শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে পুরোহিতদের প্রচারণার নিরিখে উত্তর আফ্রিকায় ফাতেমি খিলাফত প্রতিষ্ঠায় আবু আবদুল্লাহ আশশিয়ীর কর্মকাণ্ড মূল্যায়ন কর ।

উত্তর: উদ্দীপকে পুরোহিতদের মিথ্যা প্রচারণার মাধ্যমে রাজা হিরোহিতোকে দেবতার আসনে অধিষ্ঠিত করে। একইভাবে আবু আবদুল্লাহ আশশিয়ী তার চাতুর্যপূর্ণ প্রচারণা দ্বারা উবাইদুল্লাহকে আফ্রিকায় ইমাম মাহদী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয় এবং তাদের সরলতার সুযোগে উবাইদুল্লাহ সেখানে ফাতেমি খিলাফত প্রতিষ্ঠা করেন। নবম শতকের শেষের দিকে তিনি আফ্রিকায় গমন করেন এবং নিজেকে মাহদীর অগ্রদূত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। উত্তর আফ্রিকার বার্বার, বিশেষ করে কিয়ামা উপজাতির মধ্যে বিদ্রোহের বীজ বপন করেন। মক্কায় তীর্থযাত্রার সময় তিনি এ উপজাতির মানুষের সাথে ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি করেন। আশশিয়ী'র কাছে মাহদী সম্পর্কে নানা তথ্য কাতামা গোত্রের লোকেরা সরল মনে বিশ্বাস করলেও অনেকে সন্দেহ পোষণ করে। তিনি তাবুর নামক একটি শহর দখল করে নেন ৷ তারপর তিনি কায়রোয়ান দখলের জন্য প্রস্তুত হন এবং মাহদীর আগমনের সময় খুব কাছাকাছি- এ মর্মে কাতামা গোত্রে ঘোষণা দেন। কায়রোয়ানের শাসক জিয়াদাতুল্লাহর বহু উচ্চপদস্থ কর্মচারী দলে দলে আশশিয়ী'র সাথে গোপনে মিলিত হন। ৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে আবু আব্দুল্লাহ উবাইদুল্লাহকে 'মাহদী' উপাধি দিয়ে তার নামে নানা আজগুবি মু'জিযা প্রচার করে বহুলোককে বশ করেন। এরপর তিনি মাহদীকে আনয়নের জন্য দূত প্রেরণ করেন। উত্তর আফ্রিকায় আবু আব্দুল্লাহর বিজয়যাত্রা অব্যাহত গতিতে চলতে থাকে । তিনি ইব্রাহিমকে পরাজিত ও নতুন সেনাপতি হারুনকে নিহত করে বাঞ্জাস নিজের দখলে আনেন। জিয়াদাতুল্লাহর অস্ত্রাগার, ধনাগার ও রসদাগার তার হস্তগত হয়। রাকাদা ও কায়রোয়ান আবু আবদুল্লাহর দখলে চলে আসে। অসাধারণ ভাগ্যান্বেষী আশশিয়ী সিজিলমাসা থেকে উবাইদুল্লাহকে উদ্ধার করে তাকে প্রতিশ্রুত 'মাহদী' বলে ঘোষণা করেন। চল্লিশ দিন পর তাকে রাকাদায় আনলে পরবর্তী শুক্রবারে তার নামে খোতবা পাঠ করা হয়। শিয়া মত গ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে রাক্কাদায় বহুলোককে কারারুদ্ধ করে হত্যা করা হয়। আর এভাবেই উবাইদুল্লাহ আল-মাহদী ফাতেমি খিলাফত কণ্টকমুক্ত করেন।

HSC Islamic History 1st paper Chapter 7 : উত্তর আফ্রিকায় ফাতেমি খিলাফত (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 1st paper · Chapter 7 : উত্তর আফ্রিকায় ফাতেমি খিলাফত (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল

উদ্দীপকে পুরোহিতদের প্রচারণার নিরিখে উত্তর আফ্রিকায় ফাতেমি খিলাফত …

উদ্দীপক

জাপানের রাজ্য হিরোহিতো যখন জনসমক্ষে আসেন তখন সবাই অবাক। ইনিতো তাদের মতোই একজন মানুষ। অথচ একদল পুরোহিত এতদিন বলে আসছিল তিনি মানুষ নন বরং দেবতা পুরোহিতদের 'বলা এসব কাহিনি যখন রাজার গোচরে যায় তখন তিনি সিদ্ধান্ত নেন যে, জনগণের মাঝে মিলেমিশেই দেশ শাসন করবেন। যে সমস্ত পুরোহিত এসব কাহিনি প্রচার করেছিল তাদের তিনি কঠোর শাস্তি প্রদান করেন। রাজা হিরোহিতোর শাসন বিষয়ক সিদ্ধান্ত তাকে জাপানের প্রথম রাজা হিসেবে অমর করে রাখে।

উত্তর

উত্তর আফ্রিকায় আগলাবি বংশের শাসনকে উৎখাত করে ফাতেমি খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

উত্তর

৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে উত্তর আফ্রিকার তিউনিসিয়ায় সর্বপ্রথম ফাতেমিয় খিলাফতের গোড়াপত্তন হয়। ফাতেমিরা ছিল হযরত আলীর অনুসারী ও অনুগামী। হযরত আলীর অনুসারী বা সমর্থকগণ ইতিহাসে 'শিয়া' নামে পরিচিত। ফাতেমিরা নিজেদেরকে হযরত আলী এবং তাঁর বিবি ফাতেমা (রা.) বংশধর বলে দাবি করার কারণে এবং ফাতেমার নামানুসারেই তাদের প্রতিষ্ঠিত খিলাফত ইসলামের ইতিহাসে 'ফাতেমি খিলাফত' নামে পরিচিত ।

উত্তর

উদ্দীপকের রাজা হিরোহিতোর সাথে উত্তর আফ্রিকার ফাতেমি খলিফা উবাইদুল্লাহ আল মাহদীর সামঞ্জস্য লক্ষ করা যায় । উদ্দীপকে উল্লিখিত জাপানের রাজা হিরোহিতো সম্পর্কে একদল পুরোহিত মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে আসছিল। তারা তাকে দেবতা হিসেবে প্রচার করছিল। কিন্তু তিনি যখন জনসমক্ষে আসেন তখন সকলেই অবাক হয়। জনগণ দেখতে পায় 'দেবতা নয় বরং মানব হিরোহিতো তাদের সম্মুখে। রাজা তাদের সাথে মিলেমিশে বসবাস করতে থাকে এবং তার ব্যাপারে মিথ্যা প্রচারকদের শাস্তির ব্যবস্থা করেন। উক্ত রাজা হিরোহিতোর মতোই উবাইদুল্লাহ আল মাহদীকে উত্তর আফ্রিকায় ফাতেমি খিলাফত প্রতিষ্ঠা করতে আবু আবদুল্লাহ আশশিয়ীর মিথ্যা প্রচারণা চালান। তিনি প্রচার করেন— 'আল-খায়ের' উপত্যকা হলো, ন্যায়নীতি পন্থিদের উপত্যকা। এখানে ইমাম মাহদী আগমন করবেন এবং তিনি কাতামা গোত্রের সহায়তায় একটি স্বর্গরাজ্য গড়ে তুলবেন। কাতামা গোত্রের লোকেরা সরল বিশ্বাসে তার কথায় আস্থা স্থাপন করেন। ইমাম মাহদীর আগমনের কথা প্রচার করে তিনি উত্তর আফ্রিকায় একটি বিশাল জনগোষ্ঠীকে নিজের নিয়ন্ত্রণে আনেন। এরপর তিনি উবাইদুল্লাহ আল মাহদীকে উত্তর আফ্রিকায় আগমনের আহ্বান জানান। সেখানে উবাইদুল্লাহ আল মাহদীকে তিনি ইমাম মাহদী হিসেবে পরিচয় দেন। জনগণ সরল বিশ্বাসে তাকে ইমাম মাহদী হিসেবে গ্রহণ করেন এবং তার পক্ষে প্রয়োজনে সশস্ত্র সংগ্রাম করার প্রতিশ্রুতি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি ৯০৯ খ্রিস্টাব্দে আগলাবীয় বংশের শাসনকে উৎখাত করে ক্ষমতা গ্রহণ করেন। পরবর্তী সময়ে আবু আবদুল্লাহ উবাইদুল্লাহ আল মাহদীকে ক্ষমতা হতে উৎখাতের ষড়যন্ত্র করলে খলিফা তাকে ও তার ভাই আব্বাসকে হত্যা করেন। সুতরাং বলা যায়, রাজা হিরোহিতোর সাথে উত্তর আফ্রিকার ফাতেমি খলিফা উবাইদুল্লাহ আল মাহদীর মিল রয়েছে।

