'স্থাপত্যশিল্পের বিকাশে সিন্ধু সভ্যতা দক্ষতা প্রদর্শন করলেও এ ক্ষেত্রে তারা মিশরীয়দের সমকক্ষ ছিল না'- মন্তব্যটি কী সমর্থন কর? উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।
উত্তর: স্থাপত্যশিল্পের বিকাশে সিন্ধু সভ্যতা দক্ষতা প্রদর্শন করলেও এ ক্ষেত্রে তারা মিশরীয়দের সমকক্ষ ছিল না। মন্তব্যটি আমি সমর্থন করি। সিন্ধু সভ্যতার মানুষ স্থাপত্যশিল্পে ব্যাপক অবদান রাখলেও তারা মিশরীয়দের মতো স্থাপত্যশিল্পে তেমন খ্যাতি অর্জন করতে পারে নি। স্থাপত্যশিল্পে মিশরীয়রা ব্যাপক অবদান রাখতে সক্ষম হয়। পাথর কেটে প্রকান্ড সৌধ বানাতে তারা ছিল সিদ্ধহস্ত। মিশরীয়দের শ্রেষ্ঠ স্থাপত্যিক নিদর্শন হচ্ছে তাদের পিরামিডগুলো। মিশরীয়রা মৃত্যুর পরের জীবনে বিশ্বাস করত। তারা বিশ্বাস করত ফারাওয়ের মৃত্যুর পর তার আত্মা স্বর্গে চলে যায় এবং সেখানে দেবতা হিসেবে আবির্ভূত হন। কিন্তু মৃত ফারাওয়ের শরীর পচে গেলে এক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। এজন্য তারা মৃতদেহকে প্রক্রিয়াজাত করে তা সংরক্ষণের ব্যবস্থা করত। যা মমি নামে পরিচিত। এ মৃতদেহগুলোকে যে স্থানে কবর দেওয়া হতো সেসব স্থান আগে থেকেই তৈরি করে রাখা হতো। মৃত ফারাওয়ের দেহ ও মূল্যবান এসব সামগ্রীর নিরাপত্তার জন্য প্রাচীন মিশরীয়রা বড় বড় পাথরখণ্ড কেটে এসব পিরামিড নির্মাণ করেছিলেন। পিরামিডগুলো ছিল জ্যামিতিক ত্রিভুজের আকৃতিতে তৈরি অতি উঁচু একটি সমাধিসৌধ। ইসহোটেপ নামে এক প্রভাবশালী ভাস্কর এ পিরামিডটি প্রস্তুত করেন। এ পিরামিডটির উচ্চতা ২০০ ফুট। মিশরে আরও অনেক পিরামিড আছে এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত হলো ফারাও খুফুর পিরামিড। পিরামিড সম্পর্কে প্যাল্টাজেনেট সমাসেট ফ্রাই বলেন, "পিরামিড মিশরীয়দের অগ্রগতির প্রশংসাই শুধু নয়। এর সাথে জড়িত ছিল ধর্মীয় বিশ্বাস।" অতএব মিশরীয়রা পিরামিড তৈরি করলেই সিন্ধুর অধিবাসীরা তেমন বিখ্যাত স্থাপত্য তৈরি করতে পারে নি।
HSC Islamic History 1st paper Chapter 1 : প্রাক-ইসলামি আরব CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Islamic History 1st paper · Chapter 1 : প্রাক-ইসলামি আরব · সৃজনশীল
'স্থাপত্যশিল্পের বিকাশে সিন্ধু সভ্যতা দক্ষতা প্রদর্শন করলেও এ ক্ষেত…
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর