শেয়ারFacebookWhatsApp

ইমাম সাহেব কোন সাহাবির জীবনী আলোচনা করেন তা চিহ্নিত করে ইসলামের খেদমতে তার অবদান ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: ইমাম সাহেব হযরত আবু বকর (রা) এর জীবনী আলোচনা করেন। ইসলামের খেদমতে যার অবদান অপরিসীম। ইসলামের প্রথম খলিফা হযরত আবু বকর (রা) ছোটবেলা থেকেই রাসুল (সা.)-এর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। ৬৩২ খ্রিষ্টাব্দে রাসুল (সা.)-এর ওফাতের পর খিলাফতের দায়িত্ব গ্রহণ করে তিনি জনসাধারণের উদ্দেশ্যে একটি ভাষণ দেন। এ সম্পর্কেই ইমাম সাহেবের বক্তব্য অনুরণিত হয়েছে। উদ্দীপকে ইমাম সাহেব আলোচনায় বলেন, আমাদের নবি (সা.)-এর এমন একজন সাথি ছিলেন যিনি ইসলামের জন্য অকাতরে সবকিছু বিলিয়ে দিতেন। আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করতে সাহায্যের প্রয়োজন হলে তিনি তার সমস্ত সম্পদ আল্লাহর নবির হাতে তুলে দেন। যা হযরত আবু বকর (রা)-কে নির্দেশ করে। হযরত আবু বকর (রা) ৫৭৩ খ্রিষ্টাব্দে মক্কার বিখ্যাত কুরাইশ বংশের তায়িম গোত্রে জন্মগ্রহণ করেন। তার প্রকৃত নাম ছিলো আব্দুল্লাহ। তিনি রাসুল (সা.)-এর মিরাজের ঘটনা শোনামাত্র নিঃসংকোচে বিশ্বাস করায় রাসুল (সা.) তাকে সিদ্দিক বা (মহাসত্যবাদী) উপাধি দেন। এছাড়া তাবুক যুদ্ধের সময় তার সমুদয় সম্পত্তি আল্লাহর রাস্তায় ইসলামের কল্যাণে ব্যয় করার জন্য রাসুল (সা.) তাকে আতিক বা (অধিক দানশীল) উপাধি দেন। বয়স্ক পুরুষদের মধ্যে হযরত আবু বকর (রা) প্রথম ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন রাসুল (সা.)-এর হিজরতের একমাত্র সঙ্গী। খিলাফতের দায়িত্ব গ্রহণ করার পর তিনি জনকল্যাণ ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যে ভাষণ প্রদান করেন তা অবিস্মরণীয়। তিনি যাকাত অস্বীকারকারী এবং ভণ্ড নবিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে ইসলাম সমুন্নত করেন। ইয়ামামার যুদ্ধে বহু কুরআনের হাফেজ শহিদ হলে তিনি উমর (রা)-এর পরামর্শে কুরআন শরিফ সংকলন করেন। এসব কারণে আবু বকর (রা)-কে ইসলামের ত্রাণকর্তা বলা হয়। সুতরাং ইসলামের খেদমতে হযরত আবু বকর (রা)-এর অবদান অপরিসীম।

SSC ইসলাম শিক্ষা অধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · ইসলাম শিক্ষা · অধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত · সৃজনশীল

ইমাম সাহেব কোন সাহাবির জীবনী আলোচনা করেন তা চিহ্নিত করে ইসলামের খেদ…

উদ্দীপক

ইমাম সাহেব জুমার আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, আমাদের নবির এমন একজন সাথী ছিলেন যিনি ইসলামের জন্য অকাতরে সবকিছু বিলিয়ে দিতেন। আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করতে সাহায্যের প্রয়োজন হলে তিনি তার সমস্ত সম্পদ আল্লাহর নবির হাতে তুলে দেন। ইমাম সাহেবের ভাই রফিক সাহেব একজন উপজেলা চেয়ারম্যান। তিনি তার উপজেলায় একজন ন্যায়পরায়ণ সৎ ও জনদরদী চেয়ারম্যান হিসেবে পরিচিত। তার ছেলে নেশাগ্রস্ত হয়ে অনেক প্রহার করায় তিনি তাকে কঠিন শাস্তি দেন। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় জেলা প্রশাসক বলেন, রফিক সাহেবের মতো ন্যায়পরায়ণ জনপ্রতিনিধি আজ বড়ই প্রয়োজন।

