শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে উল্লিখিত বাংলা ভাষার দাপ্তরিক ব্যবহার কোন উমাইয়া শাসকের কার্যক্রমের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত বাংলা ভাষার দাপ্তরিক ব্যবহার আবদুল মালিকের রাষ্ট্রীয় কাজে আরবি ভাষা প্রচলনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। খলিফা আবদুল মালিক রাষ্ট্রকে জাতীয়করণ এবং সুষ্ঠু শাসনব্যবস্থা প্রবর্তনের জন্য আগে থেকে চালুকৃত ফারসি, সিরীয় ও গ্রিকসহ প্রচলিত বিভিন্ন ভাষার পরিবর্তে আরবিকে রাষ্ট্র ভাষার মর্যাদা দেন। এর বাস্তবায়ন ও সর্বত্র আরবির প্রচলন সহজসাধ্য ছিল না। কেননা আরবি ছিল বেদুইনদের ভাষা। তারপরও আরবি ভাষায় উৎকর্ষ সাধন, আরবিকে বিশ্বজনীন ভাষায় রূপান্তরের কঠিন কাজটি তিনি দক্ষতার সাথে সম্পন্ন করেন। উদ্দীপকেও এ ঘটনার দৃশ্যপট অঙ্কিত হয়েছে। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, মাতৃভাষা রক্ষায় বাঙালিরা জীবন দিয়েছে। সেই বিষয়টি মাথায় রেখে বাংলা ভাষাকে সরকারি অফিস-আদালতের দাপ্তরিক ভাষার মর্যাদা দেয়। তাছাড়া বাংলা ভাষার উন্নয়নের জন্য একটি একাডেমি প্রতিষ্ঠা করে। অনুরূপভাবে আবদুল মালিকও সালেহ বিন আবদুর রহমান নামে জনৈক পারসিক মুসলমানের পরামর্শে সরকারি কাজে আরবি ভাষা ব্যবহারের নির্দেশ দেন। ফলে সিরিয়া ও ইরাকের প্রদেশসমূহে আরবি ভাষায় সরকারি কার্য ও হিসাবপত্র লিপিবদ্ধ রাখার নিয়ম প্রবর্তিত হয়। পরে মিসর ও পারস্যেও আরবি ভাষা সরকারি ভাষার মর্যাদা লাভ করে। এতে সাম্রাজ্যে অনারব অমুসলমানরা কর্মচ্যুত হলে তাদের জায়গায় রাষ্ট্রের বিভিন্ন বিভাগে আরব মুসলমানরা নিয়োগপ্রাপ্ত হন। এতে আরব মুসলমানদের প্রশাসনিক প্রতিভা বিকাশের পথ সুগম হয়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত বাংলা ভাষার দাপ্তরিক ব্যবহারের সাথে আবদুল মালিকের আরবি ভাষার জাতীয়করণের মিল রয়েছে।

HSC Islamic History 1st paper Chapter 4 : উমাইয়া খিলাফত CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 1st paper · Chapter 4 : উমাইয়া খিলাফত · সৃজনশীল

উদ্দীপকে উল্লিখিত বাংলা ভাষার দাপ্তরিক ব্যবহার কোন উমাইয়া শাসকের কা…

উদ্দীপক

১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে মাতৃভাষাকে রক্ষার জন্য বাঙালিরা জীবন দিয়েছিল। সেই বিষয়টি মাথায় রেখে বাংলা ভাষাকে সরকারি অফিস-আদালতের দাপ্তরিক ভাষার মর্যাদা দিয়েছে। এছাড়া বাংলা ভাষার উন্নয়নের জন্য একটি একাডেমিও প্রতিষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন পণ্ডিত ব্যক্তিদের সহায়তা নিয়ে উক্ত প্রতিষ্ঠান বাংলা ভাষার নানাবিধ সমস্যা দূর করার জন্য ভাষার উচ্চারণ ও ব্যাকরণ রীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করে।

