শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের ওসমানীয় সুলতান আব্দুল মজিদের ঘোষণার সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের মুহাম্মদ (সা.)-এর মদিনা জীবনের কোন ঘটনার সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকের ওসমানীয় সুলতান আব্দুল মজিদের ঘোষণার সাথে আমার পাঠবইয়ের মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনের বিদায় হজের ভাষণের সাদৃশ্য রয়েছে। উদ্দীপকে সুলতান আব্দুল মজিদ রাজপ্রাসাদ গুলহান থেকে জনগণের অধিকার সংবলিত একটি রাজকীয় ফরমান ঘোষণা করেন। এতে ধর্ম, বর্ণ, নির্বিশেষে সকলের ধর্মের স্বাধীনতা, জানমালের নিরাপত্তা বিধান করা হয়। অনুরূপ মহানবি (সা.) ৬৩২ সালে আরাফাতের ময়দান থেকে বিদায় হজের ভাষণ প্রদান করেন যা আন্তর্জাতিক সনদ হিসেবে অভিহিত। মহানবি (সা.)-এর জীবনের শেষ হজকে বিদায় হজ বলা হয়। তিনি ৬৩২ খ্রিষ্টাব্দের ২৩ ফেব্রুয়ারি লক্ষাধিক মুসলমানকে সাথে' নিয়ে মক্কায় যাত্রা করে জিলহজ মাসের ৮ তারিখ সেখানে হাজির হন। এটিই তার জীবনের শেষ হজ বিধায় একে হুজ্জাতুল বিদা বলা হয়। তিনি ৬৩২ খ্রিষ্টাব্দের ২৩ ফেব্রুয়ারি লক্ষাধিক মুসলমানকে সাথে নিয়ে মক্কায় যাত্রা করে জিলহজ মাসের ৮ তারিখ সেখানে হাজির হন। এটিই তার জীবনের শেষ হজ বিধায় একে হুজ্জাতুল বিদা বলা হয়। এ হজ উপলক্ষ্যে হযরত মুহাম্মদ (সা.) আরাফাতের পর্বত শীর্ষে দাঁড়িয়ে উপস্থিত জনসমুদ্রকে লক্ষ করে যে অভিভাষণ প্রদান করেন তা বিদায় হজের ভাষণ নামে পরিচিত। তাঁর এ-ভাষণ অন্ধকার ও অসাম্যের চির অবসান করে দুনিয়ার বুকে শান্তির আদর্শ এবং এক নতুন আলোকময় যুগের সূচনা করে। এ ভাষণে মানবজাতির সামগ্রিক মুক্তির ও কল্যাণের প্রতিটি দিক ফুটে উঠেছে। বিদায় হজের ভাষণ লক্ষাধিক মানুষের সামনে কুফর ও শিরকে নিমজ্জিত, শোষিত, বঞ্চিত, নিপীড়িত, ও নিষ্পেষিত, অনাগত ভবিষ্যতের সকল মানুষের মুক্তির উদ্দেশ্য যে গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ভাষণ দেন তাকে অনায়াসে মানবতার মুক্তির সনদ বলা যায়। সুলতান আব্দুল মজিদ যেমন তার ভাষণে দাসপ্রথার বিলোপ, বর্ণ বৈষম্যের অবসান ও জনসাধারণের ঐক্যের কথা বলেন তেমনি মহানবি (সা.) মানুষে মানুষে বৈষম্য দূর করে সকল মানুষের সমর্যাদা দান করেন। তিনি দাসপ্রথার চির অবসান ঘটান।

HSC Islamic History 1st paper Chapter 2 : হযরত মুহাম্মদ (স.) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 1st paper · Chapter 2 : হযরত মুহাম্মদ (স.) · সৃজনশীল

উদ্দীপকের ওসমানীয় সুলতান আব্দুল মজিদের ঘোষণার সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের…

উদ্দীপক

ওসমানীয় সাম্রাজ্যের সুলতান আব্দুল মজিদ রাজপ্রাসাদ থেকে জনগণের অধিকার সংবলিত একটি রাজকীয় ফরমান (ঘোষণা) জারি করেন। এই ঘোষণার মাধ্যমে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের জানমাল' ও সম্পত্তির নিরাপত্তা প্রদান করা হয়। অমুসলিম প্রজাদেরকে এই ঘোষণায় বিশেষ সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়। ওসমানীয়দের এই ঘোষণাকে আন্তর্জাতিক সনদ হিসেবে গ্রহণ করা হয়।