Barisal · 2023

উত্তর

মহানবি (সা.) একটি ইসলামি রাষ্ট্র গঠনের পরিকল্পনা নিলেন এবং মদিনার সকল গোত্রের নেতাদের সাথে বৈঠক করে একটি লিখিত সনদ প্রণয়ন করেন, যা ইসলামের ইতিহাসে 'মদিনা সনদ' নামে খ্যাত।

উত্তর

খুলাফায়ে রাশেদিন বলতে ইসলামের প্রথম চারজন খলিফাকে বোঝায়। তাঁরা হলেন, হযরত আবু বকর (রা), হযরত উমর (রা), হযরত উসমান (রা) ও হযরত আলি (রা)। তাঁরা সকলেই মহানবি (সা.) থেকে সরাসরি ইসলামের শিক্ষা লাভ করেছেন। বাস্তবজীবনে তা যথাযথভাবে অনুসরণ ও অনুকরণ করেছেন। তাই তাঁদের জীবনকর্ম আমাদের অনুকরণীয় আদর্শ।

উত্তর

ইমাম সাহেব হযরত আবু বকর (রা) এর জীবনী আলোচনা করেন। ইসলামের খেদমতে যার অবদান অপরিসীম। ইসলামের প্রথম খলিফা হযরত আবু বকর (রা) ছোটবেলা থেকেই রাসুল (সা.)-এর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। ৬৩২ খ্রিষ্টাব্দে রাসুল (সা.)-এর ওফাতের পর খিলাফতের দায়িত্ব গ্রহণ করে তিনি জনসাধারণের উদ্দেশ্যে একটি ভাষণ দেন। এ সম্পর্কেই ইমাম সাহেবের বক্তব্য অনুরণিত হয়েছে। উদ্দীপকে ইমাম সাহেব আলোচনায় বলেন, আমাদের নবি (সা.)-এর এমন একজন সাথি ছিলেন যিনি ইসলামের জন্য অকাতরে সবকিছু বিলিয়ে দিতেন। আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করতে সাহায্যের প্রয়োজন হলে তিনি তার সমস্ত সম্পদ আল্লাহর নবির হাতে তুলে দেন। যা হযরত আবু বকর (রা)-কে নির্দেশ করে। হযরত আবু বকর (রা) ৫৭৩ খ্রিষ্টাব্দে মক্কার বিখ্যাত কুরাইশ বংশের তায়িম গোত্রে জন্মগ্রহণ করেন। তার প্রকৃত নাম ছিলো আব্দুল্লাহ। তিনি রাসুল (সা.)-এর মিরাজের ঘটনা শোনামাত্র নিঃসংকোচে বিশ্বাস করায় রাসুল (সা.) তাকে সিদ্দিক বা (মহাসত্যবাদী) উপাধি দেন। এছাড়া তাবুক যুদ্ধের সময় তার সমুদয় সম্পত্তি আল্লাহর রাস্তায় ইসলামের কল্যাণে ব্যয় করার জন্য রাসুল (সা.) তাকে আতিক বা (অধিক দানশীল) উপাধি দেন। বয়স্ক পুরুষদের মধ্যে হযরত আবু বকর (রা) প্রথম ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন রাসুল (সা.)-এর হিজরতের একমাত্র সঙ্গী। খিলাফতের দায়িত্ব গ্রহণ করার পর তিনি জনকল্যাণ ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যে ভাষণ প্রদান করেন তা অবিস্মরণীয়। তিনি যাকাত অস্বীকারকারী এবং ভণ্ড নবিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে ইসলাম সমুন্নত করেন। ইয়ামামার যুদ্ধে বহু কুরআনের হাফেজ শহিদ হলে তিনি উমর (রা)-এর পরামর্শে কুরআন শরিফ সংকলন করেন। এসব কারণে আবু বকর (রা)-কে ইসলামের ত্রাণকর্তা বলা হয়। সুতরাং ইসলামের খেদমতে হযরত আবু বকর (রা)-এর অবদান অপরিসীম।