উত্তর

পঞ্চম খলিফা বলা হয় উমাইয়া খলিফা ওমর বিন আবদুল আজিজকে।

উত্তর

খলিফা ওয়ালিদের সময়ই ইসলামি সাম্রাজ্য সবচেয়ে বেশি সম্প্রসারিত হয়। এ কারণেই তিনি মুসলমানদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ বিজেতা হিসেবে মর্যাদা লাভ করেন। খলিফা আবদুল মালিকের পুত্র আল ওয়ালিদ পিতার মতো একজন সুযোগ্য শাসক ছিলেন। ইসলামের ইতিহাসে বিজেতা হিসেবে তার নাম স্মরণীয় হয়ে আছে। তিনি সিংহাসনে আরোহণ করে এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকা মহাদেশের বহু স্থানে মুসলিম কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত করেন। তার দক্ষ সেনাপতিদের সহায়তায় ওয়ালিদের সাম্রাজ্য একদিকে আটলান্টিক মহাসাগর থেকে পিরেনিজ পর্বতমালা' এবং ভারতের সিন্ধু থেকে শুরু করে চীনের সীমান্ত পর্যন্ত বিস্তৃতি লাভ করে। এ কারণে তাকে শ্রেষ্ঠ বিজেতা বলা হয়।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত বাংলা ভাষার দাপ্তরিক ব্যবহার আবদুল মালিকের রাষ্ট্রীয় কাজে আরবি ভাষা প্রচলনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। খলিফা আবদুল মালিক রাষ্ট্রকে জাতীয়করণ এবং সুষ্ঠু শাসনব্যবস্থা প্রবর্তনের জন্য আগে থেকে চালুকৃত ফারসি, সিরীয় ও গ্রিকসহ প্রচলিত বিভিন্ন ভাষার পরিবর্তে আরবিকে রাষ্ট্র ভাষার মর্যাদা দেন। এর বাস্তবায়ন ও সর্বত্র আরবির প্রচলন সহজসাধ্য ছিল না। কেননা আরবি ছিল বেদুইনদের ভাষা। তারপরও আরবি ভাষায় উৎকর্ষ সাধন, আরবিকে বিশ্বজনীন ভাষায় রূপান্তরের কঠিন কাজটি তিনি দক্ষতার সাথে সম্পন্ন করেন। উদ্দীপকেও এ ঘটনার দৃশ্যপট অঙ্কিত হয়েছে। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, মাতৃভাষা রক্ষায় বাঙালিরা জীবন দিয়েছে। সেই বিষয়টি মাথায় রেখে বাংলা ভাষাকে সরকারি অফিস-আদালতের দাপ্তরিক ভাষার মর্যাদা দেয়। তাছাড়া বাংলা ভাষার উন্নয়নের জন্য একটি একাডেমি প্রতিষ্ঠা করে। অনুরূপভাবে আবদুল মালিকও সালেহ বিন আবদুর রহমান নামে জনৈক পারসিক মুসলমানের পরামর্শে সরকারি কাজে আরবি ভাষা ব্যবহারের নির্দেশ দেন। ফলে সিরিয়া ও ইরাকের প্রদেশসমূহে আরবি ভাষায় সরকারি কার্য ও হিসাবপত্র লিপিবদ্ধ রাখার নিয়ম প্রবর্তিত হয়। পরে মিসর ও পারস্যেও আরবি ভাষা সরকারি ভাষার মর্যাদা লাভ করে। এতে সাম্রাজ্যে অনারব অমুসলমানরা কর্মচ্যুত হলে তাদের জায়গায় রাষ্ট্রের বিভিন্ন বিভাগে আরব মুসলমানরা নিয়োগপ্রাপ্ত হন। এতে আরব মুসলমানদের প্রশাসনিক প্রতিভা বিকাশের পথ সুগম হয়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত বাংলা ভাষার দাপ্তরিক ব্যবহারের সাথে আবদুল মালিকের আরবি ভাষার জাতীয়করণের মিল রয়েছে।

উত্তর

আরবি ভাষার মর্যাদা বৃদ্ধিতে আবদুল মালিক অসামান্য অবদান রাখেন। আবদুল মালিকের খিলাফতে আরোহণের আগে ইরাক ও অন্যান্য প্রাচ্য দেশে ফারসি বা পাহলভি ভাষায় সিরিয়া, ট্রান্সজর্ডান ও অন্যান্য, উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে গ্রিক ও সিরিয়া এবং মিসর ও উত্তর আফ্রিকার অন্যান্য এলাকাতে কোবতি ভাষায় প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হতো। খলিফা বিজাতীয় প্রভাব থেকে সাম্রাজ্যকে মুক্ত করা এবং আরবি ভাষার মর্যাদা ঊর্ধ্বে তুলে ধরার মানসে আরবিকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। উদ্দীপকেও এ বিষয়ের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। উদ্দীপকে বাংলা ভাষার মর্যাদা বৃদ্ধির স্বার্থে সরকারি অফিস-আদালতের দাপ্তরিক ভাষার মর্যাদা প্রদানের কথা বলা হয়েছে। অনুরূপভাবে উমাইয়া খলিফা আবদুল মালিকও আরবি ভাষার মর্যাদা বৃদ্ধির ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলেন। তিনি রাষ্ট্রে চালুকৃত বিভিন্ন ভাষার পরিবর্তে আরবি ভাষাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দান করেন। ফলে আঞ্চলিক ভাষাসমূহের পরিবর্তে অফিস-আদালতে দলিলপত্রাদি আরবি ভাষায় রক্ষিত হওয়ার নিয়ম চালু হয়। সমগ্র মুসলিম সাম্রাজ্যে একই ধরনের শাসনব্যবস্থা প্রচলিত হয় এবং বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন ভাষা প্রচলিত হওয়ায় শাসনকার্যে যে সমস্যা দেখা দিত তার অবসান ঘটে। বিশুদ্ধ আরব শাসন প্রচলিত হওয়ায় আরবি ভাষার মর্যাদা বৃদ্ধি পায়। এ ব্যবস্থায় অনারব মুসলমানরা চাকরিচ্যুত হন এবং তাদের জায়গায় আরব মুসলমানরা নিযুক্ত হন। উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, খলিফা আবদুল মালিক আরবি ভাষার মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য রাষ্ট্রের সকল পর্যায়ে আরবি ভাষা প্রচলনের মাধ্যমে অসামান্য অবদান রাখেন।
HSCIslamic History 1st paperChapter 4 : উমাইয়া খিলাফত
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