উত্তর

উদ্দীপকে পুরোহিতদের মিথ্যা প্রচারণার মাধ্যমে রাজা হিরোহিতোকে দেবতার আসনে অধিষ্ঠিত করে। একইভাবে আবু আবদুল্লাহ আশশিয়ী তার চাতুর্যপূর্ণ প্রচারণা দ্বারা উবাইদুল্লাহকে আফ্রিকায় ইমাম মাহদী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয় এবং তাদের সরলতার সুযোগে উবাইদুল্লাহ সেখানে ফাতেমি খিলাফত প্রতিষ্ঠা করেন। নবম শতকের শেষের দিকে তিনি আফ্রিকায় গমন করেন এবং নিজেকে মাহদীর অগ্রদূত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। উত্তর আফ্রিকার বার্বার, বিশেষ করে কিয়ামা উপজাতির মধ্যে বিদ্রোহের বীজ বপন করেন। মক্কায় তীর্থযাত্রার সময় তিনি এ উপজাতির মানুষের সাথে ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি করেন। আশশিয়ী'র কাছে মাহদী সম্পর্কে নানা তথ্য কাতামা গোত্রের লোকেরা সরল মনে বিশ্বাস করলেও অনেকে সন্দেহ পোষণ করে। তিনি তাবুর নামক একটি শহর দখল করে নেন ৷ তারপর তিনি কায়রোয়ান দখলের জন্য প্রস্তুত হন এবং মাহদীর আগমনের সময় খুব কাছাকাছি- এ মর্মে কাতামা গোত্রে ঘোষণা দেন। কায়রোয়ানের শাসক জিয়াদাতুল্লাহর বহু উচ্চপদস্থ কর্মচারী দলে দলে আশশিয়ী'র সাথে গোপনে মিলিত হন। ৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে আবু আব্দুল্লাহ উবাইদুল্লাহকে 'মাহদী' উপাধি দিয়ে তার নামে নানা আজগুবি মু'জিযা প্রচার করে বহুলোককে বশ করেন। এরপর তিনি মাহদীকে আনয়নের জন্য দূত প্রেরণ করেন। উত্তর আফ্রিকায় আবু আব্দুল্লাহর বিজয়যাত্রা অব্যাহত গতিতে চলতে থাকে । তিনি ইব্রাহিমকে পরাজিত ও নতুন সেনাপতি হারুনকে নিহত করে বাঞ্জাস নিজের দখলে আনেন। জিয়াদাতুল্লাহর অস্ত্রাগার, ধনাগার ও রসদাগার তার হস্তগত হয়। রাকাদা ও কায়রোয়ান আবু আবদুল্লাহর দখলে চলে আসে। অসাধারণ ভাগ্যান্বেষী আশশিয়ী সিজিলমাসা থেকে উবাইদুল্লাহকে উদ্ধার করে তাকে প্রতিশ্রুত 'মাহদী' বলে ঘোষণা করেন। চল্লিশ দিন পর তাকে রাকাদায় আনলে পরবর্তী শুক্রবারে তার নামে খোতবা পাঠ করা হয়। শিয়া মত গ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে রাক্কাদায় বহুলোককে কারারুদ্ধ করে হত্যা করা হয়। আর এভাবেই উবাইদুল্লাহ আল-মাহদী ফাতেমি খিলাফত কণ্টকমুক্ত করেন।
HSCIslamic History 1st paperChapter 7 : উত্তর আফ্রিকায় ফাতেমি খিলাফত (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আবু আব্দুল্লাহ আফ্রিকা মহাদেশে একটি রাজবংশের শ্রেষ্ঠ শাসক তিনি বাগদাদের খলিফার অধীনতা স্বীকার না করে নিজেকে খলিফা বলে ঘোষণা করেন। তিনি দেশ জয় করেন। তার সেনাপতি নতুন একটি শহর প্রতিষ্ঠা করে সেখানে মসজিদ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে জ্ঞান-বিজ্ঞানের পৃষ্ঠপোষকতা এবং প্রজামঙ্গলজনক কাজ করেন।
ক
ফাতেমি বংশের প্রতিষ্ঠাতা শাসকের নাম লেখ।
খ
ফাতেমি বংশের সর্বশ্রেষ্ঠ খলিফা কে? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত সেনাপতির তৈরি নগরী, মসজিদ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে তোমার পঠিত সেনাপতি কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত শহর, মসজিদ ও বিশ্ববিদ্যালয় মিল রয়েছে- আলোচনা কর।
ঘ
উদ্দীপকে বর্ণিত শাসকের জনকল্যাণমূলক কার্যের সঙ্গে তোমার পঠিত শাসকের জনকল্যাণমূলক কাজের কী মিল আছে?- বিবরণ দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আবু আব্দুল্লাহ আফ্রিকা মহাদেশে একটি রাজবংশের শ্রেষ্ঠ শাসক তিনি বাগদাদের খলিফার অধীনতা স্বীকার না করে নিজেকে খলিফা বলে ঘোষণা করেন। তিনি দেশ জয় করেন। তার সেনাপতি নতুন একটি শহর প্রতিষ্ঠা করে সেখানে মসজিদ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে জ্ঞান-বিজ্ঞানের পৃষ্ঠপোষকতা এবং প্রজামঙ্গলজনক কাজ করেন।
ক
ফাতেমি বংশের প্রতিষ্ঠাতা শাসকের নাম লেখ।
খ
ফাতেমি বংশের সর্বশ্রেষ্ঠ খলিফা কে? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত সেনাপতির তৈরি নগরী, মসজিদ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে তোমার পঠিত সেনাপতি কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত শহর, মসজিদ ও বিশ্ববিদ্যালয় মিল রয়েছে- আলোচনা কর।
ঘ
উদ্দীপকে বর্ণিত শাসকের জনকল্যাণমূলক কার্যের সঙ্গে তোমার পঠিত শাসকের জনকল্যাণমূলক কাজের কী মিল আছে?- বিবরণ দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ফাতেমি বংশের সর্বশ্রেষ্ঠ খলিফা কে? ব্যাখ্যা কর।

