শেয়ারFacebookWhatsApp

উক্ত সন্ধিকে পবিত্র কুরআনে মহাবিজয় বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে কেন ? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি প্রদর্শন করো ।

উত্তর: হুদায়বিয়ার সন্ধির মাধ্যমে প্রকৃতপক্ষে মুসলমানদের স্বার্থরক্ষা হয়েছিল বলে পবিত্র কুরআনে একে মহাবিজয় বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে । মহানবি (স)-এর রাজনৈতিক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো হুদায়বিয়ার সন্ধি। এটি ইসলাম ও বিশ্বের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে। মুসলমানদের স্বতন্ত্র শক্তির বহিঃপ্রকাশ ঘটে এ সন্ধির মাধ্যমে। হযরত আবু বকর (রা)-এর মতে, হুদায়বিয়ার সন্ধির মতো জয় মুসলমানদের আর কখনও হয়নি । হুদায়বিয়ার সন্ধি মুসলমানদের জন্য শ্রেষ্ঠ বিজয়। আপাতদৃষ্টিতে এ সন্ধিপত্র কুরাইশদের অনুকূলে সম্পাদিত হয়েছে বলেই মনে হয়। কিন্তু দূরদৃষ্টিতে বিচার করলে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যে, এটি সর্বতোভাবে মুসলিম স্বার্থের অনুকূলে হয়েছিল। এ চুক্তিটি মুসলমানদেরকে একটি স্থায়ী রাজনৈতিক মর্যাদা দান করে। এর মাধ্যমে মুসলমানরা যে একটি স্বতন্ত্র শক্তি তার বহিঃপ্রকাশ ঘটে। এ চুক্তির মাধ্যমেই কুরাইশরা মহানবি (স)-কে একজন মহান নেতা এবং মদিনা রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে মেনে নেয়। হুদায়বিয়ার সন্ধির মাধ্যমে দশ বছর যুদ্ধবিগ্রহ বন্ধ হওয়ায় মুসলমানগণ নিশ্চিন্তভাবে বসবাস করার সুযোগ লাভ করে। এ সন্ধির ফলে ইসলাম প্রচার ও প্রসারের পথ দিন দিন প্রশস্ত হতে থাকে এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ব্যাপক বিস্তৃতি লাভ করে। ইসলামের শ্রেষ্ঠ বীর ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোক ইসলাম গ্রহণ করে। ফলে ইসলামের শক্তি বৃদ্ধি পায়। হুদায়বিয়ার সন্ধির ফলেই মুসলমানরা বিনা রক্তপাতে মক্কা বিজয় (৬৩০) করে। অর্থাৎ হুদায়বিয়ার সন্ধি ইসলাম ও মুসলমানদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুফল বয়ে আনে । উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, হুদায়বিয়ার সন্ধি ইসলামের প্রচার ও প্রসারের ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখে। এ সন্ধি মহানবি (স)-এর নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা ও স্বীকৃতির মাধ্যমে ইসলামের শক্তি সুসংহত রূপলাভ করে। এসব কারণেই মহান আল্লাহ আল কুরআনে একে মহাবিজয় বলে ঘোষণা করেছেন

HSC Islamic History 1st paper Chapter 2 : হযরত মুহাম্মদ (স.) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 1st paper · Chapter 2 : হযরত মুহাম্মদ (স.) · সৃজনশীল

উক্ত সন্ধিকে পবিত্র কুরআনে মহাবিজয় বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে কেন ? …