"জন্ম হোক যথা তথা কর্ম হোক ভালো"- কথাটি শাহরিয়ার তুষার ছোট বেলা থেকেই গভীরভাবে বিশ্বাস করতেন। তিনি ছাত্রজীবনে ছিলেন তুখোড় ছাত্রনেতা। দেশের প্রধানমন্ত্রী মেধাবী তুষারের গুণে মুগ্ধ হয়ে তার সাথে নিজ মেয়ের বিয়ে দেন। অনেক দামি দামি স্বর্ণালংকার দেন মেয়েকে। জনগণের ব্যাপক সমর্থনে তুষার এবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। তিনি তার স্ত্রীকে আদেশ দিলেন, তাঁর পিতার দেয়া দামি দামি স্বর্ণালংকার রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে কেননা ওগুলো জনগণের টাকায় কেনা ছিল। তবে তাঁর গৃহীত নীতি, তাঁর বংশের ভিত্তিকে দুর্বল করে দিয়েছিল।

Rajshahi · 2017

ক
উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?
খ
কারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে শাহরিয়ার তুষারের সাথে উমাইয়া যুগের কোন খলিফার চরিত্রের মিল পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
তিনি কি উমাইয়া খিলাফত পতনের জন্য দায়ী ছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

"জন্ম হোক যথা তথা কর্ম হোক ভালো"- কথাটি শাহরিয়ার তুষার ছোট বেলা থেকেই গভীরভাবে বিশ্বাস করতেন। তিনি ছাত্রজীবনে ছিলেন তুখোড় ছাত্রনেতা। দেশের প্রধানমন্ত্রী মেধাবী তুষারের গুণে মুগ্ধ হয়ে তার সাথে নিজ মেয়ের বিয়ে দেন। অনেক দামি দামি স্বর্ণালংকার দেন মেয়েকে। জনগণের ব্যাপক সমর্থনে তুষার এবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। তিনি তার স্ত্রীকে আদেশ দিলেন, তাঁর পিতার দেয়া দামি দামি স্বর্ণালংকার রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে কেননা ওগুলো জনগণের টাকায় কেনা ছিল। তবে তাঁর গৃহীত নীতি, তাঁর বংশের ভিত্তিকে দুর্বল করে দিয়েছিল।

Rajshahi · 2017

ক
উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?
খ
কারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে শাহরিয়ার তুষারের সাথে উমাইয়া যুগের কোন খলিফার চরিত্রের মিল পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
তিনি কি উমাইয়া খিলাফত পতনের জন্য দায়ী ছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.কারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?

কারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?

উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজা ধর্মপাল রাজস্ব ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় ও সমৃদ্ধ করেছিলেন। তবে তার পুত্র দেবপাল ক্ষমতায় আরোহণ করে রাজ্য বিস্তারে মনোযোগী হন। তিনি পূর্ব ও দক্ষিণে অনেকগুলো সফল অভিযানের মাধ্যমে বিশাল পাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন। দেবপালের প্রতিটি অভিযানে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করেছিলেন তার দুইজন বিশ্বস্ত মন্ত্রী ও কিছুসংখ্যক দক্ষ সেনাপতি।

