 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার কোন দিকটি নির্দেশ করে?
ঘ
“উদ্দীপকের 'গহর' আর 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার 'তেজি তরুণ' একই আদর্শে উজ্জীবিত।”- তুমি কি একমত? ব্যাখ্যা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

“গহর মরেনি। মরতে পারে না সে আজও রয়েছে বেঁচে। বাংলাদেশের বুকের ভিতর, হয়তো এখন তার ডান কাঁধ কামানের গোলায় ঝাঁঝরা, বাঁ হাতে ব্যান্ডেজ বাঁধা, তবুও বন্দুক হাতে এক লক্ষ্যে বসে আছে ট্রেঞ্চের ভিতর। গহর আমরা শুধু অফুরন্ত দিন গুনছি অগুনতি বছর। (বাংলাদেশ- দুর্গাদাস সরকার)

Barisal · 2020

ক
থুথুড়ে বুড়োর চোখের নিচে কী ছিল?
খ
'সাকিনা বিবির কপাল ভাঙল।”- এ কথার মাধ্যমে কী বোঝানো হয়েছে?
গ
উদ্দীপকের 'ডান কাঁধ কামানের গোলায় ঝাঁঝরা' চরণটি 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার কোন দিকটি নির্দেশ করে?
ঘ
“উদ্দীপকের 'গহর' আর 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার 'তেজি তরুণ' একই আদর্শে উজ্জীবিত।”- তুমি কি একমত? ব্যাখ্যা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.'সাকিনা বিবির কপাল ভাঙল।”- এ কথার মাধ্যমে কী বোঝানো হয়েছে?

'সাকিনা বিবির কপাল ভাঙল।”- এ কথার মাধ্যমে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.থুথুড়ে বুড়োর চোখের নিচে কী ছিল?

থুথুড়ে বুড়োর চোখের নিচে কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র অমিত দেশমাতৃকার দুর্দিনে অন্য বন্ধুদের সাথে যুদ্ধে যোগ দিল। পাক সেনাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপারেশনে সফল নেতৃত্ব দিল। একদিন সম্মুখ যুদ্ধে শত্রুর বুলেটের আঘাতে দেহ ছিন্ন-ভিন্ন হয়ে গেল। বন্ধুরা তার মৃতদেহ বাড়িতে আনলে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হলো। কিন্তু তার বৃদ্ধ মা একটুও বিচলিত না হয়ে সবাইকে লক্ষ্য করে বললেন, "দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করা গৌরব ও সম্মানের। সকলের ত্যাগের বিনিময়েই দেশ একদিন স্বাধীন হবে।"

Jessore · 2020

ক
অবুঝ শিশু কোথায় হামাগুড়ি দিল?
খ
'তোমাকে আসতেই হবে, হে স্বাধীনতা'- কবির এই দৃঢ় উক্তির কারণ বুঝিয়ে লেখ।
গ
উদ্দীপকের সাথে 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে মায়ের উক্তিতে 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার কবির আকাঙ্ক্ষারই প্রতিফলন ঘটেছে-মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র অমিত দেশমাতৃকার দুর্দিনে অন্য বন্ধুদের সাথে যুদ্ধে যোগ দিল। পাক সেনাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপারেশনে সফল নেতৃত্ব দিল। একদিন সম্মুখ যুদ্ধে শত্রুর বুলেটের আঘাতে দেহ ছিন্ন-ভিন্ন হয়ে গেল। বন্ধুরা তার মৃতদেহ বাড়িতে আনলে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হলো। কিন্তু তার বৃদ্ধ মা একটুও বিচলিত না হয়ে সবাইকে লক্ষ্য করে বললেন, "দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করা গৌরব ও সম্মানের। সকলের ত্যাগের বিনিময়েই দেশ একদিন স্বাধীন হবে।"

Jessore · 2020

ক
অবুঝ শিশু কোথায় হামাগুড়ি দিল?
খ
'তোমাকে আসতেই হবে, হে স্বাধীনতা'- কবির এই দৃঢ় উক্তির কারণ বুঝিয়ে লেখ।
গ
উদ্দীপকের সাথে 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে মায়ের উক্তিতে 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার কবির আকাঙ্ক্ষারই প্রতিফলন ঘটেছে-মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.'তোমাকে আসতেই হবে, হে স্বাধীনতা'- কবির এই দৃঢ় উক্তির কারণ বুঝিয়ে লেখ।

'তোমাকে আসতেই হবে, হে স্বাধীনতা'- কবির এই দৃঢ় উক্তির কারণ বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.অবুঝ শিশু কোথায় হামাগুড়ি দিল?

অবুঝ শিশু কোথায় হামাগুড়ি দিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

“উদ্দীপকে 'সাহসী জননী বাংলা' কবিতার সমগ্র অনুভূতি দৃশ্যমান।”- উক্তিটির যথার্থতা উদ্দীপকের কবিতাংশে 'সাহসী জননী বাংলা' কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা কর।“এবার বাঘের থাবা, ভোজ হবে আজ প্রতিশোধে”- চরণটিতে কবিমনের কোন ধরনের অভিমত ব্যক্ত 'সাহসী জননী বাংলা' কবিতায় চির কবিতার দেশ বলা হয়েছে কাকে?“উদ্দীপকের 'গহর' আর 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার 'তেজি তরুণ' একই আউদ্দীপকের 'ডান কাঁধ কামানের গোলায় ঝাঁঝরা' চরণটি 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীন'সাকিনা বিবির কপাল ভাঙল।”- এ কথার মাধ্যমে কী বোঝানো হয়েছে?থুথুড়ে বুড়োর চোখের নিচে কী ছিল?উদ্দীপকে মায়ের উক্তিতে 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার কবির আকাঙ্ক্ষাউদ্দীপকের সাথে 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্য'তোমাকে আসতেই হবে, হে স্বাধীনতা'- কবির এই দৃঢ় উক্তির কারণ বুঝিয়ে লেখ।অবুঝ শিশু কোথায় হামাগুড়ি দিল?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।