শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের আলোকে বিদায় হজের ভাষণের তাৎপর্য আলোচনা কর।

উত্তর: মহানবি (সা.)-এর জীবনের শেষ হজকে বিদায় হজ বলা হয়। তিনি ৬৩২ খ্রিস্টাব্দের ২৩ ফেব্রুয়ারি লক্ষাধিক মুসলমানকে সাথে নিয়ে মক্কায় যাত্রা করে জিলহজ মাসের ৮ তারিখ (৭ মার্চ) সেখানে হাজির হন। এটিই তার জীবনের শেষ হজ বিধায় একে হুজ্জাতুল বিদা বলা হয়। এ হজ উপলক্ষ্যে হযরত মুহাম্মদ (সা.) আরাফাতের পর্বত শীর্ষে দাঁড়িয়ে উপস্থিত জনসমুদ্রকে লক্ষ করে যে অভিভাষণ প্রদান করেন তা বিদায় হজের ভাষণ নামে পরিচিত। তার এ ভাষণ অন্ধকার ও অসাম্যের চির অবসান করে দুনিয়ার বুকে শান্তির আদর্শ এবং এক নতুন আলোকময় যুগের সূচনা করে। এ ভাষণে মানবজাতির সামগ্রিক মুক্তির ও কল্যাণের প্রতিটি দিক ফুটে উঠেছে। বিদায় হজের ভাষণ লক্ষাধিক মানুষের সামনে কুফর ও শিরকে নিমজ্জিত, শোষিত 'বঞ্চিত' নিপীড়িত ও নিষ্পেষিত, অনাগত ভবিষ্যতের সকল মানুষের মুক্তির উদ্দেশ্যে যে গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ভাষণ দেন তাকে অনায়াসে মানবতার মুক্তির সনদ বলা যায়। মহানবি (সা.) মানুষে মানুষে বৈষম্য দূর করে সকল মানুষের সমমর্যাদা দান করেন। তিনি দাসপ্রথার চির অবসান ঘটান। মহানবি (সা.)-এর বিদায় হজের ভাষণ ছিল মানবতার মুক্তির সনদ ও মানবজাতির মৌলিক অধিকার সংরক্ষণের দলিল। কেননা এতে সকল মানুষের অধিকার ও দাবির ব্যাপারে ঘোষণা দেওয়া হয়। এ ভাষণে মহানবি (সা.) ঘোষণা করেন সকল মানুষই সমান। কালো-সাদাতে, আরব-অনারবে, নারী-পুরুষে কোনো বৈষম্য করা যাবে না। তিনি গোত্রীয় ব্যবস্থা বিলোপ করে একজাতি প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, ব্যক্তির যোগ্যতা, সততা, কর্ম ও দক্ষতার কারণে তার মর্যাদা নির্ধারিত হবে। তাছাড়া তিনি নারী সমাজের মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান বর্ণনা করে নারী-পুরুষকে একে অপরের পোশাক হিসেবে ঘোষণা করেন। মহানবি (সা.) ঘোষণা করেন "মানুষের মধ্যে উৎকৃষ্ট এবং শ্রেষ্ঠ যে ব্যক্তি যিনি আল্লাহর প্রতি সর্বাধিক অনুগত এবং মানুষের সর্বাধিক কল্যাণকামী।"

HSC Islamic History 1st paper Chapter 2 : হযরত মুহাম্মদ (স.) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 1st paper · Chapter 2 : হযরত মুহাম্মদ (স.) · সৃজনশীল

