শেয়ারFacebookWhatsApp

আরিফের প্রস্তাবিত সংঘটি চিহ্নিত করে ইমাম সাহেবের বক্তব্যের যথার্থতা নিরূপণ করো।

উত্তর: উদ্দীপকের জনতার মধ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে আরিফ কর্তৃক বৈঠক আহ্বান এবং ইমাম সাহেবের বক্তব্যে মূলত ঐতিহাসিক হুদায়বিয়ার সন্ধি বা শান্তিচুক্তির ঘটনার প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে এবং ইমাম সাহেবের বক্তব্যটি সম্পূর্ণ যৌক্তিক। শান্তি ও সমঝোতার নীতি: ইসলাম সর্বদা হানাহানি ও সংঘাত পরিহার করে শান্তি, শৃঙ্খলা এবং পারস্পরিক সমঝোতার পথ বেছে নেওয়ার শিক্ষা দেয়। রক্তপাত এড়াতে প্রয়োজনে শান্তিচুক্তি করা ইসলামের একটি মহান আদর্শ। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ষষ্ঠ হিজরিতে রাসুলুল্লাহ (সা.) কুরাইশদের সাথে হুদায়বিয়ার নামক স্থানে যে সন্ধি করেছিলেন, তার মূল উদ্দেশ্য ছিল দীর্ঘদিনের শত্রুতা ও সংঘাত দূর করে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। ইমাম সাহেবের মূল্যায়ন: উদ্দীপকে আরিফ এলাকার মানুষের মধ্যে বিদ্যমান বিরোধ ও অশান্তি দূর করতে নিজ উদ্যোগে একটি বৈঠকের মাধ্যমে সমঝোতার পথ তৈরি করেছে। ইমাম সাহেব ঠিকই বলেছেন যে, এই ধরনের উদ্যোগ ও কার্যক্রমের মধ্যে শান্তি ও সমঝোতার সুন্দর প্রতিফলন রয়েছে। ইসলামি শরিয়তেও সংঘাতের চেয়ে সংলাপ ও পারস্পরিক সমঝোতাকে সবসময় অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। অতএব, এলাকার শান্তি ফিরিয়ে আনতে আরিফের এই উদ্যোগ এবং তার ভিত্তিতে ইমাম সাহেবের দেওয়া মন্তব্যটি অত্যন্ত বাস্তবসম্মত, সময়োপযোগী ও ইসলামসম্মত।

SSC ইসলাম শিক্ষা অধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · ইসলাম শিক্ষা · অধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত · সৃজনশীল

আরিফের প্রস্তাবিত সংঘটি চিহ্নিত করে ইমাম সাহেবের বক্তব্যের যথার্থতা…

উদ্দীপক

সুবর্ণপুর এলাকায় জনাব ইমতিয়াজ সাহেব নিজ উদ্যোগে বেশ কিছু ভালো কাজ করতে চাইলে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল বিরোধিতা করে এবং তাকে এলাকা থেকে চলে যেতে বাধ্য করে। তখন ইমতিয়াজ সাহেব অন্য এলাকায় গিয়ে বসবাস করেন এবং এক সময় ঐ এলাকার জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হন। পরবর্তী সময়ে এলাকার জনগণের কৃত অপরাধ ক্ষমা করে নিজ এলাকায় ফিরে আসতে চাইলে এলাকার লোকজন তাকে গ্রহণ করে। অন্যদিকে এলাকার জনগণের মধ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার জন্যে আরিফ নামে এক যুবক একটি সংগঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করে। সংগঠনটির উদ্দেশ্যের ওপর ভিত্তি করে ইমাম সাহেব বলেন, এরূপ কর্মকাণ্ডের মধ্যে সামাজিক শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রতিফলন রয়েছে।

Barisal · 2020

উত্তর

উদ্দীপকে জনাব ইমতিয়াজ সাহেবের কার্যক্রমের সাথে ইসলামের ইতিহাসের মহানবি হযরত মুহাম্মদ (সা.) ও সাহাবিগণের মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করার ঐতিহাসিক ঘটনার মিল রয়েছে। বিরোধিতা ও দেশত্যাগ: উদ্দীপকে ইমতিয়াজ সাহেব নিজ এলাকায় ভালো কাজ করতে চাইলে স্বার্থান্বেষী মহল তাঁর বিরোধিতা করে এবং তাঁকে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করে। একইভাবে, মহানবি (সা.) মক্কায় ইসলামের আলো ছড়াতে চাইলে কুরাইশ কাফিররা তাঁর ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালায় এবং তাঁকে জন্মভূমি ত্যাগ করতে বাধ্য করে। অন্য এলাকায় কল্যাণমুখী ভূমিকা: ইমতিয়াজ সাহেব অন্য এলাকায় গিয়ে জনকল্যাণমূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত করেন। অনুরূপভাবে, রাসুলুল্লাহ (সা.) ও সাহাবিগণ মদিনায় হিজরত করার পর সেখানে ইসলামী সমাজব্যবস্থা গড়ে তোলেন এবং সার্বিক কল্যাণে ভূমিকা রাখেন। ভুল উপলব্ধি ও প্রত্যাবর্তন: পরবর্তীতে আগের এলাকার মানুষের ভুল বুঝতে পেরে তাঁকে ফিরিয়ে আনে। যা নবীজির মক্কা বিজয়ের পরবর্তী পরিস্থিতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। সুতরাং, ইমতিয়াজ সাহেবের জীবন ও কার্যক্রমের এই গতিপ্রবাহের সাথে প্রিয়নবি (সা.) ও সাহাবিগণের হিজরতের ঘটনার তাৎপর্যপূর্ণ মিল রয়েছে।

