শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের শাসকের সাথে খলিফা ওমর বিন আবদুল আজিজ— এর কর্মকাণ্ডের মিল কোথায় ? ব্যাখ্যা করো ।

উত্তর: উদ্দীপকের শাসকের সাথে খলিফা ওমর বিন আবদুল আজিজ-এর জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মিল রয়েছে। খলিফা ওমর বিন আবদুল আজিজ তার পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকল উমাইয়া শাসক থেকে চারিত্রিক গুণাবলি, ধর্ম পালন ও শাসনকার্যে একেবারেই পৃথক ছিলেন। তিনি ধার্মিক, দয়ালু, সুবিচারক, উদার, সরল ও শান্তি প্রিয় মানুষ ছিলেন। তিনি দুর্নীতিমুক্ত শাসন ব্যবস্থা প্রণয়ন করেন। জনগণের ওপর থেকে অতিরিক্ত কর রহিত করেন এবং ইসলাম ধর্ম প্রচারে বিশেষ অবদান রাখেন। উদ্দীপকের মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের ক্ষেত্রেও এ বিষয়গুলো লক্ষণীয়। উদ্দীপকের শাসক আওরঙ্গজেবের কর্মকাণ্ডের সাথে উমাইয়া খলিফা ওমর বিন আবদুল আজিজের কর্মকাণ্ডের মিল রয়েছে। তিনিও তার পূর্ববর্তী খলিফাদের কলুষিত নীতি ত্যাগ করে দুর্নীতিমুক্ত, ন্যায়নিষ্ঠ, গোত্রপ্রীতি ও স্বজনপ্রীতিমুক্ত একটি সর্বজনীন প্রশাসন প্রতিষ্ঠার নীতি গ্রহণ করেন । তিনি মাওয়ালিদের (অনারব মুসলিম) ওপর থেকে জিজিয়া ও খারাজ প্রত্যাহার করেন। মুসলমানদেরকে তিনি যাকাত ও. উশর প্রদানের নির্দেশ দেন। এছাড়া তিনি ইসলামের প্রচারকল্পে ঘোষণা দেন যে, যে ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করবে তাকে খারাজ ও জিজিয়া থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে। সুতরাং বলা যায় যে, মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের সাথে উমাইয়া খলিফা উমর বিন আবদুল আজিজের দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন প্রতিষ্ঠা, রাজস্ব সংস্কার এবং ইসলাম প্রচারমূলক কর্মকাণ্ডের মিল বিদ্যমান ।

HSC Islamic History 1st paper Chapter 4 : উমাইয়া খিলাফত CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 1st paper · Chapter 4 : উমাইয়া খিলাফত · সৃজনশীল

উদ্দীপকের শাসকের সাথে খলিফা ওমর বিন আবদুল আজিজ— এর কর্মকাণ্ডের মিল …

উদ্দীপক

মুঘল সাম্রাজ্যের শেষ শাসক আওরঙ্গজেব একজন ন্যায়পরায়ণ শাসক হিসেবে দুর্নীতি, অনৈসলামিক ও অনৈতিক কাজ নিষিদ্ধ করেন। তিনি সর্বজনীন প্রশাসন প্রতিষ্ঠার নীতি গ্রহণ করেন। তিনি তার সময়ের প্রায় ৮০ প্রকার বেআইনি কর রহিত করেন। তিনি যাকাত, উশর ইত্যাদি মুসলমানদের জন্য বাধ্যতামূলক করেন এবং অমুসলিমদের জন্য জিজিয়া কর পুনঃপ্রবর্তন করেন। এছাড়া ধর্মতত্ত্ব ও ইসলামি শিক্ষার প্রসারে তিনি নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তবে তিনি দাক্ষিণাত্য অভিযান পরিচালনা করতে গিয়ে অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিলেন। আর এ দাক্ষিণাত্য অভিযানেই অনেক মন্দির ধ্বংস করা হয় এবং মন্দিরের ধন-সম্পদ লুট করা হয়।

উত্তর

মুয়াবিয়াকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়।

উত্তর

ইরাকের বন্দিদের মুক্তিদানের জন্য খলিফা সুলায়মানকে আশীর্বাদের চাবি বলা হয় । উমাইয়া শাসনামলে ইরাকের শাসনকর্তা হাজ্জাজ বিন ইউসুফ কুফা ও বসরায় ইসলামের চতুর্থ খলিফা হযরত আলি (রা)-এর অনুসারীদের বিদ্রোহ দমন করেন। এ সময় তিনি হাজার হাজার মানুষকে বন্দি করে কারাগারে নিক্ষেপ করেন। খলিফা সুলায়মান ক্ষমতায় আরোহণের পর হাজ্জাজের বন্দিকৃত কয়েদিদের মুক্ত করে দেন। এ কারণে তাকে মিফতাহুল খায়র বা আশীর্বাদের চাবি বলা হয় ।

