শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের ইংরেজদের সাথে তোমার পঠিত কোন উমাইয়া খলিফার কর্মকান্ডের মিল পাওয়া যায়?- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে দাপ্তরিক ভাষা প্রচলনের মতো খলিফা আব্দুল মালিক সরকারি অফিসে আরবি ভাষার প্রবর্তন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। উদ্দীপকের স্পেনীয়রা ব্রাজিল দখল করে দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে স্প্যানিশ ভাষা চালু করে। যা খলিফা আব্দুল মালিকের সরকারি অফিসে আরবি ভাষা চালুর অনুরূপ। রাসুলে করিমের আমলে ইসলামি রাষ্ট্র শুধু আরবদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকায় সরকারি কাগজপত্র আরবি ভাষায় লিখিত হতো। কিন্তু খুলাফায়ে রাশেদিনের আমলে পারস্য, মিশর, সিরিয়া প্রভৃতি স্থানে আধিপত্য বিস্তারের ফলে যাবতীয় সরকারি দলিলপত্র ঐ সকল প্রদেশের নিজস্ব ভাষায় রাখার নিয়ম প্রচলিত হয়। আব্দুল মালিক রাষ্ট্রকে আরবীয়করণ বা জাতীয়করণের এবং সুষ্ঠু শাসন ব্যবস্থার প্রবর্তনের উদ্দেশ্য আরবিকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দান করেন। সালিহ বিন আব্দুর রহমান নামে জনৈক পারসিক মুসলমানের পরামর্শে আব্দুল মালিক সরকারি কাজে আরবি ভাষা ব্যবহারের নির্দেশ দেন (৬৯৩ খ্রি.)। ফলে আঞ্চলিক ভাষাসমূহের পরিবর্তে অফিস-আদালতে দলিল-পত্রাদি আরবি ভাষায় রক্ষিত হবার নিয়ম চালু হয়। এই ব্যবস্থার ফলে সাম্রাজ্যের অনারব অমুসলমানগণ কর্মচ্যুত হলেন এবং তাদের স্থলে রাষ্ট্রের বিভিন্ন বিভাগে আরব মুসলমানগণ নিযুক্ত হন। ফলে আরবদের মৌলিক প্রতিভা বিকাশের পথ এবং আরবি ভাষা ও সাহিত্যের উন্নতির পথ সুগম হয়। আরবি ভাষা সহজতর লিখন ও পঠনের জন্য আব্দুল মালিক হাজ্জাজ-বিন-ইউসুফের সহযোগিতায় বর্ণমালায় হরকত ও নোক্তা প্রবর্তন করেন। এ ব্যবস্থার ফলে আরবি লিপির পূর্ণতা সাধিত হয় এবং অধিক সংখ্যক পাঠকের মধ্যে তা প্রসার লাভ করে। অতএব উদ্দীপকের স্পেনীয়দের ব্রাজিলে স্পেনিশ ভাষার মতো আব্দুল মালিক সরকারি অফিসে আরবি ভাষা চালু করেন।

HSC Islamic History 1st paper Chapter 4 : উমাইয়া খিলাফত CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 1st paper · Chapter 4 : উমাইয়া খিলাফত · সৃজনশীল

উদ্দীপকের ইংরেজদের সাথে তোমার পঠিত কোন উমাইয়া খলিফার কর্মকান্ডের মি…

উদ্দীপক

ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কর্তৃক ভারতীয় উপমহাদেশের শাসনক্ষমতা দখল, করার পর তারা সর্বত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালাতে থাকে। এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ইংরেজরা ১৮৩৫ সালের দিকে সরকারি আদেশের মাধ্যমে ভারতীয় উপমহাদেশের দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে ফারসির পরিবর্তে ইংরেজির প্রচলন করেন। ফলে এদেশীয় শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে পাশ্চাত্য ভাবধারার বিস্তার লাভ করে।

উত্তর

৭৫০ খ্রিস্টাব্দে উমাইয়া খিলাফতের পতন হয়।

উত্তর

খলিফা সুলায়মান একদিকে যেমন ছিলেন নিষ্ঠুর, অকর্মণ্য ও ইন্দ্রিয়পরায়ণ, অন্যদিকে তেমনি ছিলেন সদাশয়, স্পষ্টভাষী 'ও আবেগপ্রবণ। তিনি তার জ্যেষ্ঠপুত্র আয়ুব অথবা দ্বিতীয় পুত্র দাউদকে উত্তরাধিকারী মনোনীত করতে ইচ্ছা করলেও শেষপর্যন্ত তার চাচাতো ভাই মহৎপ্রাণ উমর বিন আব্দুল আজিজকে পরবর্তী উত্তরাধিকারী মনোনীত করে এক অপরিসীম ভালো কাজ করেন। এ সুবিচারপূর্ণ সিদ্ধান্তের জন্য তাকে আশীর্বাদের চাবি (The Key of Blessing) বলা হয়।

উত্তর

উদ্দীপকে দাপ্তরিক ভাষা প্রচলনের মতো খলিফা আব্দুল মালিক সরকারি অফিসে আরবি ভাষার প্রবর্তন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। উদ্দীপকের স্পেনীয়রা ব্রাজিল দখল করে দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে স্প্যানিশ ভাষা চালু করে। যা খলিফা আব্দুল মালিকের সরকারি অফিসে আরবি ভাষা চালুর অনুরূপ। রাসুলে করিমের আমলে ইসলামি রাষ্ট্র শুধু আরবদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকায় সরকারি কাগজপত্র আরবি ভাষায় লিখিত হতো। কিন্তু খুলাফায়ে রাশেদিনের আমলে পারস্য, মিশর, সিরিয়া প্রভৃতি স্থানে আধিপত্য বিস্তারের ফলে যাবতীয় সরকারি দলিলপত্র ঐ সকল প্রদেশের নিজস্ব ভাষায় রাখার নিয়ম প্রচলিত হয়। আব্দুল মালিক রাষ্ট্রকে আরবীয়করণ বা জাতীয়করণের এবং সুষ্ঠু শাসন ব্যবস্থার প্রবর্তনের উদ্দেশ্য আরবিকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দান করেন। সালিহ বিন আব্দুর রহমান নামে জনৈক পারসিক মুসলমানের পরামর্শে আব্দুল মালিক সরকারি কাজে আরবি ভাষা ব্যবহারের নির্দেশ দেন (৬৯৩ খ্রি.)। ফলে আঞ্চলিক ভাষাসমূহের পরিবর্তে অফিস-আদালতে দলিল-পত্রাদি আরবি ভাষায় রক্ষিত হবার নিয়ম চালু হয়। এই ব্যবস্থার ফলে সাম্রাজ্যের অনারব অমুসলমানগণ কর্মচ্যুত হলেন এবং তাদের স্থলে রাষ্ট্রের বিভিন্ন বিভাগে আরব মুসলমানগণ নিযুক্ত হন। ফলে আরবদের মৌলিক প্রতিভা বিকাশের পথ এবং আরবি ভাষা ও সাহিত্যের উন্নতির পথ সুগম হয়। আরবি ভাষা সহজতর লিখন ও পঠনের জন্য আব্দুল মালিক হাজ্জাজ-বিন-ইউসুফের সহযোগিতায় বর্ণমালায় হরকত ও নোক্তা প্রবর্তন করেন। এ ব্যবস্থার ফলে আরবি লিপির পূর্ণতা সাধিত হয় এবং অধিক সংখ্যক পাঠকের মধ্যে তা প্রসার লাভ করে। অতএব উদ্দীপকের স্পেনীয়দের ব্রাজিলে স্পেনিশ ভাষার মতো আব্দুল মালিক সরকারি অফিসে আরবি ভাষা চালু করেন।

উত্তর

উক্ত খলিফা তথা আব্দুল মালিকের আরবীয়করণ নীতির ফলাফল ছিল সুদুরপ্রসারী। খলিফা আব্দুল মালিক রাষ্ট্রকে জাতীয়করণ এবং সুষ্ঠ শাসনব্যবস্থা প্রবর্তনের জন্য পূর্ব থেকে চালুকৃত ফারসি পাহলভি, সিরীয় ও গ্রিকসহ প্রচলিত বিভিন্ন ভাষার উচ্ছেদ সাধন করে আরবিকে রাষ্ট্র ভাষার মর্যাদা দান করেন। যার ফলে আরব জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং উমাইয়া বংশের নিরাপত্তা ও স্থায়িত্ব নিশ্চিত হয়। ৬৯৬-৯৭ খ্রিস্টাব্দে তিনি এ মর্মে একটি আদেশ জারি করেন। সালিহ বিন আব্দুর রহমান নামে জনৈক পারসিক মুসলমানের পরামর্শে তিনি সরকারি কাজে আরবি ভাষা ব্যবহারের নির্দেশ দেন। ফলে সিরিয়া ও ইরাকের প্রদেশসমূহে আরবি ভাষায় সরকারি কাজ ও হিসাবপত্র লিবিপদ্ধ রাখার নিয়ম প্রবর্তিত হয়। পরে মিশর ও পারস্যেও অ্যরবি ভাষা সরকারি ভাষার মর্যাদা লাভকরে। তার শাসননীতি মূলত আরব জাতীয়তাবাদী চেতনা বিকাশের মধ্যে নিহিত ছিল। তিনি শাসনক্ষমতায় বসে দেখলেন যে, আরব মুসলিমরা রাজ্যশাসন করলেও মূলত অনারব জনগোষ্ঠী বিশেষ করে পারসিক ও রোমানরা উমাইয়া খিলাফতের প্রশাসন পরিচালনা করছে। এমতাবস্থায় প্রশাসনে বিজাতীয় প্রভাব হ্রাস এবং আরব প্রাধান্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে খলিফা রাজকীয় দফতরসমূহে কেবল আরবি ভাষাভাষীদের চাকরির জন্য উন্মুক্ত করেন। অবশ্য এর দ্বারা প্রশাসনে যে আরব জাতির প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তা নয়, বহু অনারব দ্রুত আরবি ভাষা রপ্ত করে প্রশাসনে তাদের প্রাধান্য বজায় রাখেন। ঐতিহাসিক পি.কে. হিট্টি বলেন, প্রশাসনকে আরবীয়করণ, প্রথম বিশুদ্ধ আরবি মুদ্রার প্রচলন, ডাক বিভাগের উন্নতি সাধন এবং জেরুজালেমে ইসলামে তৃতীয় পবিত্র স্থাপত্য কুব্বাতুস সাখরা নির্মাণ, যা আরব জাতীয়তাবাদের সাক্ষ্য দেয়।"
HSCIslamic History 1st paperChapter 4 : উমাইয়া খিলাফত
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

"জন্ম হোক যথা তথা কর্ম হোক ভালো"- কথাটি শাহরিয়ার তুষার ছোট বেলা থেকেই গভীরভাবে বিশ্বাস করতেন। তিনি ছাত্রজীবনে ছিলেন তুখোড় ছাত্রনেতা। দেশের প্রধানমন্ত্রী মেধাবী তুষারের গুণে মুগ্ধ হয়ে তার সাথে নিজ মেয়ের বিয়ে দেন। অনেক দামি দামি স্বর্ণালংকার দেন মেয়েকে। জনগণের ব্যাপক সমর্থনে তুষার এবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। তিনি তার স্ত্রীকে আদেশ দিলেন, তাঁর পিতার দেয়া দামি দামি স্বর্ণালংকার রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে কেননা ওগুলো জনগণের টাকায় কেনা ছিল। তবে তাঁর গৃহীত নীতি, তাঁর বংশের ভিত্তিকে দুর্বল করে দিয়েছিল।

