শেয়ারFacebookWhatsApp

উক্ত খলিফার বিদ্রোহ দমনে গৃহীত পদক্ষেপগুলো বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: বিদ্রোহ দমনে হযরত আবু বকর (রা.) গৃহীত পদক্ষেপগুলো নিম্নে বিশ্লেষণ করা হলো : মহানবীর মৃত্যুর পর বিভিন্ন ভন্ড নবীর আবির্ভাব ঘটে, এছাড়াও অনেকে ইসলাম ত্যাগ করে এবং যাকাত দিতে অস্বীকার করে এবং আন্দোলন শুরু করে। ইসলামকে রক্ষা করার জন্য এবং এসব আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে হযরত আবু বকর বলিষ্ঠ পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। সেনাবাহিনীকে ১১ টি ভাগে বিভক্ত করে তিনি প্রত্যেকটি ভাগে একজন অভিজ্ঞ সেনাপতিকে দায়িত্ব ন্যস্ত করেন এবং নিজে সামগ্রিক অভিযানের নেতৃত্বে পার গ্রহণ করেন। ভন্ড নবী তোলায়হা বেদুইন সম্প্রদায়কে যাকাত না দিতে উস্কানি দেয়। এমন পরিস্থিতিতে হযরত আলী, তালহা এবং জুবায়ের প্রমুখের নেতৃত্বে রাবাদা ও জুলকাশার য্যদ্ধে তাদেরকে পরাজিত করে মদিনা থেকে বিতাড়িত করেন। এতে করে মদিনার মর্যাদা বৃদ্ধি পায় এবং মুসলমানদের আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়। ভন্ড নবী মুসায়লামা ছিল সবচেয়ে শক্তিশালী। সেই ভন্ড নবী সাজাহকে বিবাহ করার পর ৪০ হাজার সৈন্যবাহিনী নিয়ে বনু হানিফ গোত্রের সহায়তায় ইসলামকে ধ্বংস করতে উদ্যত হয়। ৬৩৩ খ্রিস্টাব্দে ইয়ামামার যুদ্ধে খালিদ বিন ওয়ালিদের নেতৃত্বে খলিফা তাদের দমন করেন। এই যুদ্ধে মুসায়লামার যৌথবাহিনী পরাজিত হয় এবং তার অনুসারী ও হানিফ গোত্রের হাজার হাজার লোক নিহত হয়। অর্থাৎ খলিফা আবু বকর (রা.) সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা করে সব ভন্ড নবীকে পরাজিত করে। পরবর্তীতে মুসায়লামা ও আসওয়াদ আনসি নিহত হয়। তবে তোলায়হা ও সাজাহ ইসলাম গ্রহণ করে। এভাবে খলিফা আবু বকর রা. মুসলিম সেনাপতিদের মাধ্যমে সমগ্র আরবের বিদ্রোহ দমন করেন এবং মুসলিম আধিপত্য পুনঃ প্রতিষ্ঠা করেন।

HSC Islamic History 1st paper Chapter 2 : হযরত মুহাম্মদ (স.) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 1st paper · Chapter 2 : হযরত মুহাম্মদ (স.) · সৃজনশীল

