শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে উল্লিখিত সাংবিধানিক চুক্তি স্বাক্ষরের সাথে তোমার পঠিত সাংবিধানিক চুক্তির তুলনা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত সাংবিধানিক চুক্তির সাথে আমার পঠিত ঐতিহাসিক মদিনা সনদের সাদৃশ্য রয়েছে। উদ্দীপকের বিশিষ্ট ধর্মপ্রচারক মুহিবুল্লাহ নিজ অঞ্চলে মতাদর্শ প্রচারে ব্যর্থ হয়ে পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে গমন করেন। তিনি নিজ অঞ্চলে ধর্মীয় মতাদর্শ প্রচার করতে গেলে স্থানীয় প্রভাবশালীরা তাকে বাধা দেয় এমনকি হত্যার ষড়যন্ত্র করে। এমতাবস্থায় তিনি পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে গিয়ে সেখানকার জনগোষ্ঠীর সাথে সহাবস্থানের জন্য সাংবিধানিক চুক্তি স্বাক্ষর করেন, যা মদিনা সনদকে নির্দেশ করে। ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে মহানবি হযরত মুহাম্মদ (সা.) মদিনায় হিজরত করার পর মদিনার আনসার, মুহাজির, ইহুদি, খ্রিষ্টান, পৌত্তলিক ও মাওয়ালিদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ স্থাপন ও ভবিষ্যৎ চলার দিকনির্দেশনামূলক যে লিখিত বিবরণ তৈরি করেন তাকে মদিনা সনদ বলে। ঐতিহাসিক মদিনা সনদে ৪৭টি মতান্তরে ৫৩টি ধারা ছিল। এ সনদের মাধ্যমে মদিনা রাষ্ট্রের ভিত্তি স্থাপিত হয়। এ সনদ ইতিহাসের প্রথম লিখিত সনদ। - এ সনদের মাধ্যমে মদিনার সকল নাগরিককে সমান মর্যাদা দেওয়া হয় এবং ব্যক্তির অপরাধের জন্য গোত্রকে বাদ দিয়ে শুধু ব্যক্তির অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। এ সনদের মাধ্যমে মদিনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয় এবং বহিঃশত্রু দ্বারা মদিনা আক্রান্ত হলে সকলে মিলে নিজস্ব ব্যয়ভার বহনের মাধ্যমে প্রতিরোধ করার ঘোষণা দেওয়া হয়। গোত্রে গোত্রে হানাহানি, রক্তপাতের পরিবর্তে মদিনায় শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ইসলাম প্রচারের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়। মদিনাকে পবিত্র শহর ঘোষণা করে মহানবি (সা.) মদিনা রাষ্ট্রের প্রধান হন। অতএব উদ্দীপকের সাংবিধানিক চুক্তির সাথে মহানবি (সা.)-এর মদিনার সনদের সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়। উভয় সনদের মাধ্যমে প্রতিটি মানুষের সমমর্যাদা নিশ্চিত করা হয়।

HSC Islamic History 1st paper Chapter 2 : হযরত মুহাম্মদ (স.) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 1st paper · Chapter 2 : হযরত মুহাম্মদ (স.) · সৃজনশীল

উদ্দীপকে উল্লিখিত সাংবিধানিক চুক্তি স্বাক্ষরের সাথে তোমার পঠিত সাংব…

উদ্দীপক

বিশিষ্ট ধর্ম প্রচারক মুহিবুল্লাহ শাহ নিজ অঞ্চলে ধর্মীয় মতাদর্শ প্রচারে ব্যর্থ হয়ে পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে গমন করেন। সেখানে তিনি স্থায়ী বসতি গড়ে তোলেন। উক্ত অঞ্চলের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে পূর্ব হতেই পারস্পরিক দ্বন্দ্ব-সংঘাত বিদ্যমান ছিল। এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের অধিবাসীদের সাথে নবাগত জনগোষ্ঠীর শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তিনি একটি সাংবিধানিক চুক্তি সম্পাদন করেন।

উত্তর

মদিনার পূর্বনাম ইয়াসরিব।

উত্তর

মদিনা হতে মক্কায় হজ পালনের জন্য আগত লোকজন মহানবি (সা.)-এর নিকট ইসলাম গ্রহণ করে এবং আকাবা নামক স্থানে যে শপথ গ্রহণ করে তাকে আকাবা শপথ বলা হয়। আকাবা একটি উপত্যকার নাম। মহানবি (সা.) মক্কায় হজ পালনের জন্য আসা ব্যক্তিদের মধ্যে ইসলাম প্রচার করতেন। এসময় মদিনার একদল লোক তাঁর হাতে ইসলাম গ্রহণ করে এবং ইসলামের প্রসারে ভূমিকা রাখার শপথ গ্রহণ করে, যা আকাবার শপথ নামে পরিচিত। ৬২০ খ্রিষ্টাব্দে ১ম, ৬২১ খ্রিষ্টাব্দে ২য় ও ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে ৩য় শপথ অনুষ্ঠিত হয়।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত সাংবিধানিক চুক্তির সাথে আমার পঠিত ঐতিহাসিক মদিনা সনদের সাদৃশ্য রয়েছে। উদ্দীপকের বিশিষ্ট ধর্মপ্রচারক মুহিবুল্লাহ নিজ অঞ্চলে মতাদর্শ প্রচারে ব্যর্থ হয়ে পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে গমন করেন। তিনি নিজ অঞ্চলে ধর্মীয় মতাদর্শ প্রচার করতে গেলে স্থানীয় প্রভাবশালীরা তাকে বাধা দেয় এমনকি হত্যার ষড়যন্ত্র করে। এমতাবস্থায় তিনি পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে গিয়ে সেখানকার জনগোষ্ঠীর সাথে সহাবস্থানের জন্য সাংবিধানিক চুক্তি স্বাক্ষর করেন, যা মদিনা সনদকে নির্দেশ করে। ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে মহানবি হযরত মুহাম্মদ (সা.) মদিনায় হিজরত করার পর মদিনার আনসার, মুহাজির, ইহুদি, খ্রিষ্টান, পৌত্তলিক ও মাওয়ালিদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ স্থাপন ও ভবিষ্যৎ চলার দিকনির্দেশনামূলক যে লিখিত বিবরণ তৈরি করেন তাকে মদিনা সনদ বলে। ঐতিহাসিক মদিনা সনদে ৪৭টি মতান্তরে ৫৩টি ধারা ছিল। এ সনদের মাধ্যমে মদিনা রাষ্ট্রের ভিত্তি স্থাপিত হয়। এ সনদ ইতিহাসের প্রথম লিখিত সনদ। - এ সনদের মাধ্যমে মদিনার সকল নাগরিককে সমান মর্যাদা দেওয়া হয় এবং ব্যক্তির অপরাধের জন্য গোত্রকে বাদ দিয়ে শুধু ব্যক্তির অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। এ সনদের মাধ্যমে মদিনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয় এবং বহিঃশত্রু দ্বারা মদিনা আক্রান্ত হলে সকলে মিলে নিজস্ব ব্যয়ভার বহনের মাধ্যমে প্রতিরোধ করার ঘোষণা দেওয়া হয়। গোত্রে গোত্রে হানাহানি, রক্তপাতের পরিবর্তে মদিনায় শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ইসলাম প্রচারের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়। মদিনাকে পবিত্র শহর ঘোষণা করে মহানবি (সা.) মদিনা রাষ্ট্রের প্রধান হন। অতএব উদ্দীপকের সাংবিধানিক চুক্তির সাথে মহানবি (সা.)-এর মদিনার সনদের সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়। উভয় সনদের মাধ্যমে প্রতিটি মানুষের সমমর্যাদা নিশ্চিত করা হয়।