উত্তর

মুহাম্মদ শব্দের অর্থ প্রশংসিত।

উত্তর

হিলফুল ফুজুল রাসুল (সা.) কর্তৃক ৫৯০ সালে গঠিত একটি শান্তি সংঘের নাম। প্রতিবছর জিলহজ মাসে আরবে বিখ্যাত উকাজ, মেলা অনুষ্ঠিত হতো। এ মেলায় জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে কুরাইশ ও কায়েস গোত্রের মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ সংঘটিত হয়। যা ইতিহাসে 'হরবুল ফুজ্জার' নামে পরিচিত। রাসুল (সা.) বাল্যকালে এ যুদ্ধের তাণ্ডবলীলা প্রত্যক্ষ করেন। এতে তাঁর কচিমন কেঁদে ওঠে। মানবতার এ অপমান সহ্য করতে না পেরে যুদ্ধ বন্ধের জন্য কনিষ্ঠ পিতৃব্য জুবাইর ও অন্যান্য কয়েকজন উৎসাহী যুবককে নিয়ে তিনি একটি শান্তি কমিটি গঠন করেন। এ শান্তি কমিটি ইসলামের ইতিহাসে 'হিলফুল ফুজুল' নামে প্রসিদ্ধ।

উত্তর

উদ্দীপকের ওসমানীয় সুলতান আব্দুল মজিদের ঘোষণার সাথে আমার পাঠবইয়ের মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনের বিদায় হজের ভাষণের সাদৃশ্য রয়েছে। উদ্দীপকে সুলতান আব্দুল মজিদ রাজপ্রাসাদ গুলহান থেকে জনগণের অধিকার সংবলিত একটি রাজকীয় ফরমান ঘোষণা করেন। এতে ধর্ম, বর্ণ, নির্বিশেষে সকলের ধর্মের স্বাধীনতা, জানমালের নিরাপত্তা বিধান করা হয়। অনুরূপ মহানবি (সা.) ৬৩২ সালে আরাফাতের ময়দান থেকে বিদায় হজের ভাষণ প্রদান করেন যা আন্তর্জাতিক সনদ হিসেবে অভিহিত। মহানবি (সা.)-এর জীবনের শেষ হজকে বিদায় হজ বলা হয়। তিনি ৬৩২ খ্রিষ্টাব্দের ২৩ ফেব্রুয়ারি লক্ষাধিক মুসলমানকে সাথে' নিয়ে মক্কায় যাত্রা করে জিলহজ মাসের ৮ তারিখ সেখানে হাজির হন। এটিই তার জীবনের শেষ হজ বিধায় একে হুজ্জাতুল বিদা বলা হয়। তিনি ৬৩২ খ্রিষ্টাব্দের ২৩ ফেব্রুয়ারি লক্ষাধিক মুসলমানকে সাথে নিয়ে মক্কায় যাত্রা করে জিলহজ মাসের ৮ তারিখ সেখানে হাজির হন। এটিই তার জীবনের শেষ হজ বিধায় একে হুজ্জাতুল বিদা বলা হয়। এ হজ উপলক্ষ্যে হযরত মুহাম্মদ (সা.) আরাফাতের পর্বত শীর্ষে দাঁড়িয়ে উপস্থিত জনসমুদ্রকে লক্ষ করে যে অভিভাষণ প্রদান করেন তা বিদায় হজের ভাষণ নামে পরিচিত। তাঁর এ-ভাষণ অন্ধকার ও অসাম্যের চির অবসান করে দুনিয়ার বুকে শান্তির আদর্শ এবং এক নতুন আলোকময় যুগের সূচনা করে। এ ভাষণে মানবজাতির সামগ্রিক মুক্তির ও কল্যাণের প্রতিটি দিক ফুটে উঠেছে। বিদায় হজের ভাষণ লক্ষাধিক মানুষের সামনে কুফর ও শিরকে নিমজ্জিত, শোষিত, বঞ্চিত, নিপীড়িত, ও নিষ্পেষিত, অনাগত ভবিষ্যতের সকল মানুষের মুক্তির উদ্দেশ্য যে গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ভাষণ দেন তাকে অনায়াসে মানবতার মুক্তির সনদ বলা যায়। সুলতান আব্দুল মজিদ যেমন তার ভাষণে দাসপ্রথার বিলোপ, বর্ণ বৈষম্যের অবসান ও জনসাধারণের ঐক্যের কথা বলেন তেমনি মহানবি (সা.) মানুষে মানুষে বৈষম্য দূর করে সকল মানুষের সমর্যাদা দান করেন। তিনি দাসপ্রথার চির অবসান ঘটান।