উক্ত খলিফার বিদ্রোহ দমনে গৃহীত পদক্ষেপগুলো বিশ্লেষণ কর।

উদ্দীপক

আব্বাসী বংশের ৩য় খলিফা আল মাহ্দী ৭৭৫ সালে বাগদাদের খলিফা হওয়ার পর বহুমুখী বিদ্রোহ সম্মুখীন হন। তাঁর শাসনামলে কদাকার খর্বাকৃতি হাশিম বিন হাকিম (মুকান্না) নিজেকে আল্লাহর অবতার বলে মিথ্যা নবুয়তের দাবী করেন। এই ভন্ড নবীর যথেষ্ট অনুসারী ছিল। তারা সাদা কাপড় ব্যবহার করত বলে তাদেরকে 'মুবায়িদ' বলা হত। তাছাড়া বাগদাদের পূর্বদিকে 'মুহাম্মিদর' নামক আর একদল ভন্ড লোকের উদ্ভব হয়। তাদের 'জিন্দিক' বলা হতো। পারস্যের কেউ কেউ আবার যাকাত দিতেও অস্বীকার করে। খলিফা মাহ্দী কঠোর হস্তে সকল ভন্ড নবী এবং ভন্ড ধর্মীয় নেতাদেরকে দমন করেন এবং যাকাত অস্বীকারকারীদের যাকাত দিতে বাধ্য করেন।

Dhaka · 2021

উত্তর

৬২৮ খ্রিস্টাব্দে মহানবী (সাঃ) খায়বার জয় করেন।

উত্তর

মুতার যুদ্ধে রোমান বাহিনীর বিপুল শক্তি ও যুদ্ধের ভয়াবহতার কথা বিবেচনা করে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) পর্যায়ক্রমে তিনজন সেনাপতির নাম ঘোষণা করেন। প্রথমে জায়েদ ইবনে হারিসা (রা.), তাঁর মৃত্যুর পর জাফর ইবনে আবি তালিব (রা.) এবং তাঁর পর আবদুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা (রা.) নেতৃত্ব দেবেন বলে নির্দেশ দেন। এর উদ্দেশ্য ছিল কোনো সেনাপতি শহিদ হলেও মুসলিম বাহিনী যেন নেতৃত্বহীন না হয় এবং যুদ্ধের শৃঙ্খলা ও ধারাবাহিকতা বজায় থাকে। এতে মহানবী (সা.)-এর দূরদর্শিতা ও দক্ষ সামরিক পরিকল্পনার পরিচয় পাওয়া যায়।

উত্তর

উদ্দীপকের খলিফা আল মাহ্দীর কার্যক্রমের সাথে খলিফা আবু বকর (রা.) এর সাদৃশ্য রয়েছে। নিম্নে তা ব্যাখ্যা করা হলো : মহানবীর ইন্তেকালের পর আরবের বিভিন্ন গোত্র ইসলাম ত্যাগ করে তাদের গোত্রধর্মে ফিরে যাচ্ছিল। এ সময় বিভিন্ন ভন্ড নবীর আবির্ভাব দেখা যায়। এই সময় আসওয়াদ আনসি, মুসায়লামা, তোলায়হা এবং সাজাহ নামের এই সব ভন্ড নবীর আন্দোলনে ইসলামের অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে পড়লে হযরত আবু বকর স্বধর্মত্যাগী ও ভন্ড নবীদের আন্দোলন দমন করেন এবং বিপর্যয়ের হাতে রক্ষা করেন। ফিরোজ দাইলমির নেতৃত্বে আসওয়াদ আনসি নিহত হয়। আর খালিদ বিন ওয়ালিকে প্রেরণ করে আবু বকর (রা.) মুসায়লামা, তোলায়হা এবং সাজাহকে কঠোর হস্তে দমন করেন। দক্ষিণ সিরিয়ায় কিছু মানুষ জাকাত অস্বীকার করতে থাকে, আবু বকর (রা.) তাদেরকেও কঠোর হস্তে দমন করেন। এই ঘটনায ইসলামের ইতিহাসে রিদ্দা বা স্বধর্মত্যাগীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নামে পরিচিত। উদ্দীপকে ও আব্বাসী বংশের ৩য় খলিফা আল মাহ্দীর সময়কালে হাশিম বিন হাকিম (মুকান্না) নিজেকে আল্লাহর অবতার বলে মিথ্যা নবুয়তের দাবী করেন। পারস্যের কেউ কেউ আবার যাকাত দিতেও অস্বীকার করে। খলিফা মাহ্দী কঠোর হস্তে সকল ভন্ড নবী এবং ভন্ড ধর্মীয় নেতাদেরকে দমন করেন এবং যাকাত অস্বীকারকারীদের যাকাত দিতে বাধ্য করেন। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের খলিফা আল মাহ্দীর কার্যক্রমের সাথে খলিফা আবু বকর (রা.) এর সাদৃশ্য রয়েছে।

উত্তর

বিদ্রোহ দমনে হযরত আবু বকর (রা.) গৃহীত পদক্ষেপগুলো নিম্নে বিশ্লেষণ করা হলো : মহানবীর মৃত্যুর পর বিভিন্ন ভন্ড নবীর আবির্ভাব ঘটে, এছাড়াও অনেকে ইসলাম ত্যাগ করে এবং যাকাত দিতে অস্বীকার করে এবং আন্দোলন শুরু করে। ইসলামকে রক্ষা করার জন্য এবং এসব আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে হযরত আবু বকর বলিষ্ঠ পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। সেনাবাহিনীকে ১১ টি ভাগে বিভক্ত করে তিনি প্রত্যেকটি ভাগে একজন অভিজ্ঞ সেনাপতিকে দায়িত্ব ন্যস্ত করেন এবং নিজে সামগ্রিক অভিযানের নেতৃত্বে পার গ্রহণ করেন। ভন্ড নবী তোলায়হা বেদুইন সম্প্রদায়কে যাকাত না দিতে উস্কানি দেয়। এমন পরিস্থিতিতে হযরত আলী, তালহা এবং জুবায়ের প্রমুখের নেতৃত্বে রাবাদা ও জুলকাশার য্যদ্ধে তাদেরকে পরাজিত করে মদিনা থেকে বিতাড়িত করেন। এতে করে মদিনার মর্যাদা বৃদ্ধি পায় এবং মুসলমানদের আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়। ভন্ড নবী মুসায়লামা ছিল সবচেয়ে শক্তিশালী। সেই ভন্ড নবী সাজাহকে বিবাহ করার পর ৪০ হাজার সৈন্যবাহিনী নিয়ে বনু হানিফ গোত্রের সহায়তায় ইসলামকে ধ্বংস করতে উদ্যত হয়। ৬৩৩ খ্রিস্টাব্দে ইয়ামামার যুদ্ধে খালিদ বিন ওয়ালিদের নেতৃত্বে খলিফা তাদের দমন করেন। এই যুদ্ধে মুসায়লামার যৌথবাহিনী পরাজিত হয় এবং তার অনুসারী ও হানিফ গোত্রের হাজার হাজার লোক নিহত হয়। অর্থাৎ খলিফা আবু বকর (রা.) সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা করে সব ভন্ড নবীকে পরাজিত করে। পরবর্তীতে মুসায়লামা ও আসওয়াদ আনসি নিহত হয়। তবে তোলায়হা ও সাজাহ ইসলাম গ্রহণ করে। এভাবে খলিফা আবু বকর রা. মুসলিম সেনাপতিদের মাধ্যমে সমগ্র আরবের বিদ্রোহ দমন করেন এবং মুসলিম আধিপত্য পুনঃ প্রতিষ্ঠা করেন।
HSCIslamic History 1st paperChapter 2 : হযরত মুহাম্মদ (স.)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মুক্তিযুদ্ধের সময় রাশেদদের গ্রামের মুক্তিযোদ্ধারা গ্রামে প্রবেশের রাস্তা কেটে দিয়েছিল, যাতে পাকিস্তান আর্মি সহজে প্রবেশ করতে না পারে। রাস্তা কাটা থাকায় পাক আর্মি গাড়ি ছাড়া পায়ে হেঁটে গ্রামে প্রবেশ করার সাহস পায়নি। মুক্তিযোদ্ধাদের এ রণকৌশলের কারণে রাশেদদের গ্রাম ছিল নিরাপদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের একটি ঘাঁটি।

