শেয়ারFacebookWhatsApp

তুমি কি মনে কর উক্ত শাসকের নীতিসমূহ উমাইয়া বংশের পতনের জন্য দায়ী ছিল? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর: না, আমি মনে করি উক্ত শাসক অর্থাৎ উমাইয়া খলিফা আব্দুল আজিজের নীতিসমূহ উমাইয়া বংশের পতনের জন্য সম্পূর্ণ দায়ী ছিলেন না। নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে খলিফা উমর বিন আবদুল আজিজের শাসনকালের প্রত্যকটি দিক বিবেচনা করলে উমাইয়া বংশের পতনের জন্য খলিফা দ্বিতীয় উমর পুরোপুরি দায়ী নন। তিনি মাওয়ালিদের ওপর অন্যায়ভাবে আরোপ করা জিজিয়া ও খারাজ রহিত করেছিলেন। এর ফলে দলে দলে মানুষ ইসলাম গ্রহণ করে এবং খারাজ ও জিজিয়া প্রদান থেকে অব্যাহতি পায়। এজন্য রাজস্ব আয় কমে যায় এবং অর্থের অভাবে সেনাবাহিনী দুর্বল হয়ে পড়ে। একারণে অনেকে তাকে উমাইয়া বংশের পতনের জন্য দায়ী করে। কিন্তু তা পুরোপুরি সঠিক নয়। কেননা তার উত্তরাধিকারিগণ যদি তার অনুসৃত নীতি অনুসরণ করত, তাহলে মাওয়ালি, হাশেমি ও আলীর সমর্থকগণ কখনো উমাইয়া বিরোধী আন্দোলনে যোগ দিত না। ফলে উমাইয়াদেরও হয়ত পতন হতো না। তিনি উমাইয়া, হাশেমি, আরব-অনারব, হিমারীয়-মুদারীয় দ্বন্দ্ব নিরসন করার চেষ্টা করেন এবং অনেকাংশে সফল হন। উইলিয়াম মুর বলেন, "উমরের রাজত্বকালে কোনো চাঞ্চল্যকর ঘটনা না থাকলেও আকর্ষণীয় ঘটনার অভাব ছিল না।” রক্তপাত, ষড়যন্ত্র এবং বিশ্বাসঘাতকতার বিভীষিকার মধ্যে তার শাসনকাল উপশমের ভূমিকা পালন করেছে। তার নিরপেক্ষতার জন্য উমাইয়া বংশের ষড়যন্ত্রকারীরা তার মৃত্যুকে ত্বরান্বিত করলে এর জন্য তার নীতি দায়ী নয়, ষড়যন্ত্রকারীরা দায়ী ছিল। খালিফা উমর বিন আব্দুল আজিজকে উমাইয়া বংশ পতনে দায়ী করে যেসব অভিযোগ উত্থাপন করা হয় সেগুলোর ঐতিহাসিক সত্যতা পাওয়া যায়নি। কারণ তার তিরোধানের পর যদি তার নীতি অনুসৃত হতো, তাহলে আলীর সমর্থক ও আব্বাসিরা সহজেই ক্ষুব্ধ হতো না। তাদের আন্দোলনের জন্য দায়ী পরবর্তী দুর্বল শাসকেরা, খলিফা উমর বিন আব্দুল আজিজ নন।

HSC Islamic History 1st paper Chapter 4 : উমাইয়া খিলাফত CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 1st paper · Chapter 4 : উমাইয়া খিলাফত · সৃজনশীল

তুমি কি মনে কর উক্ত শাসকের নীতিসমূহ উমাইয়া বংশের পতনের জন্য দায়ী ছি…

উদ্দীপক

গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত হয়ে ড. মুহাম্মদ মুরসির মিশরের রাষ্ট্রক্ষমতা লাভকরেন। শাসনক্ষমতা লাভের পর তিনি ইসলামি শাসনব্যবস্থা প্রবর্তন করেন।ম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠাকল্পে তিনি কতিপয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। দমননীতি ও রাজ্য বিস্তার নীতি পরিত্যাগ করে তিনি শান্তি নীতি গ্রহণ করেন।

উত্তর

উমর বিন আবদুল আজিজকে পঞ্চম ধার্মিক খলিফা বলা হয়।

উত্তর

মাওয়ালিদের প্রতি শাসন পরিচালনার যে নীতি গৃহীত হয় তাকে মাওয়ালি নীতি বলে। বংশগতভাবে যারা মুসলিম না বা যারা নতুনভাবে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হয়েছে তাদেরকে মাওয়ালি বলা হয়। সাধারণত মাওয়ালিরা অনারব মুসলিম। নব্য মুসলিম হওয়ায় তাদের প্রতি উমাইয়া বংশের শাসকদের দৃষ্টিভঙ্গি ছিল নেতিবাচক। এজন্য তাদেরকে বৈষম্যমূলক খারাজ ও জিজিয়া কর দিতে হতো। একমাত্র উমর বিন আবদুল আজিজ এ ধরনের বৈষম্যমূলক কর হতে তাদেরকে মুক্তি দেন।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত ড. মুহাম্মদ মুরসির শাসনব্যবস্থার সাথে আমার পঠিত উমাইয়া খলিফা উমর বিন আবদুল আজিজের শাসনব্যবস্থার মিল রয়েছে। উদ্দীপকে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত হয়ে ড. মুরসি মিশরের রাষ্ট্রক্ষমতা লাভ করেন। শাসনক্ষমতা লাভের পর তিনি ইসলামি শাসনব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠাকল্পে তিনি কতিপয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। দমননীতি ও রাজ্য বিস্তার নীতি পরিত্যাগ করে তিনি শান্তি নীতি গ্রহণ করেন। এসব কর্মকান্ড উমাইয়া খলিফা উমর বিন আবদুল আজিজের কর্মকান্ডের সাথে মিল রয়েছে। তিনি মনে করতেন, ইসলামের অনুশাসনের মাধ্যমে প্রজাদের নৈতিক, আধ্যাত্মিক ও বৈষয়িক উন্নতি সম্ভব। এছাড়া তিনি মনে করতেন যে, আল্লাহ তাঁর রাসুলকে কর আদায়কারী হিসেবে নয়, ধর্মপ্রচারক হিসেবে প্রেরণ করেছিলেন। আরব মুসলমানদের ন্যায় তিনি মাওয়ালিদের ওপর থেকে যাবতীয় কর মওকুফ করেন। এর ফলে ইরাক, খোরাসান ও ইফরিকিয়ায় দলে দলে লোক ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। তার ধর্মীয় উদারনীতির ফলে মার্ড, নিশাপুর, খোরাসান, খাওয়ারিজম প্রভৃতি স্থানে ইসলামি শিক্ষা ও সভ্যতার কেন্দ্রস্থলে পরিণত হয়। তিনি খ্রিষ্টানদের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন। পূর্ববর্তী খলিফাদের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত গির্জাগুলো তিনি সংস্কারের ব্যবস্থা করেন। খ্রিষ্টানদের কোনো ধর্মশালা যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এবং তারা যেন ধর্মীয় স্বাধীনতা ভোগ করতে পারে এবং এ ব্যাপারে 'তিনি পূর্ণ সচেতন ছিলেন। তিনি খারেজি, শিয়াসহ সকল সম্প্রদায়ের প্রতি দমন নীতি পরিহার করেন এবং তার সময়ে রাজ্যবিস্তারের চেয়ে ধর্ম প্রচারে বেশি মনোযোগ দেওয়া হয়। অতএব উদ্দীপকের মুরসির কর্মকান্ড ওমর বিন আব্দুল আজিজের কর্মকান্ডের অনুরূপ।

