শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে বর্ণিত কর ব্যবস্থার আলোকে হযরত ওমর (রা)-এর রাজস্ব ব্যবস্থা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: হযরত উমর (রা.)-এর কর ও রাজস্ব ব্যবস্থা ছিল আধুনিক ও যুগোপযোগী। হযরত উমর (রা.) সময়কালে ইসলামি শাসনব্যবস্থার সর্বাধিক বিস্তৃতি ঘটে। যার ফলে বিশাল সাম্রাজ্যের শাসনব্যবস্থা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য রাজস্ব ও কর ব্যবস্থা ঢেলে সাজানো অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হয়ে পড়ে। হযরত উমর (রা.)-এর রাজস্বব্যবস্থাকে দুভাগে ভাগ করা হয়। যথা-(ক) আয় ও (খ) ব্যয়। হযরত উমর (রা.)-এর আমলে রাজম্বের উৎস ছিল ৭টি। যথা- ১. আল গনিমত, ২. আল জাকাত, ৩. আল উশর, ৪. আল জিজিয়া, ৫. আল খারাজ, ৬. আল ফাই এবং ৭. আল হিমা। যুদ্ধক্ষেত্রে যেসব শত্রুসম্পদ মুসলিম সৈনিকদের হাতে আসত, সেগুলোকে গনিমত বলা হতো। ৪/৫ ভাগ যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সৈনিকদের মধ্যে এবং ১/৫ ভাগ বায়তুল মালে জমা হতো। ১/৫-কে আবার ৩ ভাগে ভাগ করা হতো। মহানবি ও তাঁর আত্মীয়স্বজনের অংশ দিয়ে সামরিক বাহিনীর সরঞ্জাম এবং অবশিষ্ট অংশ দিয়ে কুরআনের নির্দেশ মতো নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের কাজে ব্যয় হতো। জাকাত একটি শরিয়ত অনুমোদিত কর। কাজেই এর নিয়মকানুন কোনো যুগেই পরিবর্তন হয়নি। হযরত উমর (রা.)-এর আমলে ঘোড়ার ব্যবসায় লাভজনক হওয়ায় ঘোড়ার ওপর যাকাত ধার্য করা হয়। জাকাত কুরআনের নির্দেশিত খাতে খরচ করা হতো। এছাড়াও খলিফা ভূমিকর বা উশর, খারাজ, জিজিয়া, খুমস, আল ফে প্রভৃতি করসমূহ অত্যন্ত যৌক্তিক হারে নির্ধারণ করেন। যার ফলে রাজস্ব ও কর ব্যবস্থার সংস্কার খলিফা উমর (রা.)-এর রাজ্যকালকে অনেক বেশি মহিমান্বিত করেছে।

HSC Islamic History 1st paper Chapter 3 : খুলাফায়ে রাশেদিন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 1st paper · Chapter 3 : খুলাফায়ে রাশেদিন · সৃজনশীল

উদ্দীপকে বর্ণিত কর ব্যবস্থার আলোকে হযরত ওমর (রা)-এর রাজস্ব ব্যবস্থা…

উদ্দীপক

কদমতলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিদ্দিক আলী সরকারি নির্দেশ মোতাবেক ইউনিয়নবাসীর নিকট থেকে হাট কর, ঘাট কর, পথ কর, সেচ কর এবং গৃহ করসমূহ নিয়মিতভাবে আদায় করে থাকেন। তিনি এসব করের নির্ধারিত অংশ রাজকোষে জমা দিয়ে বাকি অর্থ তার ইউনিয়নের জনকল্যাণে ব্যয় করেন। কিন্তু হঠাৎ প্রাকৃতিক দুর্যোগে গত আমন মৌসুমে ধানের ফলন কম হওয়ায় রসুলপুর গ্রামের মণ্ডলগোষ্ঠী সেচকর প্রদানে অস্বীকৃতি জানায়। তারা চেয়ারম্যানের কাছে প্রতিনিধি পাঠায় এবং বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। কিন্তু চেয়ারম্যান সাহেব কোনোরূপ নতি স্বীকার না করে তাদেরকে কঠোর হস্তে দমন করে এবং সরকার নির্ধারিত কর প্রদানে বাধ্য করে।

