শেয়ারFacebookWhatsApp

জনাব মানিকের জীবনযাপন পদ্ধতি খুলাফায়ে রাশেদিনের জীবনাদর্শের আলোকে চিহ্নিত করে বিশ্লেষণ করো।'

উত্তর: জনাব মানিকের জীবনযাপন পদ্ধতি খুলাফায়ে রাশেদিনের সর্বশেষ খলিফা হযরত আলি (রা)-এর জীবনাদর্শের সাথে সংগতিপূর্ণ। রাসুল (স)-এর ইন্তিকালের পর যে চার খলিফা তাঁর আদর্শ মোতাবেক ইসলামি রাষ্ট্রের শাসনকার্য পরিচালনা করেছেন তাঁরাই খুলাফায়ে রাশেদিন। আর চার জন খলিফার মধ্যে সর্বশেষ ছিলেন হযরত আলি (রা)। যিনি মুসলিম জাহানের খলিফা হয়ে অত্যন্ত সহজ-সরল অনাড়ম্বরপূর্ণ জীবন পরিচালনা করতেন। উদ্দীপকের জনাব মানিকের জীবনেও এর প্রতিফলন লক্ষণীয়। উদ্দীপকের জনাব মানিক উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পরেও সাধারণ মানুষের মত জীবনযাপন করেন। নিজের কাজ নিজ হাতে সম্পাদন করেন। অনুরূপভাবে হযরত আলি (রা) অনাড়ম্বর ও সহজ-সরল জীবনযাপন করতেন। নিজ হাতে কাজ করে উপার্জন করতেন। কঠোর পরিশ্রম করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। কখনো না খেয়ে থাকতেন। তবুও আক্ষেপ করতেন না। বাসায় কোনো কাজের লোক ছিল না। তার স্ত্রী রাসুলুল্লাহ (স)-এর আদরের কন্যা হযরত ফাতিমা (রা) নিজ হাতে- জাঁতা পিষে গম গুঁড়ো করতেন ও রুটি তৈরি করতেন। মুসলিম জাহানের খলিফা হওয়ার পরও হযরত আলি (রা) বাসায় কোনো কাজের লোক রাখেননি। উপরের আলোচনা থেকে বলা যায় সহজ-সরল ও অনাড়ম্বর জীবনযাপনের ক্ষেত্রে জনাব মানিক ও হযরত আলি (রা)-এর জীবন পদ্ধতি একই সূত্রে গাঁথা।

SSC ইসলাম শিক্ষা অধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · ইসলাম শিক্ষা · অধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত · সৃজনশীল

জনাব মানিকের জীবনযাপন পদ্ধতি খুলাফায়ে রাশেদিনের জীবনাদর্শের আলোকে চ…

উদ্দীপক

জনাব লিমন একজন বিত্তশালী ব্যক্তি। তিনি জনাব নোমানের ওপর অনেক অত্যাচার করেন। এমনকি তার অত্যাচারের কারণে নোমান নিজ এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হন। পরবর্তীতে জনাব নোমান সুযোগ পাওয়ার পরেও তার প্রতিশোধ গ্রহণ করেননি। আর তার ছোট ভাই জনাব মানিক উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পরেও সাধারণ মানুষের মতো জীবনযাপন করেন। নিজের কাজ নিজ হাতে সম্পাদন করেন।

Sylhet · 2020

উত্তর

'কিতাবুল মানাযির' চক্ষুবিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থ।

উত্তর

জাবির ইবনে হাইয়ান সর্বপ্রথম রসায়নশাস্ত্রের মৌলিক গবেষণায় অসাধারণ অবদান রেখেছেন বিধায় তাকে, এ শাস্ত্রের জনক বলা হয়। জাবির ইবনে হাইয়ান রসায়ন বিজ্ঞানের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র, যথা-পরিস্রবণ, ভস্মীকরণ, বাষ্পীকরণ, ধাতুর শোধন ও তরলীকরণ, ইস্পাত তৈরির প্রক্রিয়া প্রভৃতি আবিষ্কার করেন। এছাড়া তিনি লোহার মরিচা রোধক বার্নিশ, চুলের কলপ, লেখার কালি, কাঁচ ইত্যাদি দ্রব্য প্রস্তুত প্রণালি উদ্ভাবন করেন। এসব আবিষ্কারের ফলে রসায়নশাস্ত্র বিজ্ঞানের একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ স্বতন্ত্র শাখা হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়। এ কারণে তাকে রসায়নশাস্ত্রের জনক বলা হয়।

উত্তর

জনাব নোমানের চরিত্রের সাথে মহানবি (স)-এর চারিত্রিক মিল খুঁজে পাওয়া যায়। মানবতার মুক্তির মহান অগ্রদূত হযরত মুহাম্মদ (স) আল্লাহ প্রেরিত সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবি ও রাসুল। ৬১০ খ্রিষ্টাব্দে নবুয়ত লাভের পর মহানবি (স) মক্কাবাসীর কাছে ইসলাম প্রচার শুরু করেন। কিন্তু তারা ইসলামের সুমহান আদর্শ গ্রহণ না করে তাঁকে এ কাজ থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করে। তাঁর ওপর অমানবিক নির্যাতন চালায়। এ অবস্থায় তিনি আল্লাহর নির্দেশে মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করেন। পরবর্তী সময়ে রাসুল (স) কুরাইশদের ওপর প্রতিশোধ গ্রহণের সুযোগ পেয়েও প্রতিশোধ না নিয়ে ক্ষমার আদর্শ প্রতিষ্ঠা করেন। উদ্দীপকের জনাব নোমানের চরিত্রেও এ ঘটনার প্রতিফলন লক্ষণীয়। উদ্দীপকের বিত্তশালী ব্যক্তি জনাব লিমনের অত্যাচারে জনাব নোমান তার নিজ এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে যান। পরবর্তীতে জনাব নোমান সুযোগ পাওয়ার পরেও তার প্রতিশোধ গ্রহণ করেননি। এ ক্ষমার ঘটনা আমাদেরকে মহানবি (স)-এর উদার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যকেই স্মরণ করে দেয়। কেননা মহানবি (স)ও মক্কায় ইসলামের বাণী প্রচার করতে শুরু করলে মক্কার বিত্তশালী কাফির আবু জেহেল, আবু 'সুফিয়ান প্রমুখ তাঁর ওপর চরম অত্যাচার শুরু করে। এমনকি তারা তাঁকে হত্যার ষড়যন্ত্র করে। এ অবস্থায় রাসুল (স) আল্লাহর নির্দেশে মদিনায় হিজরত করেন। কুরাইশরা একসময় তাঁর ওপর চরম অত্যাচার-নির্যাতন করলেও মক্কা বিজয়ের পর তিনি তাদের প্রতি সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন। সে সময় তিনি ইসলামের চরম শত্রু আবু সুফিয়ানসহ সবাইকে হাতের নাগালে পেয়েও যেভাবে ক্ষমা করে দিয়েছেন মানবতার ইতিহাসে তা বিরল। তাই বলা যায়, রাসুল (স)-এর ক্ষমার এ মহান দৃষ্টান্তই জনাব নোমানের চরিত্রে প্রতিফলিত হয়েছে।