উত্তর

উদ্দীপকের শাসকের সাথে খলিফা ওমর বিন আবদুল আজিজ-এর জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মিল রয়েছে। খলিফা ওমর বিন আবদুল আজিজ তার পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকল উমাইয়া শাসক থেকে চারিত্রিক গুণাবলি, ধর্ম পালন ও শাসনকার্যে একেবারেই পৃথক ছিলেন। তিনি ধার্মিক, দয়ালু, সুবিচারক, উদার, সরল ও শান্তি প্রিয় মানুষ ছিলেন। তিনি দুর্নীতিমুক্ত শাসন ব্যবস্থা প্রণয়ন করেন। জনগণের ওপর থেকে অতিরিক্ত কর রহিত করেন এবং ইসলাম ধর্ম প্রচারে বিশেষ অবদান রাখেন। উদ্দীপকের মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের ক্ষেত্রেও এ বিষয়গুলো লক্ষণীয়। উদ্দীপকের শাসক আওরঙ্গজেবের কর্মকাণ্ডের সাথে উমাইয়া খলিফা ওমর বিন আবদুল আজিজের কর্মকাণ্ডের মিল রয়েছে। তিনিও তার পূর্ববর্তী খলিফাদের কলুষিত নীতি ত্যাগ করে দুর্নীতিমুক্ত, ন্যায়নিষ্ঠ, গোত্রপ্রীতি ও স্বজনপ্রীতিমুক্ত একটি সর্বজনীন প্রশাসন প্রতিষ্ঠার নীতি গ্রহণ করেন । তিনি মাওয়ালিদের (অনারব মুসলিম) ওপর থেকে জিজিয়া ও খারাজ প্রত্যাহার করেন। মুসলমানদেরকে তিনি যাকাত ও. উশর প্রদানের নির্দেশ দেন। এছাড়া তিনি ইসলামের প্রচারকল্পে ঘোষণা দেন যে, যে ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করবে তাকে খারাজ ও জিজিয়া থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে। সুতরাং বলা যায় যে, মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের সাথে উমাইয়া খলিফা উমর বিন আবদুল আজিজের দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন প্রতিষ্ঠা, রাজস্ব সংস্কার এবং ইসলাম প্রচারমূলক কর্মকাণ্ডের মিল বিদ্যমান ।

উত্তর

উদ্দীপকটি অনেকাংশেই উক্ত শাসকের অর্থাৎ উমর বিন আবদুল আজিজের কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করে না— উক্তিটি যথার্থ । উদ্দীপকে লক্ষ করা যায় যে, মুঘল সম্রাট দাক্ষিণাত্যে সমর অভিযান পরিচালনা করতে গিয়ে অস্ত্র হাতে নিয়েছেন । এই দাক্ষিণাত্য অভিযানের সময় অনেক মন্দির ধ্বংস এবং মন্দিরের ধন-সম্পদ লুট করা হয়। এই বিষয়গুলোর সাথে উমাইয়া খলিফা ওমর বিন আবদুল আজিজের কর্মকাণ্ডের বৈসাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়। আবদুল আজিজ তার শাসনামলে কোনো সামরিক অভিযান পরিচালনা করেননি এবং কোনো মন্দিরও ধ্বংস করেননি খলিফা ওমর বিন আবদুল আজিজ সাম্রাজ্যবাদী নীতি পরিহার করেন। এ কারণে তিনি সাম্রাজ্য বিস্তারের জন্য কোনো সামরিক অভিযান প্রেরণ করেননি। বরং তিনি পূর্বে পরিচালিত অভিযানসমূহ বন্ধ করে দেন। এ সময় মুসলিম সেনাবাহিনী কনস্টান্টিনোপল বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে এসে পৌছালেও তিনি সেখান থেকে অবরোধ তুলে নেন । তিনি সাম্রাজ্যবাদী নীতি পরিহার করে সাম্রাজ্যে সংহতি বিধানে মনোযোগ দেন। এছাড়া তিনি গোঁড়া, মুসলিম হলেও আওরঙ্গজেবের মতো কোনো মন্দির ধ্বংস করেননি। তিনি নিজেকে খলিফার চেয়ে মুসলমান ভাবতে বেশি পছন্দ করতেন। তিনি ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিতদের বিশেষ সুবিধা প্রদানের ঘোষণা দিলে পারস্য, ইফরিকিয়া (উত্তর আফ্রিকা) মিসর প্রভৃতি অঞ্চলের বহুলোক ইসলাম গ্রহণে উদ্বুদ্ধ হয়। তিনি মুসলমানদের বিশেষ সুযোগ সুবিধা দিলেও অমুসলিমদের প্রতি অবিচার করেননি। তার শাসনকালে নতুন মন্দির এবং গির্জা নির্মাণ নিষিদ্ধ থাকলেও পুরোনোগুলো ধ্বংস করা হয়নি। পরিশেষে বলা যায় যে, উদ্দীপকের মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের সাথে উমাইয়া খলিফা ওমর বিন আবদুল আজিজের কিছু ক্ষেত্রে মিল থাকলেও সাম্রাজ্যবাদী নীতি এবং অমুসলিম নীতির ক্ষেত্রে উভয়ের মধ্যে কোনো মিল নেই ।
HSCIslamic History 1st paperChapter 4 : উমাইয়া খিলাফত
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