উত্তর

পারস্পরিক শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ক্ষেত্রে সামঞ্জস্যপূর্ণ চুক্তি তথা মদিনা সনদ অনন্য ভূমিকা পালন করে। উদ্দীপকের সাংবিধানিক চুক্তির সাথে মহানবি (সা.)-এর মদিনা সনদের সাদৃশ্য লক্ষণীয়। মানবাধিকার সনদের মাধ্যমে যেমন প্রতিটি মানুষের অধিকার ধর্ম, বর্ণ, নির্বিশেষে প্রদান করা হয়। তেমনি মদিনা সনদের মাধ্যমে সকল ধর্মের মানুষকে সমান মর্যাদা দেওয়া হয় এবং ভ্রাতৃত্ববোধ ও সহানুভূতির সমাজ গঠন করা হয়। পৃথিবীর ইতিহাসে মদিনা সনদ ছিল সর্বপ্রথম লিখিত সংবিধান। মদিনায় মহানবি (সা.)-এর হিজরতের পূর্বে কেন্দ্রীয় কোনো সংগঠন ছিল না। সে কারণে সমাজে শান্তিশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি ৬২২ সালে ৪৭টি ধারা সংবলিত মদিনা সনদ প্রণয়ন করে মদিনাকে সুখী সমৃদ্ধ শান্তিপূর্ণ রাষ্ট্রে পরিণত করেন। একটি সুখী, শান্তিপূর্ণ ও কল্যাণকর রাষ্ট্রের জন্য জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে জনগণের মধ্যে সহাবস্থান ও পারস্পরিক সাহায্য-সহযোগিতা অপরিহার্য। মদিনায় বসবাসরত ইহুদি, খ্রিষ্টান ও পৌত্তলিকরা অন্তঃকলহে ক্ষিপ্ত ছিল। বিশেষ করে আউস ও খাযরাজ গোত্রের কলহ সর্বজনবিদিত। তাই মহানবি (সা.) মদিনার সনদ প্রণয়ন করে সকল সম্প্রদায়ের লোকদের মধ্যে আইনের দ্বারা সহাবস্থান ও পারস্পরিক সাহায্য-সহযোগিতার ক্ষেত্র প্রস্তুত করেন। এ সনদের মাধ্যমে মহানবি (সা.) শতধাবিভক্ত ও আত্মকলহে লিপ্ত মদিনাবাসীর মধ্যে গৃহযুদ্ধের অবসান ঘটান। ফলে সমাজে অনাবিল শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। মদিনা সনদ বিভিন্ন ধর্ম ও মতবাদে বিশ্বাসী গোত্র এবং বেদুইন আরবদেরকে একটি সুসংহত জাতিতে পরিণত করে। মহানবি (সা.) মদিনা সনদের মাধ্যমে মুসলমান ও অমুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি ঐক্যবদ্ধ সমাজ ও শান্তিপূর্ণ রাষ্ট্র গঠন করেন। মদিনা সনদ ছিল ভ্রাতৃত্বের ও ঐক্যের সেতুবন্ধ- যা জাতি-ধর্ম-বর্ণ-গোত্র-দলমত নির্বিশেষে সকলকে একসূত্রে গ্রন্থিত করেছিল। তাই এটি ছিল পারস্পরিক সহাবস্থানের দলিলের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
HSCIslamic History 1st paperChapter 2 : হযরত মুহাম্মদ (স.)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মুক্তিযুদ্ধের সময় রাশেদদের গ্রামের মুক্তিযোদ্ধারা গ্রামে প্রবেশের রাস্তা কেটে দিয়েছিল, যাতে পাকিস্তান আর্মি সহজে প্রবেশ করতে না পারে। রাস্তা কাটা থাকায় পাক আর্মি গাড়ি ছাড়া পায়ে হেঁটে গ্রামে প্রবেশ করার সাহস পায়নি। মুক্তিযোদ্ধাদের এ রণকৌশলের কারণে রাশেদদের গ্রাম ছিল নিরাপদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের একটি ঘাঁটি।

