শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে বর্ণিত যুদ্ধের সাথে ইসলামের ইতিহাসের কোন যুদ্ধের সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে বর্ণিত যুদ্ধের সাথে সিফফিনের যুদ্ধের সাদৃশ্য রয়েছে। নিম্নে তা ব্যাখ্যা করা হলো : উদ্দীপকের পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার ইংরেজদের বিরুদ্ধে পরাজয় মূলত ছিল তার নিজের লোকদেরই বিশ্বাসঘাতকতার জন্য। পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার কিছু সেনাপতি যখন সৈন্যদের নিয়ে প্রাণপণে বিজয়ের জন্য লড়াই করছে তখন নবাব মীরজাফরের বুদ্ধিতে যুদ্ধ বন্ধ করার ঘোষণা দেন। মূলত ইংরেজদের সাথে হাত মিলিয়ে নবাবকে পরাজিত করার জন্যই মীরজাফর নবাবকে যুদ্ধ বন্ধ করার বুদ্ধি দেন। যার ফলে নবাবের পরাজয় ঘটে। ইসলামে তৃতীয় খলিফা হযরত ওসমান (রা.) এর শাসনামলে মুয়াবিয়া অবৈধভাবে অনেক সম্পত্তির অধিকারী হন। পরবর্তীতে ইসলামের চতুর্থ খলিফা হযরত আলী (রা.) তাকে গভর্নরের দায়িত্ব থেকে সরে গিয়ে অবৈধ সম্পত্তি রাষ্ট্রের কোষাগারে জমা দিতে নির্দেশ দেন। কিন্তু মুয়াবিয়া গভর্নরের দায়িত্ব ত্যাগ এবং অবৈধ সম্পত্তি জমা দেয়া উভয় নির্দেশই অমান্য করেন। এর ফলে একপর্যায়ে হযরত আলী (রা.) এবং মুয়াবিয়ার মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। যুদ্ধে যখন হযরত আলীর বিজয় সুনিশ্চিত তখন মুয়াবিয়ার সেনাপতি ও উপদেষ্টা আমর ইবনুল আসের পরামর্শে তিনি যুদ্ধ স্থগিত করেন ও সন্ধির আহবান জানান। কিন্তু আমর ইবনুল আস পরবর্তীতে শালিশে বসে বিশ্বাসঘাতকতা করে মুয়াবিয়া কে খলিফা ঘোষণা করে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত যুদ্ধের সাথে সিফফিনের যুদ্ধের সাদৃশ্য রয়েছে।

HSC Islamic History 1st paper Chapter 4 : উমাইয়া খিলাফত CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 1st paper · Chapter 4 : উমাইয়া খিলাফত · সৃজনশীল

উদ্দীপকে বর্ণিত যুদ্ধের সাথে ইসলামের ইতিহাসের কোন যুদ্ধের সাদৃশ্য র…

উদ্দীপক

পলাশীর যুদ্ধ বাংলার ভাগ্যাকাশে চরম বিপর্যয় ডেকে আনে। ১৭৫৭ সালে সংঘটিত এ যুদ্ধে মিরজাফরের শঠতাপূর্ণ আচরণে বাংলার শেষ নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার পরাজয় ঘটে। এ যুদ্ধে মীরমদন, মোহনলাল যখন প্রাণপণ লড়াই করে নবাবের বিজয়কে সুনিশ্চিত করে তোলেন, তখনই মিরজাফর নবাবকে যুদ্ধ বন্ধ করতে পরামর্শ দেন। নবাব মীরজাফর কে বিশ্বাস করে যুদ্ধ বন্ধ করার ঘোষণা দেন। মিরজাফরের এ বিশ্বাসঘাতকতায় নবাবের পরাজয় ঘটে। ফলে ভারতবর্ষে ইংরেজ ঔপনিবেশিক শাসনের সূত্রপাত ঘটে।

Comilla · 2022

উত্তর

মুয়াবিয়াকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়।

উত্তর

ইরাকের বন্দীদের মুক্তিদানের জন্য খলিফা সুলাইমানকে আশীর্বাদে চাবি বলা হয়। উমাইয়া শাসনামলে ইরানের শাসনকর্তা হাজ্জাজ বিন ইউসুফ এ বসরায় ইসলামের চতুর্থ খলিফা হযরত আলী (রাঃ) এর বিদ্রোহ দমন করেন। এ সময় তিনি হাজার হাজার মানুষকে বন্দী করে কারাগারে নিক্ষেপ করেন। খলিফা সুলাইমান ক্ষমতায় এসে হাজ্জাজের বন্দীকৃত কয়েদিদের মুক্ত করে দেন। এই কারণে সুলাইমানকে মিফতাহুল খায়র বা আশীর্বাদের চাবি বলা হয়।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত যুদ্ধের সাথে সিফফিনের যুদ্ধের সাদৃশ্য রয়েছে। নিম্নে তা ব্যাখ্যা করা হলো : উদ্দীপকের পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার ইংরেজদের বিরুদ্ধে পরাজয় মূলত ছিল তার নিজের লোকদেরই বিশ্বাসঘাতকতার জন্য। পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার কিছু সেনাপতি যখন সৈন্যদের নিয়ে প্রাণপণে বিজয়ের জন্য লড়াই করছে তখন নবাব মীরজাফরের বুদ্ধিতে যুদ্ধ বন্ধ করার ঘোষণা দেন। মূলত ইংরেজদের সাথে হাত মিলিয়ে নবাবকে পরাজিত করার জন্যই মীরজাফর নবাবকে যুদ্ধ বন্ধ করার বুদ্ধি দেন। যার ফলে নবাবের পরাজয় ঘটে। ইসলামে তৃতীয় খলিফা হযরত ওসমান (রা.) এর শাসনামলে মুয়াবিয়া অবৈধভাবে অনেক সম্পত্তির অধিকারী হন। পরবর্তীতে ইসলামের চতুর্থ খলিফা হযরত আলী (রা.) তাকে গভর্নরের দায়িত্ব থেকে সরে গিয়ে অবৈধ সম্পত্তি রাষ্ট্রের কোষাগারে জমা দিতে নির্দেশ দেন। কিন্তু মুয়াবিয়া গভর্নরের দায়িত্ব ত্যাগ এবং অবৈধ সম্পত্তি জমা দেয়া উভয় নির্দেশই অমান্য করেন। এর ফলে একপর্যায়ে হযরত আলী (রা.) এবং মুয়াবিয়ার মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। যুদ্ধে যখন হযরত আলীর বিজয় সুনিশ্চিত তখন মুয়াবিয়ার সেনাপতি ও উপদেষ্টা আমর ইবনুল আসের পরামর্শে তিনি যুদ্ধ স্থগিত করেন ও সন্ধির আহবান জানান। কিন্তু আমর ইবনুল আস পরবর্তীতে শালিশে বসে বিশ্বাসঘাতকতা করে মুয়াবিয়া কে খলিফা ঘোষণা করে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত যুদ্ধের সাথে সিফফিনের যুদ্ধের সাদৃশ্য রয়েছে।

উত্তর

উদ্দীপকের যুদ্ধের মতো সিফফিনের যুদ্ধেও ইসলামে এক নতুন শাসনব্যবস্থার যাত্রা শুরু হয়। নিম্নে তার যৌক্তিকতা তুলে ধরা হলো : উদ্দীপকে মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে নবাব সিরাজউদ্দৌলা পলাশীর যুদ্ধে পরাজিত হন। যার ফলে নবাবের পরাজয় ঘটে। যার ফলে ব্রিটিশরা ভারতবর্ষের ক্ষমতায় আসেন আর ভারতবর্ষে সূচনা ঘটে উপনিবেশিক শাসনের। সিফফিনের যুদ্ধে মুয়াবিয়া আমর ইবনুল আস এর পরামর্শে সন্ধির জন্য যুদ্ধ বিরতি করেন। পরবর্তীতে যুদ্ধের দুই পক্ষ হযরত আলী ও মুয়াবিয়ার মধ্যে মীমাংসা করার জন্য হযরত আলীর পক্ষ থেকে আবু মুসা আল আসারি এবং মুয়াবিয়ার পক্ষে আমর ইবনুল আস মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিযুক্ত হন। তখন মীমাংসা করার জন্য দুমাতুল জন্দলে একটি সালিশি বৈঠক বসে। বৈঠকে হযরত আলীর সরলতার সুযোগ নিয়ে মুয়াবিয়ার মধ্যস্থতাকারী আমর ইবনুল আস শঠতা করে মুয়াবিয়াকে খলিফা ঘোষণা করে। যার ফলে ইসলামে নতুন এক শাসনব্যবস্থা সূচনা হয়। যেই শাসনব্যবস্থায় মুয়াবিয়া খিলাফতে অধিষ্ঠিত হওয়ার পর খোলাফায়ে রাশেদীনদের সকল গণতান্ত্রিক নীতি বর্জন করে রাজতন্ত্র প্রবর্তন করেন। এরই মধ্য দিয়ে ইসলামে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা বিলুপ্ত হয়ে রাজতন্ত্র সূচনা হয়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের যুদ্ধের মতো সিফফিনের যুদ্ধেও ইসলামে এক নতুন শাসনব্যবস্থার যাত্রা শুরু হয়।
HSCIslamic History 1st paperChapter 4 : উমাইয়া খিলাফত
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

"জন্ম হোক যথা তথা কর্ম হোক ভালো"- কথাটি শাহরিয়ার তুষার ছোট বেলা থেকেই গভীরভাবে বিশ্বাস করতেন। তিনি ছাত্রজীবনে ছিলেন তুখোড় ছাত্রনেতা। দেশের প্রধানমন্ত্রী মেধাবী তুষারের গুণে মুগ্ধ হয়ে তার সাথে নিজ মেয়ের বিয়ে দেন। অনেক দামি দামি স্বর্ণালংকার দেন মেয়েকে। জনগণের ব্যাপক সমর্থনে তুষার এবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। তিনি তার স্ত্রীকে আদেশ দিলেন, তাঁর পিতার দেয়া দামি দামি স্বর্ণালংকার রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে কেননা ওগুলো জনগণের টাকায় কেনা ছিল। তবে তাঁর গৃহীত নীতি, তাঁর বংশের ভিত্তিকে দুর্বল করে দিয়েছিল।

Rajshahi · 2017

ক
উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?
খ
কারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে শাহরিয়ার তুষারের সাথে উমাইয়া যুগের কোন খলিফার চরিত্রের মিল পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
তিনি কি উমাইয়া খিলাফত পতনের জন্য দায়ী ছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

"জন্ম হোক যথা তথা কর্ম হোক ভালো"- কথাটি শাহরিয়ার তুষার ছোট বেলা থেকেই গভীরভাবে বিশ্বাস করতেন। তিনি ছাত্রজীবনে ছিলেন তুখোড় ছাত্রনেতা। দেশের প্রধানমন্ত্রী মেধাবী তুষারের গুণে মুগ্ধ হয়ে তার সাথে নিজ মেয়ের বিয়ে দেন। অনেক দামি দামি স্বর্ণালংকার দেন মেয়েকে। জনগণের ব্যাপক সমর্থনে তুষার এবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। তিনি তার স্ত্রীকে আদেশ দিলেন, তাঁর পিতার দেয়া দামি দামি স্বর্ণালংকার রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে কেননা ওগুলো জনগণের টাকায় কেনা ছিল। তবে তাঁর গৃহীত নীতি, তাঁর বংশের ভিত্তিকে দুর্বল করে দিয়েছিল।

Rajshahi · 2017

ক
উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?
খ
কারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে শাহরিয়ার তুষারের সাথে উমাইয়া যুগের কোন খলিফার চরিত্রের মিল পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
তিনি কি উমাইয়া খিলাফত পতনের জন্য দায়ী ছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.কারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?

কারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?

উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজা ধর্মপাল রাজস্ব ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় ও সমৃদ্ধ করেছিলেন। তবে তার পুত্র দেবপাল ক্ষমতায় আরোহণ করে রাজ্য বিস্তারে মনোযোগী হন। তিনি পূর্ব ও দক্ষিণে অনেকগুলো সফল অভিযানের মাধ্যমে বিশাল পাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন। দেবপালের প্রতিটি অভিযানে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করেছিলেন তার দুইজন বিশ্বস্ত মন্ত্রী ও কিছুসংখ্যক দক্ষ সেনাপতি।

Dhaka · 2017

ক
কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?
খ
খলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের রাজা ধর্মপালের সাথে খলিফা আব্দুল মালিকের কোন কর্মকাণ্ডের সামঞ্জস্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের রাজা দেবপালের মতোই খলিফা ওয়ালিদ বিন আব্দুল মালিক শ্রেষ্ঠ বিজেতা ছিলেন- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজা ধর্মপাল রাজস্ব ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় ও সমৃদ্ধ করেছিলেন। তবে তার পুত্র দেবপাল ক্ষমতায় আরোহণ করে রাজ্য বিস্তারে মনোযোগী হন। তিনি পূর্ব ও দক্ষিণে অনেকগুলো সফল অভিযানের মাধ্যমে বিশাল পাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন। দেবপালের প্রতিটি অভিযানে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করেছিলেন তার দুইজন বিশ্বস্ত মন্ত্রী ও কিছুসংখ্যক দক্ষ সেনাপতি।

Dhaka · 2017

ক
কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?
খ
খলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের রাজা ধর্মপালের সাথে খলিফা আব্দুল মালিকের কোন কর্মকাণ্ডের সামঞ্জস্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের রাজা দেবপালের মতোই খলিফা ওয়ালিদ বিন আব্দুল মালিক শ্রেষ্ঠ বিজেতা ছিলেন- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.খলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

খলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?

কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজা আলমগীর তার সাম্রাজ্যে ব্যাপক সংস্কার সাধন করেন। কেন্দ্রিয় টাকশাল স্থাপন করে নির্দিষ্ট মানের মুদ্রা চালু করেন। ফলে ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ে উপকৃত হয়। ব্যবসা বাণিজ্যেরও প্রসার ঘটে। প্রচলিত ডাক ব্যবস্থাকে আধুনিকীকরণ করেন। সাম্রাজ্যের সৌন্দর্যবৃদ্ধির জন্য সুরম্য প্রাসাদ, নান্দনিক স্মৃতিফলক প্রভৃতি নির্মাণ করেন, যা সকলের দৃষ্টি কাড়ে। এভাবে স্থাপত্য শিল্পের বিকাশে তিনি অনবদ্য ভূমিকা রাখেন।

Dhaka · 2017

ক
'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?
খ
খলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।
গ
উদ্দীপকের রাজা আলমগীরের মুদ্রা সংস্কার খলিফা আব্দুল মালিকের মুদ্রা সংস্কারের অনুরূপ- ব্যাখ্যা করো।
ঘ
স্থাপত্য শিল্পের উন্নয়নে উদ্দীপকের রাজার তুলনায় আব্দুল মালিকের কৃতিত্ব ছিল অনেক বেশি- উক্তিটির যথার্থতা যাচাই করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজা আলমগীর তার সাম্রাজ্যে ব্যাপক সংস্কার সাধন করেন। কেন্দ্রিয় টাকশাল স্থাপন করে নির্দিষ্ট মানের মুদ্রা চালু করেন। ফলে ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ে উপকৃত হয়। ব্যবসা বাণিজ্যেরও প্রসার ঘটে। প্রচলিত ডাক ব্যবস্থাকে আধুনিকীকরণ করেন। সাম্রাজ্যের সৌন্দর্যবৃদ্ধির জন্য সুরম্য প্রাসাদ, নান্দনিক স্মৃতিফলক প্রভৃতি নির্মাণ করেন, যা সকলের দৃষ্টি কাড়ে। এভাবে স্থাপত্য শিল্পের বিকাশে তিনি অনবদ্য ভূমিকা রাখেন।

Dhaka · 2017

ক
'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?
খ
খলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।
গ
উদ্দীপকের রাজা আলমগীরের মুদ্রা সংস্কার খলিফা আব্দুল মালিকের মুদ্রা সংস্কারের অনুরূপ- ব্যাখ্যা করো।
ঘ
স্থাপত্য শিল্পের উন্নয়নে উদ্দীপকের রাজার তুলনায় আব্দুল মালিকের কৃতিত্ব ছিল অনেক বেশি- উক্তিটির যথার্থতা যাচাই করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.খলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।

খলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?

'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

তিনি কি উমাইয়া খিলাফত পতনের জন্য দায়ী ছিলেন? ব্যাখ্যা করো।উদ্দীপকে শাহরিয়ার তুষারের সাথে উমাইয়া যুগের কোন খলিফার চরিত্রের মিল পাওয়া যায়? বকারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?উদ্দীপকের রাজা দেবপালের মতোই খলিফা ওয়ালিদ বিন আব্দুল মালিক শ্রেষ্ঠ বিজেতা ছিলেন-উদ্দীপকের রাজা ধর্মপালের সাথে খলিফা আব্দুল মালিকের কোন কর্মকাণ্ডের সামঞ্জস্য রয়েখলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?স্থাপত্য শিল্পের উন্নয়নে উদ্দীপকের রাজার তুলনায় আব্দুল মালিকের কৃতিত্ব ছিল অনেক উদ্দীপকের রাজা আলমগীরের মুদ্রা সংস্কার খলিফা আব্দুল মালিকের মুদ্রা সংস্কারের অনুখলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।