শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের আলোকে উক্ত খলিফার বৈদেশিক নীতির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত ছিল সঠিক— ব্যাখ্যা করো ।

উত্তর: উমাইয়া খলিফা ওমর বিন আবদুল আজিজের বৈদেশিক নীতির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত ছিল সঠিক— উক্তিটি যথার্থ । উমাইয়া খলিফা ওমর বিন আবদুল আজিজ শন্তিপূর্ণ সহাবস্থানের নীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন। তাই তিনি যুদ্ধাভিযান বা রাজ্য বিজয়ে আকৃষ্ট হননি। তিনি আগে খলিফাদের পাঠানো সব যুদ্ধভিযান বন্ধ করে দেন। খলিফা ওমর বিন আবদুল আজিজ তার সামরিক বাহিনীর দুর্বলতার জন্য বৈদেশিক অভিযান বন্ধ করেননি, বরং রাজ্যে স্থিতিশীলতা আনায়ন এবং ইসলাম প্রচারের প্রতি অধিক মনোযোগী ছিলেন বলেই রাজ্যজয়ের প্রতি অনাগ্রহী ছিলেন । তিনি সাম্রাজ্য বিস্তার করা অপেক্ষা সাম্রাজ্যে সুষ্ঠু শাসন প্রতিষ্ঠা করাই বেশি গুরুত্ব প্রদান করেছিলেন। তবে ওমর বিন আবদুল আজিজের বৈদেশিক নীতি সম্পর্কে সমালোচকেরা বলে থাকেন যে, রাজ্য জয়ের সংকল্প ত্যাগ করে তিনি সামরিক শক্তি হ্রাস করেন। তাই সেনাবাহিনী পরবর্তীকালে প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়। তবে ওমর বিন আবদুল আজিজের বৈদেশিক নীতি রাষ্ট্রের স্বার্থবিরোধী হয়নি। কারণ ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হযরত ওমর (রা) এবং উমাইয়া খলিফা আল ওয়ালিদ ইসলামি রাষ্ট্রের যথেষ্ট বিস্তৃতি সাধন করেন। এরপর রাজ্য বিস্তার নয় বরং রাষ্ট্রের সংহতি রক্ষা ও শাসন ব্যবস্থার সুসংহতকরণ অধিক প্রয়োজন ছিল । পরিশেষে বলা যায়, ওমর বিন আবদুল আজিজের বৈদেশিক নীতির ফলেই তার স্মরণকালের শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছিলেন বিধায় তার নীতি সঠিক ছিল ।

HSC Islamic History 1st paper Chapter 4 : উমাইয়া খিলাফত CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 1st paper · Chapter 4 : উমাইয়া খিলাফত · সৃজনশীল

উদ্দীপকের আলোকে উক্ত খলিফার বৈদেশিক নীতির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত ছিল সঠ…

উদ্দীপক

জনাব আলী আজম দয়ালু, সদাশয়ও প্রজাবৎসল খলিফা। তিনি চারিত্রিক দিক দিয়ে ছিলেন সরল, অনাড়ম্বর, ধর্মানুরাগী ও কর্তব্যপরায়ণ। তিনি খুলাফায়ে রাশেদীনের আদর্শ ও ইসলামি মূল্যবোধে বিশ্বাসী ছিলেন। ভ্যাট ব্যবস্থার বিলোপ সাধন করে তিনি শিল্প, ব্যবসা বাণিজ্যের উন্নতি সাধন করেন। তিনি ভিন্ন মতাবলম্বীদের শাসনকার্যে নিয়োগ করে এক অপূর্ব দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন। তার বৈদেশিক নীতি ছিল শান্তি শৃঙ্খলা ও সংহতি বিধান ।

উত্তর

উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন মুয়াবিয়া ।

উত্তর

ইরাকের বন্দিদের মুক্তিদানের জন্য খলিফা সুলায়মানকে আশীর্বাদের চাবি বলা হয় । উমাইয়া শাসনামলে ইরাকের শাসনকর্তা হাজ্জাজ বিন ইউসুফ কুফা ও ী বসরায় ইসলামের চতুর্থ খলিফা হযরত আলি (রা)-এর অনুসারীদের ক. বিদ্রোহ দমন করেন। এ সময় তিনি হাজার হাজার মানুষকে বন্দি করে । কারাগারে নিক্ষেপ করেন। খলিফা সুলায়মান ক্ষমতায় আরোহণের পর ট হাজ্জাজের বন্দিকৃত কয়েদিদের মুক্ত করে দেন। এ কারণে তাকে মিফতাহুল খায়র বা আশীর্বাদের চাবি বলা হয় ।

উত্তর

উদ্দীপকের উক্ত খলিফা ছিলেন উমাইয়া খলিফা ওমর বিন আবদুল আজিজ, তার শাসননীতি ছিল অনুসরণীয় । উমাইয়া খলিফাদের রাজত্বকালে দেশজুড়ে ক্ষমতা নিয়ে সংঘর্ষ, বিশ্বাসঘাতকতা, ষড়যন্ত্র ও নিষ্ঠুরতায় নিমজ্জিত ছিল। তবে এসব অপকর্ম সৃষ্টিকারী খলিফাদের থেকে দ্বিতীয় ওমর হিসেবে পরিচিত খলিফা ওমর বিন আবদুল আজিজ ছিলেন ব্যতিক্রমধর্মী একজন শ্রেষ্ঠ 'ও মহান শাসক। তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ও কর্মের প্রতিচ্ছবি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে জনাব আলী আজমের চরিত্রের মধ্যে । জনাব আলী আজম একজন দয়ালু, সদাশয় ও প্রজাবৎসল খলিফা। চারিত্রিক দিক দিয়ে তিনি ছিলেন সরল, অনাড়ম্বর, ধর্মানুরাগী ও কর্তব্যপরায়ণ। তিনি খুলাফায়ে রাশেদিনের আদর্শ ও ইসলামি মূল্যবোধে বিশ্বাসী ছিলেন কর ব্যবস্থার সংস্কার করে তিনি শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নতি সাধন করেন। এছাড়া তিনি ভিন্ন মতাবলম্বীদের শাসনকার্যে নিয়োগ করে এক অপূর্ব দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন । এ ধরনের বৈশিষ্ট্য খলিফা ওমর বিন আবদুল আজিজের ক্ষেত্রেও দেখা যায়। তিনি ছিলেন অনাড়ম্বর, ধর্মানুরাগী, কর্তব্যপরায়ণ ও প্রজাবৎসল খলিফা। তিনি খুলাফায়ে রাশেদিনের আদর্শ ও ইসলামি মূল্যবোধে বিশ্বাসী ছিলেন। রাজস্বব্যবস্থা সংস্কারের ক্ষেত্রে তিনি মাওয়ালিদের (অমুসলিম ক্রীতদাস, যারা পরবর্তী সময়ে ইসলাম গ্রহণ করেছে) জিজিয়া কর (অমুসলিমদের ওপর ধার্যকৃত কর) থেকে রেহাই দেন। প্রশাসনিক কাজের ক্ষেত্রে তিনি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে যোগ্য লোকদের নিয়োগ দেন। সুতরাং বলা যায়, ওমর বিন আবদুল আজিজ হাশেমীয়দের প্রতি সম্মান প্রদর্শন, খারেজিদের প্রতি সহানুভূতিশীল, মাওয়ালিদের প্রথম শ্রেণির মর্যাদা প্রদান করে আদর্শ ও অনুকরণযোগ্য প্রশাসনিক সংস্কার সাধন করেন ।

উত্তর

উমাইয়া খলিফা ওমর বিন আবদুল আজিজের বৈদেশিক নীতির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত ছিল সঠিক— উক্তিটি যথার্থ । উমাইয়া খলিফা ওমর বিন আবদুল আজিজ শন্তিপূর্ণ সহাবস্থানের নীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন। তাই তিনি যুদ্ধাভিযান বা রাজ্য বিজয়ে আকৃষ্ট হননি। তিনি আগে খলিফাদের পাঠানো সব যুদ্ধভিযান বন্ধ করে দেন। খলিফা ওমর বিন আবদুল আজিজ তার সামরিক বাহিনীর দুর্বলতার জন্য বৈদেশিক অভিযান বন্ধ করেননি, বরং রাজ্যে স্থিতিশীলতা আনায়ন এবং ইসলাম প্রচারের প্রতি অধিক মনোযোগী ছিলেন বলেই রাজ্যজয়ের প্রতি অনাগ্রহী ছিলেন । তিনি সাম্রাজ্য বিস্তার করা অপেক্ষা সাম্রাজ্যে সুষ্ঠু শাসন প্রতিষ্ঠা করাই বেশি গুরুত্ব প্রদান করেছিলেন। তবে ওমর বিন আবদুল আজিজের বৈদেশিক নীতি সম্পর্কে সমালোচকেরা বলে থাকেন যে, রাজ্য জয়ের সংকল্প ত্যাগ করে তিনি সামরিক শক্তি হ্রাস করেন। তাই সেনাবাহিনী পরবর্তীকালে প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়। তবে ওমর বিন আবদুল আজিজের বৈদেশিক নীতি রাষ্ট্রের স্বার্থবিরোধী হয়নি। কারণ ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হযরত ওমর (রা) এবং উমাইয়া খলিফা আল ওয়ালিদ ইসলামি রাষ্ট্রের যথেষ্ট বিস্তৃতি সাধন করেন। এরপর রাজ্য বিস্তার নয় বরং রাষ্ট্রের সংহতি রক্ষা ও শাসন ব্যবস্থার সুসংহতকরণ অধিক প্রয়োজন ছিল । পরিশেষে বলা যায়, ওমর বিন আবদুল আজিজের বৈদেশিক নীতির ফলেই তার স্মরণকালের শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছিলেন বিধায় তার নীতি সঠিক ছিল ।
HSCIslamic History 1st paperChapter 4 : উমাইয়া খিলাফত
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

"জন্ম হোক যথা তথা কর্ম হোক ভালো"- কথাটি শাহরিয়ার তুষার ছোট বেলা থেকেই গভীরভাবে বিশ্বাস করতেন। তিনি ছাত্রজীবনে ছিলেন তুখোড় ছাত্রনেতা। দেশের প্রধানমন্ত্রী মেধাবী তুষারের গুণে মুগ্ধ হয়ে তার সাথে নিজ মেয়ের বিয়ে দেন। অনেক দামি দামি স্বর্ণালংকার দেন মেয়েকে। জনগণের ব্যাপক সমর্থনে তুষার এবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। তিনি তার স্ত্রীকে আদেশ দিলেন, তাঁর পিতার দেয়া দামি দামি স্বর্ণালংকার রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে কেননা ওগুলো জনগণের টাকায় কেনা ছিল। তবে তাঁর গৃহীত নীতি, তাঁর বংশের ভিত্তিকে দুর্বল করে দিয়েছিল।

Rajshahi · 2017

ক
উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?
খ
কারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে শাহরিয়ার তুষারের সাথে উমাইয়া যুগের কোন খলিফার চরিত্রের মিল পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
তিনি কি উমাইয়া খিলাফত পতনের জন্য দায়ী ছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

"জন্ম হোক যথা তথা কর্ম হোক ভালো"- কথাটি শাহরিয়ার তুষার ছোট বেলা থেকেই গভীরভাবে বিশ্বাস করতেন। তিনি ছাত্রজীবনে ছিলেন তুখোড় ছাত্রনেতা। দেশের প্রধানমন্ত্রী মেধাবী তুষারের গুণে মুগ্ধ হয়ে তার সাথে নিজ মেয়ের বিয়ে দেন। অনেক দামি দামি স্বর্ণালংকার দেন মেয়েকে। জনগণের ব্যাপক সমর্থনে তুষার এবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। তিনি তার স্ত্রীকে আদেশ দিলেন, তাঁর পিতার দেয়া দামি দামি স্বর্ণালংকার রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে কেননা ওগুলো জনগণের টাকায় কেনা ছিল। তবে তাঁর গৃহীত নীতি, তাঁর বংশের ভিত্তিকে দুর্বল করে দিয়েছিল।

Rajshahi · 2017

ক
উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?
খ
কারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে শাহরিয়ার তুষারের সাথে উমাইয়া যুগের কোন খলিফার চরিত্রের মিল পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
তিনি কি উমাইয়া খিলাফত পতনের জন্য দায়ী ছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.কারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?

কারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?

উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজা ধর্মপাল রাজস্ব ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় ও সমৃদ্ধ করেছিলেন। তবে তার পুত্র দেবপাল ক্ষমতায় আরোহণ করে রাজ্য বিস্তারে মনোযোগী হন। তিনি পূর্ব ও দক্ষিণে অনেকগুলো সফল অভিযানের মাধ্যমে বিশাল পাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন। দেবপালের প্রতিটি অভিযানে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করেছিলেন তার দুইজন বিশ্বস্ত মন্ত্রী ও কিছুসংখ্যক দক্ষ সেনাপতি।

Dhaka · 2017

ক
কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?
খ
খলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের রাজা ধর্মপালের সাথে খলিফা আব্দুল মালিকের কোন কর্মকাণ্ডের সামঞ্জস্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের রাজা দেবপালের মতোই খলিফা ওয়ালিদ বিন আব্দুল মালিক শ্রেষ্ঠ বিজেতা ছিলেন- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজা ধর্মপাল রাজস্ব ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় ও সমৃদ্ধ করেছিলেন। তবে তার পুত্র দেবপাল ক্ষমতায় আরোহণ করে রাজ্য বিস্তারে মনোযোগী হন। তিনি পূর্ব ও দক্ষিণে অনেকগুলো সফল অভিযানের মাধ্যমে বিশাল পাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন। দেবপালের প্রতিটি অভিযানে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করেছিলেন তার দুইজন বিশ্বস্ত মন্ত্রী ও কিছুসংখ্যক দক্ষ সেনাপতি।

