শেয়ারFacebookWhatsApp

হুদায়বিয়ার সন্ধিকে পবিত্র কোরআনে 'ফাতহুম মুবিন' বলা হয়েছে কেন? বিশ্লেষণ করো।

উত্তর: হুদায়বিয়ার সন্ধি আপাতদৃষ্টিতে মুসলমানদের জন্য অবমাননাকর মনে হলেও এর সুদূরপ্রসারী রাজনৈতিক ও ধর্মীয় বিজয়ের কারণে পবিত্র কুরআনে একে 'ফাতহুম মুবিন' বা সুস্পষ্ট বিজয় বলা হয়েছে। হুদায়বিয়ার সন্ধির শর্তগুলো বাহ্যিকভাবে কুরাইশদের অনুকূলে থাকলেও এটি ছিল মুসলমানদের জন্য এক বিরাট কূটনৈতিক ও কৌশলগত বিজয়। এই চুক্তির মাধ্যমে কুরাইশরা প্রথমবারের মতো মহানবি (স)-কে একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের প্রধান এবং মুসলমানদের একটি স্বতন্ত্র রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি প্রদান করে। এর ফলে ইসলামের প্রচার ও প্রসারের পথে দীর্ঘদিনের বাধা অপসারিত হয়। উদ্দীপকের চেয়ারম্যানের মধ্যস্থতায় যেমন গ্রামের মানুষের মধ্যে শান্তি ও মিলনের পথ তৈরি হয়েছে, হুদায়বিয়ার সন্ধিও তেমনি ইসলাম প্রচারের এক অবারিত সুযোগ তৈরি করে দেয়। যুদ্ধের ভয় না থাকায় আরবের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ মুসলমানদের সংস্পর্শে আসার সুযোগ পায় এবং ইসলামের সুমহান আদর্শে মুগ্ধ হয়ে দলে দলে ইসলাম গ্রহণ করতে থাকে। ঐতিহাসিক তথ্যমতে, সন্ধির পরবর্তী দুই বছরে যত মানুষ ইসলাম গ্রহণ করেছিল, তা পূর্ববর্তী ১৯ বছরেও সম্ভব হয়নি। এমনকি খালিদ বিন ওয়ালিদ ও আমর ইবনুল আসের মতো বীর যোদ্ধারাও এই সময়েই ইসলাম গ্রহণ করেন। ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, হুদায়বিয়ার সন্ধিই ছিল মক্কা বিজয়ের মূল সোপান। এই সন্ধির ফলে কুরাইশদের সামরিক দম্ভস্তিমিত হয়ে পড়ে এবং আরবের অন্যান্য গোত্রগুলো মুসলমানদের মিত্র হতে শুরু করে। সন্ধির শর্ত ভঙ্গের মাধ্যমেই পরবর্তীতে বিনা রক্তপাতে মক্কা বিজয় সম্ভব হয়েছিল। এই সুদূরপ্রসারী প্রভাব ও কৌশলগত শ্রেষ্ঠত্বের কারণেই আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনের সূরা আল-ফাতহ-এ একে 'ফাতহুম মুবিন' হিসেবে অভিহিত করেছেন।

HSC Islamic History 1st paper Chapter 2 : হযরত মুহাম্মদ (স.) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 1st paper · Chapter 2 : হযরত মুহাম্মদ (স.) · সৃজনশীল

হুদায়বিয়ার সন্ধিকে পবিত্র কোরআনে 'ফাতহুম মুবিন' বলা হয়েছে কেন? বিশ্…

উদ্দীপক

গনেশপুর ও পদ্মকোট গ্রামের মধ্যে দীর্ঘকালীন শত্রুতা। এর ফলে এক গ্রামের মানুষ অন্যগ্রামে যেতে পারে না। এ বছর বৈশাখী মেলার পূর্বে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের চেষ্টায় উভয় গ্রামের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ফলে উভয় গ্রামের শত্রুতা কমে আসে। এতে সাধারন মানুষ লাভবান হয়, আত্মীয়-স্বজনের সাথে দেখা-সাক্ষাতের সুযোগ সৃষ্টি হয়। এ জন্য চেয়ারম্যান সাহেবকে সবাই ধন্যবাদ জানান।

উত্তর

হুদায়বিয়া মক্কা থেকে ৯ মাইল দূরে অবস্থিত একটি স্থান। এখানে হুদায়বিয়া নামে পুরোনো একটি কূপ বা কুয়া ছিল, যা থেকে স্থানটির নামকরণ হয়েছে।

উত্তর

মদিনার যেসব স্থানীয় মুসলমান মক্কা থেকে আগত হিজরতকারী মুহাজিরদের আশ্রয় ও সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করেছিলেন, ইতিহাসে তাঁদের 'আনসার' বলা হয়। 'আনসার' শব্দের অর্থ হলো সাহায্যকারী। মহানবি (স) যখন মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করেন, তখন মদিনার আওস ও খাযরাজ গোত্রের লোকেরা তাঁকে এবং তাঁর সঙ্গীদের সাদরে গ্রহণ করেন। তাঁরা মুহাজিরদের নিজেদের ঘরবাড়ি, সম্পদ ও ভালোবাসা দিয়ে অভূতপূর্ব ভ্রাতৃত্বের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। রক্তের সম্পর্ক বিবেচনা না করে ধর্মকে প্রাধান্য দিয়ে তারা হিজরতকারীদের আশ্রয় দেন। পরম মমতায় তাদেরকে কাছে টেনে নেন। এদেরকে মহানবি (স) 'আনসার' হিসেবে অভিহিত করেন।

উত্তর

অনুচ্ছেদের চুক্তিটি মহানবি (স)-এর জীবনের অন্যতম ঘটনা হুদায়বিয়ার সন্ধির প্রতি ইঙ্গিত করে, যার বিভিন্ন শর্ত যুদ্ধ অবসানে ভূমিকা রেখেছিল। হুদায়বিয়ার সন্ধি ইসলামের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। মুসলমানদের জন্য এ সন্ধি ছিল শ্রেষ্ঠ বিজয়। ৬২৮ খ্রিষ্টাব্দে মক্কার কুরাইশ ও মহানবি (স)-এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু শর্তের ভিত্তিতে এ সন্ধিপত্র স্বাক্ষরিত হয়। উদ্দীপকের সমঝোতা চুক্তিতেও যার প্রতিফলন লক্ষ করা যায়। উদ্দীপকে বর্ণিত গণেশপুর ও পদ্মকোট গ্রামের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তিতে শত্রুতা কমে আসে। সাধারণ মানুষ লাভবান হয়। ইসলামের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হুদায়বিয়ার সন্ধির ক্ষেত্রেও এমন দৃষ্টিগোচর হয়, যা যুদ্ধ বন্ধে ভূমিকা রাখে। এ সন্ধির শর্তে উল্লেখ করা হয় যে, মুসলমান ও কুরাইশদের মধ্যে আগামী দশ বছর যেকোনো যুদ্ধ-বিগ্রহ বন্ধ থাকবে। হজের উদ্দেশ্যে আগমনকালে মুসলমানরা আত্মরক্ষার জন্য কোষবদ্ধ তরবারি ছাড়া আর কোনো মারণাস্ত্র সাথে আনতে পারবে না। এছাড়া হজের সময় কুরাইশগণ মুসলমানদের জানমালের নিরাপত্তা বিধান করবে। বিনিময়ে মক্কার বণিকগণ নির্বিঘ্নে বিভিন্ন দেশের সাথে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারবে বলে হুদায়বিয়ার সন্ধিতে উল্লেখ করা হয়। আবার চুক্তির মেয়াদকালে জনসাধারণের পূর্ণ নিরাপত্তা রক্ষিত হবে এবং একে অপরের কোনো প্রকার ক্ষতিসাধন করবে না বলেও সন্ধিকারকগণ একমত হন। সুতরাং বলা যায়, হুদায়বিয়ার সন্ধির শর্ত যুদ্ধ বন্ধে ভূমিকা রেখেছিল।

উত্তর

হুদায়বিয়ার সন্ধি আপাতদৃষ্টিতে মুসলমানদের জন্য অবমাননাকর মনে হলেও এর সুদূরপ্রসারী রাজনৈতিক ও ধর্মীয় বিজয়ের কারণে পবিত্র কুরআনে একে 'ফাতহুম মুবিন' বা সুস্পষ্ট বিজয় বলা হয়েছে। হুদায়বিয়ার সন্ধির শর্তগুলো বাহ্যিকভাবে কুরাইশদের অনুকূলে থাকলেও এটি ছিল মুসলমানদের জন্য এক বিরাট কূটনৈতিক ও কৌশলগত বিজয়। এই চুক্তির মাধ্যমে কুরাইশরা প্রথমবারের মতো মহানবি (স)-কে একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের প্রধান এবং মুসলমানদের একটি স্বতন্ত্র রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি প্রদান করে। এর ফলে ইসলামের প্রচার ও প্রসারের পথে দীর্ঘদিনের বাধা অপসারিত হয়। উদ্দীপকের চেয়ারম্যানের মধ্যস্থতায় যেমন গ্রামের মানুষের মধ্যে শান্তি ও মিলনের পথ তৈরি হয়েছে, হুদায়বিয়ার সন্ধিও তেমনি ইসলাম প্রচারের এক অবারিত সুযোগ তৈরি করে দেয়। যুদ্ধের ভয় না থাকায় আরবের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ মুসলমানদের সংস্পর্শে আসার সুযোগ পায় এবং ইসলামের সুমহান আদর্শে মুগ্ধ হয়ে দলে দলে ইসলাম গ্রহণ করতে থাকে। ঐতিহাসিক তথ্যমতে, সন্ধির পরবর্তী দুই বছরে যত মানুষ ইসলাম গ্রহণ করেছিল, তা পূর্ববর্তী ১৯ বছরেও সম্ভব হয়নি। এমনকি খালিদ বিন ওয়ালিদ ও আমর ইবনুল আসের মতো বীর যোদ্ধারাও এই সময়েই ইসলাম গ্রহণ করেন। ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, হুদায়বিয়ার সন্ধিই ছিল মক্কা বিজয়ের মূল সোপান। এই সন্ধির ফলে কুরাইশদের সামরিক দম্ভস্তিমিত হয়ে পড়ে এবং আরবের অন্যান্য গোত্রগুলো মুসলমানদের মিত্র হতে শুরু করে। সন্ধির শর্ত ভঙ্গের মাধ্যমেই পরবর্তীতে বিনা রক্তপাতে মক্কা বিজয় সম্ভব হয়েছিল। এই সুদূরপ্রসারী প্রভাব ও কৌশলগত শ্রেষ্ঠত্বের কারণেই আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনের সূরা আল-ফাতহ-এ একে 'ফাতহুম মুবিন' হিসেবে অভিহিত করেছেন।
HSCIslamic History 1st paperChapter 2 : হযরত মুহাম্মদ (স.)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মুক্তিযুদ্ধের সময় রাশেদদের গ্রামের মুক্তিযোদ্ধারা গ্রামে প্রবেশের রাস্তা কেটে দিয়েছিল, যাতে পাকিস্তান আর্মি সহজে প্রবেশ করতে না পারে। রাস্তা কাটা থাকায় পাক আর্মি গাড়ি ছাড়া পায়ে হেঁটে গ্রামে প্রবেশ করার সাহস পায়নি। মুক্তিযোদ্ধাদের এ রণকৌশলের কারণে রাশেদদের গ্রাম ছিল নিরাপদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের একটি ঘাঁটি।

Rajshahi · 2017

ক
হিজরত অর্থ কী?
খ
হিজরত ও দেশত্যাগের মধ্যে পার্থক্য কী? বুঝিয়ে লিখ।
গ
উদ্দীপকের অনুরূপ রণকৌশল মহানবি (স) কোন যুদ্ধে প্রয়োগ করেছিলেন? বর্ণনা করো।
ঘ
মহানবি (স) এর উক্ত রণকৌশলটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মুক্তিযুদ্ধের সময় রাশেদদের গ্রামের মুক্তিযোদ্ধারা গ্রামে প্রবেশের রাস্তা কেটে দিয়েছিল, যাতে পাকিস্তান আর্মি সহজে প্রবেশ করতে না পারে। রাস্তা কাটা থাকায় পাক আর্মি গাড়ি ছাড়া পায়ে হেঁটে গ্রামে প্রবেশ করার সাহস পায়নি। মুক্তিযোদ্ধাদের এ রণকৌশলের কারণে রাশেদদের গ্রাম ছিল নিরাপদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের একটি ঘাঁটি।

Rajshahi · 2017

ক
হিজরত অর্থ কী?
খ
হিজরত ও দেশত্যাগের মধ্যে পার্থক্য কী? বুঝিয়ে লিখ।
গ
উদ্দীপকের অনুরূপ রণকৌশল মহানবি (স) কোন যুদ্ধে প্রয়োগ করেছিলেন? বর্ণনা করো।
ঘ
মহানবি (স) এর উক্ত রণকৌশলটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.হিজরত ও দেশত্যাগের মধ্যে পার্থক্য কী? বুঝিয়ে লিখ।

হিজরত ও দেশত্যাগের মধ্যে পার্থক্য কী? বুঝিয়ে লিখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.হিজরত অর্থ কী?

হিজরত অর্থ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আব্দুস সামাদ নামক ব্যক্তিটি সমাজের সর্বস্তরের মানুষের নিকট শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন। তিনি এলাকার মসজিদের ইমাম নিযুক্ত হওয়ার পর সমাজের সকল অনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে বলেন। এতে সমাজের এক শ্রেণির মানুষের কাছে তিনি শত্রু হয়ে যান। এক পর্যায়ে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয় এবং তিনি দেশ ত্যাগে বাধ্য হন।

Rajshahi · 2017

ক
হযরত মুহম্মদ (স) এর মাতার নাম কী?
খ
হিলফুল ফুজুল বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন মহামানবের কর্মকাণ্ডের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উক্ত মহাপুরুষের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের ঘটনা তাঁর ও তাঁর প্রচারিত ধর্মের জন্য ছিল গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আব্দুস সামাদ নামক ব্যক্তিটি সমাজের সর্বস্তরের মানুষের নিকট শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন। তিনি এলাকার মসজিদের ইমাম নিযুক্ত হওয়ার পর সমাজের সকল অনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে বলেন। এতে সমাজের এক শ্রেণির মানুষের কাছে তিনি শত্রু হয়ে যান। এক পর্যায়ে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয় এবং তিনি দেশ ত্যাগে বাধ্য হন।

Rajshahi · 2017

ক
হযরত মুহম্মদ (স) এর মাতার নাম কী?
খ
হিলফুল ফুজুল বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন মহামানবের কর্মকাণ্ডের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উক্ত মহাপুরুষের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের ঘটনা তাঁর ও তাঁর প্রচারিত ধর্মের জন্য ছিল গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.হিলফুল ফুজুল বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো।

হিলফুল ফুজুল বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.হযরত মুহম্মদ (স) এর মাতার নাম কী?

হযরত মুহম্মদ (স) এর মাতার নাম কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আশরাফ সাহেবের বাসায় সবসময় দুই ধরনের রান্না হয়। ভালোমানের রান্না হয় তার পরিবারের জন্য, আর নিম্নমানের খাবার তৈরি হয় ড্রাইভার, বাবুর্চি আর পরিচারিকাদের জন্য। তাদের চিকিৎসা, বাসস্থান ও ভালো পোশাকেরও সুব্যবস্থা নাই। আশরাফ সাহেব তার স্ত্রীর সাথেও সবসময় দুর্ব্যবহার করেন। পারিবারিক কোনো সিদ্ধান্তে তিনি স্ত্রীর মতামত গ্রহণ করেন না। এসব নিয়ে সংসারে অশান্তি লেগেই থাকে।

Dhaka · 2017

ক
মহানবি (স) কত খ্রিষ্টাব্দে ইন্তেকাল করেন?
খ
মুহাম্মদ (স)-কে 'আল-আমিন' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের আশরাফ সাহেব মহানবি (স) এর কোন উপদেশ মেনে চললে অধীনস্তদের সাথে বিরূপ আচরণ করতে পারতেন না? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে নারীর প্রতি যে অবহেলা প্রকাশ পেয়েছে তা মহানবি (স) এর বিদায় হজের ভাষণের এ সংক্রান্ত নির্দেশাবলির পরিপন্থি। উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আশরাফ সাহেবের বাসায় সবসময় দুই ধরনের রান্না হয়। ভালোমানের রান্না হয় তার পরিবারের জন্য, আর নিম্নমানের খাবার তৈরি হয় ড্রাইভার, বাবুর্চি আর পরিচারিকাদের জন্য। তাদের চিকিৎসা, বাসস্থান ও ভালো পোশাকেরও সুব্যবস্থা নাই। আশরাফ সাহেব তার স্ত্রীর সাথেও সবসময় দুর্ব্যবহার করেন। পারিবারিক কোনো সিদ্ধান্তে তিনি স্ত্রীর মতামত গ্রহণ করেন না। এসব নিয়ে সংসারে অশান্তি লেগেই থাকে।

Dhaka · 2017

ক
মহানবি (স) কত খ্রিষ্টাব্দে ইন্তেকাল করেন?
খ
মুহাম্মদ (স)-কে 'আল-আমিন' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের আশরাফ সাহেব মহানবি (স) এর কোন উপদেশ মেনে চললে অধীনস্তদের সাথে বিরূপ আচরণ করতে পারতেন না? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে নারীর প্রতি যে অবহেলা প্রকাশ পেয়েছে তা মহানবি (স) এর বিদায় হজের ভাষণের এ সংক্রান্ত নির্দেশাবলির পরিপন্থি। উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মুহাম্মদ (স)-কে 'আল-আমিন' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

মুহাম্মদ (স)-কে 'আল-আমিন' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মহানবি (স) কত খ্রিষ্টাব্দে ইন্তেকাল করেন?

মহানবি (স) কত খ্রিষ্টাব্দে ইন্তেকাল করেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মহানবি (স) এর উক্ত রণকৌশলটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপকের অনুরূপ রণকৌশল মহানবি (স) কোন যুদ্ধে প্রয়োগ করেছিলেন? বর্ণনা করো।হিজরত ও দেশত্যাগের মধ্যে পার্থক্য কী? বুঝিয়ে লিখ।হিজরত অর্থ কী?উক্ত মহাপুরুষের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের ঘটনা তাঁর ও তাঁর প্রচারিত ধর্মের জন্য ছিল উদ্দীপকের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন মহামানবের কর্মকাণ্ডের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়? হিলফুল ফুজুল বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো।হযরত মুহম্মদ (স) এর মাতার নাম কী?উদ্দীপকে নারীর প্রতি যে অবহেলা প্রকাশ পেয়েছে তা মহানবি (স) এর বিদায় হজের ভাষণের উদ্দীপকের আশরাফ সাহেব মহানবি (স) এর কোন উপদেশ মেনে চললে অধীনস্তদের সাথে বিরূপ আচমুহাম্মদ (স)-কে 'আল-আমিন' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।মহানবি (স) কত খ্রিষ্টাব্দে ইন্তেকাল করেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।