Rajshahi · 2017

ক
উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?
খ
কারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে শাহরিয়ার তুষারের সাথে উমাইয়া যুগের কোন খলিফার চরিত্রের মিল পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
তিনি কি উমাইয়া খিলাফত পতনের জন্য দায়ী ছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

"জন্ম হোক যথা তথা কর্ম হোক ভালো"- কথাটি শাহরিয়ার তুষার ছোট বেলা থেকেই গভীরভাবে বিশ্বাস করতেন। তিনি ছাত্রজীবনে ছিলেন তুখোড় ছাত্রনেতা। দেশের প্রধানমন্ত্রী মেধাবী তুষারের গুণে মুগ্ধ হয়ে তার সাথে নিজ মেয়ের বিয়ে দেন। অনেক দামি দামি স্বর্ণালংকার দেন মেয়েকে। জনগণের ব্যাপক সমর্থনে তুষার এবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। তিনি তার স্ত্রীকে আদেশ দিলেন, তাঁর পিতার দেয়া দামি দামি স্বর্ণালংকার রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে কেননা ওগুলো জনগণের টাকায় কেনা ছিল। তবে তাঁর গৃহীত নীতি, তাঁর বংশের ভিত্তিকে দুর্বল করে দিয়েছিল।

Rajshahi · 2017

ক
উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?
খ
কারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে শাহরিয়ার তুষারের সাথে উমাইয়া যুগের কোন খলিফার চরিত্রের মিল পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
তিনি কি উমাইয়া খিলাফত পতনের জন্য দায়ী ছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.কারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?

কারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?

উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজা ধর্মপাল রাজস্ব ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় ও সমৃদ্ধ করেছিলেন। তবে তার পুত্র দেবপাল ক্ষমতায় আরোহণ করে রাজ্য বিস্তারে মনোযোগী হন। তিনি পূর্ব ও দক্ষিণে অনেকগুলো সফল অভিযানের মাধ্যমে বিশাল পাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন। দেবপালের প্রতিটি অভিযানে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করেছিলেন তার দুইজন বিশ্বস্ত মন্ত্রী ও কিছুসংখ্যক দক্ষ সেনাপতি।

Dhaka · 2017

ক
কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?
খ
খলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের রাজা ধর্মপালের সাথে খলিফা আব্দুল মালিকের কোন কর্মকাণ্ডের সামঞ্জস্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের রাজা দেবপালের মতোই খলিফা ওয়ালিদ বিন আব্দুল মালিক শ্রেষ্ঠ বিজেতা ছিলেন- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজা ধর্মপাল রাজস্ব ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় ও সমৃদ্ধ করেছিলেন। তবে তার পুত্র দেবপাল ক্ষমতায় আরোহণ করে রাজ্য বিস্তারে মনোযোগী হন। তিনি পূর্ব ও দক্ষিণে অনেকগুলো সফল অভিযানের মাধ্যমে বিশাল পাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন। দেবপালের প্রতিটি অভিযানে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করেছিলেন তার দুইজন বিশ্বস্ত মন্ত্রী ও কিছুসংখ্যক দক্ষ সেনাপতি।

Dhaka · 2017

ক
কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?
খ
খলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের রাজা ধর্মপালের সাথে খলিফা আব্দুল মালিকের কোন কর্মকাণ্ডের সামঞ্জস্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের রাজা দেবপালের মতোই খলিফা ওয়ালিদ বিন আব্দুল মালিক শ্রেষ্ঠ বিজেতা ছিলেন- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.খলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

খলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?

কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজা আলমগীর তার সাম্রাজ্যে ব্যাপক সংস্কার সাধন করেন। কেন্দ্রিয় টাকশাল স্থাপন করে নির্দিষ্ট মানের মুদ্রা চালু করেন। ফলে ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ে উপকৃত হয়। ব্যবসা বাণিজ্যেরও প্রসার ঘটে। প্রচলিত ডাক ব্যবস্থাকে আধুনিকীকরণ করেন। সাম্রাজ্যের সৌন্দর্যবৃদ্ধির জন্য সুরম্য প্রাসাদ, নান্দনিক স্মৃতিফলক প্রভৃতি নির্মাণ করেন, যা সকলের দৃষ্টি কাড়ে। এভাবে স্থাপত্য শিল্পের বিকাশে তিনি অনবদ্য ভূমিকা রাখেন।

Dhaka · 2017

ক
'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?
খ
খলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।
গ
উদ্দীপকের রাজা আলমগীরের মুদ্রা সংস্কার খলিফা আব্দুল মালিকের মুদ্রা সংস্কারের অনুরূপ- ব্যাখ্যা করো।
ঘ
স্থাপত্য শিল্পের উন্নয়নে উদ্দীপকের রাজার তুলনায় আব্দুল মালিকের কৃতিত্ব ছিল অনেক বেশি- উক্তিটির যথার্থতা যাচাই করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজা আলমগীর তার সাম্রাজ্যে ব্যাপক সংস্কার সাধন করেন। কেন্দ্রিয় টাকশাল স্থাপন করে নির্দিষ্ট মানের মুদ্রা চালু করেন। ফলে ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ে উপকৃত হয়। ব্যবসা বাণিজ্যেরও প্রসার ঘটে। প্রচলিত ডাক ব্যবস্থাকে আধুনিকীকরণ করেন। সাম্রাজ্যের সৌন্দর্যবৃদ্ধির জন্য সুরম্য প্রাসাদ, নান্দনিক স্মৃতিফলক প্রভৃতি নির্মাণ করেন, যা সকলের দৃষ্টি কাড়ে। এভাবে স্থাপত্য শিল্পের বিকাশে তিনি অনবদ্য ভূমিকা রাখেন।

Dhaka · 2017

ক
'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?
খ
খলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।
গ
উদ্দীপকের রাজা আলমগীরের মুদ্রা সংস্কার খলিফা আব্দুল মালিকের মুদ্রা সংস্কারের অনুরূপ- ব্যাখ্যা করো।
ঘ
স্থাপত্য শিল্পের উন্নয়নে উদ্দীপকের রাজার তুলনায় আব্দুল মালিকের কৃতিত্ব ছিল অনেক বেশি- উক্তিটির যথার্থতা যাচাই করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.খলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।

খলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?

'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

তিনি কি উমাইয়া খিলাফত পতনের জন্য দায়ী ছিলেন? ব্যাখ্যা করো।উদ্দীপকে শাহরিয়ার তুষারের সাথে উমাইয়া যুগের কোন খলিফার চরিত্রের মিল পাওয়া যায়? বকারবালার কাহিনিকে মর্মান্তিক বলা হয় কেন?উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?উদ্দীপকের রাজা দেবপালের মতোই খলিফা ওয়ালিদ বিন আব্দুল মালিক শ্রেষ্ঠ বিজেতা ছিলেন-উদ্দীপকের রাজা ধর্মপালের সাথে খলিফা আব্দুল মালিকের কোন কর্মকাণ্ডের সামঞ্জস্য রয়েখলিফা আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।কাকে আরব বিশ্বের প্রথম রাজা বলা হয়?স্থাপত্য শিল্পের উন্নয়নে উদ্দীপকের রাজার তুলনায় আব্দুল মালিকের কৃতিত্ব ছিল অনেক উদ্দীপকের রাজা আলমগীরের মুদ্রা সংস্কার খলিফা আব্দুল মালিকের মুদ্রা সংস্কারের অনুখলিফা আব্দুল মালিক কর্তৃক আরবি ভাষা জাতীয়করণ বিষয়ে ধারণা দাও।'কুব্বাতুস-সাখরা' কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।