শেয়ারFacebookWhatsApp

আব্দুল আলীম কাকে অনুসরণ করে চিকিৎসাবিজ্ঞানী হতে চায়? তার অবদান উল্লেখ কর।

উত্তর: আব্দুল আলীম চিকিৎসাবিজ্ঞানী আল-রাযিকে অনুসরণ করে একজন চিকিৎসাবিজ্ঞানী হতে চায়। চিকিৎসাশাস্ত্রে তার অবদান অপরিসীম। চিকিৎসাবিজ্ঞানের উন্নতির মূলে রয়েছে মুসলমানদের অবদান। চিকিৎসাশাস্ত্রকে উন্নতির শিখরে পৌঁছে দিতে যেসব মনীষী অবদান রেখেছেন তাদের মধ্যে আল-রাযি অন্যতম। তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ চিকিৎসাবিজ্ঞানী ও শল্যচিকিৎসাবিদ ছিলেন। যা আব্দুল আলীমের বক্তব্যে প্রকাশিত। আব্দুল আলীম যার আদর্শ অনুকরণে চিকিৎসাবিদ হতে চায়, তিনি মুসলিম চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ। তিনি শল্যচিকিৎসার দিশারি হিসেবে আজও স্মরণীয় হয়ে আছেন। এ কথাগুলো চিকিৎসাবিজ্ঞানী আল রাযির ক্ষেত্রেই সঠিক। কারণ তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ মুসলিম চিকিৎসাবিদ। শল্যচিকিৎসাবিদ হিসেবেও তার সুখ্যাতি চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছিল। শল্যচিকিৎসায় আল রাযি ছিলেন তৎকালের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি। তাঁর অস্ত্রোপচার পদ্ধতি ছিল গ্রিকদের থেকেও উন্নত। তিনি মোট দুই শতাধিক গ্রন্থ রচনা করেন। তন্মধ্যে শতাধিক হলো চিকিৎসাবিষয়ক। তিনি বসন্ত ও হাম রোগের উপর 'আল জুদাইরি ওয়াল হাসবাহ' নামক একখানি গ্রন্থ রচনা করেন। এর মৌলিকত্ব দেখে চিকিৎসাবিজ্ঞানের লোকেরা খুব আশ্চর্যান্বিত হয়েছিলেন। তাঁর আরেকটি গ্রন্থের নাম হলো আল মানসুরি। এটি ১০ খণ্ডে রচিত। এ গ্রন্থ দুটি আল রাযিকে চিকিৎসাশাস্ত্রে অমর করে রেখেছে। তিনি হাম, শিশু চিকিৎসা, নিউরোসাইকিয়াট্রিক ইত্যাদি চিকিৎসা সম্পর্কে নতুন মতবাদ প্রবর্তন করেন। আল মানসুরি গ্রন্থে তিনি এনাটমি, ফিজিওলজি, ঔষধ, স্বাস্থ্যরক্ষা বিধি, চর্মরোগ ও প্রসাধন দ্রব্য, শল্যচিকিৎসা, বিষ, জ্বর ইত্যাদি বিষয় উল্লেখ করেন। উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বোঝা যায়, আব্দুল আলীম আল রাযিকে অনুসরণ করে চিকিৎসাবিজ্ঞানী হতে চেয়েছিল। যার চিকিৎসাবিজ্ঞানে অবদান অপরিসীম।

SSC ইসলাম শিক্ষা অধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · ইসলাম শিক্ষা · অধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত · সৃজনশীল

আব্দুল আলীম কাকে অনুসরণ করে চিকিৎসাবিজ্ঞানী হতে চায়? তার অবদান উল্ল…

উদ্দীপক

আব্দুল আলীম এইচএসসি পাস করে বাবাকে বলল, আমি বিশ্ববিখ্যাত মুসলিম চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ চিকিৎসাবিজ্ঞানী, শল্যচিকিৎসার দিশারি হিসেবে আজও আমাদের মাঝে স্মরণীয় হয়ে আছে। তার আদর্শ অনুকরণে একজন চিকিৎসাবিদ হতে চাই। অপরদিকে তাদের গ্রামের ফরহাদ এর বাসায় একটি ইয়াতিম মেয়ে কাজ করে। সে তাকে নিজের সন্তানের মতো ভালোবাসে এবং নিজেরা যা খায় পরে তাকেও তা খেতে দেয় ও পরতে দেয়। তার সাথে কেউই খারাপ ব্যবহার করে না।

Dhaka · 2023

উত্তর

রাসুল (সা.) ৬৩২ খ্রি. বা দশম হিজরির যিলকদ মাসে লক্ষাধিক সাহাবি নিয়ে হজ সম্পাদন করেন যা বিদায় হজ নামে পরিচিত।

