শেয়ারFacebookWhatsApp

মুরাদ সাহেবের কর্মকাণ্ড কোন মনীষীকে স্মরণ করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: মুরাদ সাহেবের কর্মকাণ্ড মুসলিম মনীষী জাবির ইবনে হাইয়ানকে স্মরণ করিয়ে দেয়। মুসলমানগণ শুধু সাধারণ শিক্ষায় নয়, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি চর্চায়ও তারা সমান দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। এ প্রচেষ্টা ও অবদানের ওপর ভিত্তি করে মুসলমানগণ এক সময়ে সারা বিশ্বে নেতৃত্ব দিয়েছেন। আর এ নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন জাবির ইবনে হাইয়ান। মুরাদ সাহেবের কর্মকাণ্ডেও এ মুসলিম মনীষীর প্রতিফলন লক্ষণীয়। বিজ্ঞানের শিক্ষক মুরাদ সাহেব পরিস্রবণ, দ্রবণ, ভস্মীকরণ ইত্যাদি বিষয়ে গবেষণা করে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করে নিজ দেশে সফলতার স্বাক্ষর বহন করেন। এ থেকে বোঝা যায়, মুরাদ সাহেব জাবির ইবনে হাইয়ানের কর্মকাণ্ডকে ধারণ করেছেন। কেননা রসায়ন ও বিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র, যথা: পরিস্রবণ, দ্রবণ, ভস্মীকরণ, বাষ্পীকরণ, গলানো প্রভৃতি তারই আবিষ্কার। এ ছাড়া তিনি তার লেখায় ধাতুর শোধন, তরলীকরণ, ইস্পাত তৈরির প্রক্রিয়া, লোহার মরিচা রোধক বার্নিশ, চুলের কলপ, লেখার কালি ও কাচ তৈরি প্রভৃতি বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এসব আবিষ্কারের ফলে রসায়নশাস্ত্র বিজ্ঞানের একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ স্বতন্ত্র শাখা হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়। এজন্য তাকে রসায়ন শাস্ত্রের জনকও বলা হয়। তাই বলা যায়, মুরাদ সাহেবের কর্মকাণ্ডে জাবির ইবনে হাইয়ানের কর্মকাণ্ডের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।

SSC ইসলাম শিক্ষা অধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · ইসলাম শিক্ষা · অধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত · সৃজনশীল

মুরাদ সাহেবের কর্মকাণ্ড কোন মনীষীকে স্মরণ করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা করো।

উদ্দীপক

মুরাদ সাহেব একজন বিজ্ঞানের শিক্ষক। সম্প্রতি তিনি উচ্চ ডিগ্রি অর্জনের জন্য বিদেশ গমন করেন। সেখানে তিনি বিজ্ঞানের গুরত্বপূর্ণ বিষয়ে যথা পরিস্রবণ, দ্রবণ, ভস্মীকরণ ইত্যাদি বিষয়ে গবেষণা করে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করে নিজ দেশে সফলতার স্বাক্ষর বহন করেন। অন্যদিকে আলমপুর গ্রামে জনাব আমির আলী ফিকহশাস্ত্রে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে শিক্ষকতা করেন। তার ছাত্ররা তার সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন, তার মতো জ্ঞানী, খোদাভীরু ও ইসলামের সমস্যা সমাধানের চাহিদা পূরণে পারদর্শী কাউকে দেখিনি। এই শিক্ষকের জীবনে একজন আদর্শ মুসলিম মনীষীর দৃষ্টান্ত রয়েছে।

Dinajpur · 2020

উত্তর

মুরাদ সাহেবের কর্মকাণ্ড মুসলিম মনীষী জাবির ইবনে হাইয়ানকে স্মরণ করিয়ে দেয়। মুসলমানগণ শুধু সাধারণ শিক্ষায় নয়, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি চর্চায়ও তারা সমান দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। এ প্রচেষ্টা ও অবদানের ওপর ভিত্তি করে মুসলমানগণ এক সময়ে সারা বিশ্বে নেতৃত্ব দিয়েছেন। আর এ নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন জাবির ইবনে হাইয়ান। মুরাদ সাহেবের কর্মকাণ্ডেও এ মুসলিম মনীষীর প্রতিফলন লক্ষণীয়। বিজ্ঞানের শিক্ষক মুরাদ সাহেব পরিস্রবণ, দ্রবণ, ভস্মীকরণ ইত্যাদি বিষয়ে গবেষণা করে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করে নিজ দেশে সফলতার স্বাক্ষর বহন করেন। এ থেকে বোঝা যায়, মুরাদ সাহেব জাবির ইবনে হাইয়ানের কর্মকাণ্ডকে ধারণ করেছেন। কেননা রসায়ন ও বিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র, যথা: পরিস্রবণ, দ্রবণ, ভস্মীকরণ, বাষ্পীকরণ, গলানো প্রভৃতি তারই আবিষ্কার। এ ছাড়া তিনি তার লেখায় ধাতুর শোধন, তরলীকরণ, ইস্পাত তৈরির প্রক্রিয়া, লোহার মরিচা রোধক বার্নিশ, চুলের কলপ, লেখার কালি ও কাচ তৈরি প্রভৃতি বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এসব আবিষ্কারের ফলে রসায়নশাস্ত্র বিজ্ঞানের একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ স্বতন্ত্র শাখা হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়। এজন্য তাকে রসায়ন শাস্ত্রের জনকও বলা হয়। তাই বলা যায়, মুরাদ সাহেবের কর্মকাণ্ডে জাবির ইবনে হাইয়ানের কর্মকাণ্ডের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।

