শেয়ারFacebookWhatsApp

পাঠাগার স্থাপনে নওশাদের ভূমিকায় মহানবি (সঃ)-এর জীবনাদর্শের কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: পাঠাগার স্থাপনে নওশাদের ভূমিকায় মহানবি (সা.)-এর জীবনাদর্শের হাজরে আসওয়াদ স্থাপনের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। মহানবি (সা.) ছিলেন সর্বোত্তম চরিত্রের ধারক ও বাহক। তার ন্যায়পরায়ণতা, বিচক্ষণতা, নিরপেক্ষতা ও চারিত্রিক গুণাবলি সর্বকালে সকল মানুষের জন্য অনুসরণীয় আদর্শ। তার যৌবন বয়সে বিচারকার্যে বিচক্ষণতা, সত্যবাদিতা ও নিরপেক্ষতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হলো পবিত্র কাবা শরিফে হাজরে আসওয়াদ স্থাপন। যার অনুরূপ দৃষ্টান্ত উদ্দীপকের নওশাদের কাজের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। উদ্দীপকে নওশাদ তার এলাকায় একটি পাঠাগার স্থাপনকে কেন্দ্র করে দু'পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বেধে যাওয়ার উপক্রম হলে তিনি অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তার সাথে একটি ভারসাম্যপূর্ণ সমাধান করে অনিবার্য সংঘর্ষ থেকে গ্রামবাসীকে রক্ষা করেন। যা রাসুল (সা.)-এর হাজরে আসওয়াদ স্থাপনের ঘটনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। কারণ মহানবি (সা.)-এর বয়স যখন পঁচিশ বছর তখন পবিত্র কাবা শরিফে হাজরে আসওয়াদ (কালো পাথর) স্থাপন নিয়ে আরবের বিভিন্ন গোত্রে বিরোধ দেখা যায়। সবাই হাজরে আসওয়াদ স্থাপনের গৌরব অর্জন করতে চায়। তাতে কেউ ছাড় দিতে রাজি নয়। ফলে গোত্রে-গোত্রে যুদ্ধ বেধে যাওয়ার উপক্রম হয়। অতঃপর সকলে এ সিন্ধান্তে উপনীত হয় যে, পরের দিন সর্বপ্রথম যে ব্যক্তি কাবাঘরে প্রবেশ করবে তার ফয়সালা মেনে নেওয়া হবে। দেখা গেল পরের দিন সকলের আগে হযরত মুহাম্মদ কাবাঘরে প্রবেশ করলেন। সবাই এক বাক্যে বলে উঠল, এই আল-আমিন এসেছেন, আমরা তার প্রতি আস্থাশীল ও সন্তুষ্ট। হযরত মুহাম্মদ অত্যন্ত বিচক্ষণতা ও নিরপেক্ষতার সাথে ফয়সালা দিলেন। মহানবি (সা.) একটি চাদরের ওপর পাথরটি তাদেরকে ধরতে বললেন, সব গোত্র থেকে একজন করে এসে চাদর ধরে পাথাটিকে কাবাঘরে স্থাপন করলেন। মহানবি (সা.)-এর এ নিরপেক্ষ ও বিচক্ষণ সিদ্ধান্তের জন্য তারা অনিবার্য রক্তপাত থেকে বেঁচে গেল। উপরের আলোচনায় দেখা যায়, পাঠাগার স্থাপনের বিষয়ে নওশাদের সিদ্ধান্তটি মহানবি (সা.)-এর যৌবন বয়সে কাবাঘরে হাজরে আসওয়াদ স্থাপনের ঘটনার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

SSC ইসলাম শিক্ষা অধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · ইসলাম শিক্ষা · অধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত · সৃজনশীল

পাঠাগার স্থাপনে নওশাদের ভূমিকায় মহানবি (সঃ)-এর জীবনাদর্শের কোন দিকট…

উদ্দীপক

নওশাদ একজন তরুণ সমাজ সেবক। তিনি একদা তাঁর এলাকায় একটি পাঠাগার স্থাপনকে কেন্দ্র করে দু' পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বেধে যাওয়ার উপক্রম হলে তিনি অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তার সাথে একটি ভারসাম্যপূর্ণ সমাধান দিয়ে অনিবার্য সংঘর্ষ থেকে গ্রামবাসীকে রক্ষা করেন। সমাজ সেবায় এরূপ ভূমিকা রাখায় এলাকাবাসী তাঁকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেন। উদ্বোধনী ভাষণে তিনি জনগণকে রাসুল (সঃ)-এর একটি ঐতিহাসিক ভাষণের মর্মবাণী ধারণ করার পরামর্শ দিয়ে বলেন, এ ভাষণে রয়েছে বিশ্বমানবতার সার্বিক দিক নির্দেশনা।

Rajshahi · 2023

উত্তর

মহানবি (সা.) একটি ইসলামি রাষ্ট্র গঠনের পরিকল্পনা নিলেন এবং মদিনার সকল গোত্রের নেতাদের সাথে বৈঠক করে একটি লিখিত সনদ প্রণয়ন করেন, যা ইসলামের ইতিহাসে 'মদিনা সনদ' নামে খ্যাত।