উত্তর

হিলফুল ফুযুল গঠনের মূল উদ্দেশ্য হলো তৎকালীন অশান্ত আরব সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। মহানবি (সা.) হারবুল ফিজারের বিভীষিকা প্রত্যক্ষ করে ভীষণ ব্যথিত হন। তাই যুদ্ধমুক্ত শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনের লক্ষ্যে হিলফুল ফুযুল গঠন করেন। এ সংঘের উদ্দেশ্য ছিল- ১. আর্তের সেবা করা, ২. অত্যাচারীদের প্রতিরোধ করা ও অত্যাচারিতকে সাহায্য করা ৩. শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা এবং ৪. গোত্রে গোত্রে শান্তি-সম্প্রীতি বজায় রাখা।

উত্তর

ফরহাদ এর আচরণে মহানবি (সা.)-এর বিদায় হজের ভাষণের প্রভাব পড়েছে। দশম হিজরির জিলহজ মাসের নয় তারিখ (৬৩২ খ্রি.) মহানবি (সা.) বিশ্বমানবতার জীবন পরিচালনার সার্বিক নির্দেশনাস্বরূপ মক্কার আরাফাতের ময়দানে এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। মহানবি (সা.)-এর জীবনের শেষ তথা একমাত্র হজ বলে তা 'বিদায় হজের ভাষণ' নামে খ্যাত। এ ভাষণে তিনি মুসলিমদের তথা মানবজাতিকে সঠিক পথে পরিচালিত হওয়ার সার্বিক উপদেশ প্রদান করেন। অধীন বা দাস-দাসীদের প্রতি সদ্ব্যবহার, ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি না করা, স্ত্রীদের প্রতি সদয় আচরণ ছিল এ ভাষণের অন্যতম কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ। উদ্দীপকে দেখা যায়, ফরহাদ এর বাসায় একটি ইয়াতিম মেয়ে কাজ করে। সে তাকে নিজের সন্তানের মতো ভালোবাসে এবং নিজেরা যা খায় পরে তাকেও তা খেতে দেয় ও পরতে দেয়। তার সাথে কেউই খারাপ ব্যবহার করে না। তার এ ধরনের আচরণ মহানবি (সা.)-এর বিদায় হজের ভাষণের আদর্শের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। মহানবি (সা.) বিদায় হজের ভাষণে বলেছেন, 'দাস-দাসীদের সাথে সদয় ব্যবহার কর। তাদের উপর কোনোরূপ অত্যাচার করবে না। তোমরা যা খাবে, তাদেরও তাই খাওয়াবে, তোমরা যা পরবে, তাদেরও তাই পরাবে। তারা যদি কোনো অমার্জনীয় অপরাধ করে ফেলে, তবে তাদের মুক্ত করে দেবে, তবুও তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করবে না। কেননা তারাও তোমাদের মতোই মানুষ, আল্লাহর সৃষ্টি। সব মুসলিম একে অন্যের ভাই এবং তোমরা একই ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ।' তিনি আরও বলেন, 'তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের সাথে সদয় ব্যবহার করবে, তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করবে না। তাদের উপর তোমাদের যেমন অধিকার রয়েছে তেমনি তোমাদের উপরও তাদের অধিকার রয়েছে।' এ ভাষণে তিনি আরও ঘোষণা দেন, 'ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি কর না; আগের অনেক জাতি এ কারণেই ধ্বংস হয়েছে।' উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, বিদায় হজের ভাষণে মহানবি (সা.) মানবজাতির জীবন পরিচালনার সার্বিক দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। সুতরাং মহানবি (সা.)-এর জীবনের বিদায় হজের ভাষণের আলোকে ফরহাদের আচরণ যথার্থ।

