শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে মহানবি (স.) এর কোন গুণটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে মহানবি (সা.)-এর ক্ষমা গুণটি প্রতিফলিত হয়েছে। ৬১০ খ্রিষ্টাব্দে নবুয়ত লাভের পর মহানবি (সা.) মক্কাবাসীর কাছে ইসলাম প্রচার শুরু করেন। কিন্তু তারা ইসলামের সুমহান আদর্শ গ্রহণ না করে তাঁকে এ কাজ থেকে বিরত রাখার জন্য তাঁর উপর অমানবিক নির্যাতন চালায়। একপর্যায়ে তারা মহানবি (সা.)-কে হত্যার ষড়যন্ত্র করলে তিনি মদিনায় হিজরত করেন। পরবর্তীতে মক্কা বিজয়ের সময়ে রাসুল (সা.) প্রতিশোধ গ্রহণের সুযোগ পেয়েও প্রতিশোধ না নিয়ে ক্ষমার আদর্শ প্রতিষ্ঠা করেন। উদ্দীপকে মহানবি (সা.) এর এ আদর্শেরই প্রতিফলন লক্ষণীয়। উদ্দীপকে দেখা যায়, বিনা বাধায় বিনা রক্তপাতে মুসলিম বাহিনি মক্কা বিজয় করল। মক্কা বিজয়ের পর মহানবি (সা.) ঘোষণা করলেন, "আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই, যাও তোমরা মুক্ত ও স্বাধীন। অর্থাৎ মহানবি (সা.) কুরাইশদেরকে ক্ষমা করে দিলেন। ৬২৮ খ্রিষ্টাব্দে হুদাইবিয়া নামক স্থানে কুরাইশদের সাথে মহানবি (সা.)-এর দশ বছর ব্যাপী যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। কুরাইশরা এ চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করায় রাসুল (সা.) ৬৩০ খ্রিষ্টাব্দে দশ হাজার মুসলিম নিয়ে মক্কায় অভিযান পরিচালনা করেন। কুরাইশরা একসময় তাঁর উপর অত্যাচার করলেও মক্কা বিজয়ের পর তিনি তাদের প্রতি সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন। সে সময় তিনি ইসলামের চরম শত্রু আবু সুফিয়ানসহ সকলকে হাতের নাগালে পেয়েও যেভাবে ক্ষমা করে দিয়েছেন মানবতার ইতিহাসে তা বিরল। অতএব, উদ্দীপকে মহানবি (সা.)-এর ক্ষমার গুণটিই প্রতিফলিত হয়েছে।

SSC ইসলাম শিক্ষা অধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · ইসলাম শিক্ষা · অধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত · সৃজনশীল

উদ্দীপকে মহানবি (স.) এর কোন গুণটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপক

জনাব জয়নাল তার পুত্র মফিজকে বললেন বিনা বাধায় বিনা রক্তপাতে মুসলিম বাহিনী মক্কা বিজয় করল। মক্কা বিজয়ের পর মহানবি (স.) ঘোষণা করলেন, "আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই, যাও তোমরা মুক্ত ও স্বাধীন।” মহানবি (স.) অন্য বক্তব্যে বললেন আমিই শেষ নবি। আমার পর কোনো নবি আসবে না।

Jessore · 2023

উত্তর

'হিলফুল ফুযুল' হলো মহানবি হযরত মুহাম্মাদ (সা.) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত একটি শান্তি সংঘ।

উত্তর

খাদিজা হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর গুণাবলি পর্যবেক্ষণ করার জন্য তাঁর অত্যন্ত বিশ্বস্ত কর্মচারী 'মাইসারা'কে মুহাম্মদ (সা.)-এর সাথে সিরিয়া পাঠান। মাইসারা সিরিয়া থেকে ফিরে এসে হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর চারিত্রিক গুণাবলি সম্পর্কে খাদিজা (রা)-কে অবহিত করেন।