উত্তর

প্রশ্নোক্ত উক্তিটি দ্বারা মহানবি (সা.)-এর ক্ষমার এক বিরল দৃষ্টান্তের দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। মহানবি (সা.) ইসলামের প্রচার শুরু করার পর মক্কাবাসী চরম অত্যাচার-নির্যাতন করলে তিনি মক্কা ছেড়ে যেতে বাধ্য হন। পরবর্তীতে ৬৩০ খ্রিষ্টাব্দে তিনি মক্কা বিজয় করে মক্কার একচ্ছত্র অধিপতি হন। এ সময় তিনি সুযোগ পেয়েও কোনো প্রতিশোধ গ্রহণ করেননি। বরং মক্কাবাসীদের তিনি সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন। এ কারণেই মহানবি (সা.) ছিলেন ক্ষমার আদর্শ।

উত্তর

পাঠাগার স্থাপনে নওশাদের ভূমিকায় মহানবি (সা.)-এর জীবনাদর্শের হাজরে আসওয়াদ স্থাপনের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। মহানবি (সা.) ছিলেন সর্বোত্তম চরিত্রের ধারক ও বাহক। তার ন্যায়পরায়ণতা, বিচক্ষণতা, নিরপেক্ষতা ও চারিত্রিক গুণাবলি সর্বকালে সকল মানুষের জন্য অনুসরণীয় আদর্শ। তার যৌবন বয়সে বিচারকার্যে বিচক্ষণতা, সত্যবাদিতা ও নিরপেক্ষতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হলো পবিত্র কাবা শরিফে হাজরে আসওয়াদ স্থাপন। যার অনুরূপ দৃষ্টান্ত উদ্দীপকের নওশাদের কাজের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। উদ্দীপকে নওশাদ তার এলাকায় একটি পাঠাগার স্থাপনকে কেন্দ্র করে দু'পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বেধে যাওয়ার উপক্রম হলে তিনি অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তার সাথে একটি ভারসাম্যপূর্ণ সমাধান করে অনিবার্য সংঘর্ষ থেকে গ্রামবাসীকে রক্ষা করেন। যা রাসুল (সা.)-এর হাজরে আসওয়াদ স্থাপনের ঘটনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। কারণ মহানবি (সা.)-এর বয়স যখন পঁচিশ বছর তখন পবিত্র কাবা শরিফে হাজরে আসওয়াদ (কালো পাথর) স্থাপন নিয়ে আরবের বিভিন্ন গোত্রে বিরোধ দেখা যায়। সবাই হাজরে আসওয়াদ স্থাপনের গৌরব অর্জন করতে চায়। তাতে কেউ ছাড় দিতে রাজি নয়। ফলে গোত্রে-গোত্রে যুদ্ধ বেধে যাওয়ার উপক্রম হয়। অতঃপর সকলে এ সিন্ধান্তে উপনীত হয় যে, পরের দিন সর্বপ্রথম যে ব্যক্তি কাবাঘরে প্রবেশ করবে তার ফয়সালা মেনে নেওয়া হবে। দেখা গেল পরের দিন সকলের আগে হযরত মুহাম্মদ কাবাঘরে প্রবেশ করলেন। সবাই এক বাক্যে বলে উঠল, এই আল-আমিন এসেছেন, আমরা তার প্রতি আস্থাশীল ও সন্তুষ্ট। হযরত মুহাম্মদ অত্যন্ত বিচক্ষণতা ও নিরপেক্ষতার সাথে ফয়সালা দিলেন। মহানবি (সা.) একটি চাদরের ওপর পাথরটি তাদেরকে ধরতে বললেন, সব গোত্র থেকে একজন করে এসে চাদর ধরে পাথাটিকে কাবাঘরে স্থাপন করলেন। মহানবি (সা.)-এর এ নিরপেক্ষ ও বিচক্ষণ সিদ্ধান্তের জন্য তারা অনিবার্য রক্তপাত থেকে বেঁচে গেল। উপরের আলোচনায় দেখা যায়, পাঠাগার স্থাপনের বিষয়ে নওশাদের সিদ্ধান্তটি মহানবি (সা.)-এর যৌবন বয়সে কাবাঘরে হাজরে আসওয়াদ স্থাপনের ঘটনার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