উত্তর

সাদৃশ্যপূর্ণ ঘটনা তথা বিদায় হজের ভাষণের গুরুত্ব ইসলামের ইতিহাসে অপরিসীম। উদ্দীপকে বর্ণিত আব্দুল মজিদের ঘোষণার ন্যায় মহানবি (সা.)-এর বিদায় হজের ভাষণ ছিল একটি অমূল্য সম্পদ। মহানবি (সা.) তার জীবনের শেষ হজে বিশ্বমানবতার উদ্দেশ্যে যে ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন তা বিশ্বমানবাধিকারের ক্ষেত্রে ভাষণের মাধ্যমে ইসলাম ধর্ম পূর্ণতা প্রাপ্ত হয়। জিলহজ মাসের ৯ তারিখে আরাফাতের ময়দানে মহানবি (সা.) তাঁর ভাষণে বলেন, "হে মানবজাতি, মনে রেখ আল্লাহ একজন নর ও একজন নারী থেকে সবাইকে সৃষ্টি করেছেন। কোনো অনারবের ওপর কোনো আরবের শ্রেষ্ঠত্ব নেই। তেমনি কোনো কালোর ওপর কোনো সাদার শ্রেষ্ঠত্ব নেই।" তিনি আরও বলেন, "নারীদের ওপর পুরুষের যেরূপ অধিকার আছে, পুরুষের ওপর ও নারীর সেরূপ অধিকার আছে। তাদের প্রতি অত্যাচার করো না। মনে রেখ আল্লাহকে সাক্ষী রেখে তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের গ্রহণ করেছে। দাসদাসীদের সম্পর্কে মহানবি (সা.) বলেন, "দাসদাসীদের সাথে সদ্ব্যবহার করবে। তাদের ওপর কোনোরূপ অত্যাচার করবে না। তোমরা যা খাবে তাদেরকে তাই খাওয়াবে, তোমরা যা পরবে, তাদেরকে তাই পরাবে, ভুলে যেও না তারাও তোমাদের মতো মানুষ। "ভ্রাতৃত্ববোধ সম্পর্কে মহানবি (সা.) বলেন, "মনে রেখ, সব মুসলমান ভাই ভাই কেউ কারও চেয়ে ছোট বা বড় নয়। আল্লাহর চোখে সবাই সমান। আর সব মুসলমান মিলে একটি অখন্ড ভ্রাতৃসমাজ।" পরকাল সম্পর্কে মহানবি (সা.)-এর ভাষণে বলেন, "স্মরণ রেখ, তোমাদের সবাইকে আল্লাহর দরবারে হাজির হয়ে নিজ নিজ কৃতকর্মের জবাবদিহি করতে হবে।" পরিশেষে বলা যায়, শ্রেণি বৈষম্যহীন সমাজব্যবস্থা, নারীর অধিকার, বিশ্বভ্রাতৃত্ববোধ সৃষ্টি বিশ্ব মানবাধিকার প্রতিষ্ঠাসহ পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধানে মহানবি (সা.)-এর বিদায় হজের ভাষণ ছিল বিশ্ব মানবতার দিকনির্দেশনা ও আন্তর্জাতিক মুক্তির দলিল।
HSCIslamic History 1st paperChapter 2 : হযরত মুহাম্মদ (স.)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মুক্তিযুদ্ধের সময় রাশেদদের গ্রামের মুক্তিযোদ্ধারা গ্রামে প্রবেশের রাস্তা কেটে দিয়েছিল, যাতে পাকিস্তান আর্মি সহজে প্রবেশ করতে না পারে। রাস্তা কাটা থাকায় পাক আর্মি গাড়ি ছাড়া পায়ে হেঁটে গ্রামে প্রবেশ করার সাহস পায়নি। মুক্তিযোদ্ধাদের এ রণকৌশলের কারণে রাশেদদের গ্রাম ছিল নিরাপদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের একটি ঘাঁটি।