উদ্দীপকের আলোকে বিদায় হজের ভাষণের তাৎপর্য আলোচনা কর।

উদ্দীপক

নেতার অন্যতম গুণ হচ্ছে নিজের পরিকল্পনা ও মতামতের প্রতি সকলকে আকৃষ্ট করা। এক্ষেত্রে অর্থবহ ভাষণ বা জ্বালাময়ী বক্তৃতার কোনো বিকল্প নেই। ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, ধর্মীয় ক্ষেত্রে হোক বা রাজনীতির বিষয়ই হোক কিংবা সমাজ সংগঠনের ক্ষেত্রেই হোক বড় বড় নেতা ও মনীষীরা গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতা বা ভাষণের মাধ্যমে নিজের মতাদর্শ সমাজে প্রতিষ্ঠা করেছেন। ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় কোনো কোনো ভাষণ আবার কালজয়ী ভাষণ হিসেবে ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে ঠাঁই করে নিয়েছে।

উত্তর

৬৩০ খ্রিস্টাব্দে মক্কা বিজয় সম্পন্ন হয়।

উত্তর

মহানবি (সা.)-এর বিদায় হজের ভাষণের দুটি উপদেশ হলো- ১. মহানবি (সা.) বলেন, "ওহে জনমণ্ডলী নিশ্চয় তোমাদের স্ত্রীদের প্রতি তোমাদের যেমন অধিকার রয়েছে তোমাদের প্রতি তাদেরও তেমন অধিকার রয়েছে।" ২. দাসদাসীদের অধিকার বিষয়ে মহানবি (সা.) বলেন, "তাদের সাথে সদ্ব্যবহার করবে, তাদের নির্যাতন করার কোনো অধিকার তোমাদের নেই। তোমার যা খাবে ও পরবে তাদেরকেও তা খাওয়াবে ও পরাবে।"

উত্তর

ইসলামের ইতিহাসে ৬৩০ খ্রিস্টাব্দের মক্কা বিজয়ের গুরুত্ব অপরিসীম। ৮ম হিজরির ১৮ রমজান তথা ৬৩০ খ্রিষ্টাব্দে ১০,০০০ সাহাবিসহ রাসুল (সা.) মক্কা অভিমুখে যাত্রা করেন এবং বিনা রক্তপাতে মক্কা বিজয় করেন। মক্কাবাসীরা রাসুল (সা.)-কে কত অত্যাচার ও নির্যাতন করেছে। কিন্তু মক্কা বিজয়ের পর তিনি তাদেরকে কোনো শাস্তি দেননি। উপরন্তু তাদেরকে ক্ষমা করে দেন। মক্কা বিজয় ইসলামের ইতিহাসের পূর্ণতা সাধন করে এবং এর সঙ্গে মহানবি (সা.)-এর সাথে কুরাইশদের শত্রুতার সমাপ্তি ঘটে। মক্কা বিজয়ের অর্থই হচ্ছে পৌত্তলিকতার বিরুদ্ধে ইসলামের জয়। কেননা মক্কা তখন ছিল পৌত্তলিকতার কেন্দ্রস্থল। সুদীর্ঘ একুশ বছর ধরে মুসলমানরা কুরাইশদের যে অত্যাচার, অবিচার, উৎপীড়ন-নিপীড়ন ও লাঞ্ছনা-গঞ্জনা ভোগ করে আসছিলেন এদিন তার পরিসমাপ্তি ঘটে। রক্ত দ্বারা নয়, মহানবি (সা.) প্রেম দ্বারা মক্কা বিজয় সম্পন্ন করেন। এরূপ রক্তপাতহীন বিজয় দুনিয়ার ইতিহাসে নজিরবিহীন। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর মক্কা বিজয়ের পর মুসলমানগণ নতুন জীবন লাভ করে। এ বিজয় হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে এমন এক উচ্চাসন প্রদান করে, যার স্বাভাবিক পরিণতি হিসেবে তিনি আরব উপদ্বীপের একচ্ছত্র অধিপতি হলেন। মক্কা বিজয়ের স্বাভাবিক পরিণতিই হলো সমগ্র আরবে ইসলামের প্রাধান্য প্রতিষ্ঠা। অতএব, ৬৩০ সালের মক্কা বিজয়ের তাৎপর্য ব্যাপক।

