শেয়ারFacebookWhatsApp

তুমি কি মনে কর, উদ্দীপকের ২য় মুরাদের সাম্রাজ্য বিস্তারে সেনাপতিদের অবদানের মতোই খলিফা আল ওয়ালিদও সুযোগ্য সেনাপতিদের সহায়তা পেয়েছিলেন ? তোমার উত্তরের সপক্ষে ব্যাখ্যা দাও ।

উত্তর: উক্ত খলিফা অর্থাৎ ওমর বিন আবদুল আজিজের শাসন নীতি ছিল জনকল্যাণমুখী — মন্তব্যটি যথার্থ । খলিফা ওমর বিন আবদুল আজিজ তার আগের ও পরের সব উমাইয়া শাসক থেকে চারিত্রিক গুণাবলি, ধর্মপালন ও শাসনকার্যে একেবারেই ভিন্ন ছিলেন । তিনি ধার্মিক, দয়ালু, সুবিচারক, উদার, সরল ও শান্তিপ্রিয় মানুষ ছিলেন। তিনি ইসলাম ধর্ম প্রচারে বিশেষ মনোযোগী হন এবং প্রজাকল্যাণে জনসাধারণের ওপর থেকে অতিরিক্ত কর রহিত করে একটি জনকল্যাণকামী শাসন ব্যবস্থা চালু করেন । ৭১৫ খ্রিষ্টাব্দে ওমর বিন আবদুল আজিজ ক্ষমতায় আরোহণ করে খুলাফায়ে রাশেদিনের নীতি অনুসারে একটি জনকল্যাণমুখী শাসন ব্যবস্থা চালু করেন। তিনি তার পূর্ববর্তী খলিফাদের কলুষিত নীতি ত্যাগ করে দুর্নীতিমুক্ত, ন্যায়নিষ্ঠ, গোত্র ও স্বজনপ্রীতিমুক্ত একটি সর্বজনীন প্রশাসন প্রতিষ্ঠার নীতি গ্রহণ করেন। তিনি মাওয়ালিদের (অনারব মুসলিম) ওপর থেকে জিজিয়া ও খারাজ প্রত্যাহার করেন। এছাড়া ইসলামের প্রসারকল্পে ঘোষণা দেন যে, যে ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করবে তাকে খারাজ ও জিজিয়া থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে। ফলে ইসলামের ব্যাপক প্রসার ঘটে। ইসলামের সাম্য, মৈত্রী, ভ্রাতৃত্ব-এ নীতিতে উদ্বুদ্ধ হয়ে তিনি মাওয়ালিদের জিজিয়া ও খারাজ থেকে মুক্ত করেন এবং মুসলমানদেরকে যাকাত ও উশর প্রদানের নির্দেশ দেন। খলিফা দ্বিতীয় ওমরের রাজ্য শাসনের মূলমন্ত্র ছিল মানবতার সেবা ও প্রজাপালন। তিনি প্রাদেশিক গভর্নরদের কল্যাণকামী শাসন ব্যবস্থার রূপরেখা প্রণয়নের নির্দেশ দেন। প্রজাপীড়ন পরিহার করে জনসাধারণের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবে তিনি নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেন। উমাইয়াদের চরম শত্রু হাশেমি, খারেজি সবার প্রতি তিনি উদার নীতি গ্রহণ করেন। এভাবে ওমর বিন আবদুল আজিজ উদারনৈতিক জনকল্যাণকামী শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেন। উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, ওমর বিন আবদুল আজিজ মুসলমান, অমুসলমান, আরব-অনারব, হিমারীয়, মুদারীয় সবার সমানাধিকারের ভিত্তিকে একটি জনকল্যাণকামী শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ।

HSC Islamic History 1st paper Chapter 4 : উমাইয়া খিলাফত CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 1st paper · Chapter 4 : উমাইয়া খিলাফত · সৃজনশীল

