শেয়ারFacebookWhatsApp

তোমার পাঠ্যবইয়ের আলোকে উক্ত যুদ্ধের ফলাফল আলোচনা করো ।

উত্তর: উক্ত ঘটনা অর্থাৎ কারবালার ঘটনা ইসলামের ঐক্যের মধ্যে ফাটল সৃষ্টি করেছিল— উক্তিটি যথার্থ। কারবালার হত্যাকাণ্ডের ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী। এ হত্যাকাণ্ড মুসলিম জাহানে রাজনৈতিক বিপর্যয় ডেকে আনে। এ ঘটনা কেবল খিলাফতের ভাগ্যই নির্ধারণ করেনি। এটি খিলাফতের ধ্বংসের অনেক পরেও মুসলিম বিশ্বের ওপর স্থায়ী প্রভাব ফেলে । কারবালার হত্যাকাণ্ড ইসলামি জগতের সর্বত্র ত্রাসের শিহরণ জাগিয়ে তোলে। এই ঘটনা খিলাফত ও তার দীর্ঘকাল পরে মুসলিম সালতানাতের ভাগ্যলিপি নির্ধারণ করে। এ মর্মান্তিক ঘটনার পর উমাইয়া ও হাশেমি বিরোধ আরও তীব্র হয়। কারবালার হত্যাকাণ্ডের ফলে মুসলিম জগৎ শিয়া ও সুন্নি নামে দুটি বিবদমান দলে বিভক্ত হয়ে পড়ে। শিয়ারা উমাইয়া বিরোধী মতবাদ প্রচার করে। পি. কে. হিট্রি বলেন, 'হুসাইনের রক্ত তার পিতার রক্ত অপেক্ষাও বেশি করে শিয়া মতবাদ সৃষ্টিতে কার্যকর ছিল।' শিয়াদের মতে, মুহাম্মদ (স)-এর ইন্তেকালের পর হযরত আলি মুসলিম জাহানের ন্যায়সংগত ইমাম। তারা খুলাফায়ে রাশেদিনের প্রথম তিনজন খলিফার খিলাফতকেও বৈধ বলে মানতে নারাজ। অন্যদিকে সুন্নিগণ খুলাফায়ে রাশেদিনের খিলাফতকে বৈধ মনে করেন। কিন্তু আলির বংশধরদের প্রতি উমাইয়াদের দুর্ব্যবহার সমর্থন করেন না। কারবালার এ হত্যাকাণ্ড শিয়া-সুন্নি সম্প্রদায়ের মধ্যে যে মতানৈক্য সৃষ্টি করে তার পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ। এ হত্যাকাণ্ড মুসলমানদের ঐক্যে ফাটল ধরায়। জাতীয় জীবনেও এটির বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। এর ফলে মুসলমান- মুসলমান ভ্রাতৃঘাতী দ্বন্দ্ব দানা বাধতে থাকে এবং এর ফলে মুসলিম ঐক্য ও সংহতি চিরতরে বিনষ্ট হয় । উপরের এ আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, কারবালার হত্যাকাণ্ডের ফলে পরবর্তীতে বিভিন্ন দ্বন্দ্ব-সংঘাতের সৃষ্টি হয় এবং ইসলামের ঐক্যে ফাটল সৃষ্টি হয় ।

HSC Islamic History 1st paper Chapter 4 : উমাইয়া খিলাফত CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 1st paper · Chapter 4 : উমাইয়া খিলাফত · সৃজনশীল

তোমার পাঠ্যবইয়ের আলোকে উক্ত যুদ্ধের ফলাফল আলোচনা করো ।

উদ্দীপক

প্রতিবছর ১০-ই মহররম তারিখে বিভিন্ন মুসলিম দেশে শোকমিছিল বের হয়। বাংলাদেশের পুরান ঢাকায় হোসনি দালান হতে সবচেয়ে বড় মিছিলটি বের হয় তারা বিভিন্ন শোকগাঁথা গায় এবং নিজেদের রক্তাক্ত করে । তারা 'হায় হোসেন হায় হোসেন' বলে মাতম করে।