উত্তর

আব্দুল আলীম চিকিৎসাবিজ্ঞানী আল-রাযিকে অনুসরণ করে একজন চিকিৎসাবিজ্ঞানী হতে চায়। চিকিৎসাশাস্ত্রে তার অবদান অপরিসীম। চিকিৎসাবিজ্ঞানের উন্নতির মূলে রয়েছে মুসলমানদের অবদান। চিকিৎসাশাস্ত্রকে উন্নতির শিখরে পৌঁছে দিতে যেসব মনীষী অবদান রেখেছেন তাদের মধ্যে আল-রাযি অন্যতম। তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ চিকিৎসাবিজ্ঞানী ও শল্যচিকিৎসাবিদ ছিলেন। যা আব্দুল আলীমের বক্তব্যে প্রকাশিত। আব্দুল আলীম যার আদর্শ অনুকরণে চিকিৎসাবিদ হতে চায়, তিনি মুসলিম চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ। তিনি শল্যচিকিৎসার দিশারি হিসেবে আজও স্মরণীয় হয়ে আছেন। এ কথাগুলো চিকিৎসাবিজ্ঞানী আল রাযির ক্ষেত্রেই সঠিক। কারণ তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ মুসলিম চিকিৎসাবিদ। শল্যচিকিৎসাবিদ হিসেবেও তার সুখ্যাতি চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছিল। শল্যচিকিৎসায় আল রাযি ছিলেন তৎকালের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি। তাঁর অস্ত্রোপচার পদ্ধতি ছিল গ্রিকদের থেকেও উন্নত। তিনি মোট দুই শতাধিক গ্রন্থ রচনা করেন। তন্মধ্যে শতাধিক হলো চিকিৎসাবিষয়ক। তিনি বসন্ত ও হাম রোগের উপর 'আল জুদাইরি ওয়াল হাসবাহ' নামক একখানি গ্রন্থ রচনা করেন। এর মৌলিকত্ব দেখে চিকিৎসাবিজ্ঞানের লোকেরা খুব আশ্চর্যান্বিত হয়েছিলেন। তাঁর আরেকটি গ্রন্থের নাম হলো আল মানসুরি। এটি ১০ খণ্ডে রচিত। এ গ্রন্থ দুটি আল রাযিকে চিকিৎসাশাস্ত্রে অমর করে রেখেছে। তিনি হাম, শিশু চিকিৎসা, নিউরোসাইকিয়াট্রিক ইত্যাদি চিকিৎসা সম্পর্কে নতুন মতবাদ প্রবর্তন করেন। আল মানসুরি গ্রন্থে তিনি এনাটমি, ফিজিওলজি, ঔষধ, স্বাস্থ্যরক্ষা বিধি, চর্মরোগ ও প্রসাধন দ্রব্য, শল্যচিকিৎসা, বিষ, জ্বর ইত্যাদি বিষয় উল্লেখ করেন। উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বোঝা যায়, আব্দুল আলীম আল রাযিকে অনুসরণ করে চিকিৎসাবিজ্ঞানী হতে চেয়েছিল। যার চিকিৎসাবিজ্ঞানে অবদান অপরিসীম।
SSCইসলাম শিক্ষাঅধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?

মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মিযানের বয়স ৭ বছর। সে পবিত্র কুরআন ৬ মাসে মুখস্থ করে। তোমার পাঠ্যবইয়ে মিযানের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তির স্মৃতিশক্তি ব্যাখ্যা করো।

মিযানের বয়স ৭ বছর। সে পবিত্র কুরআন ৬ মাসে মুখস্থ করে। তোমার পাঠ্যবইয়ে মিযানের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তির স্মৃতিশক্তি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ফিকাহ বোর্ড কী? ব্যাখ্যা করো।

ফিকাহ বোর্ড কী? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.'মদিনা সনদ' কী? এর দুটি ধারা লেখো।

'মদিনা সনদ' কী? এর দুটি ধারা লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.ইসলামে বিদায় হজের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ কেন?

ইসলামে বিদায় হজের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফ বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।

আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফ বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.'আইয়্যামে জাহেলিয়্যা' কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।

'আইয়্যামে জাহেলিয়্যা' কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.“আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

“আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.“মানুষ ফিকাহশাস্ত্রে ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মুখাপেক্ষী।" - ব্যাখ্যা করো।

“মানুষ ফিকাহশাস্ত্রে ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মুখাপেক্ষী।" - ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.কাকে এবং কেন ইমামে আযম বলা হয়?

কাকে এবং কেন ইমামে আযম বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.গিবতকে ব্যভিচারের সাথে তুলনা করা হয়েছে কেন?

গিবতকে ব্যভিচারের সাথে তুলনা করা হয়েছে কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ইমাম বুখারি (র.) কেন বুখরা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

ইমাম বুখারি (র.) কেন বুখরা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?মিযানের বয়স ৭ বছর। সে পবিত্র কুরআন ৬ মাসে মুখস্থ করে। তোমার পাঠ্যবইয়ে মিযানের সাফিকাহ বোর্ড কী? ব্যাখ্যা করো।'মদিনা সনদ' কী? এর দুটি ধারা লেখো।ইসলামে বিদায় হজের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ কেন?আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফ বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।'আইয়্যামে জাহেলিয়্যা' কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।“আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।“মানুষ ফিকাহশাস্ত্রে ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মুখাপেক্ষী।" - ব্যাখ্যা করো।কাকে এবং কেন ইমামে আযম বলা হয়?গিবতকে ব্যভিচারের সাথে তুলনা করা হয়েছে কেন?ইমাম বুখারি (র.) কেন বুখরা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।