তুমি কি মনে কর, উদ্দীপকের ২য় মুরাদের সাম্রাজ্য বিস্তারে সেনাপতিদের…

উদ্দীপক

উসমানের প্রতিষ্ঠিত এশিয়া মাইনরের ছোট উসমানীয় শাসনকে সুলতান ২য় মুরাদ এক বিশাল সাম্রাজ্যে পরিণত করেন তার সৌভাগ্য যে বেশ কিছু রণনিপুণ সেনাপতির কর্মক্ষমতা তিনি কাজে লাগাতে সক্ষম হয়েছিলেন । তিনি তার সাম্রাজ্যকে ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকায় বিস্তৃত করে সর্বত্র সুশাসন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তবে তার এই রাজ্য বিজয়ে দেশের যেই স্থিতিশীলতা এবং অর্থের যে প্রয়োজন ছিল, তার ব্যবস্থা পূর্ববর্তী সম্রাট তার পিতা রেখে গিয়েছিলেন।।

উত্তর

সিন্ধু বিজয়ী নেতার নাম মুহাম্মদ বিন কাসিম ।

উত্তর

আরবদের কিছু বাণিজ্য জাহাজ সিন্ধুর জলদস্যু কর্তৃক লুণ্ঠিত হলে হাজ্জাজের দাবি অনুসারে রাজা দাহির কর্তৃক ক্ষতিপূরণ দানে অস্বীকৃতিই ছিল সিন্ধু বিজয়ের প্রত্যক্ষ কারণ । অষ্টম শতকের শুরুতে আরবদের ৮টি বাণিজ্য জাহাজ সিন্ধুর দেবল বন্দরে জলদস্যু কর্তৃক লুণ্ঠিত হলে খলিফা আল-ওয়ালিদের পূর্বাঞ্চলীয় শাসনকর্তা হাজ্জাজ সিন্ধুর রাজা দাহিরের নিকট ক্ষতিপূরণ দাবি করেন। কিন্তু রাজা দাহির এ ক্ষতিপূরণ দিতে অস্বীকার করেন। ফলে সিন্ধু আক্রমণ অবশ্যম্ভাবী হয়ে পড়ে, যা ছিল সিন্ধু বিজয়ের প্রত্যক্ষ কারণ ।

উত্তর

উদ্দীপকের সুলতান দ্বিতীয় মুরাদের পিতার সাথে উমাইয়া খলিফা আবদুল মালিকের কাজের সামঞ্জস্য রয়েছে। খলিফা আবদুল মালিক রাজস্ব সংস্কারের মাধ্যমে রাজ্যে বিরাজমান অর্থনৈতিক স্থবিরতা কাটাতে সক্ষম হন। অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য তিনি কিছু নীতি গ্রহণ করেন। যেমন— ইসলাম গ্রহণ করলেও মাওয়ালিদের জিজিয়া ও খারাজ দিতে হবে, সেনাবাহিনীতে যোগ দিলেও তাদের গ্রামে স্ব-স্ব পেশায় নিযুক্ত হতে হবে, মুসলমানরা যে জমি ক্রয় করেছে তাদেরকে আগের মতো কর দিতে হবে। এছাড়া কৃষকদের কৃষিঋণ প্রদান করা হয়, তিন বছর পর্যন্ত যার কোনো ট্যাক্স দিতে হয়নি। এভাবে তিনি একটি সুষ্ঠু অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলেন যার সুফল তার পরবর্তী শাসকগণও ভোগ করে। উদ্দীপকেও এসব বিষয়ের প্রতিফলন ঘটেছে। উদ্দীপকে আমরা দেখতে পাই যে, দ্বিতীয় মুরাদ এশিয়া মাইনরে উসমানের প্রতিষ্ঠিত ছোট উসমানীয় রাজ্যকে এক বিশাল সাম্রাজ্যে পরিণত করেন। তবে তার এই রাজ্য বিজয়ের দেশের যে স্থিতিশীলতা এবং অর্থের প্রয়োজন ছিল, তার ব্যবস্থা পূর্ববর্তী সম্রাট তার পিতা করে রেখে যান। অনুরূপভাবে উমাইয়া খলিফা আল ওয়ালিদও তার পিতা আবদুল মালিকের রেখে যাওয়া স্থিতিশীল অর্থনৈতিক অবস্থার উপর ভিত্তি করে বিশাল এক সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। খলিফা প্রথম ওয়ালিদ দশ বছরের রাজত্বকালে মুসলিম সাম্রাজ্য পশ্চিমে স্পেন পূর্বে ভারতবর্ষ এবং উত্তরে মধ্য এশিয়ার ফারগানা দক্ষিণে ইয়েমেন পর্যন্ত বিস্তৃত করেন। এই বিশাল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার জন্য যে পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন ছিল তা তার পিতা আবদুল মালিক- উমাইয়া সাম্রাজ্যে রেখে গিয়েছিলেন। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের সুলতান দ্বিতীয় মুরাদের পিতার মতো উমাইয়া খলিফা আবদুল মালিকও রাজ্য বিজয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতা ও অর্থের ব্যবস্থা করে গিয়েছিলেন।

উত্তর

উক্ত খলিফা অর্থাৎ ওমর বিন আবদুল আজিজের শাসন নীতি ছিল জনকল্যাণমুখী — মন্তব্যটি যথার্থ । খলিফা ওমর বিন আবদুল আজিজ তার আগের ও পরের সব উমাইয়া শাসক থেকে চারিত্রিক গুণাবলি, ধর্মপালন ও শাসনকার্যে একেবারেই ভিন্ন ছিলেন । তিনি ধার্মিক, দয়ালু, সুবিচারক, উদার, সরল ও শান্তিপ্রিয় মানুষ ছিলেন। তিনি ইসলাম ধর্ম প্রচারে বিশেষ মনোযোগী হন এবং প্রজাকল্যাণে জনসাধারণের ওপর থেকে অতিরিক্ত কর রহিত করে একটি জনকল্যাণকামী শাসন ব্যবস্থা চালু করেন । ৭১৫ খ্রিষ্টাব্দে ওমর বিন আবদুল আজিজ ক্ষমতায় আরোহণ করে খুলাফায়ে রাশেদিনের নীতি অনুসারে একটি জনকল্যাণমুখী শাসন ব্যবস্থা চালু করেন। তিনি তার পূর্ববর্তী খলিফাদের কলুষিত নীতি ত্যাগ করে দুর্নীতিমুক্ত, ন্যায়নিষ্ঠ, গোত্র ও স্বজনপ্রীতিমুক্ত একটি সর্বজনীন প্রশাসন প্রতিষ্ঠার নীতি গ্রহণ করেন। তিনি মাওয়ালিদের (অনারব মুসলিম) ওপর থেকে জিজিয়া ও খারাজ প্রত্যাহার করেন। এছাড়া ইসলামের প্রসারকল্পে ঘোষণা দেন যে, যে ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করবে তাকে খারাজ ও জিজিয়া থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে। ফলে ইসলামের ব্যাপক প্রসার ঘটে। ইসলামের সাম্য, মৈত্রী, ভ্রাতৃত্ব-এ নীতিতে উদ্বুদ্ধ হয়ে তিনি মাওয়ালিদের জিজিয়া ও খারাজ থেকে মুক্ত করেন এবং মুসলমানদেরকে যাকাত ও উশর প্রদানের নির্দেশ দেন। খলিফা দ্বিতীয় ওমরের রাজ্য শাসনের মূলমন্ত্র ছিল মানবতার সেবা ও প্রজাপালন। তিনি প্রাদেশিক গভর্নরদের কল্যাণকামী শাসন ব্যবস্থার রূপরেখা প্রণয়নের নির্দেশ দেন। প্রজাপীড়ন পরিহার করে জনসাধারণের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবে তিনি নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেন। উমাইয়াদের চরম শত্রু হাশেমি, খারেজি সবার প্রতি তিনি উদার নীতি গ্রহণ করেন। এভাবে ওমর বিন আবদুল আজিজ উদারনৈতিক জনকল্যাণকামী শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেন। উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, ওমর বিন আবদুল আজিজ মুসলমান, অমুসলমান, আরব-অনারব, হিমারীয়, মুদারীয় সবার সমানাধিকারের ভিত্তিকে একটি জনকল্যাণকামী শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ।
HSCIslamic History 1st paperChapter 4 : উমাইয়া খিলাফত
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

"জন্ম হোক যথা তথা কর্ম হোক ভালো"- কথাটি শাহরিয়ার তুষার ছোট বেলা থেকেই গভীরভাবে বিশ্বাস করতেন। তিনি ছাত্রজীবনে ছিলেন তুখোড় ছাত্রনেতা। দেশের প্রধানমন্ত্রী মেধাবী তুষারের গুণে মুগ্ধ হয়ে তার সাথে নিজ মেয়ের বিয়ে দেন। অনেক দামি দামি স্বর্ণালংকার দেন মেয়েকে। জনগণের ব্যাপক সমর্থনে তুষার এবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। তিনি তার স্ত্রীকে আদেশ দিলেন, তাঁর পিতার দেয়া দামি দামি স্বর্ণালংকার রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে কেননা ওগুলো জনগণের টাকায় কেনা ছিল। তবে তাঁর গৃহীত নীতি, তাঁর বংশের ভিত্তিকে দুর্বল করে দিয়েছিল।

Rajshahi · 2017

ক
উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?
খ
কারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে শাহরিয়ার তুষারের সাথে উমাইয়া যুগের কোন খলিফার চরিত্রের মিল পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
তিনি কি উমাইয়া খিলাফত পতনের জন্য দায়ী ছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

"জন্ম হোক যথা তথা কর্ম হোক ভালো"- কথাটি শাহরিয়ার তুষার ছোট বেলা থেকেই গভীরভাবে বিশ্বাস করতেন। তিনি ছাত্রজীবনে ছিলেন তুখোড় ছাত্রনেতা। দেশের প্রধানমন্ত্রী মেধাবী তুষারের গুণে মুগ্ধ হয়ে তার সাথে নিজ মেয়ের বিয়ে দেন। অনেক দামি দামি স্বর্ণালংকার দেন মেয়েকে। জনগণের ব্যাপক সমর্থনে তুষার এবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। তিনি তার স্ত্রীকে আদেশ দিলেন, তাঁর পিতার দেয়া দামি দামি স্বর্ণালংকার রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে কেননা ওগুলো জনগণের টাকায় কেনা ছিল। তবে তাঁর গৃহীত নীতি, তাঁর বংশের ভিত্তিকে দুর্বল করে দিয়েছিল।

Rajshahi · 2017

ক
উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?
খ
কারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে শাহরিয়ার তুষারের সাথে উমাইয়া যুগের কোন খলিফার চরিত্রের মিল পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
তিনি কি উমাইয়া খিলাফত পতনের জন্য দায়ী ছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.কারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?

কারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?

উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজা ধর্মপাল রাজস্ব ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় ও সমৃদ্ধ করেছিলেন। তবে তার পুত্র দেবপাল ক্ষমতায় আরোহণ করে রাজ্য বিস্তারে মনোযোগী হন। তিনি পূর্ব ও দক্ষিণে অনেকগুলো সফল অভিযানের মাধ্যমে বিশাল পাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন। দেবপালের প্রতিটি অভিযানে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করেছিলেন তার দুইজন বিশ্বস্ত মন্ত্রী ও কিছুসংখ্যক দক্ষ সেনাপতি।

Dhaka · 2017

ক
কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?
খ
খলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের রাজা ধর্মপালের সাথে খলিফা আব্দুল মালিকের কোন কর্মকাণ্ডের সামঞ্জস্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের রাজা দেবপালের মতোই খলিফা ওয়ালিদ বিন আব্দুল মালিক শ্রেষ্ঠ বিজেতা ছিলেন- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজা ধর্মপাল রাজস্ব ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় ও সমৃদ্ধ করেছিলেন। তবে তার পুত্র দেবপাল ক্ষমতায় আরোহণ করে রাজ্য বিস্তারে মনোযোগী হন। তিনি পূর্ব ও দক্ষিণে অনেকগুলো সফল অভিযানের মাধ্যমে বিশাল পাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন। দেবপালের প্রতিটি অভিযানে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করেছিলেন তার দুইজন বিশ্বস্ত মন্ত্রী ও কিছুসংখ্যক দক্ষ সেনাপতি।

Dhaka · 2017

ক
কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?
খ
খলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের রাজা ধর্মপালের সাথে খলিফা আব্দুল মালিকের কোন কর্মকাণ্ডের সামঞ্জস্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের রাজা দেবপালের মতোই খলিফা ওয়ালিদ বিন আব্দুল মালিক শ্রেষ্ঠ বিজেতা ছিলেন- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.খলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

খলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?

কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজা আলমগীর তার সাম্রাজ্যে ব্যাপক সংস্কার সাধন করেন। কেন্দ্রিয় টাকশাল স্থাপন করে নির্দিষ্ট মানের মুদ্রা চালু করেন। ফলে ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ে উপকৃত হয়। ব্যবসা বাণিজ্যেরও প্রসার ঘটে। প্রচলিত ডাক ব্যবস্থাকে আধুনিকীকরণ করেন। সাম্রাজ্যের সৌন্দর্যবৃদ্ধির জন্য সুরম্য প্রাসাদ, নান্দনিক স্মৃতিফলক প্রভৃতি নির্মাণ করেন, যা সকলের দৃষ্টি কাড়ে। এভাবে স্থাপত্য শিল্পের বিকাশে তিনি অনবদ্য ভূমিকা রাখেন।

Dhaka · 2017

ক
'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?
খ
খলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।
গ
উদ্দীপকের রাজা আলমগীরের মুদ্রা সংস্কার খলিফা আব্দুল মালিকের মুদ্রা সংস্কারের অনুরূপ- ব্যাখ্যা করো।
ঘ
স্থাপত্য শিল্পের উন্নয়নে উদ্দীপকের রাজার তুলনায় আব্দুল মালিকের কৃতিত্ব ছিল অনেক বেশি- উক্তিটির যথার্থতা যাচাই করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজা আলমগীর তার সাম্রাজ্যে ব্যাপক সংস্কার সাধন করেন। কেন্দ্রিয় টাকশাল স্থাপন করে নির্দিষ্ট মানের মুদ্রা চালু করেন। ফলে ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ে উপকৃত হয়। ব্যবসা বাণিজ্যেরও প্রসার ঘটে। প্রচলিত ডাক ব্যবস্থাকে আধুনিকীকরণ করেন। সাম্রাজ্যের সৌন্দর্যবৃদ্ধির জন্য সুরম্য প্রাসাদ, নান্দনিক স্মৃতিফলক প্রভৃতি নির্মাণ করেন, যা সকলের দৃষ্টি কাড়ে। এভাবে স্থাপত্য শিল্পের বিকাশে তিনি অনবদ্য ভূমিকা রাখেন।

Dhaka · 2017

ক
'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?
খ
খলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।
গ
উদ্দীপকের রাজা আলমগীরের মুদ্রা সংস্কার খলিফা আব্দুল মালিকের মুদ্রা সংস্কারের অনুরূপ- ব্যাখ্যা করো।
ঘ
স্থাপত্য শিল্পের উন্নয়নে উদ্দীপকের রাজার তুলনায় আব্দুল মালিকের কৃতিত্ব ছিল অনেক বেশি- উক্তিটির যথার্থতা যাচাই করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.খলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।

খলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?

'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

তিনি কি উমাইয়া খিলাফত পতনের জন্য দায়ী ছিলেন? ব্যাখ্যা করো।উদ্দীপকে শাহরিয়ার তুষারের সাথে উমাইয়া যুগের কোন খলিফার চরিত্রের মিল পাওয়া যায়? বকারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?উদ্দীপকের রাজা দেবপালের মতোই খলিফা ওয়ালিদ বিন আব্দুল মালিক শ্রেষ্ঠ বিজেতা ছিলেন-উদ্দীপকের রাজা ধর্মপালের সাথে খলিফা আব্দুল মালিকের কোন কর্মকাণ্ডের সামঞ্জস্য রয়েখলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?স্থাপত্য শিল্পের উন্নয়নে উদ্দীপকের রাজার তুলনায় আব্দুল মালিকের কৃতিত্ব ছিল অনেক উদ্দীপকের রাজা আলমগীরের মুদ্রা সংস্কার খলিফা আব্দুল মালিকের মুদ্রা সংস্কারের অনুখলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।