উদ্দীপকের সিন্ধু সভ্যতার লিখন পদ্ধতির সাথে প্রাচীন কোন সভ্যতার লেখনীর মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: উদ্দীপকের সিন্ধু সভ্যতার লিখন পদ্ধতির সাথে প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার লিখন পদ্ধতির সাদৃশ্য রয়েছে। উদ্দীপকের সিন্ধু সভ্যতার লিখন পদ্ধতি ছিল চিত্রভিত্তিক। তেমনি প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতায় আবিষ্কৃত লিখন পদ্ধতিও ছিল চিত্রভিত্তিক। মিশরীয় লিখন পদ্ধতিতে নানারকমের দ্রব্য, প্রকৃতি ও বিষয় ইত্যাদির ছবি আঁকা থাকত। তা থেকে ওইসব জিনিসের পরিচয় ও নাম জানা যেত। প্রায় ৭৫০টি চিত্রলিপির চিহ্ন দিয়ে এ প্রাচীন মিশরীয় লিপি পদ্ধতি তৈরি হয়েছিল। এ লিপি প্রথমে তৈজসপত্র, ফলক এবং কবরের গায়ে খোদাই করা হতো। পরে প্যাপিরাস নামক কাগজ আবিষ্কৃত হলে তাতে এ লিপি উৎকীর্ণ করা হয়। অবশ্য খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ অব্দে প্রাচীন রাজবংশের যুগে মিশরীয়রা ২৪টি হায়ারোগ্লিফিক চিহ্ন বা বর্ণমালার ব্যবহার শুরু করে। প্রতিটি চিহ্ন একটি বিশেষ অর্থ নির্দেশ করত। এসব চিহ্ন পাশাপাশি খোদাই করে শব্দ বা বাক্য গঠন করা হতো। এ বর্ণমালা চারিত্রিক বিন্যাসের দিক থেকে তিনটি রূপলাভ করে। যথা- ১. চিত্রভিত্তিক (Pictographic), ২. অক্ষরভিত্তিক (Syllabic) ও ৩. বর্ণভিত্তিক (Alphabetic)। বর্ণগুলো কখনো ডান থেকে বামে আবার কখনো বাম থেকে ডানে লেখা হতো। ব্যবসায় বাণিজ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনে দ্রুত লিখনের জন্য প্রথমে হায়ারেটিক (Hieratic) এবং পরে ডেমোটিক (Demotic) লিপির উদ্ভব 'ঘটে, যা হায়ারোগ্লিফিক লিপিরই অপভ্রংশ। উদ্দীপকে উল্লিখিত সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসীরাও চিত্রভিত্তিক লিপি উদ্ভাবন করেছে। অর্থাৎ চিত্রের মাধ্যমে এ লিপিতে তার প্রকাশিত হয়। আর এ দিক থেকেই মিশর ও সিন্ধু সভ্যতার লিখন পদ্ধতি একই প্রকৃতির।
HSC Islamic History 1st paper Chapter 1 : প্রাক-ইসলামি আরব CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Islamic History 1st paper · Chapter 1 : প্রাক-ইসলামি আরব · সৃজনশীল
উদ্দীপকের সিন্ধু সভ্যতার লিখন পদ্ধতির সাথে প্রাচীন কোন সভ্যতার লেখন…
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর