শেয়ারFacebookWhatsApp

“আকবর সাহেব-ইউমাইয়া বংশের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা"- মতামত প্রদান করো ।

উত্তর: আকবর সাহেবের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ শাসক অর্থাৎ খলিফা আবদুল মালিক হলেন উমাইয়া বংশের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা। উদ্দীপকে লক্ষ করা যায়, রাজস্ব প্রশাসনের সংস্কার, ডাক বিভাগের উন্নতি বিধান, নানা বিদ্রোহী জনগোষ্ঠীকে দমনের পাশাপাশি সরকার বাংলা ভাষার উন্নতিতেও নিরবিচ্ছিন্ন কাজ করছে। একইভাবে উমাইয়া খলিফা আবদুল মালিকও আরবি ভাষার উন্নতির পাশাপাশি রাজস্ব প্রশাসনের সংস্কার, ডাক বিভাগের উন্নতি, এবং বিভিন্ন বিদ্রোহ দমনে যথেষ্ট যোগ্যতা ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন । খলিফা আবদুল মালিক রাজস্ব সংস্কারের মাধ্যমে রাজ্যে বিরাজমান অর্থনৈতিক স্থবিরতা কাটানোর জন্য কিছু নীতি গ্রহণ করেন। এ নীতিগুলোর মধ্যে ছিল ইসলাম গ্রহণ করলেও মাওয়ালিদের জিজিয়া ও খারাজ দিতে হবে, সেনাবাহিনীতে যোগ দিলেও সৈন্যরা গ্রামে গিয়ে স্ব-স্ব পেশায় নিযুক্ত হতে হবে। মুসলমানরা জমি ক্রয় করলে আগের মতো কর দিতে হবে এবং অনাবাদি জমি ও জলাভূমির জল নিষ্কাশন করে সেগুলো চাষ করতে হবে। খলিফা আবদুল মালিক ডাক বিভাগের সংস্কারের জন্য পারসিকদের পদ্ধতি অনুযায়ী ডাক চালান প্রথার প্রচলন করেন। তিনি সাম্রাজ্যের বড় রাস্তার পাশে ডাকচৌকি নির্মাণ করেন। তার এ ডাক বিভাগ সরকারি চিঠিপত্র, আদেশ-নিষেধ আদান-প্রদান, সরকারি কর্মচারীদের স্থানান্তর, যুদ্ধক্ষেত্রে দ্রুত সৈন্য ও রসদ সরবরাহ এবং গোয়েন্দা বিভাগের কাজ সম্পাদন করত। তিনি সাম্রাজ্যে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায়ও অসামান্য ভূমিকা রাখেন। এছাড়াও খলিফা আবদুল মালিক কঠোরহস্তে বিদ্রোহীদের দমন করেন। তিনি সিংহাসনের দাবিদার খালিদ বিন ইয়াজিদকে স্বীয় দলভুক্ত এবং আমর বিন যাইদকে কৌশলে রাজপ্রাসাদে আহ্বান করে স্বহস্তে হত্যা করেন। মুসাবকে তিনি যুদ্ধের মাধ্যমে পরাজিত ও নিহত করেন। এরপর তিনি বার্বার নেতা কোমেইলার ও কাহিনার বিদ্রোহ দমন করেন । সার্বিক আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, উমাইয়া খলিফা আবদুল মালিক বিভিন্ন সংস্কার সাধন এবং সাম্রাজ্যে বিদ্রোহীদের দমনের ক্ষেত্রে অপরিসীম কৃতিত্বের পরিচয় দিয়েছেন। তাই তাকে উমাইয়া বংশের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা বলা হয় ।

HSC Islamic History 1st paper Chapter 4 : উমাইয়া খিলাফত CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 1st paper · Chapter 4 : উমাইয়া খিলাফত · সৃজনশীল

“আকবর সাহেব-ইউমাইয়া বংশের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা"- মতামত প্রদান করো ।

উদ্দীপক

আকবর সাহেবকে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েই সংকটময় রাজনৈতিক পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে হয়েছে। তার শাসনামলের তিনটি মূল বৈশিষ্ট্য ছিল। তিনি দৃঢ় হস্তে বিভিন্ন বিদ্রোহ দমন করেন। তিনি আরবী ভাষাকে রাষ্ট্রীয় ভাষার মর্যাদা দান করেন। আরবি লিপির উৎকর্ষ সাধন, আরবি মুদ্রা প্রচলন এবং ডাক বিভাগের সংস্কার তার শাসনামলের অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক ।

উত্তর

৬৬১ খ্রিষ্টাব্দে মুয়াবিয়া খিলাফতে অধিষ্ঠিত হন ।

উত্তর

শাসনকার্যের সুবিধার জন্য খলিফা মুয়াবিয়া কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক রাজধানীতে সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করেন । মুয়াবিয়ার সময় কেন্দ্রীয় সচিবালয়ে আরবি ভাষায় এবং প্রাদেশিক সচিবালয়গুলোতে আরবি, গ্রিক ও ফারসি ভাষার মাধ্যমে শাসনকার্য পরিচালনা করা হতো। কেন্দ্রীয় সচিবালয় প্রাদেশিক সচিবালয়গুলোর কার্যক্রমের ওপর নজরদারি করত। প্রাদেশিক সচিবালয়গুলোর কার্য পরিচালিত হতো কেন্দ্রীয় সচিবালয়ের নির্দেশে ।

উত্তর

উদ্দীপকের আকবর সাহেবের শাসনকাজের সাথে উমাইয়া খলিফা আবদুল মালিকের মিল রয়েছে। খলিফা আবদুল মালিকের শাসনকালকে উমাইয়া যুগের শ্রেষ্ঠ সংস্কারমূলক শাসনকাল বলা হয়। তিনি সিংহাসনে আরোহণ করেই সংস্কারমূলক অনেকগুলো পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। উদ্দীপকের খলিফার মধ্যেও এরূপ সংস্কার প্রতিফলিত হয়েছে। খলিফা আবদুল মালিক রাষ্ট্রে আরব জাতীয় সংহতি বৃদ্ধি ও সুষ্ঠু শাসন ব্যবস্থা প্রচলনের জন্য সালেহ বিন আবদুর রহমান নামে জনৈক বিশিষ্ট পারসিক মুসলমানের পরামর্শে সরকারি কাজে আরবি ভাষা ব্যবহারের নির্দেশ দেন। আরবি রাষ্ট্রীয় ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি লাভের পর আরব অনারব সকলের কাছে এর পঠন সহজ করণার্থে তিনি আরবি হরফে হরকত ও নোকতার প্রবর্তন করেন। বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় সমস্যা সমাধানের জন্য আবদুল মালিক খাঁটি আরবি মুদ্রা প্রচলন করেন। এজন্য তিনি ৬৯৫ খ্রিষ্টাব্দে দামেস্কে একটি টাকশাল নির্মাণ করে দিনার, দিরহাম ও ফালুস নামে স্বর্ণ, রৌপ্য ও তাম্রমুদ্রার প্রচলন করেন। আবদুল মালিক রাজস্ব, সংস্কারের জন্য মাওয়ালিদের ওপর জিজিয়া ও খারাজ কর বাধ্যতামূলক করেন। চাষাবাদের সুবিধার জন্য তিনি সেচ সুবিধা এবং সংস্কার, রেজিস্ট্রি বিভাগের সংস্কার এবং বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠা ও খাল খননের ব্যবস্থা করেন। এছাড়াও আবদুল মালিক ডাক বিভাগের সংস্কার করে ইতিহাসে বিখ্যাত হয়ে আছেন । উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, আবদুল মালিকের শাসন আমলে প্রভূত সংস্কার সাধন হয়। সে জন্য তার নাম ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছে ।

উত্তর

আকবর সাহেবের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ শাসক অর্থাৎ খলিফা আবদুল মালিক হলেন উমাইয়া বংশের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা। উদ্দীপকে লক্ষ করা যায়, রাজস্ব প্রশাসনের সংস্কার, ডাক বিভাগের উন্নতি বিধান, নানা বিদ্রোহী জনগোষ্ঠীকে দমনের পাশাপাশি সরকার বাংলা ভাষার উন্নতিতেও নিরবিচ্ছিন্ন কাজ করছে। একইভাবে উমাইয়া খলিফা আবদুল মালিকও আরবি ভাষার উন্নতির পাশাপাশি রাজস্ব প্রশাসনের সংস্কার, ডাক বিভাগের উন্নতি, এবং বিভিন্ন বিদ্রোহ দমনে যথেষ্ট যোগ্যতা ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন । খলিফা আবদুল মালিক রাজস্ব সংস্কারের মাধ্যমে রাজ্যে বিরাজমান অর্থনৈতিক স্থবিরতা কাটানোর জন্য কিছু নীতি গ্রহণ করেন। এ নীতিগুলোর মধ্যে ছিল ইসলাম গ্রহণ করলেও মাওয়ালিদের জিজিয়া ও খারাজ দিতে হবে, সেনাবাহিনীতে যোগ দিলেও সৈন্যরা গ্রামে গিয়ে স্ব-স্ব পেশায় নিযুক্ত হতে হবে। মুসলমানরা জমি ক্রয় করলে আগের মতো কর দিতে হবে এবং অনাবাদি জমি ও জলাভূমির জল নিষ্কাশন করে সেগুলো চাষ করতে হবে। খলিফা আবদুল মালিক ডাক বিভাগের সংস্কারের জন্য পারসিকদের পদ্ধতি অনুযায়ী ডাক চালান প্রথার প্রচলন করেন। তিনি সাম্রাজ্যের বড় রাস্তার পাশে ডাকচৌকি নির্মাণ করেন। তার এ ডাক বিভাগ সরকারি চিঠিপত্র, আদেশ-নিষেধ আদান-প্রদান, সরকারি কর্মচারীদের স্থানান্তর, যুদ্ধক্ষেত্রে দ্রুত সৈন্য ও রসদ সরবরাহ এবং গোয়েন্দা বিভাগের কাজ সম্পাদন করত। তিনি সাম্রাজ্যে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায়ও অসামান্য ভূমিকা রাখেন। এছাড়াও খলিফা আবদুল মালিক কঠোরহস্তে বিদ্রোহীদের দমন করেন। তিনি সিংহাসনের দাবিদার খালিদ বিন ইয়াজিদকে স্বীয় দলভুক্ত এবং আমর বিন যাইদকে কৌশলে রাজপ্রাসাদে আহ্বান করে স্বহস্তে হত্যা করেন। মুসাবকে তিনি যুদ্ধের মাধ্যমে পরাজিত ও নিহত করেন। এরপর তিনি বার্বার নেতা কোমেইলার ও কাহিনার বিদ্রোহ দমন করেন । সার্বিক আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, উমাইয়া খলিফা আবদুল মালিক বিভিন্ন সংস্কার সাধন এবং সাম্রাজ্যে বিদ্রোহীদের দমনের ক্ষেত্রে অপরিসীম কৃতিত্বের পরিচয় দিয়েছেন। তাই তাকে উমাইয়া বংশের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা বলা হয় ।
HSCIslamic History 1st paperChapter 4 : উমাইয়া খিলাফত
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