উত্তর

জনাব মানিকের জীবনযাপন পদ্ধতি খুলাফায়ে রাশেদিনের সর্বশেষ খলিফা হযরত আলি (রা)-এর জীবনাদর্শের সাথে সংগতিপূর্ণ। রাসুল (স)-এর ইন্তিকালের পর যে চার খলিফা তাঁর আদর্শ মোতাবেক ইসলামি রাষ্ট্রের শাসনকার্য পরিচালনা করেছেন তাঁরাই খুলাফায়ে রাশেদিন। আর চার জন খলিফার মধ্যে সর্বশেষ ছিলেন হযরত আলি (রা)। যিনি মুসলিম জাহানের খলিফা হয়ে অত্যন্ত সহজ-সরল অনাড়ম্বরপূর্ণ জীবন পরিচালনা করতেন। উদ্দীপকের জনাব মানিকের জীবনেও এর প্রতিফলন লক্ষণীয়। উদ্দীপকের জনাব মানিক উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পরেও সাধারণ মানুষের মত জীবনযাপন করেন। নিজের কাজ নিজ হাতে সম্পাদন করেন। অনুরূপভাবে হযরত আলি (রা) অনাড়ম্বর ও সহজ-সরল জীবনযাপন করতেন। নিজ হাতে কাজ করে উপার্জন করতেন। কঠোর পরিশ্রম করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। কখনো না খেয়ে থাকতেন। তবুও আক্ষেপ করতেন না। বাসায় কোনো কাজের লোক ছিল না। তার স্ত্রী রাসুলুল্লাহ (স)-এর আদরের কন্যা হযরত ফাতিমা (রা) নিজ হাতে- জাঁতা পিষে গম গুঁড়ো করতেন ও রুটি তৈরি করতেন। মুসলিম জাহানের খলিফা হওয়ার পরও হযরত আলি (রা) বাসায় কোনো কাজের লোক রাখেননি। উপরের আলোচনা থেকে বলা যায় সহজ-সরল ও অনাড়ম্বর জীবনযাপনের ক্ষেত্রে জনাব মানিক ও হযরত আলি (রা)-এর জীবন পদ্ধতি একই সূত্রে গাঁথা।
SSCইসলাম শিক্ষাঅধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?

মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মিযানের বয়স ৭ বছর। সে পবিত্র কুরআন ৬ মাসে মুখস্থ করে। তোমার পাঠ্যবইয়ে মিযানের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তির স্মৃতিশক্তি ব্যাখ্যা করো।

মিযানের বয়স ৭ বছর। সে পবিত্র কুরআন ৬ মাসে মুখস্থ করে। তোমার পাঠ্যবইয়ে মিযানের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তির স্মৃতিশক্তি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ফিকাহ বোর্ড কী? ব্যাখ্যা করো।

ফিকাহ বোর্ড কী? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.'মদিনা সনদ' কী? এর দুটি ধারা লেখো।

'মদিনা সনদ' কী? এর দুটি ধারা লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.ইসলামে বিদায় হজের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ কেন?

ইসলামে বিদায় হজের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফ বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।

আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফ বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.'আইয়্যামে জাহেলিয়্যা' কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।

'আইয়্যামে জাহেলিয়্যা' কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.“আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

“আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.“মানুষ ফিকাহশাস্ত্রে ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মুখাপেক্ষী।" - ব্যাখ্যা করো।

“মানুষ ফিকাহশাস্ত্রে ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মুখাপেক্ষী।" - ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.কাকে এবং কেন ইমামে আযম বলা হয়?

কাকে এবং কেন ইমামে আযম বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.গিবতকে ব্যভিচারের সাথে তুলনা করা হয়েছে কেন?

গিবতকে ব্যভিচারের সাথে তুলনা করা হয়েছে কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ইমাম বুখারি (র.) কেন বুখরা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

ইমাম বুখারি (র.) কেন বুখরা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?মিযানের বয়স ৭ বছর। সে পবিত্র কুরআন ৬ মাসে মুখস্থ করে। তোমার পাঠ্যবইয়ে মিযানের সাফিকাহ বোর্ড কী? ব্যাখ্যা করো।'মদিনা সনদ' কী? এর দুটি ধারা লেখো।ইসলামে বিদায় হজের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ কেন?আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফ বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।'আইয়্যামে জাহেলিয়্যা' কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।“আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।“মানুষ ফিকাহশাস্ত্রে ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মুখাপেক্ষী।" - ব্যাখ্যা করো।কাকে এবং কেন ইমামে আযম বলা হয়?গিবতকে ব্যভিচারের সাথে তুলনা করা হয়েছে কেন?ইমাম বুখারি (র.) কেন বুখরা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।