উত্তর

মহানবি (সা.)-এর জীবনের শেষ হজকে বিদায় হজ বলা হয়। তিনি ৬৩২ খ্রিস্টাব্দের ২৩ ফেব্রুয়ারি লক্ষাধিক মুসলমানকে সাথে নিয়ে মক্কায় যাত্রা করে জিলহজ মাসের ৮ তারিখ (৭ মার্চ) সেখানে হাজির হন। এটিই তার জীবনের শেষ হজ বিধায় একে হুজ্জাতুল বিদা বলা হয়। এ হজ উপলক্ষ্যে হযরত মুহাম্মদ (সা.) আরাফাতের পর্বত শীর্ষে দাঁড়িয়ে উপস্থিত জনসমুদ্রকে লক্ষ করে যে অভিভাষণ প্রদান করেন তা বিদায় হজের ভাষণ নামে পরিচিত। তার এ ভাষণ অন্ধকার ও অসাম্যের চির অবসান করে দুনিয়ার বুকে শান্তির আদর্শ এবং এক নতুন আলোকময় যুগের সূচনা করে। এ ভাষণে মানবজাতির সামগ্রিক মুক্তির ও কল্যাণের প্রতিটি দিক ফুটে উঠেছে। বিদায় হজের ভাষণ লক্ষাধিক মানুষের সামনে কুফর ও শিরকে নিমজ্জিত, শোষিত 'বঞ্চিত' নিপীড়িত ও নিষ্পেষিত, অনাগত ভবিষ্যতের সকল মানুষের মুক্তির উদ্দেশ্যে যে গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ভাষণ দেন তাকে অনায়াসে মানবতার মুক্তির সনদ বলা যায়। মহানবি (সা.) মানুষে মানুষে বৈষম্য দূর করে সকল মানুষের সমমর্যাদা দান করেন। তিনি দাসপ্রথার চির অবসান ঘটান। মহানবি (সা.)-এর বিদায় হজের ভাষণ ছিল মানবতার মুক্তির সনদ ও মানবজাতির মৌলিক অধিকার সংরক্ষণের দলিল। কেননা এতে সকল মানুষের অধিকার ও দাবির ব্যাপারে ঘোষণা দেওয়া হয়। এ ভাষণে মহানবি (সা.) ঘোষণা করেন সকল মানুষই সমান। কালো-সাদাতে, আরব-অনারবে, নারী-পুরুষে কোনো বৈষম্য করা যাবে না। তিনি গোত্রীয় ব্যবস্থা বিলোপ করে একজাতি প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, ব্যক্তির যোগ্যতা, সততা, কর্ম ও দক্ষতার কারণে তার মর্যাদা নির্ধারিত হবে। তাছাড়া তিনি নারী সমাজের মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান বর্ণনা করে নারী-পুরুষকে একে অপরের পোশাক হিসেবে ঘোষণা করেন। মহানবি (সা.) ঘোষণা করেন "মানুষের মধ্যে উৎকৃষ্ট এবং শ্রেষ্ঠ যে ব্যক্তি যিনি আল্লাহর প্রতি সর্বাধিক অনুগত এবং মানুষের সর্বাধিক কল্যাণকামী।"
HSCIslamic History 1st paperChapter 2 : হযরত মুহাম্মদ (স.)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মুক্তিযুদ্ধের সময় রাশেদদের গ্রামের মুক্তিযোদ্ধারা গ্রামে প্রবেশের রাস্তা কেটে দিয়েছিল, যাতে পাকিস্তান আর্মি সহজে প্রবেশ করতে না পারে। রাস্তা কাটা থাকায় পাক আর্মি গাড়ি ছাড়া পায়ে হেঁটে গ্রামে প্রবেশ করার সাহস পায়নি। মুক্তিযোদ্ধাদের এ রণকৌশলের কারণে রাশেদদের গ্রাম ছিল নিরাপদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের একটি ঘাঁটি।

Rajshahi · 2017

ক
হিজরত অর্থ কী?
খ
হিজরত ও দেশত্যাগের মধ্যে পার্থক্য কী? বুঝিয়ে লিখ।
গ
উদ্দীপকের অনুরূপ রণকৌশল মহানবি (স) কোন যুদ্ধে প্রয়োগ করেছিলেন? বর্ণনা করো।
ঘ
মহানবি (স) এর উক্ত রণকৌশলটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মুক্তিযুদ্ধের সময় রাশেদদের গ্রামের মুক্তিযোদ্ধারা গ্রামে প্রবেশের রাস্তা কেটে দিয়েছিল, যাতে পাকিস্তান আর্মি সহজে প্রবেশ করতে না পারে। রাস্তা কাটা থাকায় পাক আর্মি গাড়ি ছাড়া পায়ে হেঁটে গ্রামে প্রবেশ করার সাহস পায়নি। মুক্তিযোদ্ধাদের এ রণকৌশলের কারণে রাশেদদের গ্রাম ছিল নিরাপদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের একটি ঘাঁটি।

Rajshahi · 2017

ক
হিজরত অর্থ কী?
খ
হিজরত ও দেশত্যাগের মধ্যে পার্থক্য কী? বুঝিয়ে লিখ।
গ
উদ্দীপকের অনুরূপ রণকৌশল মহানবি (স) কোন যুদ্ধে প্রয়োগ করেছিলেন? বর্ণনা করো।
ঘ
মহানবি (স) এর উক্ত রণকৌশলটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.হিজরত ও দেশত্যাগের মধ্যে পার্থক্য কী? বুঝিয়ে লিখ।

হিজরত ও দেশত্যাগের মধ্যে পার্থক্য কী? বুঝিয়ে লিখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.হিজরত অর্থ কী?

হিজরত অর্থ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আব্দুস সামাদ নামক ব্যক্তিটি সমাজের সর্বস্তরের মানুষের নিকট শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন। তিনি এলাকার মসজিদের ইমাম নিযুক্ত হওয়ার পর সমাজের সকল অনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে বলেন। এতে সমাজের এক শ্রেণির মানুষের কাছে তিনি শত্রু হয়ে যান। এক পর্যায়ে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয় এবং তিনি দেশ ত্যাগে বাধ্য হন।

Rajshahi · 2017

ক
হযরত মুহম্মদ (স) এর মাতার নাম কী?
খ
হিলফুল ফুজুল বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন মহামানবের কর্মকাণ্ডের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উক্ত মহাপুরুষের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের ঘটনা তাঁর ও তাঁর প্রচারিত ধর্মের জন্য ছিল গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আব্দুস সামাদ নামক ব্যক্তিটি সমাজের সর্বস্তরের মানুষের নিকট শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন। তিনি এলাকার মসজিদের ইমাম নিযুক্ত হওয়ার পর সমাজের সকল অনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে বলেন। এতে সমাজের এক শ্রেণির মানুষের কাছে তিনি শত্রু হয়ে যান। এক পর্যায়ে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয় এবং তিনি দেশ ত্যাগে বাধ্য হন।

Rajshahi · 2017

ক
হযরত মুহম্মদ (স) এর মাতার নাম কী?
খ
হিলফুল ফুজুল বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন মহামানবের কর্মকাণ্ডের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উক্ত মহাপুরুষের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের ঘটনা তাঁর ও তাঁর প্রচারিত ধর্মের জন্য ছিল গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.হিলফুল ফুজুল বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো।

হিলফুল ফুজুল বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.হযরত মুহম্মদ (স) এর মাতার নাম কী?