ফাতেমি বংশের সর্বশ্রেষ্ঠ খলিফা কে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.ফাতেমি বংশের প্রতিষ্ঠাতা শাসকের নাম লেখ।

ফাতেমি বংশের প্রতিষ্ঠাতা শাসকের নাম লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইউরোপে চার্লসীয় রাজবংশের গোড়াপত্তন হয়। চার্লসীয়রা ছিল রিচার্ডের অনুসারী ও অনুগামী। উত্তর ইউরোপের শাসনকর্তা ধর্মীয় প্রচারণা শুরু করলেও রাজনৈতিক পরিস্থিতি ছিল অস্থিরতাপূর্ণ।
ক
ইব্রাহিম বিন আগলাব কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?
খ
উত্তর আফ্রিকায় শিয়ারা যে ধর্মীয় আন্দোলনের আশ্রয় নেয়, তা ব্যাখ্যা কর
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত উত্তর ইউরোপের শাসনকর্তার সাথে পাঠ্যপুস্তকে বর্ণিত শাসনকর্তার ধর্মীয় প্রচারণার স্বরূপ ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে বর্ণিত শাসনকর্তার সময়কালে রাজনৈতিক পরিস্থিতির আলোকে পাঠ্যপুস্তকে আলোচিত রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন মন্তব্য কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইউরোপে চার্লসীয় রাজবংশের গোড়াপত্তন হয়। চার্লসীয়রা ছিল রিচার্ডের অনুসারী ও অনুগামী। উত্তর ইউরোপের শাসনকর্তা ধর্মীয় প্রচারণা শুরু করলেও রাজনৈতিক পরিস্থিতি ছিল অস্থিরতাপূর্ণ।
ক
ইব্রাহিম বিন আগলাব কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?
খ
উত্তর আফ্রিকায় শিয়ারা যে ধর্মীয় আন্দোলনের আশ্রয় নেয়, তা ব্যাখ্যা কর
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত উত্তর ইউরোপের শাসনকর্তার সাথে পাঠ্যপুস্তকে বর্ণিত শাসনকর্তার ধর্মীয় প্রচারণার স্বরূপ ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে বর্ণিত শাসনকর্তার সময়কালে রাজনৈতিক পরিস্থিতির আলোকে পাঠ্যপুস্তকে আলোচিত রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন মন্তব্য কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.উত্তর আফ্রিকায় শিয়ারা যে ধর্মীয় আন্দোলনের আশ্রয় নেয়, তা ব্যাখ্যা কর