"জন্ম হোক যথা তথা কর্ম হোক ভালো"- কথাটি শাহরিয়ার তুষার ছোট বেলা থেকেই গভীরভাবে বিশ্বাস করতেন। তিনি ছাত্রজীবনে ছিলেন তুখোড় ছাত্রনেতা। দেশের প্রধানমন্ত্রী মেধাবী তুষারের গুণে মুগ্ধ হয়ে তার সাথে নিজ মেয়ের বিয়ে দেন। অনেক দামি দামি স্বর্ণালংকার দেন মেয়েকে। জনগণের ব্যাপক সমর্থনে তুষার এবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। তিনি তার স্ত্রীকে আদেশ দিলেন, তাঁর পিতার দেয়া দামি দামি স্বর্ণালংকার রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে কেননা ওগুলো জনগণের টাকায় কেনা ছিল। তবে তাঁর গৃহীত নীতি, তাঁর বংশের ভিত্তিকে দুর্বল করে দিয়েছিল।

Rajshahi · 2017

ক
উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?
খ
কারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে শাহরিয়ার তুষারের সাথে উমাইয়া যুগের কোন খলিফার চরিত্রের মিল পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
তিনি কি উমাইয়া খিলাফত পতনের জন্য দায়ী ছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

"জন্ম হোক যথা তথা কর্ম হোক ভালো"- কথাটি শাহরিয়ার তুষার ছোট বেলা থেকেই গভীরভাবে বিশ্বাস করতেন। তিনি ছাত্রজীবনে ছিলেন তুখোড় ছাত্রনেতা। দেশের প্রধানমন্ত্রী মেধাবী তুষারের গুণে মুগ্ধ হয়ে তার সাথে নিজ মেয়ের বিয়ে দেন। অনেক দামি দামি স্বর্ণালংকার দেন মেয়েকে। জনগণের ব্যাপক সমর্থনে তুষার এবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। তিনি তার স্ত্রীকে আদেশ দিলেন, তাঁর পিতার দেয়া দামি দামি স্বর্ণালংকার রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে কেননা ওগুলো জনগণের টাকায় কেনা ছিল। তবে তাঁর গৃহীত নীতি, তাঁর বংশের ভিত্তিকে দুর্বল করে দিয়েছিল।

Rajshahi · 2017

ক
উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?
খ
কারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে শাহরিয়ার তুষারের সাথে উমাইয়া যুগের কোন খলিফার চরিত্রের মিল পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
তিনি কি উমাইয়া খিলাফত পতনের জন্য দায়ী ছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.কারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?

কারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?

উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজা ধর্মপাল রাজস্ব ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় ও সমৃদ্ধ করেছিলেন। তবে তার পুত্র দেবপাল ক্ষমতায় আরোহণ করে রাজ্য বিস্তারে মনোযোগী হন। তিনি পূর্ব ও দক্ষিণে অনেকগুলো সফল অভিযানের মাধ্যমে বিশাল পাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন। দেবপালের প্রতিটি অভিযানে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করেছিলেন তার দুইজন বিশ্বস্ত মন্ত্রী ও কিছুসংখ্যক দক্ষ সেনাপতি।

Dhaka · 2017

ক
কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?
খ
খলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের রাজা ধর্মপালের সাথে খলিফা আব্দুল মালিকের কোন কর্মকাণ্ডের সামঞ্জস্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের রাজা দেবপালের মতোই খলিফা ওয়ালিদ বিন আব্দুল মালিক শ্রেষ্ঠ বিজেতা ছিলেন- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজা ধর্মপাল রাজস্ব ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় ও সমৃদ্ধ করেছিলেন। তবে তার পুত্র দেবপাল ক্ষমতায় আরোহণ করে রাজ্য বিস্তারে মনোযোগী হন। তিনি পূর্ব ও দক্ষিণে অনেকগুলো সফল অভিযানের মাধ্যমে বিশাল পাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন। দেবপালের প্রতিটি অভিযানে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করেছিলেন তার দুইজন বিশ্বস্ত মন্ত্রী ও কিছুসংখ্যক দক্ষ সেনাপতি।