Rajshahi · 2017

ক
হিজরত অর্থ কী?
খ
হিজরত ও দেশত্যাগের মধ্যে পার্থক্য কী? বুঝিয়ে লিখ।
গ
উদ্দীপকের অনুরূপ রণকৌশল মহানবি (স) কোন যুদ্ধে প্রয়োগ করেছিলেন? বর্ণনা করো।
ঘ
মহানবি (স) এর উক্ত রণকৌশলটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মুক্তিযুদ্ধের সময় রাশেদদের গ্রামের মুক্তিযোদ্ধারা গ্রামে প্রবেশের রাস্তা কেটে দিয়েছিল, যাতে পাকিস্তান আর্মি সহজে প্রবেশ করতে না পারে। রাস্তা কাটা থাকায় পাক আর্মি গাড়ি ছাড়া পায়ে হেঁটে গ্রামে প্রবেশ করার সাহস পায়নি। মুক্তিযোদ্ধাদের এ রণকৌশলের কারণে রাশেদদের গ্রাম ছিল নিরাপদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের একটি ঘাঁটি।

Rajshahi · 2017

ক
হিজরত অর্থ কী?
খ
হিজরত ও দেশত্যাগের মধ্যে পার্থক্য কী? বুঝিয়ে লিখ।
গ
উদ্দীপকের অনুরূপ রণকৌশল মহানবি (স) কোন যুদ্ধে প্রয়োগ করেছিলেন? বর্ণনা করো।
ঘ
মহানবি (স) এর উক্ত রণকৌশলটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.হিজরত ও দেশত্যাগের মধ্যে পার্থক্য কী? বুঝিয়ে লিখ।

হিজরত ও দেশত্যাগের মধ্যে পার্থক্য কী? বুঝিয়ে লিখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.হিজরত অর্থ কী?

হিজরত অর্থ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আব্দুস সামাদ নামক ব্যক্তিটি সমাজের সর্বস্তরের মানুষের নিকট শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন। তিনি এলাকার মসজিদের ইমাম নিযুক্ত হওয়ার পর সমাজের সকল অনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে বলেন। এতে সমাজের এক শ্রেণির মানুষের কাছে তিনি শত্রু হয়ে যান। এক পর্যায়ে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয় এবং তিনি দেশ ত্যাগে বাধ্য হন।

Rajshahi · 2017

ক
হযরত মুহম্মদ (স) এর মাতার নাম কী?
খ
হিলফুল ফুজুল বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন মহামানবের কর্মকাণ্ডের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উক্ত মহাপুরুষের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের ঘটনা তাঁর ও তাঁর প্রচারিত ধর্মের জন্য ছিল গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আব্দুস সামাদ নামক ব্যক্তিটি সমাজের সর্বস্তরের মানুষের নিকট শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন। তিনি এলাকার মসজিদের ইমাম নিযুক্ত হওয়ার পর সমাজের সকল অনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে বলেন। এতে সমাজের এক শ্রেণির মানুষের কাছে তিনি শত্রু হয়ে যান। এক পর্যায়ে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয় এবং তিনি দেশ ত্যাগে বাধ্য হন।

Rajshahi · 2017

ক
হযরত মুহম্মদ (স) এর মাতার নাম কী?
খ
হিলফুল ফুজুল বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন মহামানবের কর্মকাণ্ডের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উক্ত মহাপুরুষের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের ঘটনা তাঁর ও তাঁর প্রচারিত ধর্মের জন্য ছিল গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.হিলফুল ফুজুল বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো।

হিলফুল ফুজুল বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.হযরত মুহম্মদ (স) এর মাতার নাম কী?