হযরত মুহম্মদ (স) এর মাতার নাম কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আশরাফ সাহেবের বাসায় সবসময় দুই ধরনের রান্না হয়। ভালোমানের রান্না হয় তার পরিবারের জন্য, আর নিম্নমানের খাবার তৈরি হয় ড্রাইভার, বাবুর্চি আর পরিচারিকাদের জন্য। তাদের চিকিৎসা, বাসস্থান ও ভালো পোশাকেরও সুব্যবস্থা নাই। আশরাফ সাহেব তার স্ত্রীর সাথেও সবসময় দুর্ব্যবহার করেন। পারিবারিক কোনো সিদ্ধান্তে তিনি স্ত্রীর মতামত গ্রহণ করেন না। এসব নিয়ে সংসারে অশান্তি লেগেই থাকে।

Dhaka · 2017

ক
মহানবি (স) কত খ্রিষ্টাব্দে ইন্তেকাল করেন?
খ
মুহাম্মদ (স)-কে 'আল-আমিন' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের আশরাফ সাহেব মহানবি (স) এর কোন উপদেশ মেনে চললে অধীনস্তদের সাথে বিরূপ আচরণ করতে পারতেন না? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে নারীর প্রতি যে অবহেলা প্রকাশ পেয়েছে তা মহানবি (স) এর বিদায় হজের ভাষণের এ সংক্রান্ত নির্দেশাবলির পরিপন্থি। উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আশরাফ সাহেবের বাসায় সবসময় দুই ধরনের রান্না হয়। ভালোমানের রান্না হয় তার পরিবারের জন্য, আর নিম্নমানের খাবার তৈরি হয় ড্রাইভার, বাবুর্চি আর পরিচারিকাদের জন্য। তাদের চিকিৎসা, বাসস্থান ও ভালো পোশাকেরও সুব্যবস্থা নাই। আশরাফ সাহেব তার স্ত্রীর সাথেও সবসময় দুর্ব্যবহার করেন। পারিবারিক কোনো সিদ্ধান্তে তিনি স্ত্রীর মতামত গ্রহণ করেন না। এসব নিয়ে সংসারে অশান্তি লেগেই থাকে।

Dhaka · 2017

ক
মহানবি (স) কত খ্রিষ্টাব্দে ইন্তেকাল করেন?
খ
মুহাম্মদ (স)-কে 'আল-আমিন' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের আশরাফ সাহেব মহানবি (স) এর কোন উপদেশ মেনে চললে অধীনস্তদের সাথে বিরূপ আচরণ করতে পারতেন না? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে নারীর প্রতি যে অবহেলা প্রকাশ পেয়েছে তা মহানবি (স) এর বিদায় হজের ভাষণের এ সংক্রান্ত নির্দেশাবলির পরিপন্থি। উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মুহাম্মদ (স)-কে 'আল-আমিন' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

মুহাম্মদ (স)-কে 'আল-আমিন' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মহানবি (স) কত খ্রিষ্টাব্দে ইন্তেকাল করেন?

মহানবি (স) কত খ্রিষ্টাব্দে ইন্তেকাল করেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মহানবি (স) এর উক্ত রণকৌশলটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপকের অনুরূপ রণকৌশল মহানবি (স) কোন যুদ্ধে প্রয়োগ করেছিলেন? বর্ণনা করো।হিজরত ও দেশত্যাগের মধ্যে পার্থক্য কী? বুঝিয়ে লিখ।হিজরত অর্থ কী?উক্ত মহাপুরুষের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের ঘটনা তাঁর ও তাঁর প্রচারিত ধর্মের জন্য ছিল উদ্দীপকের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন মহামানবের কর্মকাণ্ডের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়? হিলফুল ফুজুল বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো।হযরত মুহম্মদ (স) এর মাতার নাম কী?উদ্দীপকে নারীর প্রতি যে অবহেলা প্রকাশ পেয়েছে তা মহানবি (স) এর বিদায় হজের ভাষণের উদ্দীপকের আশরাফ সাহেব মহানবি (স) এর কোন উপদেশ মেনে চললে অধীনস্তদের সাথে বিরূপ আচমুহাম্মদ (স)-কে 'আল-আমিন' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।মহানবি (স) কত খ্রিষ্টাব্দে ইন্তেকাল করেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।