"জন্ম হোক যথা তথা কর্ম হোক ভালো"- কথাটি শাহরিয়ার তুষার ছোট বেলা থেকেই গভীরভাবে বিশ্বাস করতেন। তিনি ছাত্রজীবনে ছিলেন তুখোড় ছাত্রনেতা। দেশের প্রধানমন্ত্রী মেধাবী তুষারের গুণে মুগ্ধ হয়ে তার সাথে নিজ মেয়ের বিয়ে দেন। অনেক দামি দামি স্বর্ণালংকার দেন মেয়েকে। জনগণের ব্যাপক সমর্থনে তুষার এবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। তিনি তার স্ত্রীকে আদেশ দিলেন, তাঁর পিতার দেয়া দামি দামি স্বর্ণালংকার রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে কেননা ওগুলো জনগণের টাকায় কেনা ছিল। তবে তাঁর গৃহীত নীতি, তাঁর বংশের ভিত্তিকে দুর্বল করে দিয়েছিল।

Rajshahi · 2017

ক
উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?
খ
কারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে শাহরিয়ার তুষারের সাথে উমাইয়া যুগের কোন খলিফার চরিত্রের মিল পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
তিনি কি উমাইয়া খিলাফত পতনের জন্য দায়ী ছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

"জন্ম হোক যথা তথা কর্ম হোক ভালো"- কথাটি শাহরিয়ার তুষার ছোট বেলা থেকেই গভীরভাবে বিশ্বাস করতেন। তিনি ছাত্রজীবনে ছিলেন তুখোড় ছাত্রনেতা। দেশের প্রধানমন্ত্রী মেধাবী তুষারের গুণে মুগ্ধ হয়ে তার সাথে নিজ মেয়ের বিয়ে দেন। অনেক দামি দামি স্বর্ণালংকার দেন মেয়েকে। জনগণের ব্যাপক সমর্থনে তুষার এবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। তিনি তার স্ত্রীকে আদেশ দিলেন, তাঁর পিতার দেয়া দামি দামি স্বর্ণালংকার রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে কেননা ওগুলো জনগণের টাকায় কেনা ছিল। তবে তাঁর গৃহীত নীতি, তাঁর বংশের ভিত্তিকে দুর্বল করে দিয়েছিল।

Rajshahi · 2017

ক
উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?
খ
কারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে শাহরিয়ার তুষারের সাথে উমাইয়া যুগের কোন খলিফার চরিত্রের মিল পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
তিনি কি উমাইয়া খিলাফত পতনের জন্য দায়ী ছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.কারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?

কারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?

উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজা ধর্মপাল রাজস্ব ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় ও সমৃদ্ধ করেছিলেন। তবে তার পুত্র দেবপাল ক্ষমতায় আরোহণ করে রাজ্য বিস্তারে মনোযোগী হন। তিনি পূর্ব ও দক্ষিণে অনেকগুলো সফল অভিযানের মাধ্যমে বিশাল পাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন। দেবপালের প্রতিটি অভিযানে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করেছিলেন তার দুইজন বিশ্বস্ত মন্ত্রী ও কিছুসংখ্যক দক্ষ সেনাপতি।

Dhaka · 2017

ক
কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?
খ
খলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের রাজা ধর্মপালের সাথে খলিফা আব্দুল মালিকের কোন কর্মকাণ্ডের সামঞ্জস্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের রাজা দেবপালের মতোই খলিফা ওয়ালিদ বিন আব্দুল মালিক শ্রেষ্ঠ বিজেতা ছিলেন- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজা ধর্মপাল রাজস্ব ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় ও সমৃদ্ধ করেছিলেন। তবে তার পুত্র দেবপাল ক্ষমতায় আরোহণ করে রাজ্য বিস্তারে মনোযোগী হন। তিনি পূর্ব ও দক্ষিণে অনেকগুলো সফল অভিযানের মাধ্যমে বিশাল পাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন। দেবপালের প্রতিটি অভিযানে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করেছিলেন তার দুইজন বিশ্বস্ত মন্ত্রী ও কিছুসংখ্যক দক্ষ সেনাপতি।

Dhaka · 2017

ক
কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?
খ
খলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের রাজা ধর্মপালের সাথে খলিফা আব্দুল মালিকের কোন কর্মকাণ্ডের সামঞ্জস্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের রাজা দেবপালের মতোই খলিফা ওয়ালিদ বিন আব্দুল মালিক শ্রেষ্ঠ বিজেতা ছিলেন- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.খলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

খলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?

কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজা আলমগীর তার সাম্রাজ্যে ব্যাপক সংস্কার সাধন করেন। কেন্দ্রিয় টাকশাল স্থাপন করে নির্দিষ্ট মানের মুদ্রা চালু করেন। ফলে ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ে উপকৃত হয়। ব্যবসা বাণিজ্যেরও প্রসার ঘটে। প্রচলিত ডাক ব্যবস্থাকে আধুনিকীকরণ করেন। সাম্রাজ্যের সৌন্দর্যবৃদ্ধির জন্য সুরম্য প্রাসাদ, নান্দনিক স্মৃতিফলক প্রভৃতি নির্মাণ করেন, যা সকলের দৃষ্টি কাড়ে। এভাবে স্থাপত্য শিল্পের বিকাশে তিনি অনবদ্য ভূমিকা রাখেন।

Dhaka · 2017

ক
'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?
খ
খলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।
গ
উদ্দীপকের রাজা আলমগীরের মুদ্রা সংস্কার খলিফা আব্দুল মালিকের মুদ্রা সংস্কারের অনুরূপ- ব্যাখ্যা করো।
ঘ
স্থাপত্য শিল্পের উন্নয়নে উদ্দীপকের রাজার তুলনায় আব্দুল মালিকের কৃতিত্ব ছিল অনেক বেশি- উক্তিটির যথার্থতা যাচাই করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজা আলমগীর তার সাম্রাজ্যে ব্যাপক সংস্কার সাধন করেন। কেন্দ্রিয় টাকশাল স্থাপন করে নির্দিষ্ট মানের মুদ্রা চালু করেন। ফলে ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ে উপকৃত হয়। ব্যবসা বাণিজ্যেরও প্রসার ঘটে। প্রচলিত ডাক ব্যবস্থাকে আধুনিকীকরণ করেন। সাম্রাজ্যের সৌন্দর্যবৃদ্ধির জন্য সুরম্য প্রাসাদ, নান্দনিক স্মৃতিফলক প্রভৃতি নির্মাণ করেন, যা সকলের দৃষ্টি কাড়ে। এভাবে স্থাপত্য শিল্পের বিকাশে তিনি অনবদ্য ভূমিকা রাখেন।

Dhaka · 2017

ক
'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?
খ
খলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।
গ
উদ্দীপকের রাজা আলমগীরের মুদ্রা সংস্কার খলিফা আব্দুল মালিকের মুদ্রা সংস্কারের অনুরূপ- ব্যাখ্যা করো।
ঘ
স্থাপত্য শিল্পের উন্নয়নে উদ্দীপকের রাজার তুলনায় আব্দুল মালিকের কৃতিত্ব ছিল অনেক বেশি- উক্তিটির যথার্থতা যাচাই করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.খলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।

খলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?

'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

তিনি কি উমাইয়া খিলাফত পতনের জন্য দায়ী ছিলেন? ব্যাখ্যা করো।উদ্দীপকে শাহরিয়ার তুষারের সাথে উমাইয়া যুগের কোন খলিফার চরিত্রের মিল পাওয়া যায়? বকারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?উদ্দীপকের রাজা দেবপালের মতোই খলিফা ওয়ালিদ বিন আব্দুল মালিক শ্রেষ্ঠ বিজেতা ছিলেন-উদ্দীপকের রাজা ধর্মপালের সাথে খলিফা আব্দুল মালিকের কোন কর্মকাণ্ডের সামঞ্জস্য রয়েখলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?স্থাপত্য শিল্পের উন্নয়নে উদ্দীপকের রাজার তুলনায় আব্দুল মালিকের কৃতিত্ব ছিল অনেক উদ্দীপকের রাজা আলমগীরের মুদ্রা সংস্কার খলিফা আব্দুল মালিকের মুদ্রা সংস্কারের অনুখলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।