উদ্দীপক

ইসরাইলের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী আইজাক রবিন ও জর্ডানের প্রধানমন্ত্রী আবদেল সালাম আল মাজলির মধ্যে ১৯৯৪ সালে ২৬ অক্টোবর এক চুক্তি আক্ষরিত হয়। এ চুক্তিতে উভয় দেশ পরবর্তীতে কোনো সংঘর্ষে লিপ্ত হবে না— এ শর্তে একমত হয়। আর এ চুক্তি দ্বারা উভয় দেশের জনসাধারণের পূর্ণ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা এবং এক দেশ থেকে অন্য দেশের ওপর কোনো আঘাত আসবে না বা এক দেশ দ্বারা অন্য দেশের কোনো ক্ষতি হবে না বলে একমত হয়। তাছাড়া এ চুক্তি দ্বারা এক দেশ অন্য দেশকে আক্রমণের ভীতি প্রদর্শন থেকে বিরত থাকবে বলে ঐকমত্য পোষণ করে। তবে আল জাজিরা নিউজ চ্যানেলের এক নিউজ বিশ্লেষণে বলা হয় যে, এ চুক্তি ছিল জর্ডানের পরোক্ষ বিজয়।

উত্তর

৬২৫ খ্রিষ্টাব্দে উহুদের যুদ্ধ সংঘটিত হয় ।

উত্তর

শত্রুবাহিনী থেকে আত্মরক্ষার্থে খন্দকের যুদ্ধে কৌশল হিসেবে মহানবি (স) পরিখা খনন করেছিলেন। খন্দকের যুদ্ধে কুরাইশ ও তাদের মিত্রদের বিশাল সৈন্যবাহিনীকে মোকাবিলার জন্য মুহাম্মদ (স) পারসিক সাহাবি সালমান ফারসি (রা)-এর পরামর্শে শহরের অরক্ষিত স্থানে গভীর পরিখা খননের ব্যবস্থা করেন। মহানবি (স) তিন হাজার সাহাবাকে সাথে নিয়ে রমজান মাসে মদিনার উত্তর ও পশ্চিম দিকে গভীর পরিখা খনন করেন। তাই কুরাইশ ও মিত্রবাহিনী মদিনা নগরী অবরোধ করলেও তারা মদিনায় প্রবেশ করতে না পারায় মুসলমানরা চরম ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পায় ।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত চুক্তির সাথে মহানবি (স)-এর গৃহীত হুদায়বিয়ার সন্ধির সাদৃশ্য রয়েছে । হুদায়বিয়ার সন্ধি ইসলামের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। মুসলমানদের জন্য এ সন্ধি ছিল শ্রেষ্ঠ বিজয়। ৬২৮ খ্রিষ্টাব্দে মক্কার কুরাইশ ও মহানবি (স)-এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু শর্তের ভিত্তিতে এ সন্ধিপত্র স্বাক্ষরিত হয়। এ শর্তগুলোর প্রতিফলনই উদ্দীপকের চুক্তির ক্ষেত্রে লক্ষ করা যায়। উদ্দীপকে দেখা যায়, ইসরাইল ও জর্ডানের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে একটি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এ চুক্তির শর্তগুলো হুদায়বিয়ার সন্ধির অনুরূপ । কারণ হুদায়বিয়ার সন্ধির শর্তে উল্লেখ করা হয়, মুসলমান ও কুরাইশদের মধ্যে আগামী দশ বছর যেকোনো যুদ্ধ-বিগ্রহ বন্ধ থাকবে। হজের উদ্দেশ্যে মক্কায় আসার সময় মুসলমানরা আত্মরক্ষার জন্য কোষবদ্ধ তরবারি ছাড়া আর কোনো মারণাস্ত্র সাথে আনতে পারবে না। এছাড়া হজের সময় কুরাইশরা মুসলমানদের জান-মালের নিরাপত্তা বিধান করবে । বিনিময়ে মক্কার বণিকগণ নির্বিঘ্নে বিভিন্ন দেশের সাথে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারবে বলেও হুদায়বিয়ার সন্ধিতে বলা হয়। আবার চুক্তির মেয়াদকালে জনসাধারণের পূর্ণ নিরাপত্তা রক্ষা করা হবে এবং একে অপরের কোনো প্রকার ক্ষতিসাধন করবে না বলেও সন্ধি স্বাক্ষরকারীগণ একমত হন। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের শান্তিচুক্তি হুদায়বিয়ার সন্ধিকেই ইঙ্গিত করে।

উত্তর

হুদায়বিয়ার সন্ধির মাধ্যমে প্রকৃতপক্ষে মুসলমানদের স্বার্থরক্ষা হয়েছিল বলে পবিত্র কুরআনে একে মহাবিজয় বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে । মহানবি (স)-এর রাজনৈতিক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো হুদায়বিয়ার সন্ধি। এটি ইসলাম ও বিশ্বের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে। মুসলমানদের স্বতন্ত্র শক্তির বহিঃপ্রকাশ ঘটে এ সন্ধির মাধ্যমে। হযরত আবু বকর (রা)-এর মতে, হুদায়বিয়ার সন্ধির মতো জয় মুসলমানদের আর কখনও হয়নি । হুদায়বিয়ার সন্ধি মুসলমানদের জন্য শ্রেষ্ঠ বিজয়। আপাতদৃষ্টিতে এ সন্ধিপত্র কুরাইশদের অনুকূলে সম্পাদিত হয়েছে বলেই মনে হয়। কিন্তু দূরদৃষ্টিতে বিচার করলে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যে, এটি সর্বতোভাবে মুসলিম স্বার্থের অনুকূলে হয়েছিল। এ চুক্তিটি মুসলমানদেরকে একটি স্থায়ী রাজনৈতিক মর্যাদা দান করে। এর মাধ্যমে মুসলমানরা যে একটি স্বতন্ত্র শক্তি তার বহিঃপ্রকাশ ঘটে। এ চুক্তির মাধ্যমেই কুরাইশরা মহানবি (স)-কে একজন মহান নেতা এবং মদিনা রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে মেনে নেয়। হুদায়বিয়ার সন্ধির মাধ্যমে দশ বছর যুদ্ধবিগ্রহ বন্ধ হওয়ায় মুসলমানগণ নিশ্চিন্তভাবে বসবাস করার সুযোগ লাভ করে। এ সন্ধির ফলে ইসলাম প্রচার ও প্রসারের পথ দিন দিন প্রশস্ত হতে থাকে এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ব্যাপক বিস্তৃতি লাভ করে। ইসলামের শ্রেষ্ঠ বীর ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোক ইসলাম গ্রহণ করে। ফলে ইসলামের শক্তি বৃদ্ধি পায়। হুদায়বিয়ার সন্ধির ফলেই মুসলমানরা বিনা রক্তপাতে মক্কা বিজয় (৬৩০) করে। অর্থাৎ হুদায়বিয়ার সন্ধি ইসলাম ও মুসলমানদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুফল বয়ে আনে । উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, হুদায়বিয়ার সন্ধি ইসলামের প্রচার ও প্রসারের ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখে। এ সন্ধি মহানবি (স)-এর নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা ও স্বীকৃতির মাধ্যমে ইসলামের শক্তি সুসংহত রূপলাভ করে। এসব কারণেই মহান আল্লাহ আল কুরআনে একে মহাবিজয় বলে ঘোষণা করেছেন
HSCIslamic History 1st paperChapter 2 : হযরত মুহাম্মদ (স.)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মুক্তিযুদ্ধের সময় রাশেদদের গ্রামের মুক্তিযোদ্ধারা গ্রামে প্রবেশের রাস্তা কেটে দিয়েছিল, যাতে পাকিস্তান আর্মি সহজে প্রবেশ করতে না পারে। রাস্তা কাটা থাকায় পাক আর্মি গাড়ি ছাড়া পায়ে হেঁটে গ্রামে প্রবেশ করার সাহস পায়নি। মুক্তিযোদ্ধাদের এ রণকৌশলের কারণে রাশেদদের গ্রাম ছিল নিরাপদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের একটি ঘাঁটি।

Rajshahi · 2017

ক
হিজরত অর্থ কী?
খ
হিজরত ও দেশত্যাগের মধ্যে পার্থক্য কী? বুঝিয়ে লিখ।
গ
উদ্দীপকের অনুরূপ রণকৌশল মহানবি (স) কোন যুদ্ধে প্রয়োগ করেছিলেন? বর্ণনা করো।
ঘ
মহানবি (স) এর উক্ত রণকৌশলটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মুক্তিযুদ্ধের সময় রাশেদদের গ্রামের মুক্তিযোদ্ধারা গ্রামে প্রবেশের রাস্তা কেটে দিয়েছিল, যাতে পাকিস্তান আর্মি সহজে প্রবেশ করতে না পারে। রাস্তা কাটা থাকায় পাক আর্মি গাড়ি ছাড়া পায়ে হেঁটে গ্রামে প্রবেশ করার সাহস পায়নি। মুক্তিযোদ্ধাদের এ রণকৌশলের কারণে রাশেদদের গ্রাম ছিল নিরাপদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের একটি ঘাঁটি।

Rajshahi · 2017

ক
হিজরত অর্থ কী?
খ
হিজরত ও দেশত্যাগের মধ্যে পার্থক্য কী? বুঝিয়ে লিখ।
গ
উদ্দীপকের অনুরূপ রণকৌশল মহানবি (স) কোন যুদ্ধে প্রয়োগ করেছিলেন? বর্ণনা করো।
ঘ
মহানবি (স) এর উক্ত রণকৌশলটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.হিজরত ও দেশত্যাগের মধ্যে পার্থক্য কী? বুঝিয়ে লিখ।

হিজরত ও দেশত্যাগের মধ্যে পার্থক্য কী? বুঝিয়ে লিখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.হিজরত অর্থ কী?

হিজরত অর্থ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আব্দুস সামাদ নামক ব্যক্তিটি সমাজের সর্বস্তরের মানুষের নিকট শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন। তিনি এলাকার মসজিদের ইমাম নিযুক্ত হওয়ার পর সমাজের সকল অনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে বলেন। এতে সমাজের এক শ্রেণির মানুষের কাছে তিনি শত্রু হয়ে যান। এক পর্যায়ে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয় এবং তিনি দেশ ত্যাগে বাধ্য হন।

Rajshahi · 2017

ক
হযরত মুহম্মদ (স) এর মাতার নাম কী?
খ
হিলফুল ফুজুল বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন মহামানবের কর্মকাণ্ডের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উক্ত মহাপুরুষের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের ঘটনা তাঁর ও তাঁর প্রচারিত ধর্মের জন্য ছিল গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আব্দুস সামাদ নামক ব্যক্তিটি সমাজের সর্বস্তরের মানুষের নিকট শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন। তিনি এলাকার মসজিদের ইমাম নিযুক্ত হওয়ার পর সমাজের সকল অনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে বলেন। এতে সমাজের এক শ্রেণির মানুষের কাছে তিনি শত্রু হয়ে যান। এক পর্যায়ে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয় এবং তিনি দেশ ত্যাগে বাধ্য হন।

Rajshahi · 2017

ক
হযরত মুহম্মদ (স) এর মাতার নাম কী?
খ
হিলফুল ফুজুল বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন মহামানবের কর্মকাণ্ডের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উক্ত মহাপুরুষের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের ঘটনা তাঁর ও তাঁর প্রচারিত ধর্মের জন্য ছিল গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.হিলফুল ফুজুল বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো।

হিলফুল ফুজুল বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.হযরত মুহম্মদ (স) এর মাতার নাম কী?