উত্তর

জনাব রফিক সাহেবের ঘটনার সাথে খলিফা হযরত ওমর (রা)-এর জীবনের মিল পাওয়া যায়। যিনি ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা। ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হযরত উমর (রা) ছিলেন ন্যায় এবং ইনসাফের মূর্তপ্রতীক। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তিনি আপন-পর কোনো ভেদাভেদ করতেন না। তার চরিত্রে কঠোরতা ও কোমলতার অপূর্ব সংমিশ্রণ ঘটেছিল। সত্য ও ন্যায়ের জন্য তিনি যেমন কঠোরতা অবলম্বন করতেন, তেমনি মানবতার জন্য তিনি কষ্ট অনুভব করতেন। মানুষের দুঃখ-কষ্ট তাকে পীড়া দিত। তাই তাদের দুঃখ মোচনে তিনি সর্বাত্মক চেষ্টা চালাতেন। উদ্দীপকে রফিক সাহেব তাঁর এ মহান আদর্শকেই অনুসরণ করেছেন। উদ্দীপকে রফিক সাহেব একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে ন্যায়বিচারে বিশ্বাস করেন। তাই নিজ ছেলের অপরাধে তিনি তাকে শাস্তি প্রদান করেন। যা হযরত ওমর (রা)-এর ন্যায়বিচারের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। হযরত ওমর ন্যায়বিচারক এবং নিরপেক্ষ শাসক ছিলেন। তাই নিজ পুত্র আবু শাহমাকে মদপানের অপরাধে কঠোর শাস্তি দেন। এছাড়াও একজন প্রজাবৎসল শাসক হিসেবে তিনি গভীর রাতে পাড়া-মহল্লায় ঘুরে ঘুরে প্রজাদের সার্বিক অবস্থা স্বচক্ষে অবলোকন করেন। ক্ষুধার্ত শিশুর কান্নার আওয়াজ শুনে নিজ কাঁধে করে আটার বস্তা তাদের ঘরে পৌঁছে দিয়ে আসেন। তিনি নিজ স্ত্রীকে নিয়ে যান প্রসব বেদনায় কাতর বেদুইন নারীকে সাহায্য করার জন্য। পরিশেষে উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, হযরত উমর (রা) ছিলেন সাম্য ও মানবতাবোধের মহান আদর্শ। ন্যায় ও জবাবদিহিমূলক শাসন প্রতিষ্ঠা, প্রজাকল্যাণ সাধন করে তিনি আদর্শ শাসক হিসেবে ইতিহাসে অনুকরণীয় হয়ে আছেন। অতএব ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় হযরত ওমর (রা) এর অবদান চিরস্মরণীয়।
SSCইসলাম শিক্ষাঅধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?

মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মিযানের বয়স ৭ বছর। সে পবিত্র কুরআন ৬ মাসে মুখস্থ করে। তোমার পাঠ্যবইয়ে মিযানের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তির স্মৃতিশক্তি ব্যাখ্যা করো।

মিযানের বয়স ৭ বছর। সে পবিত্র কুরআন ৬ মাসে মুখস্থ করে। তোমার পাঠ্যবইয়ে মিযানের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তির স্মৃতিশক্তি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ফিকাহ বোর্ড কী? ব্যাখ্যা করো।

ফিকাহ বোর্ড কী? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.'মদিনা সনদ' কী? এর দুটি ধারা লেখো।

'মদিনা সনদ' কী? এর দুটি ধারা লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.ইসলামে বিদায় হজের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ কেন?

ইসলামে বিদায় হজের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফ বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।

আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফ বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.'আইয়্যামে জাহেলিয়্যা' কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।

'আইয়্যামে জাহেলিয়্যা' কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.“আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

“আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.“মানুষ ফিকাহশাস্ত্রে ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মুখাপেক্ষী।" - ব্যাখ্যা করো।

“মানুষ ফিকাহশাস্ত্রে ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মুখাপেক্ষী।" - ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.কাকে এবং কেন ইমামে আযম বলা হয়?

কাকে এবং কেন ইমামে আযম বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.গিবতকে ব্যভিচারের সাথে তুলনা করা হয়েছে কেন?

গিবতকে ব্যভিচারের সাথে তুলনা করা হয়েছে কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ইমাম বুখারি (র.) কেন বুখরা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

ইমাম বুখারি (র.) কেন বুখরা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?মিযানের বয়স ৭ বছর। সে পবিত্র কুরআন ৬ মাসে মুখস্থ করে। তোমার পাঠ্যবইয়ে মিযানের সাফিকাহ বোর্ড কী? ব্যাখ্যা করো।'মদিনা সনদ' কী? এর দুটি ধারা লেখো।ইসলামে বিদায় হজের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ কেন?আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফ বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।'আইয়্যামে জাহেলিয়্যা' কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।“আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।“মানুষ ফিকাহশাস্ত্রে ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মুখাপেক্ষী।" - ব্যাখ্যা করো।কাকে এবং কেন ইমামে আযম বলা হয়?গিবতকে ব্যভিচারের সাথে তুলনা করা হয়েছে কেন?ইমাম বুখারি (র.) কেন বুখরা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।