উত্তর

কারবালা ফোরাত নদীর তীরে অবস্থিত।

উত্তর

জন্মগতভাবে যারা মুসলিম না বা যারা নতুনভাবে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হয়েছে তাদেরকে মাওয়ালি বলা হয় । সাধারণত মাওয়ালিরা অনারব মুসলিম। নব্য মুসলিম হওয়ায় তাদের প্রতি উমাইয়া শাসকদের নীতি ছিল নেতিবাচক। এ জন্য তাদেরকে বৈষম্যমূলকভাবে খারাজ ও জিজিয়া কর দিতে হতো। একমাত্র ধার্মিক উমাইয়া খলিফা ওমর বিন আবদুল আজিজ তাদের এ বৈষম্যমূলক কর থেকে মুক্তি দেন ।

উত্তর

উদ্দীপকের ঘটনা আমার পঠিত কারবালার ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়। কারবালার বিয়োগান্ত ঘটনা শুধু ইসলামের ইতিহাসে নয় বরং গোটা বিশ্বের ইতিহাসে একটি মর্মান্তিক ও দুঃখজনক ঘটনা । ৬৮০ খ্রিষ্টাব্দের ১০ মহররম উমাইয়া খলিফা প্রথম ইয়াজিদের শাসনামলে কুফার শাসনকর্তা ওবায়দুল্লাহ কারবালার প্রান্তরে ইমাম হুসাইনকে নির্মমভাবে হত্যা করে। কারবালার এ মর্মান্তিক ঘটনার ফলে ইসলামে শিয়া সম্প্রদায়ের উদ্ভব হয় এবং তারা প্রতি বছর এ দিনটিকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্মরণ করে। উদ্দীপকে এ ঘটনারই একটি দৃশ্যপট বর্ণিত হয়েছে । উদ্দীপকে বলা হয়েছে, ঢাকার ঐতিহ্যবাহী হোসনি দালান থেকে প্রতিবছর একটি নির্দিষ্ট দিনে তাজিয়া মিছিল বের হয়। এ মিছিলে কেউ শরীর থেকে রক্ত ঝরায়, কেউ নিজের শরীরে রক্তিম রং মিশিয়ে প্রকাশ করে শোকের বন্দনা। এছাড়া এই মিছিলে নানা প্রকাশ ভঙ্গির মাধ্যমে এক অতীত শোকাবহ ঘটনাকে স্মরণ করা হয়, যেটি হলো কারবালার মর্মান্তিক ঘটনা ৷ ৬৮০ খ্রিষ্টাব্দের ১০ মহররম ইরাকের কারবালার প্রান্তরে ইমাম হুসাইন এবং প্রথম ইয়াজিদের বাহিনীর মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। এটি ছিল একটি অসম যুদ্ধ। এ যুদ্ধে ইমাম হুসাইনের ভ্রাতুষ্পুত্র কাশিম প্রথমে শাহাদাতবরণ করেন । হুসাইন পিপাসার্ত শিশুপুত্র আসগরকে নিয়ে ফোরাত নদীতে পানির জন্য অগ্রসর হলে আসগর তার কোলেই তীরবিদ্ধ হন। ফলে হুসাইন শেষবারের মতো শত্রুদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। ইমাম হুসাইনের বিক্রমে ইয়াজিদ বাহিনী ভীত হয়ে পালাতে থাকে। কিন্তু অকস্মাৎ একটি তীর তার বক্ষে বিদীর্ণ হলে তিনি ধরাশায়ী হন। নিষ্ঠুর সীমার অর্ধমৃত হুসাইনের ঘাড়ের ওপর তরবারি চালিয়ে তার মস্তকটি বিচ্ছিন্ন করে। ঐতিহাসিক গিবন বলেন, “হুসাইনের মৃত্যুর বিয়োগান্ত দৃশ্য নিথর পাঠকের মধ্যে সহানুভূতির উদ্রেক করবে।' বেদনাদায়ক ও মর্মান্তিক এ হত্যাকাণ্ডের ফলে সমগ্র মুসলিম বিশ্ব শোকের ছায়ায় বিহ্বল হয়ে যায়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে কারবালার বিয়োগান্ত ঘটনাই তুলে ধরা হয়েছে।