Rajshahi · 2017

ক
হিজরত অর্থ কী?
খ
হিজরত ও দেশত্যাগের মধ্যে পার্থক্য কী? বুঝিয়ে লিখ।
গ
উদ্দীপকের অনুরূপ রণকৌশল মহানবি (স) কোন যুদ্ধে প্রয়োগ করেছিলেন? বর্ণনা করো।
ঘ
মহানবি (স) এর উক্ত রণকৌশলটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মুক্তিযুদ্ধের সময় রাশেদদের গ্রামের মুক্তিযোদ্ধারা গ্রামে প্রবেশের রাস্তা কেটে দিয়েছিল, যাতে পাকিস্তান আর্মি সহজে প্রবেশ করতে না পারে। রাস্তা কাটা থাকায় পাক আর্মি গাড়ি ছাড়া পায়ে হেঁটে গ্রামে প্রবেশ করার সাহস পায়নি। মুক্তিযোদ্ধাদের এ রণকৌশলের কারণে রাশেদদের গ্রাম ছিল নিরাপদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের একটি ঘাঁটি।

Rajshahi · 2017

ক
হিজরত অর্থ কী?
খ
হিজরত ও দেশত্যাগের মধ্যে পার্থক্য কী? বুঝিয়ে লিখ।
গ
উদ্দীপকের অনুরূপ রণকৌশল মহানবি (স) কোন যুদ্ধে প্রয়োগ করেছিলেন? বর্ণনা করো।
ঘ
মহানবি (স) এর উক্ত রণকৌশলটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.হিজরত ও দেশত্যাগের মধ্যে পার্থক্য কী? বুঝিয়ে লিখ।

হিজরত ও দেশত্যাগের মধ্যে পার্থক্য কী? বুঝিয়ে লিখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.হিজরত অর্থ কী?

হিজরত অর্থ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আব্দুস সামাদ নামক ব্যক্তিটি সমাজের সর্বস্তরের মানুষের নিকট শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন। তিনি এলাকার মসজিদের ইমাম নিযুক্ত হওয়ার পর সমাজের সকল অনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে বলেন। এতে সমাজের এক শ্রেণির মানুষের কাছে তিনি শত্রু হয়ে যান। এক পর্যায়ে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয় এবং তিনি দেশ ত্যাগে বাধ্য হন।

Rajshahi · 2017

ক
হযরত মুহম্মদ (স) এর মাতার নাম কী?
খ
হিলফুল ফুজুল বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন মহামানবের কর্মকাণ্ডের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উক্ত মহাপুরুষের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের ঘটনা তাঁর ও তাঁর প্রচারিত ধর্মের জন্য ছিল গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আব্দুস সামাদ নামক ব্যক্তিটি সমাজের সর্বস্তরের মানুষের নিকট শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন। তিনি এলাকার মসজিদের ইমাম নিযুক্ত হওয়ার পর সমাজের সকল অনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে বলেন। এতে সমাজের এক শ্রেণির মানুষের কাছে তিনি শত্রু হয়ে যান। এক পর্যায়ে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয় এবং তিনি দেশ ত্যাগে বাধ্য হন।

Rajshahi · 2017

ক
হযরত মুহম্মদ (স) এর মাতার নাম কী?
খ
হিলফুল ফুজুল বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন মহামানবের কর্মকাণ্ডের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উক্ত মহাপুরুষের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের ঘটনা তাঁর ও তাঁর প্রচারিত ধর্মের জন্য ছিল গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.হিলফুল ফুজুল বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো।

হিলফুল ফুজুল বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.হযরত মুহম্মদ (স) এর মাতার নাম কী?