Rajshahi · 2017

ক
হিজরত অর্থ কী?
খ
হিজরত ও দেশত্যাগের মধ্যে পার্থক্য কী? বুঝিয়ে লিখ।
গ
উদ্দীপকের অনুরূপ রণকৌশল মহানবি (স) কোন যুদ্ধে প্রয়োগ করেছিলেন? বর্ণনা করো।
ঘ
মহানবি (স) এর উক্ত রণকৌশলটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মুক্তিযুদ্ধের সময় রাশেদদের গ্রামের মুক্তিযোদ্ধারা গ্রামে প্রবেশের রাস্তা কেটে দিয়েছিল, যাতে পাকিস্তান আর্মি সহজে প্রবেশ করতে না পারে। রাস্তা কাটা থাকায় পাক আর্মি গাড়ি ছাড়া পায়ে হেঁটে গ্রামে প্রবেশ করার সাহস পায়নি। মুক্তিযোদ্ধাদের এ রণকৌশলের কারণে রাশেদদের গ্রাম ছিল নিরাপদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের একটি ঘাঁটি।

Rajshahi · 2017

ক
হিজরত অর্থ কী?
খ
হিজরত ও দেশত্যাগের মধ্যে পার্থক্য কী? বুঝিয়ে লিখ।
গ
উদ্দীপকের অনুরূপ রণকৌশল মহানবি (স) কোন যুদ্ধে প্রয়োগ করেছিলেন? বর্ণনা করো।
ঘ
মহানবি (স) এর উক্ত রণকৌশলটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.হিজরত ও দেশত্যাগের মধ্যে পার্থক্য কী? বুঝিয়ে লিখ।

হিজরত ও দেশত্যাগের মধ্যে পার্থক্য কী? বুঝিয়ে লিখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.হিজরত অর্থ কী?

হিজরত অর্থ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আব্দুস সামাদ নামক ব্যক্তিটি সমাজের সর্বস্তরের মানুষের নিকট শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন। তিনি এলাকার মসজিদের ইমাম নিযুক্ত হওয়ার পর সমাজের সকল অনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে বলেন। এতে সমাজের এক শ্রেণির মানুষের কাছে তিনি শত্রু হয়ে যান। এক পর্যায়ে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয় এবং তিনি দেশ ত্যাগে বাধ্য হন।

Rajshahi · 2017

ক
হযরত মুহম্মদ (স) এর মাতার নাম কী?
খ
হিলফুল ফুজুল বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন মহামানবের কর্মকাণ্ডের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উক্ত মহাপুরুষের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের ঘটনা তাঁর ও তাঁর প্রচারিত ধর্মের জন্য ছিল গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আব্দুস সামাদ নামক ব্যক্তিটি সমাজের সর্বস্তরের মানুষের নিকট শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন। তিনি এলাকার মসজিদের ইমাম নিযুক্ত হওয়ার পর সমাজের সকল অনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে বলেন। এতে সমাজের এক শ্রেণির মানুষের কাছে তিনি শত্রু হয়ে যান। এক পর্যায়ে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয় এবং তিনি দেশ ত্যাগে বাধ্য হন।

Rajshahi · 2017

ক
হযরত মুহম্মদ (স) এর মাতার নাম কী?
খ
হিলফুল ফুজুল বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন মহামানবের কর্মকাণ্ডের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উক্ত মহাপুরুষের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের ঘটনা তাঁর ও তাঁর প্রচারিত ধর্মের জন্য ছিল গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.হিলফুল ফুজুল বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো।

হিলফুল ফুজুল বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.হযরত মুহম্মদ (স) এর মাতার নাম কী?

হযরত মুহম্মদ (স) এর মাতার নাম কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আশরাফ সাহেবের বাসায় সবসময় দুই ধরনের রান্না হয়। ভালোমানের রান্না হয় তার পরিবারের জন্য, আর নিম্নমানের খাবার তৈরি হয় ড্রাইভার, বাবুর্চি আর পরিচারিকাদের জন্য। তাদের চিকিৎসা, বাসস্থান ও ভালো পোশাকেরও সুব্যবস্থা নাই। আশরাফ সাহেব তার স্ত্রীর সাথেও সবসময় দুর্ব্যবহার করেন। পারিবারিক কোনো সিদ্ধান্তে তিনি স্ত্রীর মতামত গ্রহণ করেন না। এসব নিয়ে সংসারে অশান্তি লেগেই থাকে।

Dhaka · 2017

ক
মহানবি (স) কত খ্রিষ্টাব্দে ইন্তেকাল করেন?
খ
মুহাম্মদ (স)-কে 'আল-আমিন' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের আশরাফ সাহেব মহানবি (স) এর কোন উপদেশ মেনে চললে অধীনস্তদের সাথে বিরূপ আচরণ করতে পারতেন না? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে নারীর প্রতি যে অবহেলা প্রকাশ পেয়েছে তা মহানবি (স) এর বিদায় হজের ভাষণের এ সংক্রান্ত নির্দেশাবলির পরিপন্থি। উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আশরাফ সাহেবের বাসায় সবসময় দুই ধরনের রান্না হয়। ভালোমানের রান্না হয় তার পরিবারের জন্য, আর নিম্নমানের খাবার তৈরি হয় ড্রাইভার, বাবুর্চি আর পরিচারিকাদের জন্য। তাদের চিকিৎসা, বাসস্থান ও ভালো পোশাকেরও সুব্যবস্থা নাই। আশরাফ সাহেব তার স্ত্রীর সাথেও সবসময় দুর্ব্যবহার করেন। পারিবারিক কোনো সিদ্ধান্তে তিনি স্ত্রীর মতামত গ্রহণ করেন না। এসব নিয়ে সংসারে অশান্তি লেগেই থাকে।

Dhaka · 2017

ক
মহানবি (স) কত খ্রিষ্টাব্দে ইন্তেকাল করেন?
খ
মুহাম্মদ (স)-কে 'আল-আমিন' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের আশরাফ সাহেব মহানবি (স) এর কোন উপদেশ মেনে চললে অধীনস্তদের সাথে বিরূপ আচরণ করতে পারতেন না? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে নারীর প্রতি যে অবহেলা প্রকাশ পেয়েছে তা মহানবি (স) এর বিদায় হজের ভাষণের এ সংক্রান্ত নির্দেশাবলির পরিপন্থি। উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মুহাম্মদ (স)-কে 'আল-আমিন' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

মুহাম্মদ (স)-কে 'আল-আমিন' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মহানবি (স) কত খ্রিষ্টাব্দে ইন্তেকাল করেন?

মহানবি (স) কত খ্রিষ্টাব্দে ইন্তেকাল করেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মহানবি (স) এর উক্ত রণকৌশলটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপকের অনুরূপ রণকৌশল মহানবি (স) কোন যুদ্ধে প্রয়োগ করেছিলেন? বর্ণনা করো।হিজরত ও দেশত্যাগের মধ্যে পার্থক্য কী? বুঝিয়ে লিখ।হিজরত অর্থ কী?উক্ত মহাপুরুষের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের ঘটনা তাঁর ও তাঁর প্রচারিত ধর্মের জন্য ছিল উদ্দীপকের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন মহামানবের কর্মকাণ্ডের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়? হিলফুল ফুজুল বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো।হযরত মুহম্মদ (স) এর মাতার নাম কী?উদ্দীপকে নারীর প্রতি যে অবহেলা প্রকাশ পেয়েছে তা মহানবি (স) এর বিদায় হজের ভাষণের উদ্দীপকের আশরাফ সাহেব মহানবি (স) এর কোন উপদেশ মেনে চললে অধীনস্তদের সাথে বিরূপ আচমুহাম্মদ (স)-কে 'আল-আমিন' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।মহানবি (স) কত খ্রিষ্টাব্দে ইন্তেকাল করেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।