Dhaka · 2017

ক
কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?
খ
খলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের রাজা ধর্মপালের সাথে খলিফা আব্দুল মালিকের কোন কর্মকাণ্ডের সামঞ্জস্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের রাজা দেবপালের মতোই খলিফা ওয়ালিদ বিন আব্দুল মালিক শ্রেষ্ঠ বিজেতা ছিলেন- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.খলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

খলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?

কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজা আলমগীর তার সাম্রাজ্যে ব্যাপক সংস্কার সাধন করেন। কেন্দ্রিয় টাকশাল স্থাপন করে নির্দিষ্ট মানের মুদ্রা চালু করেন। ফলে ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ে উপকৃত হয়। ব্যবসা বাণিজ্যেরও প্রসার ঘটে। প্রচলিত ডাক ব্যবস্থাকে আধুনিকীকরণ করেন। সাম্রাজ্যের সৌন্দর্যবৃদ্ধির জন্য সুরম্য প্রাসাদ, নান্দনিক স্মৃতিফলক প্রভৃতি নির্মাণ করেন, যা সকলের দৃষ্টি কাড়ে। এভাবে স্থাপত্য শিল্পের বিকাশে তিনি অনবদ্য ভূমিকা রাখেন।

Dhaka · 2017

ক
'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?
খ
খলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।
গ
উদ্দীপকের রাজা আলমগীরের মুদ্রা সংস্কার খলিফা আব্দুল মালিকের মুদ্রা সংস্কারের অনুরূপ- ব্যাখ্যা করো।
ঘ
স্থাপত্য শিল্পের উন্নয়নে উদ্দীপকের রাজার তুলনায় আব্দুল মালিকের কৃতিত্ব ছিল অনেক বেশি- উক্তিটির যথার্থতা যাচাই করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজা আলমগীর তার সাম্রাজ্যে ব্যাপক সংস্কার সাধন করেন। কেন্দ্রিয় টাকশাল স্থাপন করে নির্দিষ্ট মানের মুদ্রা চালু করেন। ফলে ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ে উপকৃত হয়। ব্যবসা বাণিজ্যেরও প্রসার ঘটে। প্রচলিত ডাক ব্যবস্থাকে আধুনিকীকরণ করেন। সাম্রাজ্যের সৌন্দর্যবৃদ্ধির জন্য সুরম্য প্রাসাদ, নান্দনিক স্মৃতিফলক প্রভৃতি নির্মাণ করেন, যা সকলের দৃষ্টি কাড়ে। এভাবে স্থাপত্য শিল্পের বিকাশে তিনি অনবদ্য ভূমিকা রাখেন।

Dhaka · 2017

ক
'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?
খ
খলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।
গ
উদ্দীপকের রাজা আলমগীরের মুদ্রা সংস্কার খলিফা আব্দুল মালিকের মুদ্রা সংস্কারের অনুরূপ- ব্যাখ্যা করো।
ঘ
স্থাপত্য শিল্পের উন্নয়নে উদ্দীপকের রাজার তুলনায় আব্দুল মালিকের কৃতিত্ব ছিল অনেক বেশি- উক্তিটির যথার্থতা যাচাই করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.খলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।

খলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?

'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

তিনি কি উমাইয়া খিলাফত পতনের জন্য দায়ী ছিলেন? ব্যাখ্যা করো।উদ্দীপকে শাহরিয়ার তুষারের সাথে উমাইয়া যুগের কোন খলিফার চরিত্রের মিল পাওয়া যায়? বকারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?উদ্দীপকের রাজা দেবপালের মতোই খলিফা ওয়ালিদ বিন আব্দুল মালিক শ্রেষ্ঠ বিজেতা ছিলেন-উদ্দীপকের রাজা ধর্মপালের সাথে খলিফা আব্দুল মালিকের কোন কর্মকাণ্ডের সামঞ্জস্য রয়েখলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?স্থাপত্য শিল্পের উন্নয়নে উদ্দীপকের রাজার তুলনায় আব্দুল মালিকের কৃতিত্ব ছিল অনেক উদ্দীপকের রাজা আলমগীরের মুদ্রা সংস্কার খলিফা আব্দুল মালিকের মুদ্রা সংস্কারের অনুখলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।