Dhaka · 2017

ক
কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?
খ
খলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের রাজা ধর্মপালের সাথে খলিফা আব্দুল মালিকের কোন কর্মকাণ্ডের সামঞ্জস্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের রাজা দেবপালের মতোই খলিফা ওয়ালিদ বিন আব্দুল মালিক শ্রেষ্ঠ বিজেতা ছিলেন- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজা ধর্মপাল রাজস্ব ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় ও সমৃদ্ধ করেছিলেন। তবে তার পুত্র দেবপাল ক্ষমতায় আরোহণ করে রাজ্য বিস্তারে মনোযোগী হন। তিনি পূর্ব ও দক্ষিণে অনেকগুলো সফল অভিযানের মাধ্যমে বিশাল পাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন। দেবপালের প্রতিটি অভিযানে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করেছিলেন তার দুইজন বিশ্বস্ত মন্ত্রী ও কিছুসংখ্যক দক্ষ সেনাপতি।

Dhaka · 2017

ক
কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?
খ
খলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের রাজা ধর্মপালের সাথে খলিফা আব্দুল মালিকের কোন কর্মকাণ্ডের সামঞ্জস্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের রাজা দেবপালের মতোই খলিফা ওয়ালিদ বিন আব্দুল মালিক শ্রেষ্ঠ বিজেতা ছিলেন- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.খলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

খলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?

কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজা আলমগীর তার সাম্রাজ্যে ব্যাপক সংস্কার সাধন করেন। কেন্দ্রিয় টাকশাল স্থাপন করে নির্দিষ্ট মানের মুদ্রা চালু করেন। ফলে ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ে উপকৃত হয়। ব্যবসা বাণিজ্যেরও প্রসার ঘটে। প্রচলিত ডাক ব্যবস্থাকে আধুনিকীকরণ করেন। সাম্রাজ্যের সৌন্দর্যবৃদ্ধির জন্য সুরম্য প্রাসাদ, নান্দনিক স্মৃতিফলক প্রভৃতি নির্মাণ করেন, যা সকলের দৃষ্টি কাড়ে। এভাবে স্থাপত্য শিল্পের বিকাশে তিনি অনবদ্য ভূমিকা রাখেন।

Dhaka · 2017

ক
'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?
খ
খলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।
গ
উদ্দীপকের রাজা আলমগীরের মুদ্রা সংস্কার খলিফা আব্দুল মালিকের মুদ্রা সংস্কারের অনুরূপ- ব্যাখ্যা করো।
ঘ
স্থাপত্য শিল্পের উন্নয়নে উদ্দীপকের রাজার তুলনায় আব্দুল মালিকের কৃতিত্ব ছিল অনেক বেশি- উক্তিটির যথার্থতা যাচাই করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজা আলমগীর তার সাম্রাজ্যে ব্যাপক সংস্কার সাধন করেন। কেন্দ্রিয় টাকশাল স্থাপন করে নির্দিষ্ট মানের মুদ্রা চালু করেন। ফলে ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ে উপকৃত হয়। ব্যবসা বাণিজ্যেরও প্রসার ঘটে। প্রচলিত ডাক ব্যবস্থাকে আধুনিকীকরণ করেন। সাম্রাজ্যের সৌন্দর্যবৃদ্ধির জন্য সুরম্য প্রাসাদ, নান্দনিক স্মৃতিফলক প্রভৃতি নির্মাণ করেন, যা সকলের দৃষ্টি কাড়ে। এভাবে স্থাপত্য শিল্পের বিকাশে তিনি অনবদ্য ভূমিকা রাখেন।

Dhaka · 2017

ক
'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?
খ
খলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।
গ
উদ্দীপকের রাজা আলমগীরের মুদ্রা সংস্কার খলিফা আব্দুল মালিকের মুদ্রা সংস্কারের অনুরূপ- ব্যাখ্যা করো।
ঘ
স্থাপত্য শিল্পের উন্নয়নে উদ্দীপকের রাজার তুলনায় আব্দুল মালিকের কৃতিত্ব ছিল অনেক বেশি- উক্তিটির যথার্থতা যাচাই করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.খলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।

খলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?

'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

তিনি কি উমাইয়া খিলাফত পতনের জন্য দায়ী ছিলেন? ব্যাখ্যা করো।উদ্দীপকে শাহরিয়ার তুষারের সাথে উমাইয়া যুগের কোন খলিফার চরিত্রের মিল পাওয়া যায়? বকারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?উদ্দীপকের রাজা দেবপালের মতোই খলিফা ওয়ালিদ বিন আব্দুল মালিক শ্রেষ্ঠ বিজেতা ছিলেন-উদ্দীপকের রাজা ধর্মপালের সাথে খলিফা আব্দুল মালিকের কোন কর্মকাণ্ডের সামঞ্জস্য রয়েখলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?স্থাপত্য শিল্পের উন্নয়নে উদ্দীপকের রাজার তুলনায় আব্দুল মালিকের কৃতিত্ব ছিল অনেক উদ্দীপকের রাজা আলমগীরের মুদ্রা সংস্কার খলিফা আব্দুল মালিকের মুদ্রা সংস্কারের অনুখলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।