শেয়ারFacebookWhatsApp

প্রধান অতিথি তার আলোচনায় দ্বিতীয়ত যে মনীষীর প্রতি ইঙ্গিত করেছেন, ফিকাহশাস্ত্রে তার অবদান মূল্যায়ন কর।

উত্তর: প্রধান অতিথি তার আলোচনায় দ্বিতীয়ত ফিকাহশাস্ত্রের উদ্ভাবক ও হানাফি মাযহাবের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর প্রতি ইঙ্গিত করেছেন। উদ্দীপকের প্রধান অতিথি এমন একজন জ্ঞানীর কথা বলেছেন, যিনি বোর্ড গঠন করে ইসলামি আইনের বিভিন্ন তত্ত্ব সহজভাবে জনসাধারণের কাছে তুলে ধরেন। তৎকালীন খলিফা আল মানসুরের প্রধান বিচারপতির পদ প্রত্যাখ্যান করে তিনি কারাবরণ করেছিলেন, যা উদ্দীপকের ঘটনার সাথে সম্পূর্ণ সাদৃশ্যপূর্ণ। ফিকাহ বা ইসলামি আইনশাস্ত্রকে একটি পদ্ধতিগত রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে তার অবদান অবিস্মরণীয়। ফিকাহশাস্ত্রে হানাফি মাযহাবের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর অবদান অবিস্মরণীয়। তিনি তাঁর ৪০ জন ছাত্রের সমন্বয়ে 'ফিকাহ সম্পাদনা বোর্ড" গঠন করেন। এই বোর্ড দীর্ঘ ২২ বছর কঠোর সাধনা করে ফিকাহকে একটি পূর্ণাঙ্গ শাস্ত্র হিসেবে রূপ দান করেন। পরবর্তীতে তিনি বোর্ডের ৪০ জন সদস্য হতে ১০ জনকে নিয়ে একটি বিশেষ বোর্ড গঠন করেন। ফিকাহশাস্ত্র প্রচার ও প্রসারের ক্ষেত্রে এই বোর্ডের অবদান সবচেয়ে বেশি। ফিকাহশাস্ত্রে এই অসামান্য অবদানের জন্য ইমাম আবু হানিফা (র.)-কে ফিকাহশাস্ত্রের জনক বলা হয়।

SSC ইসলাম শিক্ষা অধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · ইসলাম শিক্ষা · অধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত · সৃজনশীল

প্রধান অতিথি তার আলোচনায় দ্বিতীয়ত যে মনীষীর প্রতি ইঙ্গিত করেছেন, ফি…

উদ্দীপক

বিদ্যালয়ের শিক্ষা সপ্তাহ পালনের সময় প্রধান অতিথি তার বক্তৃতায় প্রথমত, এমন একজন ব্যক্তির কথা উল্লেখ করেন, যিনি তার কাজের জন্য দেশময় সুখ্যাতি অর্জন করেন। ফলে দেশের রাষ্ট্রপ্রধান তাকে রাজদরবারে এসে ইলম শিক্ষা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু আত্মমর্যাদাবোধের কারণে তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন। দ্বিতীয়ত, প্রধান অতিথি অপর একজন জ্ঞানীর কথা উল্লেখ করেন, যিনি ইসলামি আইনের বিভিন্ন তত্ত্বকে বোর্ড গঠনের মাধ্যমে সহজ করে জনসাধারণের কাছে তুলে ধরেন। সরকার তাকে বিচারপতির পদ দিতে চাইলে তিনি তা গ্রহণ করেননি।

Chittagong · 2026

উত্তর

ইসলামি পরিভাষায় মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর সামগ্রিক জীবন ও কর্মের ইতিহাসকেই সিরাত বলা হয়।

উত্তর

মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.) হলেন সমগ্র মানবজাতির জন্য আল্লাহ প্রেরিত সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ রাসুল, তাই তার' জীবনাদর্শ আমাদের জন্য অনুকরণীয়। পবিত্র কুরআনের সূরা আল-আহযাবে আল্লাহ বলেছেন, আল্লাহর রাসুলের জীবনেই রয়েছে উত্তম আদর্শ। রাসুল (স.)-এর সততা, ন্যায়পরায়ণতা, ক্ষমা ও মানবপ্রেম অনুসরণ করে মানুষ তার জীবনকে সফল ও সুন্দর করতে পারে। তাই তার দেখানো পথ সকলের জন্য অবশ্য অনুকরণীয়।

উত্তর

বিদ্যালয়ের শিক্ষা সপ্তাহে প্রধান অতিথি তার বক্তৃতার প্রথমাংশে বিখ্যাত মুহাদ্দিস ও ইসলামি চিন্তাবিদ ইমাম বুখারি (র.)-এর প্রতি ইঙ্গিত করেছেন।' ইমাম বুখারি (র.) ছিলেন অত্যন্ত আত্মসম্মানবোধসম্পন্ন ও স্বাধীনচেতা ব্যক্তি। তিনি তার অগাধ পাণ্ডিত্য ও বিশ্বখ্যাত 'বুখারি শরিফ' রচনার কারণে দেশময় সুখ্যাতি অর্জন করেন। তবে ইলমের মর্যাদার ব্যাপারে তিনি সর্বদা আপসহীন ছিলেন এবং পার্থিব সুযোগ-সুবিধা থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতেন। উদ্দীপকে এমন এক ব্যক্তির কথা বলা হয়েছে, যিনি দেশময় সুখ্যাতি অর্জনের পর রাষ্ট্রপ্রধান তাকে রাজদরবারে গিয়ে ইলম শিক্ষার অনুরোধ করলে আত্মমর্যাদার কারণে তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন। এই ঘটনাটি পাঠ্যবইয়ে বর্ণিত ইমাম বুখারির (র.) জীবনের সাথে মিলে যায়। তৎকালীন বুখারার বাদশাহ খালিদ ইবনে আহমদ তাকে রাজদরবারে গিয়ে হাদিস শোনানোর নির্দেশ দিলে তিনি তা প্রত্যাখ্যান করে বলেছিলেন যে, হাদিসকে রাজদরবারে নিয়ে তিনি অপমানিত করতে চান না। তাই বলা যায়, প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ইমাম বুখারি (র.)-এর প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।

উত্তর

প্রধান অতিথি তার আলোচনায় দ্বিতীয়ত ফিকাহশাস্ত্রের উদ্ভাবক ও হানাফি মাযহাবের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর প্রতি ইঙ্গিত করেছেন। উদ্দীপকের প্রধান অতিথি এমন একজন জ্ঞানীর কথা বলেছেন, যিনি বোর্ড গঠন করে ইসলামি আইনের বিভিন্ন তত্ত্ব সহজভাবে জনসাধারণের কাছে তুলে ধরেন। তৎকালীন খলিফা আল মানসুরের প্রধান বিচারপতির পদ প্রত্যাখ্যান করে তিনি কারাবরণ করেছিলেন, যা উদ্দীপকের ঘটনার সাথে সম্পূর্ণ সাদৃশ্যপূর্ণ। ফিকাহ বা ইসলামি আইনশাস্ত্রকে একটি পদ্ধতিগত রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে তার অবদান অবিস্মরণীয়। ফিকাহশাস্ত্রে হানাফি মাযহাবের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর অবদান অবিস্মরণীয়। তিনি তাঁর ৪০ জন ছাত্রের সমন্বয়ে 'ফিকাহ সম্পাদনা বোর্ড" গঠন করেন। এই বোর্ড দীর্ঘ ২২ বছর কঠোর সাধনা করে ফিকাহকে একটি পূর্ণাঙ্গ শাস্ত্র হিসেবে রূপ দান করেন। পরবর্তীতে তিনি বোর্ডের ৪০ জন সদস্য হতে ১০ জনকে নিয়ে একটি বিশেষ বোর্ড গঠন করেন। ফিকাহশাস্ত্র প্রচার ও প্রসারের ক্ষেত্রে এই বোর্ডের অবদান সবচেয়ে বেশি। ফিকাহশাস্ত্রে এই অসামান্য অবদানের জন্য ইমাম আবু হানিফা (র.)-কে ফিকাহশাস্ত্রের জনক বলা হয়।
SSCইসলাম শিক্ষাঅধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?

মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মিযানের বয়স ৭ বছর। সে পবিত্র কুরআন ৬ মাসে মুখস্থ করে। তোমার পাঠ্যবইয়ে মিযানের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তির স্মৃতিশক্তি ব্যাখ্যা করো।

মিযানের বয়স ৭ বছর। সে পবিত্র কুরআন ৬ মাসে মুখস্থ করে। তোমার পাঠ্যবইয়ে মিযানের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তির স্মৃতিশক্তি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ফিকাহ বোর্ড কী? ব্যাখ্যা করো।

ফিকাহ বোর্ড কী? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.'মদিনা সনদ' কী? এর দুটি ধারা লেখো।

'মদিনা সনদ' কী? এর দুটি ধারা লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.ইসলামে বিদায় হজের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ কেন?

ইসলামে বিদায় হজের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফ বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।

আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফ বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.'আইয়্যামে জাহেলিয়্যা' কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।

'আইয়্যামে জাহেলিয়্যা' কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.“আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

“আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.“মানুষ ফিকাহশাস্ত্রে ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মুখাপেক্ষী।" - ব্যাখ্যা করো।

“মানুষ ফিকাহশাস্ত্রে ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মুখাপেক্ষী।" - ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.কাকে এবং কেন ইমামে আযম বলা হয়?

কাকে এবং কেন ইমামে আযম বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.গিবতকে ব্যভিচারের সাথে তুলনা করা হয়েছে কেন?

গিবতকে ব্যভিচারের সাথে তুলনা করা হয়েছে কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ইমাম বুখারি (র.) কেন বুখরা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

ইমাম বুখারি (র.) কেন বুখরা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?মিযানের বয়স ৭ বছর। সে পবিত্র কুরআন ৬ মাসে মুখস্থ করে। তোমার পাঠ্যবইয়ে মিযানের সাফিকাহ বোর্ড কী? ব্যাখ্যা করো।'মদিনা সনদ' কী? এর দুটি ধারা লেখো।ইসলামে বিদায় হজের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ কেন?আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফ বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।'আইয়্যামে জাহেলিয়্যা' কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।“আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।“মানুষ ফিকাহশাস্ত্রে ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মুখাপেক্ষী।" - ব্যাখ্যা করো।কাকে এবং কেন ইমামে আযম বলা হয়?গিবতকে ব্যভিচারের সাথে তুলনা করা হয়েছে কেন?ইমাম বুখারি (র.) কেন বুখরা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।