হযরত মুহম্মদ (স) এর মাতার নাম কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আশরাফ সাহেবের বাসায় সবসময় দুই ধরনের রান্না হয়। ভালোমানের রান্না হয় তার পরিবারের জন্য, আর নিম্নমানের খাবার তৈরি হয় ড্রাইভার, বাবুর্চি আর পরিচারিকাদের জন্য। তাদের চিকিৎসা, বাসস্থান ও ভালো পোশাকেরও সুব্যবস্থা নাই। আশরাফ সাহেব তার স্ত্রীর সাথেও সবসময় দুর্ব্যবহার করেন। পারিবারিক কোনো সিদ্ধান্তে তিনি স্ত্রীর মতামত গ্রহণ করেন না। এসব নিয়ে সংসারে অশান্তি লেগেই থাকে।

Dhaka · 2017

ক
মহানবি (স) কত খ্রিষ্টাব্দে ইন্তেকাল করেন?
খ
মুহাম্মদ (স)-কে 'আল-আমিন' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের আশরাফ সাহেব মহানবি (স) এর কোন উপদেশ মেনে চললে অধীনস্তদের সাথে বিরূপ আচরণ করতে পারতেন না? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে নারীর প্রতি যে অবহেলা প্রকাশ পেয়েছে তা মহানবি (স) এর বিদায় হজের ভাষণের এ সংক্রান্ত নির্দেশাবলির পরিপন্থি। উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আশরাফ সাহেবের বাসায় সবসময় দুই ধরনের রান্না হয়। ভালোমানের রান্না হয় তার পরিবারের জন্য, আর নিম্নমানের খাবার তৈরি হয় ড্রাইভার, বাবুর্চি আর পরিচারিকাদের জন্য। তাদের চিকিৎসা, বাসস্থান ও ভালো পোশাকেরও সুব্যবস্থা নাই। আশরাফ সাহেব তার স্ত্রীর সাথেও সবসময় দুর্ব্যবহার করেন। পারিবারিক কোনো সিদ্ধান্তে তিনি স্ত্রীর মতামত গ্রহণ করেন না। এসব নিয়ে সংসারে অশান্তি লেগেই থাকে।

Dhaka · 2017

ক
মহানবি (স) কত খ্রিষ্টাব্দে ইন্তেকাল করেন?
খ
মুহাম্মদ (স)-কে 'আল-আমিন' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের আশরাফ সাহেব মহানবি (স) এর কোন উপদেশ মেনে চললে অধীনস্তদের সাথে বিরূপ আচরণ করতে পারতেন না? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে নারীর প্রতি যে অবহেলা প্রকাশ পেয়েছে তা মহানবি (স) এর বিদায় হজের ভাষণের এ সংক্রান্ত নির্দেশাবলির পরিপন্থি। উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মুহাম্মদ (স)-কে 'আল-আমিন' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

মুহাম্মদ (স)-কে 'আল-আমিন' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মহানবি (স) কত খ্রিষ্টাব্দে ইন্তেকাল করেন?

মহানবি (স) কত খ্রিষ্টাব্দে ইন্তেকাল করেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মহানবি (স) এর উক্ত রণকৌশলটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপকের অনুরূপ রণকৌশল মহানবি (স) কোন যুদ্ধে প্রয়োগ করেছিলেন? বর্ণনা করো।হিজরত ও দেশত্যাগের মধ্যে পার্থক্য কী? বুঝিয়ে লিখ।হিজরত অর্থ কী?উক্ত মহাপুরুষের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের ঘটনা তাঁর ও তাঁর প্রচারিত ধর্মের জন্য ছিল উদ্দীপকের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন মহামানবের কর্মকাণ্ডের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়? হিলফুল ফুজুল বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো।হযরত মুহম্মদ (স) এর মাতার নাম কী?উদ্দীপকে নারীর প্রতি যে অবহেলা প্রকাশ পেয়েছে তা মহানবি (স) এর বিদায় হজের ভাষণের উদ্দীপকের আশরাফ সাহেব মহানবি (স) এর কোন উপদেশ মেনে চললে অধীনস্তদের সাথে বিরূপ আচমুহাম্মদ (স)-কে 'আল-আমিন' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।মহানবি (স) কত খ্রিষ্টাব্দে ইন্তেকাল করেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।

উদ্দীপকের ওসমানীয় সুলতান আব্দুল মজিদের ঘোষণার সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের… | Prosthuti