উত্তর

না, আমি মনে করি উক্ত শাসক অর্থাৎ উমাইয়া খলিফা আব্দুল আজিজের নীতিসমূহ উমাইয়া বংশের পতনের জন্য সম্পূর্ণ দায়ী ছিলেন না। নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে খলিফা উমর বিন আবদুল আজিজের শাসনকালের প্রত্যকটি দিক বিবেচনা করলে উমাইয়া বংশের পতনের জন্য খলিফা দ্বিতীয় উমর পুরোপুরি দায়ী নন। তিনি মাওয়ালিদের ওপর অন্যায়ভাবে আরোপ করা জিজিয়া ও খারাজ রহিত করেছিলেন। এর ফলে দলে দলে মানুষ ইসলাম গ্রহণ করে এবং খারাজ ও জিজিয়া প্রদান থেকে অব্যাহতি পায়। এজন্য রাজস্ব আয় কমে যায় এবং অর্থের অভাবে সেনাবাহিনী দুর্বল হয়ে পড়ে। একারণে অনেকে তাকে উমাইয়া বংশের পতনের জন্য দায়ী করে। কিন্তু তা পুরোপুরি সঠিক নয়। কেননা তার উত্তরাধিকারিগণ যদি তার অনুসৃত নীতি অনুসরণ করত, তাহলে মাওয়ালি, হাশেমি ও আলীর সমর্থকগণ কখনো উমাইয়া বিরোধী আন্দোলনে যোগ দিত না। ফলে উমাইয়াদেরও হয়ত পতন হতো না। তিনি উমাইয়া, হাশেমি, আরব-অনারব, হিমারীয়-মুদারীয় দ্বন্দ্ব নিরসন করার চেষ্টা করেন এবং অনেকাংশে সফল হন। উইলিয়াম মুর বলেন, "উমরের রাজত্বকালে কোনো চাঞ্চল্যকর ঘটনা না থাকলেও আকর্ষণীয় ঘটনার অভাব ছিল না।” রক্তপাত, ষড়যন্ত্র এবং বিশ্বাসঘাতকতার বিভীষিকার মধ্যে তার শাসনকাল উপশমের ভূমিকা পালন করেছে। তার নিরপেক্ষতার জন্য উমাইয়া বংশের ষড়যন্ত্রকারীরা তার মৃত্যুকে ত্বরান্বিত করলে এর জন্য তার নীতি দায়ী নয়, ষড়যন্ত্রকারীরা দায়ী ছিল। খালিফা উমর বিন আব্দুল আজিজকে উমাইয়া বংশ পতনে দায়ী করে যেসব অভিযোগ উত্থাপন করা হয় সেগুলোর ঐতিহাসিক সত্যতা পাওয়া যায়নি। কারণ তার তিরোধানের পর যদি তার নীতি অনুসৃত হতো, তাহলে আলীর সমর্থক ও আব্বাসিরা সহজেই ক্ষুব্ধ হতো না। তাদের আন্দোলনের জন্য দায়ী পরবর্তী দুর্বল শাসকেরা, খলিফা উমর বিন আব্দুল আজিজ নন।
HSCIslamic History 1st paperChapter 4 : উমাইয়া খিলাফত
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

"জন্ম হোক যথা তথা কর্ম হোক ভালো"- কথাটি শাহরিয়ার তুষার ছোট বেলা থেকেই গভীরভাবে বিশ্বাস করতেন। তিনি ছাত্রজীবনে ছিলেন তুখোড় ছাত্রনেতা। দেশের প্রধানমন্ত্রী মেধাবী তুষারের গুণে মুগ্ধ হয়ে তার সাথে নিজ মেয়ের বিয়ে দেন। অনেক দামি দামি স্বর্ণালংকার দেন মেয়েকে। জনগণের ব্যাপক সমর্থনে তুষার এবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। তিনি তার স্ত্রীকে আদেশ দিলেন, তাঁর পিতার দেয়া দামি দামি স্বর্ণালংকার রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে কেননা ওগুলো জনগণের টাকায় কেনা ছিল। তবে তাঁর গৃহীত নীতি, তাঁর বংশের ভিত্তিকে দুর্বল করে দিয়েছিল।