উত্তর

উদ্দীপকে মহানবি (সা.)-এর ক্ষমা গুণটি প্রতিফলিত হয়েছে। ৬১০ খ্রিষ্টাব্দে নবুয়ত লাভের পর মহানবি (সা.) মক্কাবাসীর কাছে ইসলাম প্রচার শুরু করেন। কিন্তু তারা ইসলামের সুমহান আদর্শ গ্রহণ না করে তাঁকে এ কাজ থেকে বিরত রাখার জন্য তাঁর উপর অমানবিক নির্যাতন চালায়। একপর্যায়ে তারা মহানবি (সা.)-কে হত্যার ষড়যন্ত্র করলে তিনি মদিনায় হিজরত করেন। পরবর্তীতে মক্কা বিজয়ের সময়ে রাসুল (সা.) প্রতিশোধ গ্রহণের সুযোগ পেয়েও প্রতিশোধ না নিয়ে ক্ষমার আদর্শ প্রতিষ্ঠা করেন। উদ্দীপকে মহানবি (সা.) এর এ আদর্শেরই প্রতিফলন লক্ষণীয়। উদ্দীপকে দেখা যায়, বিনা বাধায় বিনা রক্তপাতে মুসলিম বাহিনি মক্কা বিজয় করল। মক্কা বিজয়ের পর মহানবি (সা.) ঘোষণা করলেন, "আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই, যাও তোমরা মুক্ত ও স্বাধীন। অর্থাৎ মহানবি (সা.) কুরাইশদেরকে ক্ষমা করে দিলেন। ৬২৮ খ্রিষ্টাব্দে হুদাইবিয়া নামক স্থানে কুরাইশদের সাথে মহানবি (সা.)-এর দশ বছর ব্যাপী যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। কুরাইশরা এ চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করায় রাসুল (সা.) ৬৩০ খ্রিষ্টাব্দে দশ হাজার মুসলিম নিয়ে মক্কায় অভিযান পরিচালনা করেন। কুরাইশরা একসময় তাঁর উপর অত্যাচার করলেও মক্কা বিজয়ের পর তিনি তাদের প্রতি সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন। সে সময় তিনি ইসলামের চরম শত্রু আবু সুফিয়ানসহ সকলকে হাতের নাগালে পেয়েও যেভাবে ক্ষমা করে দিয়েছেন মানবতার ইতিহাসে তা বিরল। অতএব, উদ্দীপকে মহানবি (সা.)-এর ক্ষমার গুণটিই প্রতিফলিত হয়েছে।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত মহানবি (সা.)-এর শেষের বক্তব্যটি মহানবি (সা.)-এর বিদায় হজের ভাষণের অংশবিশেষ। দশম হিজরির (৬৩২ খ্রি.) জিলহজ মাসের ৯ তারিখ আরাফাতের ময়দানে উপস্থিত জনসমুদ্রের উদ্দেশ্যে মহানবি (সা.) এক যুগান্তকারী ভাষণ দেন। এ ভাষণে রাসুল (সা.) মানুষকে ন্যায় ও সত্যের পথে চলার নির্দেশনা প্রদান করেন। উদ্দীপকের শেষের বক্তব্যটিতে মহানবি (সা.) এর ভাষণের সে দিকটি ফুটে উঠেছে। উদ্দীপকের বক্তব্যে বিদায় হজের ভাষণে হযরত মুহাম্মাদ (সা.) সব মানুষের সাথে অন্যায় আচরণ পরিহার করতে বলেন। বর্ণ-গোত্র, বিভেদ ও বিদ্বেষ ভুলে গিয়ে সবাইকে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার নির্দেশ দেন। জীবন পরিচালনার জন্য মানুষকে আল্লাহর কুরআন এবং তাঁর রাসুল (সা.)-এর জীবনাদর্শ পরিপূর্ণভাবে অনুসরণ করতে বলেন। মানুষকে সৎকর্মশীল হওয়ার আহ্বান জানান। মানবতার মুক্তির দূত হযরত মুহাম্মাদ (সা.) এ ভাষণের মাধ্যমে পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি পরকালীন জীবনে শাস্তি থেকে মানুষের মুক্তির উপায় নির্দেশ করেন। অতএব, বিদায় হজের ভাষণের তাৎপর্য অত্যধিক।
SSCইসলাম শিক্ষাঅধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?

মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মিযানের বয়স ৭ বছর। সে পবিত্র কুরআন ৬ মাসে মুখস্থ করে। তোমার পাঠ্যবইয়ে মিযানের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তির স্মৃতিশক্তি ব্যাখ্যা করো।

মিযানের বয়স ৭ বছর। সে পবিত্র কুরআন ৬ মাসে মুখস্থ করে। তোমার পাঠ্যবইয়ে মিযানের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তির স্মৃতিশক্তি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ফিকাহ বোর্ড কী? ব্যাখ্যা করো।

ফিকাহ বোর্ড কী? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.'মদিনা সনদ' কী? এর দুটি ধারা লেখো।

'মদিনা সনদ' কী? এর দুটি ধারা লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.ইসলামে বিদায় হজের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ কেন?

ইসলামে বিদায় হজের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফ বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।

আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফ বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.'আইয়্যামে জাহেলিয়্যা' কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।

'আইয়্যামে জাহেলিয়্যা' কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.“আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

“আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.“মানুষ ফিকাহশাস্ত্রে ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মুখাপেক্ষী।" - ব্যাখ্যা করো।

“মানুষ ফিকাহশাস্ত্রে ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মুখাপেক্ষী।" - ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.কাকে এবং কেন ইমামে আযম বলা হয়?

কাকে এবং কেন ইমামে আযম বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.গিবতকে ব্যভিচারের সাথে তুলনা করা হয়েছে কেন?

গিবতকে ব্যভিচারের সাথে তুলনা করা হয়েছে কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ইমাম বুখারি (র.) কেন বুখরা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

ইমাম বুখারি (র.) কেন বুখরা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?মিযানের বয়স ৭ বছর। সে পবিত্র কুরআন ৬ মাসে মুখস্থ করে। তোমার পাঠ্যবইয়ে মিযানের সাফিকাহ বোর্ড কী? ব্যাখ্যা করো।'মদিনা সনদ' কী? এর দুটি ধারা লেখো।ইসলামে বিদায় হজের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ কেন?আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফ বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।'আইয়্যামে জাহেলিয়্যা' কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।“আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।“মানুষ ফিকাহশাস্ত্রে ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মুখাপেক্ষী।" - ব্যাখ্যা করো।কাকে এবং কেন ইমামে আযম বলা হয়?গিবতকে ব্যভিচারের সাথে তুলনা করা হয়েছে কেন?ইমাম বুখারি (র.) কেন বুখরা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।