উত্তর

জনাব আমির আলীর জীবন ও কর্মে মুসলিম মনীষী ইমাম আযম আবু হানিফা (র)-এর কর্মের প্রতিফলন ঘটেছে। তিনি অনন্য গুণাবলির অধিকারী ছিলেন। ইমাম আবু হানিফা (র) ছিলেন ফিকাহশাস্ত্রের জনক। তিনি তার চল্লিশ জন ছাত্রের সমন্বয়ে ফিকাহ সম্পাদনা বোর্ড গঠন করেন। এই বোর্ড দীর্ঘ বাইশ বছর কঠোর সাধনা করে ফিকাহকে একটি পূর্ণাঙ্গ শাস্ত্র হিসেবে রূপদান করে। তিনি ছিলেন যুগশ্রেষ্ঠ আলেম, আবিদ ও বুদ্ধিমান। জনাব আমির আলীর মধ্যেও এ মনীষীর কর্মকাণ্ডের প্রতিফলন ঘটেছে। জনাব আমির আলী ফিকাহ শাস্ত্রে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে শিক্ষকতা করেন। তার ছাত্ররা তার সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন, তার মতো জ্ঞানী, খোদাভীরু ও ইসলামের সমস্যা সমাধানের চাহিদা পূরণে পারদর্শী কাউকে দেখিনি। ইমাম আবু হানিফা (র) সম্পর্কেও তার ছাত্র ইয়ায়িদ ইবনে হারুন বলেন, আমি হাজার হাজার জ্ঞানী দেখেছি, তাদের মন্তব্য শুনেছি। তাদের মধ্যে পাঁচজনের মতো জ্ঞানী খোদাভীরু ও ইলমে ফিকায় পারদর্শী কাউকে দেখিনি। ইমাম আবু হানিফা (র) খুবই খোদাভীরু ছিলেন। তিনি এত বেশি ইবাদত করতেন যা চিন্তা করাও কঠিন। তিনি একাধারে ত্রিশ বছর রোযা রেখেছেন। চল্লিশ বছর যাবৎ রাতে ঘুমাননি। তিনি প্রতি রমজানে ৬১ বার কুরআন মজিদ খতম করতেন। তিনি মোট ৫৫ বার হজ করেন। তিনি এতই আল্লাহভীরু ছিলেন যে, কুফায় ছাগল চুরির কথা শোনার পর সাত বছর যাবৎ বাজার থেকে ছাগলের গোশত ক্রয় করেননি এ ভয়ে যে, এটি চুরিকৃত ঐ ছাগলের গোশত হতে পারে। উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, জনাব আমির আলীর খোদাভীতি, ইসলামি জ্ঞানচর্চা ইত্যাদি আবু হানিফা (র)-এর চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
SSCইসলাম শিক্ষাঅধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?

মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মিযানের বয়স ৭ বছর। সে পবিত্র কুরআন ৬ মাসে মুখস্থ করে। তোমার পাঠ্যবইয়ে মিযানের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তির স্মৃতিশক্তি ব্যাখ্যা করো।

মিযানের বয়স ৭ বছর। সে পবিত্র কুরআন ৬ মাসে মুখস্থ করে। তোমার পাঠ্যবইয়ে মিযানের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তির স্মৃতিশক্তি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ফিকাহ বোর্ড কী? ব্যাখ্যা করো।

ফিকাহ বোর্ড কী? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.'মদিনা সনদ' কী? এর দুটি ধারা লেখো।

'মদিনা সনদ' কী? এর দুটি ধারা লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.ইসলামে বিদায় হজের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ কেন?

ইসলামে বিদায় হজের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফ বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।

আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফ বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.'আইয়্যামে জাহেলিয়্যা' কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।

'আইয়্যামে জাহেলিয়্যা' কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.“আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

“আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.“মানুষ ফিকাহশাস্ত্রে ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মুখাপেক্ষী।" - ব্যাখ্যা করো।

“মানুষ ফিকাহশাস্ত্রে ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মুখাপেক্ষী।" - ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.কাকে এবং কেন ইমামে আযম বলা হয়?

কাকে এবং কেন ইমামে আযম বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.গিবতকে ব্যভিচারের সাথে তুলনা করা হয়েছে কেন?

গিবতকে ব্যভিচারের সাথে তুলনা করা হয়েছে কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ইমাম বুখারি (র.) কেন বুখরা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

ইমাম বুখারি (র.) কেন বুখরা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?মিযানের বয়স ৭ বছর। সে পবিত্র কুরআন ৬ মাসে মুখস্থ করে। তোমার পাঠ্যবইয়ে মিযানের সাফিকাহ বোর্ড কী? ব্যাখ্যা করো।'মদিনা সনদ' কী? এর দুটি ধারা লেখো।ইসলামে বিদায় হজের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ কেন?আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফ বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।'আইয়্যামে জাহেলিয়্যা' কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।“আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।“মানুষ ফিকাহশাস্ত্রে ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মুখাপেক্ষী।" - ব্যাখ্যা করো।কাকে এবং কেন ইমামে আযম বলা হয়?গিবতকে ব্যভিচারের সাথে তুলনা করা হয়েছে কেন?ইমাম বুখারি (র.) কেন বুখরা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।