হযরত মুহম্মদ (স) এর মাতার নাম কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আশরাফ সাহেবের বাসায় সবসময় দুই ধরনের রান্না হয়। ভালোমানের রান্না হয় তার পরিবারের জন্য, আর নিম্নমানের খাবার তৈরি হয় ড্রাইভার, বাবুর্চি আর পরিচারিকাদের জন্য। তাদের চিকিৎসা, বাসস্থান ও ভালো পোশাকেরও সুব্যবস্থা নাই। আশরাফ সাহেব তার স্ত্রীর সাথেও সবসময় দুর্ব্যবহার করেন। পারিবারিক কোনো সিদ্ধান্তে তিনি স্ত্রীর মতামত গ্রহণ করেন না। এসব নিয়ে সংসারে অশান্তি লেগেই থাকে।

Dhaka · 2017

ক
মহানবি (স) কত খ্রিষ্টাব্দে ইন্তেকাল করেন?
খ
মুহাম্মদ (স)-কে 'আল-আমিন' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের আশরাফ সাহেব মহানবি (স) এর কোন উপদেশ মেনে চললে অধীনস্তদের সাথে বিরূপ আচরণ করতে পারতেন না? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে নারীর প্রতি যে অবহেলা প্রকাশ পেয়েছে তা মহানবি (স) এর বিদায় হজের ভাষণের এ সংক্রান্ত নির্দেশাবলির পরিপন্থি। উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আশরাফ সাহেবের বাসায় সবসময় দুই ধরনের রান্না হয়। ভালোমানের রান্না হয় তার পরিবারের জন্য, আর নিম্নমানের খাবার তৈরি হয় ড্রাইভার, বাবুর্চি আর পরিচারিকাদের জন্য। তাদের চিকিৎসা, বাসস্থান ও ভালো পোশাকেরও সুব্যবস্থা নাই। আশরাফ সাহেব তার স্ত্রীর সাথেও সবসময় দুর্ব্যবহার করেন। পারিবারিক কোনো সিদ্ধান্তে তিনি স্ত্রীর মতামত গ্রহণ করেন না। এসব নিয়ে সংসারে অশান্তি লেগেই থাকে।

Dhaka · 2017

ক
মহানবি (স) কত খ্রিষ্টাব্দে ইন্তেকাল করেন?
খ
মুহাম্মদ (স)-কে 'আল-আমিন' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের আশরাফ সাহেব মহানবি (স) এর কোন উপদেশ মেনে চললে অধীনস্তদের সাথে বিরূপ আচরণ করতে পারতেন না? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে নারীর প্রতি যে অবহেলা প্রকাশ পেয়েছে তা মহানবি (স) এর বিদায় হজের ভাষণের এ সংক্রান্ত নির্দেশাবলির পরিপন্থি। উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মুহাম্মদ (স)-কে 'আল-আমিন' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

মুহাম্মদ (স)-কে 'আল-আমিন' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মহানবি (স) কত খ্রিষ্টাব্দে ইন্তেকাল করেন?

মহানবি (স) কত খ্রিষ্টাব্দে ইন্তেকাল করেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মহানবি (স) এর উক্ত রণকৌশলটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপকের অনুরূপ রণকৌশল মহানবি (স) কোন যুদ্ধে প্রয়োগ করেছিলেন? বর্ণনা করো।হিজরত ও দেশত্যাগের মধ্যে পার্থক্য কী? বুঝিয়ে লিখ।হিজরত অর্থ কী?উক্ত মহাপুরুষের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের ঘটনা তাঁর ও তাঁর প্রচারিত ধর্মের জন্য ছিল উদ্দীপকের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন মহামানবের কর্মকাণ্ডের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়? হিলফুল ফুজুল বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো।হযরত মুহম্মদ (স) এর মাতার নাম কী?উদ্দীপকে নারীর প্রতি যে অবহেলা প্রকাশ পেয়েছে তা মহানবি (স) এর বিদায় হজের ভাষণের উদ্দীপকের আশরাফ সাহেব মহানবি (স) এর কোন উপদেশ মেনে চললে অধীনস্তদের সাথে বিরূপ আচমুহাম্মদ (স)-কে 'আল-আমিন' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।মহানবি (স) কত খ্রিষ্টাব্দে ইন্তেকাল করেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।