Dhaka · 2017

ক
কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?
খ
খলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের রাজা ধর্মপালের সাথে খলিফা আব্দুল মালিকের কোন কর্মকাণ্ডের সামঞ্জস্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের রাজা দেবপালের মতোই খলিফা ওয়ালিদ বিন আব্দুল মালিক শ্রেষ্ঠ বিজেতা ছিলেন- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.খলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

খলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?

কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজা আলমগীর তার সাম্রাজ্যে ব্যাপক সংস্কার সাধন করেন। কেন্দ্রিয় টাকশাল স্থাপন করে নির্দিষ্ট মানের মুদ্রা চালু করেন। ফলে ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ে উপকৃত হয়। ব্যবসা বাণিজ্যেরও প্রসার ঘটে। প্রচলিত ডাক ব্যবস্থাকে আধুনিকীকরণ করেন। সাম্রাজ্যের সৌন্দর্যবৃদ্ধির জন্য সুরম্য প্রাসাদ, নান্দনিক স্মৃতিফলক প্রভৃতি নির্মাণ করেন, যা সকলের দৃষ্টি কাড়ে। এভাবে স্থাপত্য শিল্পের বিকাশে তিনি অনবদ্য ভূমিকা রাখেন।

Dhaka · 2017

ক
'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?
খ
খলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।
গ
উদ্দীপকের রাজা আলমগীরের মুদ্রা সংস্কার খলিফা আব্দুল মালিকের মুদ্রা সংস্কারের অনুরূপ- ব্যাখ্যা করো।
ঘ
স্থাপত্য শিল্পের উন্নয়নে উদ্দীপকের রাজার তুলনায় আব্দুল মালিকের কৃতিত্ব ছিল অনেক বেশি- উক্তিটির যথার্থতা যাচাই করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজা আলমগীর তার সাম্রাজ্যে ব্যাপক সংস্কার সাধন করেন। কেন্দ্রিয় টাকশাল স্থাপন করে নির্দিষ্ট মানের মুদ্রা চালু করেন। ফলে ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ে উপকৃত হয়। ব্যবসা বাণিজ্যেরও প্রসার ঘটে। প্রচলিত ডাক ব্যবস্থাকে আধুনিকীকরণ করেন। সাম্রাজ্যের সৌন্দর্যবৃদ্ধির জন্য সুরম্য প্রাসাদ, নান্দনিক স্মৃতিফলক প্রভৃতি নির্মাণ করেন, যা সকলের দৃষ্টি কাড়ে। এভাবে স্থাপত্য শিল্পের বিকাশে তিনি অনবদ্য ভূমিকা রাখেন।

Dhaka · 2017

ক
'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?
খ
খলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।
গ
উদ্দীপকের রাজা আলমগীরের মুদ্রা সংস্কার খলিফা আব্দুল মালিকের মুদ্রা সংস্কারের অনুরূপ- ব্যাখ্যা করো।
ঘ
স্থাপত্য শিল্পের উন্নয়নে উদ্দীপকের রাজার তুলনায় আব্দুল মালিকের কৃতিত্ব ছিল অনেক বেশি- উক্তিটির যথার্থতা যাচাই করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.খলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।

খলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?

'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

তিনি কি উমাইয়া খিলাফত পতনের জন্য দায়ী ছিলেন? ব্যাখ্যা করো।উদ্দীপকে শাহরিয়ার তুষারের সাথে উমাইয়া যুগের কোন খলিফার চরিত্রের মিল পাওয়া যায়? বকারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?উদ্দীপকের রাজা দেবপালের মতোই খলিফা ওয়ালিদ বিন আব্দুল মালিক শ্রেষ্ঠ বিজেতা ছিলেন-উদ্দীপকের রাজা ধর্মপালের সাথে খলিফা আব্দুল মালিকের কোন কর্মকাণ্ডের সামঞ্জস্য রয়েখলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?স্থাপত্য শিল্পের উন্নয়নে উদ্দীপকের রাজার তুলনায় আব্দুল মালিকের কৃতিত্ব ছিল অনেক উদ্দীপকের রাজা আলমগীরের মুদ্রা সংস্কার খলিফা আব্দুল মালিকের মুদ্রা সংস্কারের অনুখলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।