উত্তর

উদ্দীপকের জনতার মধ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে আরিফ কর্তৃক বৈঠক আহ্বান এবং ইমাম সাহেবের বক্তব্যে মূলত ঐতিহাসিক হুদায়বিয়ার সন্ধি বা শান্তিচুক্তির ঘটনার প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে এবং ইমাম সাহেবের বক্তব্যটি সম্পূর্ণ যৌক্তিক। শান্তি ও সমঝোতার নীতি: ইসলাম সর্বদা হানাহানি ও সংঘাত পরিহার করে শান্তি, শৃঙ্খলা এবং পারস্পরিক সমঝোতার পথ বেছে নেওয়ার শিক্ষা দেয়। রক্তপাত এড়াতে প্রয়োজনে শান্তিচুক্তি করা ইসলামের একটি মহান আদর্শ। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ষষ্ঠ হিজরিতে রাসুলুল্লাহ (সা.) কুরাইশদের সাথে হুদায়বিয়ার নামক স্থানে যে সন্ধি করেছিলেন, তার মূল উদ্দেশ্য ছিল দীর্ঘদিনের শত্রুতা ও সংঘাত দূর করে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। ইমাম সাহেবের মূল্যায়ন: উদ্দীপকে আরিফ এলাকার মানুষের মধ্যে বিদ্যমান বিরোধ ও অশান্তি দূর করতে নিজ উদ্যোগে একটি বৈঠকের মাধ্যমে সমঝোতার পথ তৈরি করেছে। ইমাম সাহেব ঠিকই বলেছেন যে, এই ধরনের উদ্যোগ ও কার্যক্রমের মধ্যে শান্তি ও সমঝোতার সুন্দর প্রতিফলন রয়েছে। ইসলামি শরিয়তেও সংঘাতের চেয়ে সংলাপ ও পারস্পরিক সমঝোতাকে সবসময় অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। অতএব, এলাকার শান্তি ফিরিয়ে আনতে আরিফের এই উদ্যোগ এবং তার ভিত্তিতে ইমাম সাহেবের দেওয়া মন্তব্যটি অত্যন্ত বাস্তবসম্মত, সময়োপযোগী ও ইসলামসম্মত।
SSCইসলাম শিক্ষাঅধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?

মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মিযানের বয়স ৭ বছর। সে পবিত্র কুরআন ৬ মাসে মুখস্থ করে। তোমার পাঠ্যবইয়ে মিযানের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তির স্মৃতিশক্তি ব্যাখ্যা করো।

মিযানের বয়স ৭ বছর। সে পবিত্র কুরআন ৬ মাসে মুখস্থ করে। তোমার পাঠ্যবইয়ে মিযানের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তির স্মৃতিশক্তি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ফিকাহ বোর্ড কী? ব্যাখ্যা করো।

ফিকাহ বোর্ড কী? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.'মদিনা সনদ' কী? এর দুটি ধারা লেখো।

'মদিনা সনদ' কী? এর দুটি ধারা লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.ইসলামে বিদায় হজের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ কেন?

ইসলামে বিদায় হজের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফ বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।

আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফ বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.'আইয়্যামে জাহেলিয়্যা' কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।

'আইয়্যামে জাহেলিয়্যা' কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.“আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

“আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.“মানুষ ফিকাহশাস্ত্রে ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মুখাপেক্ষী।" - ব্যাখ্যা করো।

“মানুষ ফিকাহশাস্ত্রে ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মুখাপেক্ষী।" - ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.কাকে এবং কেন ইমামে আযম বলা হয়?

কাকে এবং কেন ইমামে আযম বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.গিবতকে ব্যভিচারের সাথে তুলনা করা হয়েছে কেন?

গিবতকে ব্যভিচারের সাথে তুলনা করা হয়েছে কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ইমাম বুখারি (র.) কেন বুখরা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

ইমাম বুখারি (র.) কেন বুখরা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?মিযানের বয়স ৭ বছর। সে পবিত্র কুরআন ৬ মাসে মুখস্থ করে। তোমার পাঠ্যবইয়ে মিযানের সাফিকাহ বোর্ড কী? ব্যাখ্যা করো।'মদিনা সনদ' কী? এর দুটি ধারা লেখো।ইসলামে বিদায় হজের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ কেন?আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফ বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।'আইয়্যামে জাহেলিয়্যা' কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।“আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।“মানুষ ফিকাহশাস্ত্রে ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মুখাপেক্ষী।" - ব্যাখ্যা করো।কাকে এবং কেন ইমামে আযম বলা হয়?গিবতকে ব্যভিচারের সাথে তুলনা করা হয়েছে কেন?ইমাম বুখারি (র.) কেন বুখরা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।