উত্তর

উদ্দীপকে জনগণের উদ্দেশ্যে নওশাদের পরামর্শের যথার্থতা মহানবি (সা.)-এর জীবনের বিদায় হজের ভাষণের এক বাস্তব রূপ। দশম হিজরির জিলহজ মাসের নয় তারিখ (৬৩২ খ্রি.) মহানবি (সা.) বিশ্বমানবতার জীবন পরিচালনার সার্বিক নির্দেশনাস্বরূপ মক্কার আরাফাতের ময়দানে এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। মহানবি (সা.)-এর জীবনের শেষ তথা একমাত্র হজ বলে তা 'বিদায় হজের ভাষণ' নামে খ্যাত। এ ভাষণে তিনি মুসলিমদের তথা মানবজাতিকে সঠিক পথে পরিচালিত হওয়ার সার্বিক উপদেশ প্রদান করেন। অধীন বা দাস-দাসীদের প্রতি সদ্ব্যবহার, ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি না করা, স্ত্রীদের প্রতি সদয় আচরণ ছিল এ ভাষণের অন্যতম কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ। যে বিষয়টি নওশাদের দেয়া পরামর্শেও লক্ষ করা যায়। উদ্দীপকের নওশাদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর উদ্বোধনী ভাষণে জনগণকে রাসুল (সা.)-এর একটি ঐতিহাসিক ভাষণের মর্মবাণী ধারণ করার পরামর্শ দিয়ে বলেন, এ ভাষণে রয়েছে বিশ্বমানবতার সার্বিক দিক নির্দেশনা। যা বিদায় হজের ভাষণকে নির্দেশ করে। মহানবি (সা.) বিদায় হজের ভাষণে বলেছেন, 'দাস-দাসীদের সাথে সদয় ব্যবহার কর। তাদের উপর কোনোরূপ অত্যাচার করবে না। তোমরা যা খাবে, তাদেরও তাই খাওয়াবে, তোমরা যা পরবে, তাদেরও তাই পরাবে। তারা যদি কোনো অমার্জনীয় অপরাধ করে ফেলে, তবে তাদের মুক্ত করে দেবে, তবুও তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করবে না। কেননা তারাও তোমাদের মতোই মানুষ, আল্লাহর সৃষ্টি। সব মুসলিম একে অন্যের ভাই এবং তোমরা একই ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ।' তিনি আরও বলেন, 'তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের সাথে সদয় ব্যবহার করবে, তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করবে না। তাদের উপর তোমাদের যেমন অধিকার রয়েছে তেমনি তোমাদের উপরও তাদের অধিকার রয়েছে।' এ ভাষণে তিনি আরও ঘোষণা দেন, 'ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি কর না; আগের অনেক জাতি এ কারণেই ধ্বংস হয়েছে।' উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা হয় যে, বিদায় হজের ভাষণে মহানবি (সা.) মানবজাতির জীবন পরিচালনার সার্বিক দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। সুতরাং মহানবি (সা.)-এর জীবনের বিদায় হজের ভাষণ সম্পর্কে নওশাদের পরামর্শ যথার্থ।
SSCইসলাম শিক্ষাঅধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?

মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মিযানের বয়স ৭ বছর। সে পবিত্র কুরআন ৬ মাসে মুখস্থ করে। তোমার পাঠ্যবইয়ে মিযানের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তির স্মৃতিশক্তি ব্যাখ্যা করো।

মিযানের বয়স ৭ বছর। সে পবিত্র কুরআন ৬ মাসে মুখস্থ করে। তোমার পাঠ্যবইয়ে মিযানের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তির স্মৃতিশক্তি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ফিকাহ বোর্ড কী? ব্যাখ্যা করো।

ফিকাহ বোর্ড কী? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.'মদিনা সনদ' কী? এর দুটি ধারা লেখো।

'মদিনা সনদ' কী? এর দুটি ধারা লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.ইসলামে বিদায় হজের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ কেন?

ইসলামে বিদায় হজের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফ বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।

আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফ বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.'আইয়্যামে জাহেলিয়্যা' কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।

'আইয়্যামে জাহেলিয়্যা' কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.“আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

“আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.“মানুষ ফিকাহশাস্ত্রে ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মুখাপেক্ষী।" - ব্যাখ্যা করো।

“মানুষ ফিকাহশাস্ত্রে ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মুখাপেক্ষী।" - ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.কাকে এবং কেন ইমামে আযম বলা হয়?

কাকে এবং কেন ইমামে আযম বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.গিবতকে ব্যভিচারের সাথে তুলনা করা হয়েছে কেন?

গিবতকে ব্যভিচারের সাথে তুলনা করা হয়েছে কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ইমাম বুখারি (র.) কেন বুখরা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

ইমাম বুখারি (র.) কেন বুখরা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?মিযানের বয়স ৭ বছর। সে পবিত্র কুরআন ৬ মাসে মুখস্থ করে। তোমার পাঠ্যবইয়ে মিযানের সাফিকাহ বোর্ড কী? ব্যাখ্যা করো।'মদিনা সনদ' কী? এর দুটি ধারা লেখো।ইসলামে বিদায় হজের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ কেন?আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফ বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।'আইয়্যামে জাহেলিয়্যা' কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।“আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।“মানুষ ফিকাহশাস্ত্রে ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মুখাপেক্ষী।" - ব্যাখ্যা করো।কাকে এবং কেন ইমামে আযম বলা হয়?গিবতকে ব্যভিচারের সাথে তুলনা করা হয়েছে কেন?ইমাম বুখারি (র.) কেন বুখরা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।