ফয়সালের ব্যবহারে নবি করিম (স)-এর বিদায় হজের ভাষণের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো ।
উত্তর: ফয়সালের ব্যবহারে মহানবি (স)-এর বিদায় হজের ভাষণের অধীনস্তদের প্রতি সঠিক আচরণের দিকটি ফুটে উঠেছে। ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে হজের সময় মহানবি (স)-এর জীবনের সর্বশেষ দেওয়া ভাষণ হলো বিদায় হজের ভাষণ। এ ভাষণে তিনি মানবতার প্রয়োজনীয় মূলনীতিগুলোর দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। দিকনির্দেশনা অন্ধকার ও অসাম্যের চির অবসান ঘটিয়ে দুনিয়ার বুকে শান্তির আদর্শ এবং এক নতুন আলোকময় যুগের সূচনা করেছে। মহানবি (স) এ ভাষণে অধীনস্তদের প্রতি যে আচরণের নির্দেশ দিয়েছেন ফয়সাল তা বাস্তবায়ন করেছে। ফয়সালের বাসায় একটি এতিম মেয়ে কাজ করে। সে তাকে নিজের সন্তানের মতো ভালোবাসে। তারা নিজেরা যা খায় পরে তাকেও তা খাওয়ায় পরায়। তার সাথে কোনো ধরনের খারাপ আচরণ করে না। বিদায় হজের ভাষণে মহানবি (স) দাস দাসীর সাথে এমন আচরণ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনি বলেছেন, তোমাদের দাসদাসীদের প্রতি সদ্ব্যব্যবহার করো। তাদেরকে নির্যাতন করার কোনো অধিকার তোমাদের নেই। তোমরা নিজেরা যা খাও, যে পোশাক পরিধান কর, তাদেরকেও অনুরূপ খাদ্য ও বস্ত্র দান করবে। তারা অপরাধ করলে ক্ষমা করবে অথবা মুক্তি দেবে। স্মরণ রেখো— তারাও আল্লাহর সৃষ্টি এবং তোমাদের মতো মানুষ । মূলত আমাদের অধীনে যারা কাজ করে তাদের ব্যাপারে আমাদেরকে আল্লাহর কাছে জবাবদিহিতা করতে হবে। তাই রাসুল (স) তাদের সাথে সর্বোচ্চ মানবিক আচরণ করার নির্দেশ দিয়েছেন। সুতরাং দেখা যায়, ফয়সালের ব্যবহারে মহানবি (স)-এর বিদায় হজের ভাষণের অধীনস্ত লোকদের প্রতি ব্যবহারের নির্দেশনার বাস্তবায়ন ঘটেছে ।
HSC Islamic History 1st paper Chapter 2 : হযরত মুহাম্মদ (স.) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Islamic History 1st paper · Chapter 2 : হযরত মুহাম্মদ (স.) · সৃজনশীল
ফয়সালের ব্যবহারে নবি করিম (স)-এর বিদায় হজের ভাষণের কোন দিকটি ফুটে…
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর