শেয়ারFacebookWhatsApp

ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জায়েদ সাহেবের বক্তব্যটি কোন খলিফার চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? তা চিহ্নিতপূর্বক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জায়েদ সাহেবের বক্তব্যটি ইসলামের প্রথম খলিফা হযরত আবু বকর (রা)-এর চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। হযরত আবু বকর (রা) বয়স্ক পুরুষদের মধ্যে প্রথম ইসলাম গ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন ইসলামের একনিষ্ঠ সেবক। রাসুল (সা.)-এর মৃত্যুর পূর্বে তিনি সার্বক্ষণিক তাঁর এবং ইসলামের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। কুরআন এবং সুন্নাহকে তিনি জীবনের সর্বোৎকৃষ্ট আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করেছেন। তাই রাসুল (সা.)-এর মৃত্যুর পর (৬৩২ খ্রি.) তিনিই খিলাফতের দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। খিলাফতে অধিষ্ঠিত হয়ে আল্লাহ এবং রাসুল (সা.)-এর নির্দেশ মোতাবেক তিনি খিলাফত পরিচালনা করার শপথ গ্রহণ করেন। জায়েদ সাহেবের মধ্যে তার এ আদর্শরই প্রতিফলন ঘটেছে। উদ্দীপকে দেখা যায়, মাদাতী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জায়েদ সাহেব তার পরিষদে বলেন, "যতদিন আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের অনুসরণ করি, ততদিন তোমরা আমার অনুসরণ করবে এবং আমাকে সাহায্য করবে। হযরত আবু বকর (রা)-ও মুসলিম জাহানের খলিফা নির্বাচিত হওয়ার পর জনতার উদ্দেশ্যে বলেছিলেন, 'যতদিন আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (সা.)-এর অনুসরণ করি, ততদিন তোমরা আমার অনুসরণ করবে এবং আমাকে সাহায্য করবে। আর ভুল পথে চললে তোমরা আমাকে সাথে সাথে সংশোধন করে দেবে।' তার এ বক্তব্যে আল্লাহ ও রাসুল (সা.)-এর প্রতি একনিষ্ঠ আনুগত্য প্রকাশ, গণতন্ত্র তথা জনগণের মতামতের প্রতি গুরুত্ব প্রদান প্রভৃতি বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে। সুতরাং বলা যায়, চেয়ারম্যান জায়েদ সাহেব সর্বকালের অনুকরণীয় শাসক হযরত আবু বকর (রা)-এর বৈশিষ্ট্যকেই লালন করেছেন।

SSC ইসলাম শিক্ষা অধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · ইসলাম শিক্ষা · অধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত · সৃজনশীল

ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জায়েদ সাহেবের বক্তব্যটি কোন খলিফার চরিত্র…

উদ্দীপক

বায়তুল মুকাররম মসজিদের খতিব সাহেব একদা তাঁর বক্তব্যে উপস্থিত মুসল্লিগণের উদ্দেশ্যে বলেন, “তোমরা স্ত্রীদের সাথে সদয় ব্যবহার করবে; অধীনস্ত কর্মচারীদের প্রতি সদ্ব্যবহার করবে; ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করো না।” তিনি আরও বলেন, আমাদের মাদাতী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহিদ সাহেব তার পরিষদে বলেন, “যতদিন আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের অনুসরণ করি, ততদিন তোমরা আমার অনুসরণ করবে এবং আমাকে সাহায্য করবে।”

Dhaka · 2023

উত্তর

বুহায়রা হচ্ছেন একজন খ্রিষ্টান পাদ্রী যার সাথে হযরত মুহাম্মাদ (সা.)-এর সিরিয়া যাওয়ার পথে সাক্ষাৎ হয়।

উত্তর

হিজরি অষ্টম বছরের রমযান মাসে দশ হাজার সাহাবি নিয়ে মহানবি (সা.) মক্কা অভিমুখে যাত্রা শুরু করেন। মহানবি (সা.) মক্কার অদূরে তাঁবু স্থাপন করেন। কুরাইশরা মুসলিমদের এই বাহিনী দেখে ভীত সন্ত্রস্ত হলো। তারা কোনো প্রকার বাধা দেওয়ার সাহস করল না। বিনা রক্তপাতে ও বিনা বাধায় মুসলিম বাহিনী মক্কা বিজয় করেন।

উত্তর

খতিব সাহেবের বক্তব্যটি ইসলামের যুগান্তকারী ভাষণ বিদায় হজের ভাষণের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। দশম হিজরির জিলহজ মাসের নয় তারিখ (৬৩২ খ্রি.) মহানবি (সা.) বিশ্বমানবতার জীবন পরিচালনার সার্বিক নির্দেশনাস্বরূপ মক্কার আরাফাতের ময়দানে এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। মহানবি (সা.)-এর জীবনের শেষ তথা একমাত্র হজ বলে তা 'বিদায় হজের ভাষণ' নামে খ্যাত। এ ভাষণে তিনি মুসলিমদের তথা মানবজাতিকে সঠিক পথে পরিচালিত হওয়ার সার্বিক উপদেশ প্রদান করেন। অধীন বা দাস-দাসীদের প্রতি সদ্ব্যবহার, ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি না করা, স্ত্রীদের প্রতি সদয় আচরণ ছিল এ ভাষণের অন্যতম কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ। ইমাম সাহেবের বক্তব্যটি এ উপদেশগুলোরই বাস্তব প্রতিফলন। উদ্দীপকে দেখা যায়, ইমাম সাহেব তার বক্তব্যতে ত্রীদের সাথে এবং অধীনস্ত কর্মচারীদের সাথে সদয় ব্যবহার করা এবং ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার ঘোষণা দেন। তার এ ধরনের মনোভাব মহানবি (সা.)-এর বিদায় হজের ভাষণের আদর্শের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। মহানবি (সা.) বিদায় হজের ভাষণে বলেছেন, 'দাস-দাসীদের সাথে সদয় ব্যবহার কর। তাদের উপর কোনোরূপ অত্যাচার করবে না। তোমরা যা খাবে, তাদেরও তাই খাওয়াবে, তোমরা যা পরবে, তাদেরও তাই পরাবে। তারা যদি কোনো অমার্জনীয় অপরাধ করে ফেলে, তবে তাদের মুক্ত করে দেবে, তবুও তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করবে না। কেননা তারাও তোমাদের মতোই মানুষ, আল্লাহর সৃষ্টি। সব মুসলিম একে অন্যের ভাই এবং তোমরা একই ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ।' তিনি আরও বলেন, 'তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের সাথে সদয় ব্যবহার করবে, তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করবে না। তাদের উপর তোমাদের যেমন অধিকার রয়েছে তেমনি তোমাদের উপরও তাদের অধিকার রয়েছে।' এ ভাষণে তিনি আরও ঘোষণা দেন, 'ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি কর না; আগের অনেক জাতি এ কারণেই ধ্বংস হয়েছে।' উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, বিদায় হজের ভাষণে মহানবি (সা.) মানবজাতির জীবন পরিচালনার সার্বিক দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। এ ভাষণের কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক ইমাম সাহেবের বক্তব্যে প্রকাশিত হয়েছে। সুতরাং মহানবি (সা.)-এর জীবনের বিদায় হজের ভাষণের আলোকে ইমাম সাহেবের বক্তব্য যথার্থ।

উত্তর

ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জায়েদ সাহেবের বক্তব্যটি ইসলামের প্রথম খলিফা হযরত আবু বকর (রা)-এর চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। হযরত আবু বকর (রা) বয়স্ক পুরুষদের মধ্যে প্রথম ইসলাম গ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন ইসলামের একনিষ্ঠ সেবক। রাসুল (সা.)-এর মৃত্যুর পূর্বে তিনি সার্বক্ষণিক তাঁর এবং ইসলামের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। কুরআন এবং সুন্নাহকে তিনি জীবনের সর্বোৎকৃষ্ট আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করেছেন। তাই রাসুল (সা.)-এর মৃত্যুর পর (৬৩২ খ্রি.) তিনিই খিলাফতের দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। খিলাফতে অধিষ্ঠিত হয়ে আল্লাহ এবং রাসুল (সা.)-এর নির্দেশ মোতাবেক তিনি খিলাফত পরিচালনা করার শপথ গ্রহণ করেন। জায়েদ সাহেবের মধ্যে তার এ আদর্শরই প্রতিফলন ঘটেছে। উদ্দীপকে দেখা যায়, মাদাতী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জায়েদ সাহেব তার পরিষদে বলেন, "যতদিন আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের অনুসরণ করি, ততদিন তোমরা আমার অনুসরণ করবে এবং আমাকে সাহায্য করবে। হযরত আবু বকর (রা)-ও মুসলিম জাহানের খলিফা নির্বাচিত হওয়ার পর জনতার উদ্দেশ্যে বলেছিলেন, 'যতদিন আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (সা.)-এর অনুসরণ করি, ততদিন তোমরা আমার অনুসরণ করবে এবং আমাকে সাহায্য করবে। আর ভুল পথে চললে তোমরা আমাকে সাথে সাথে সংশোধন করে দেবে।' তার এ বক্তব্যে আল্লাহ ও রাসুল (সা.)-এর প্রতি একনিষ্ঠ আনুগত্য প্রকাশ, গণতন্ত্র তথা জনগণের মতামতের প্রতি গুরুত্ব প্রদান প্রভৃতি বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে। সুতরাং বলা যায়, চেয়ারম্যান জায়েদ সাহেব সর্বকালের অনুকরণীয় শাসক হযরত আবু বকর (রা)-এর বৈশিষ্ট্যকেই লালন করেছেন।
SSCইসলাম শিক্ষাঅধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?

মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মিযানের বয়স ৭ বছর। সে পবিত্র কুরআন ৬ মাসে মুখস্থ করে। তোমার পাঠ্যবইয়ে মিযানের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তির স্মৃতিশক্তি ব্যাখ্যা করো।

মিযানের বয়স ৭ বছর। সে পবিত্র কুরআন ৬ মাসে মুখস্থ করে। তোমার পাঠ্যবইয়ে মিযানের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তির স্মৃতিশক্তি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ফিকাহ বোর্ড কী? ব্যাখ্যা করো।

ফিকাহ বোর্ড কী? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.'মদিনা সনদ' কী? এর দুটি ধারা লেখো।

'মদিনা সনদ' কী? এর দুটি ধারা লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.ইসলামে বিদায় হজের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ কেন?

ইসলামে বিদায় হজের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফ বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।

আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফ বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.'আইয়্যামে জাহেলিয়্যা' কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।

'আইয়্যামে জাহেলিয়্যা' কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.“আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

“আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.“মানুষ ফিকাহশাস্ত্রে ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মুখাপেক্ষী।" - ব্যাখ্যা করো।

“মানুষ ফিকাহশাস্ত্রে ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মুখাপেক্ষী।" - ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.কাকে এবং কেন ইমামে আযম বলা হয়?

কাকে এবং কেন ইমামে আযম বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.গিবতকে ব্যভিচারের সাথে তুলনা করা হয়েছে কেন?

গিবতকে ব্যভিচারের সাথে তুলনা করা হয়েছে কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ইমাম বুখারি (র.) কেন বুখরা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

ইমাম বুখারি (র.) কেন বুখরা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?মিযানের বয়স ৭ বছর। সে পবিত্র কুরআন ৬ মাসে মুখস্থ করে। তোমার পাঠ্যবইয়ে মিযানের সাফিকাহ বোর্ড কী? ব্যাখ্যা করো।'মদিনা সনদ' কী? এর দুটি ধারা লেখো।ইসলামে বিদায় হজের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ কেন?আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফ বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।'আইয়্যামে জাহেলিয়্যা' কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।“আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।“মানুষ ফিকাহশাস্ত্রে ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মুখাপেক্ষী।" - ব্যাখ্যা করো।কাকে এবং কেন ইমামে আযম বলা হয়?গিবতকে ব্যভিচারের সাথে তুলনা করা হয়েছে কেন?ইমাম বুখারি (র.) কেন বুখরা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।

ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জায়েদ সাহেবের বক্তব্যটি কোন খলিফার চরিত্র… | Prosthuti