হযরত মুহম্মদ (স) এর মাতার নাম কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আশরাফ সাহেবের বাসায় সবসময় দুই ধরনের রান্না হয়। ভালোমানের রান্না হয় তার পরিবারের জন্য, আর নিম্নমানের খাবার তৈরি হয় ড্রাইভার, বাবুর্চি আর পরিচারিকাদের জন্য। তাদের চিকিৎসা, বাসস্থান ও ভালো পোশাকেরও সুব্যবস্থা নাই। আশরাফ সাহেব তার স্ত্রীর সাথেও সবসময় দুর্ব্যবহার করেন। পারিবারিক কোনো সিদ্ধান্তে তিনি স্ত্রীর মতামত গ্রহণ করেন না। এসব নিয়ে সংসারে অশান্তি লেগেই থাকে।

Dhaka · 2017

ক
মহানবি (স) কত খ্রিষ্টাব্দে ইন্তেকাল করেন?
খ
মুহাম্মদ (স)-কে 'আল-আমিন' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের আশরাফ সাহেব মহানবি (স) এর কোন উপদেশ মেনে চললে অধীনস্তদের সাথে বিরূপ আচরণ করতে পারতেন না? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে নারীর প্রতি যে অবহেলা প্রকাশ পেয়েছে তা মহানবি (স) এর বিদায় হজের ভাষণের এ সংক্রান্ত নির্দেশাবলির পরিপন্থি। উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আশরাফ সাহেবের বাসায় সবসময় দুই ধরনের রান্না হয়। ভালোমানের রান্না হয় তার পরিবারের জন্য, আর নিম্নমানের খাবার তৈরি হয় ড্রাইভার, বাবুর্চি আর পরিচারিকাদের জন্য। তাদের চিকিৎসা, বাসস্থান ও ভালো পোশাকেরও সুব্যবস্থা নাই। আশরাফ সাহেব তার স্ত্রীর সাথেও সবসময় দুর্ব্যবহার করেন। পারিবারিক কোনো সিদ্ধান্তে তিনি স্ত্রীর মতামত গ্রহণ করেন না। এসব নিয়ে সংসারে অশান্তি লেগেই থাকে।

Dhaka · 2017

ক
মহানবি (স) কত খ্রিষ্টাব্দে ইন্তেকাল করেন?
খ
মুহাম্মদ (স)-কে 'আল-আমিন' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের আশরাফ সাহেব মহানবি (স) এর কোন উপদেশ মেনে চললে অধীনস্তদের সাথে বিরূপ আচরণ করতে পারতেন না? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে নারীর প্রতি যে অবহেলা প্রকাশ পেয়েছে তা মহানবি (স) এর বিদায় হজের ভাষণের এ সংক্রান্ত নির্দেশাবলির পরিপন্থি। উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মুহাম্মদ (স)-কে 'আল-আমিন' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

মুহাম্মদ (স)-কে 'আল-আমিন' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মহানবি (স) কত খ্রিষ্টাব্দে ইন্তেকাল করেন?

মহানবি (স) কত খ্রিষ্টাব্দে ইন্তেকাল করেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মহানবি (স) এর উক্ত রণকৌশলটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপকের অনুরূপ রণকৌশল মহানবি (স) কোন যুদ্ধে প্রয়োগ করেছিলেন? বর্ণনা করো।হিজরত ও দেশত্যাগের মধ্যে পার্থক্য কী? বুঝিয়ে লিখ।হিজরত অর্থ কী?উক্ত মহাপুরুষের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের ঘটনা তাঁর ও তাঁর প্রচারিত ধর্মের জন্য ছিল উদ্দীপকের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন মহামানবের কর্মকাণ্ডের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়? হিলফুল ফুজুল বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো।হযরত মুহম্মদ (স) এর মাতার নাম কী?উদ্দীপকে নারীর প্রতি যে অবহেলা প্রকাশ পেয়েছে তা মহানবি (স) এর বিদায় হজের ভাষণের উদ্দীপকের আশরাফ সাহেব মহানবি (স) এর কোন উপদেশ মেনে চললে অধীনস্তদের সাথে বিরূপ আচমুহাম্মদ (স)-কে 'আল-আমিন' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।মহানবি (স) কত খ্রিষ্টাব্দে ইন্তেকাল করেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।