উত্তর

উক্ত ঘটনা অর্থাৎ কারবালার ঘটনা ইসলামের ঐক্যের মধ্যে ফাটল সৃষ্টি করেছিল— উক্তিটি যথার্থ। কারবালার হত্যাকাণ্ডের ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী। এ হত্যাকাণ্ড মুসলিম জাহানে রাজনৈতিক বিপর্যয় ডেকে আনে। এ ঘটনা কেবল খিলাফতের ভাগ্যই নির্ধারণ করেনি। এটি খিলাফতের ধ্বংসের অনেক পরেও মুসলিম বিশ্বের ওপর স্থায়ী প্রভাব ফেলে । কারবালার হত্যাকাণ্ড ইসলামি জগতের সর্বত্র ত্রাসের শিহরণ জাগিয়ে তোলে। এই ঘটনা খিলাফত ও তার দীর্ঘকাল পরে মুসলিম সালতানাতের ভাগ্যলিপি নির্ধারণ করে। এ মর্মান্তিক ঘটনার পর উমাইয়া ও হাশেমি বিরোধ আরও তীব্র হয়। কারবালার হত্যাকাণ্ডের ফলে মুসলিম জগৎ শিয়া ও সুন্নি নামে দুটি বিবদমান দলে বিভক্ত হয়ে পড়ে। শিয়ারা উমাইয়া বিরোধী মতবাদ প্রচার করে। পি. কে. হিট্রি বলেন, 'হুসাইনের রক্ত তার পিতার রক্ত অপেক্ষাও বেশি করে শিয়া মতবাদ সৃষ্টিতে কার্যকর ছিল।' শিয়াদের মতে, মুহাম্মদ (স)-এর ইন্তেকালের পর হযরত আলি মুসলিম জাহানের ন্যায়সংগত ইমাম। তারা খুলাফায়ে রাশেদিনের প্রথম তিনজন খলিফার খিলাফতকেও বৈধ বলে মানতে নারাজ। অন্যদিকে সুন্নিগণ খুলাফায়ে রাশেদিনের খিলাফতকে বৈধ মনে করেন। কিন্তু আলির বংশধরদের প্রতি উমাইয়াদের দুর্ব্যবহার সমর্থন করেন না। কারবালার এ হত্যাকাণ্ড শিয়া-সুন্নি সম্প্রদায়ের মধ্যে যে মতানৈক্য সৃষ্টি করে তার পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ। এ হত্যাকাণ্ড মুসলমানদের ঐক্যে ফাটল ধরায়। জাতীয় জীবনেও এটির বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। এর ফলে মুসলমান- মুসলমান ভ্রাতৃঘাতী দ্বন্দ্ব দানা বাধতে থাকে এবং এর ফলে মুসলিম ঐক্য ও সংহতি চিরতরে বিনষ্ট হয় । উপরের এ আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, কারবালার হত্যাকাণ্ডের ফলে পরবর্তীতে বিভিন্ন দ্বন্দ্ব-সংঘাতের সৃষ্টি হয় এবং ইসলামের ঐক্যে ফাটল সৃষ্টি হয় ।
HSCIslamic History 1st paperChapter 4 : উমাইয়া খিলাফত
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

"জন্ম হোক যথা তথা কর্ম হোক ভালো"- কথাটি শাহরিয়ার তুষার ছোট বেলা থেকেই গভীরভাবে বিশ্বাস করতেন। তিনি ছাত্রজীবনে ছিলেন তুখোড় ছাত্রনেতা। দেশের প্রধানমন্ত্রী মেধাবী তুষারের গুণে মুগ্ধ হয়ে তার সাথে নিজ মেয়ের বিয়ে দেন। অনেক দামি দামি স্বর্ণালংকার দেন মেয়েকে। জনগণের ব্যাপক সমর্থনে তুষার এবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। তিনি তার স্ত্রীকে আদেশ দিলেন, তাঁর পিতার দেয়া দামি দামি স্বর্ণালংকার রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে কেননা ওগুলো জনগণের টাকায় কেনা ছিল। তবে তাঁর গৃহীত নীতি, তাঁর বংশের ভিত্তিকে দুর্বল করে দিয়েছিল।

Rajshahi · 2017

ক
উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?
খ
কারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে শাহরিয়ার তুষারের সাথে উমাইয়া যুগের কোন খলিফার চরিত্রের মিল পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
তিনি কি উমাইয়া খিলাফত পতনের জন্য দায়ী ছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

"জন্ম হোক যথা তথা কর্ম হোক ভালো"- কথাটি শাহরিয়ার তুষার ছোট বেলা থেকেই গভীরভাবে বিশ্বাস করতেন। তিনি ছাত্রজীবনে ছিলেন তুখোড় ছাত্রনেতা। দেশের প্রধানমন্ত্রী মেধাবী তুষারের গুণে মুগ্ধ হয়ে তার সাথে নিজ মেয়ের বিয়ে দেন। অনেক দামি দামি স্বর্ণালংকার দেন মেয়েকে। জনগণের ব্যাপক সমর্থনে তুষার এবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। তিনি তার স্ত্রীকে আদেশ দিলেন, তাঁর পিতার দেয়া দামি দামি স্বর্ণালংকার রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে কেননা ওগুলো জনগণের টাকায় কেনা ছিল। তবে তাঁর গৃহীত নীতি, তাঁর বংশের ভিত্তিকে দুর্বল করে দিয়েছিল।

Rajshahi · 2017

ক
উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?
খ
কারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে শাহরিয়ার তুষারের সাথে উমাইয়া যুগের কোন খলিফার চরিত্রের মিল পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
তিনি কি উমাইয়া খিলাফত পতনের জন্য দায়ী ছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.কারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?

কারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?

উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজা ধর্মপাল রাজস্ব ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় ও সমৃদ্ধ করেছিলেন। তবে তার পুত্র দেবপাল ক্ষমতায় আরোহণ করে রাজ্য বিস্তারে মনোযোগী হন। তিনি পূর্ব ও দক্ষিণে অনেকগুলো সফল অভিযানের মাধ্যমে বিশাল পাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন। দেবপালের প্রতিটি অভিযানে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করেছিলেন তার দুইজন বিশ্বস্ত মন্ত্রী ও কিছুসংখ্যক দক্ষ সেনাপতি।

Dhaka · 2017

ক
কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?
খ
খলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের রাজা ধর্মপালের সাথে খলিফা আব্দুল মালিকের কোন কর্মকাণ্ডের সামঞ্জস্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের রাজা দেবপালের মতোই খলিফা ওয়ালিদ বিন আব্দুল মালিক শ্রেষ্ঠ বিজেতা ছিলেন- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজা ধর্মপাল রাজস্ব ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় ও সমৃদ্ধ করেছিলেন। তবে তার পুত্র দেবপাল ক্ষমতায় আরোহণ করে রাজ্য বিস্তারে মনোযোগী হন। তিনি পূর্ব ও দক্ষিণে অনেকগুলো সফল অভিযানের মাধ্যমে বিশাল পাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন। দেবপালের প্রতিটি অভিযানে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করেছিলেন তার দুইজন বিশ্বস্ত মন্ত্রী ও কিছুসংখ্যক দক্ষ সেনাপতি।

Dhaka · 2017

ক
কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?
খ
খলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের রাজা ধর্মপালের সাথে খলিফা আব্দুল মালিকের কোন কর্মকাণ্ডের সামঞ্জস্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের রাজা দেবপালের মতোই খলিফা ওয়ালিদ বিন আব্দুল মালিক শ্রেষ্ঠ বিজেতা ছিলেন- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.খলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

খলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?

কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজা আলমগীর তার সাম্রাজ্যে ব্যাপক সংস্কার সাধন করেন। কেন্দ্রিয় টাকশাল স্থাপন করে নির্দিষ্ট মানের মুদ্রা চালু করেন। ফলে ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ে উপকৃত হয়। ব্যবসা বাণিজ্যেরও প্রসার ঘটে। প্রচলিত ডাক ব্যবস্থাকে আধুনিকীকরণ করেন। সাম্রাজ্যের সৌন্দর্যবৃদ্ধির জন্য সুরম্য প্রাসাদ, নান্দনিক স্মৃতিফলক প্রভৃতি নির্মাণ করেন, যা সকলের দৃষ্টি কাড়ে। এভাবে স্থাপত্য শিল্পের বিকাশে তিনি অনবদ্য ভূমিকা রাখেন।

Dhaka · 2017

ক
'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?
খ
খলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।
গ
উদ্দীপকের রাজা আলমগীরের মুদ্রা সংস্কার খলিফা আব্দুল মালিকের মুদ্রা সংস্কারের অনুরূপ- ব্যাখ্যা করো।
ঘ
স্থাপত্য শিল্পের উন্নয়নে উদ্দীপকের রাজার তুলনায় আব্দুল মালিকের কৃতিত্ব ছিল অনেক বেশি- উক্তিটির যথার্থতা যাচাই করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজা আলমগীর তার সাম্রাজ্যে ব্যাপক সংস্কার সাধন করেন। কেন্দ্রিয় টাকশাল স্থাপন করে নির্দিষ্ট মানের মুদ্রা চালু করেন। ফলে ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ে উপকৃত হয়। ব্যবসা বাণিজ্যেরও প্রসার ঘটে। প্রচলিত ডাক ব্যবস্থাকে আধুনিকীকরণ করেন। সাম্রাজ্যের সৌন্দর্যবৃদ্ধির জন্য সুরম্য প্রাসাদ, নান্দনিক স্মৃতিফলক প্রভৃতি নির্মাণ করেন, যা সকলের দৃষ্টি কাড়ে। এভাবে স্থাপত্য শিল্পের বিকাশে তিনি অনবদ্য ভূমিকা রাখেন।

Dhaka · 2017

ক
'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?
খ
খলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।
গ
উদ্দীপকের রাজা আলমগীরের মুদ্রা সংস্কার খলিফা আব্দুল মালিকের মুদ্রা সংস্কারের অনুরূপ- ব্যাখ্যা করো।
ঘ
স্থাপত্য শিল্পের উন্নয়নে উদ্দীপকের রাজার তুলনায় আব্দুল মালিকের কৃতিত্ব ছিল অনেক বেশি- উক্তিটির যথার্থতা যাচাই করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.খলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।

খলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?

'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

তিনি কি উমাইয়া খিলাফত পতনের জন্য দায়ী ছিলেন? ব্যাখ্যা করো।উদ্দীপকে শাহরিয়ার তুষারের সাথে উমাইয়া যুগের কোন খলিফার চরিত্রের মিল পাওয়া যায়? বকারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?উদ্দীপকের রাজা দেবপালের মতোই খলিফা ওয়ালিদ বিন আব্দুল মালিক শ্রেষ্ঠ বিজেতা ছিলেন-উদ্দীপকের রাজা ধর্মপালের সাথে খলিফা আব্দুল মালিকের কোন কর্মকাণ্ডের সামঞ্জস্য রয়েখলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?স্থাপত্য শিল্পের উন্নয়নে উদ্দীপকের রাজার তুলনায় আব্দুল মালিকের কৃতিত্ব ছিল অনেক উদ্দীপকের রাজা আলমগীরের মুদ্রা সংস্কার খলিফা আব্দুল মালিকের মুদ্রা সংস্কারের অনুখলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।