উত্তর আফ্রিকায় শিয়ারা যে ধর্মীয় আন্দোলনের আশ্রয় নেয়, তা ব্যাখ্যা কর

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.ইব্রাহিম বিন আগলাব কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?

ইব্রাহিম বিন আগলাব কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আব্দুল্লাহ বিন জুবায়ের ৯০৯ খ্রিস্টাব্দে জয়নগরে ধর্মভিত্তিক একটি রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীকালে এ বংশকে কণ্টকমুক্ত করার জন্য সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী সকলকে হত্যা করেন। সুদীর্ঘ ২৬ বছরের রাজত্বকালে তিনি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে নিজ প্রতিষ্ঠিত বংশকে সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হন।
ক
ফাতেমি বংশের সর্বশেষ শাসক কে?
খ
দারুল হিকমা কী?
গ
উদ্দীপকের শাসকের চরিত্র পাঠ্যবইয়ের কোন শাসকের চরিত্রকে ইঙ্গিত করছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
তুমি কি মনে কর, উক্ত শাসকই তার বংশের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা? মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আব্দুল্লাহ বিন জুবায়ের ৯০৯ খ্রিস্টাব্দে জয়নগরে ধর্মভিত্তিক একটি রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীকালে এ বংশকে কণ্টকমুক্ত করার জন্য সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী সকলকে হত্যা করেন। সুদীর্ঘ ২৬ বছরের রাজত্বকালে তিনি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে নিজ প্রতিষ্ঠিত বংশকে সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হন।
ক
ফাতেমি বংশের সর্বশেষ শাসক কে?
খ
দারুল হিকমা কী?
গ
উদ্দীপকের শাসকের চরিত্র পাঠ্যবইয়ের কোন শাসকের চরিত্রকে ইঙ্গিত করছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
তুমি কি মনে কর, উক্ত শাসকই তার বংশের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা? মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.দারুল হিকমা কী?

দারুল হিকমা কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ফাতেমি বংশের সর্বশেষ শাসক কে?

ফাতেমি বংশের সর্বশেষ শাসক কে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকে বর্ণিত শাসকের জনকল্যাণমূলক কার্যের সঙ্গে তোমার পঠিত শাসকের জনকল্যাণমূলকউদ্দীপকে বর্ণিত সেনাপতির তৈরি নগরী, মসজিদ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে তোমার পঠিত সেনফাতেমি বংশের সর্বশ্রেষ্ঠ খলিফা কে? ব্যাখ্যা কর।ফাতেমি বংশের প্রতিষ্ঠাতা শাসকের নাম লেখ।উদ্দীপকে বর্ণিত শাসনকর্তার সময়কালে রাজনৈতিক পরিস্থিতির আলোকে পাঠ্যপুস্তকে আলোচিতউদ্দীপকে বর্ণিত উত্তর ইউরোপের শাসনকর্তার সাথে পাঠ্যপুস্তকে বর্ণিত শাসনকর্তার ধর্উত্তর আফ্রিকায় শিয়ারা যে ধর্মীয় আন্দোলনের আশ্রয় নেয়, তা ব্যাখ্যা করইব্রাহিম বিন আগলাব কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?তুমি কি মনে কর, উক্ত শাসকই তার বংশের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা? মতামত দাও।উদ্দীপকের শাসকের চরিত্র পাঠ্যবইয়ের কোন শাসকের চরিত্রকে ইঙ্গিত করছে? ব্যাখ্যা কর।দারুল হিকমা কী?ফাতেমি বংশের সর্বশেষ শাসক কে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।