Rajshahi · 2017

ক
উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?
খ
কারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে শাহরিয়ার তুষারের সাথে উমাইয়া যুগের কোন খলিফার চরিত্রের মিল পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
তিনি কি উমাইয়া খিলাফত পতনের জন্য দায়ী ছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

"জন্ম হোক যথা তথা কর্ম হোক ভালো"- কথাটি শাহরিয়ার তুষার ছোট বেলা থেকেই গভীরভাবে বিশ্বাস করতেন। তিনি ছাত্রজীবনে ছিলেন তুখোড় ছাত্রনেতা। দেশের প্রধানমন্ত্রী মেধাবী তুষারের গুণে মুগ্ধ হয়ে তার সাথে নিজ মেয়ের বিয়ে দেন। অনেক দামি দামি স্বর্ণালংকার দেন মেয়েকে। জনগণের ব্যাপক সমর্থনে তুষার এবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। তিনি তার স্ত্রীকে আদেশ দিলেন, তাঁর পিতার দেয়া দামি দামি স্বর্ণালংকার রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে কেননা ওগুলো জনগণের টাকায় কেনা ছিল। তবে তাঁর গৃহীত নীতি, তাঁর বংশের ভিত্তিকে দুর্বল করে দিয়েছিল।

Rajshahi · 2017

ক
উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?
খ
কারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে শাহরিয়ার তুষারের সাথে উমাইয়া যুগের কোন খলিফার চরিত্রের মিল পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
তিনি কি উমাইয়া খিলাফত পতনের জন্য দায়ী ছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.কারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?

কারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?

উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজা ধর্মপাল রাজস্ব ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় ও সমৃদ্ধ করেছিলেন। তবে তার পুত্র দেবপাল ক্ষমতায় আরোহণ করে রাজ্য বিস্তারে মনোযোগী হন। তিনি পূর্ব ও দক্ষিণে অনেকগুলো সফল অভিযানের মাধ্যমে বিশাল পাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন। দেবপালের প্রতিটি অভিযানে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করেছিলেন তার দুইজন বিশ্বস্ত মন্ত্রী ও কিছুসংখ্যক দক্ষ সেনাপতি।

Dhaka · 2017

ক
কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?
খ
খলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের রাজা ধর্মপালের সাথে খলিফা আব্দুল মালিকের কোন কর্মকাণ্ডের সামঞ্জস্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের রাজা দেবপালের মতোই খলিফা ওয়ালিদ বিন আব্দুল মালিক শ্রেষ্ঠ বিজেতা ছিলেন- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজা ধর্মপাল রাজস্ব ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় ও সমৃদ্ধ করেছিলেন। তবে তার পুত্র দেবপাল ক্ষমতায় আরোহণ করে রাজ্য বিস্তারে মনোযোগী হন। তিনি পূর্ব ও দক্ষিণে অনেকগুলো সফল অভিযানের মাধ্যমে বিশাল পাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন। দেবপালের প্রতিটি অভিযানে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করেছিলেন তার দুইজন বিশ্বস্ত মন্ত্রী ও কিছুসংখ্যক দক্ষ সেনাপতি।

Dhaka · 2017

ক
কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?
খ
খলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের রাজা ধর্মপালের সাথে খলিফা আব্দুল মালিকের কোন কর্মকাণ্ডের সামঞ্জস্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের রাজা দেবপালের মতোই খলিফা ওয়ালিদ বিন আব্দুল মালিক শ্রেষ্ঠ বিজেতা ছিলেন- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.খলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

খলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?

কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজা আলমগীর তার সাম্রাজ্যে ব্যাপক সংস্কার সাধন করেন। কেন্দ্রিয় টাকশাল স্থাপন করে নির্দিষ্ট মানের মুদ্রা চালু করেন। ফলে ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ে উপকৃত হয়। ব্যবসা বাণিজ্যেরও প্রসার ঘটে। প্রচলিত ডাক ব্যবস্থাকে আধুনিকীকরণ করেন। সাম্রাজ্যের সৌন্দর্যবৃদ্ধির জন্য সুরম্য প্রাসাদ, নান্দনিক স্মৃতিফলক প্রভৃতি নির্মাণ করেন, যা সকলের দৃষ্টি কাড়ে। এভাবে স্থাপত্য শিল্পের বিকাশে তিনি অনবদ্য ভূমিকা রাখেন।

Dhaka · 2017

ক
'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?
খ
খলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।
গ
উদ্দীপকের রাজা আলমগীরের মুদ্রা সংস্কার খলিফা আব্দুল মালিকের মুদ্রা সংস্কারের অনুরূপ- ব্যাখ্যা করো।
ঘ
স্থাপত্য শিল্পের উন্নয়নে উদ্দীপকের রাজার তুলনায় আব্দুল মালিকের কৃতিত্ব ছিল অনেক বেশি- উক্তিটির যথার্থতা যাচাই করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজা আলমগীর তার সাম্রাজ্যে ব্যাপক সংস্কার সাধন করেন। কেন্দ্রিয় টাকশাল স্থাপন করে নির্দিষ্ট মানের মুদ্রা চালু করেন। ফলে ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ে উপকৃত হয়। ব্যবসা বাণিজ্যেরও প্রসার ঘটে। প্রচলিত ডাক ব্যবস্থাকে আধুনিকীকরণ করেন। সাম্রাজ্যের সৌন্দর্যবৃদ্ধির জন্য সুরম্য প্রাসাদ, নান্দনিক স্মৃতিফলক প্রভৃতি নির্মাণ করেন, যা সকলের দৃষ্টি কাড়ে। এভাবে স্থাপত্য শিল্পের বিকাশে তিনি অনবদ্য ভূমিকা রাখেন।

Dhaka · 2017

ক
'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?
খ
খলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।
গ
উদ্দীপকের রাজা আলমগীরের মুদ্রা সংস্কার খলিফা আব্দুল মালিকের মুদ্রা সংস্কারের অনুরূপ- ব্যাখ্যা করো।
ঘ
স্থাপত্য শিল্পের উন্নয়নে উদ্দীপকের রাজার তুলনায় আব্দুল মালিকের কৃতিত্ব ছিল অনেক বেশি- উক্তিটির যথার্থতা যাচাই করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.খলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।

খলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?

'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

তিনি কি উমাইয়া খিলাফত পতনের জন্য দায়ী ছিলেন? ব্যাখ্যা করো।উদ্দীপকে শাহরিয়ার তুষারের সাথে উমাইয়া যুগের কোন খলিফার চরিত্রের মিল পাওয়া যায়? বকারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?উদ্দীপকের রাজা দেবপালের মতোই খলিফা ওয়ালিদ বিন আব্দুল মালিক শ্রেষ্ঠ বিজেতা ছিলেন-উদ্দীপকের রাজা ধর্মপালের সাথে খলিফা আব্দুল মালিকের কোন কর্মকাণ্ডের সামঞ্জস্য রয়েখলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?স্থাপত্য শিল্পের উন্নয়নে উদ্দীপকের রাজার তুলনায় আব্দুল মালিকের কৃতিত্ব ছিল অনেক উদ্দীপকের রাজা আলমগীরের মুদ্রা সংস্কার খলিফা আব্দুল মালিকের মুদ্রা সংস্কারের অনুখলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।

তুমি কি মনে কর উক্ত শাসকের নীতিসমূহ উমাইয়া বংশের পতনের জন্য দায়ী ছি… | Prosthuti