উত্তর

বায়তুল মাল হলো ইসলামি রাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় কোষাগার।

উত্তর

ইসলামি রাষ্ট্রের মন্ত্রণা পরিষদকে মজলিস-উশ-শূরা বলা হয়। প্রাক-ইসলামি আরবের মালার মতো মহানবি (সা.) এবং আবু বকর (রা.)-এর সময়ে পরামর্শসভা থাকলেও হযরত উমর (রা.) শাসন কার্যাদি সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি মন্ত্রণা পরিষদ গঠন করেন যা মজলিস-উশ-শূরা নামে পরিচিত। বিখ্যাত সাহাবি, বিশিষ্ট নাগরিক ও বেদুইন নেতাদের নিয়ে গঠিত এ সভা দুভাগে বিভক্ত ছিল। যথা: মজলিস উল-খাস ও মজলিস উল আম।

উত্তর

উদ্দীপকে মণ্ডলগোষ্ঠীর কার্যক্রমের সাথে ইসলামের প্রাথমিক যুগের ভন্ডনবিদের প্ররোচনায় যাকাত প্রদানে অস্বীকৃতির ঘটনার মিল রয়েছে। উদ্দীপকে দেখা যায়, রসুলপুর গ্রামের মন্ডলগোষ্ঠী সেচকর প্রদানে অস্বীকৃতি জানায়। তারা চেয়ারম্যানের কাছে প্রতিনিধি পাঠায় এবং বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। কিন্তু চেয়ারম্যান সাহেব কোনোরূপ নতি স্বীকার না করে তাদেরকে কঠোর হস্তে দমন করে এবং সরকার নির্ধারিত কর প্রদানে বাধ্য করে। যার সাথে হযরত আবুবকর (রা.)-এর সময়ের যাকাত বিরোধী আন্দোলনের মিল রয়েছে। কেননা মণ্ডলগোষ্ঠীর মতো এসময় কিছু গোত্র যাকাত প্রদানে অস্বীকৃতি জানায়। সামাজিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে শক্তিশালী করার জন্য আল্লাহ পাক নেসাব পরিমাণ মালের মালিকের ওপর বছরে শতকরা আড়াই শতাংশ হারে যাকাত দেওয়াকে ফরজ করে দিয়েছেন। কিন্তু আবু বকরের সময় ইয়ামেন, ইয়ামাসাহ এবং ওমানের লোকেরা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে যাকাত দিতে অস্বীকৃতি জানায়। যাকাত ব্যবস্থার উপকারিতা ও আল্লাহর হুকুম বাস্তবায়ন করা ছিল আবু বকর (রা.)-এর জন্য প্রাথমিক সমস্যা। বিভিন্ন কারণে আরবের যেসব গোত্র যাকাত দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল কিংবা যাকাত প্রদানে বিরত ছিল, তাদেরকে ইসলামের অনুশাসন বোঝানো এবং যাকাত প্রদানে রাজি করার জন্য খলিফা হযরত আবু বকর (রা.), হযরত আলী (রা.), তালহা (রা.) ও যুবাইরকে প্রেরণ করেন। আলোচনা ব্যর্থ হলে একদিন সকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত যুদ্ধ করেন। এতে যাকাত বিরোধী শক্তি পরাজয়বরণ করে। তারা অঙ্গীকারাবদ্ধ হয় এবং ইসলামের বিধিবিধান মোতাবেক তারা যাকাত প্রদানে স্বীকৃতি জ্ঞাপন করে। অতএব, উদ্দীপকের মন্ডলগোষ্ঠীর আন্দোলনের সাথে যাকাত বিরোধী আন্দোলনের মিল রয়েছে।

উত্তর

হযরত উমর (রা.)-এর কর ও রাজস্ব ব্যবস্থা ছিল আধুনিক ও যুগোপযোগী। হযরত উমর (রা.) সময়কালে ইসলামি শাসনব্যবস্থার সর্বাধিক বিস্তৃতি ঘটে। যার ফলে বিশাল সাম্রাজ্যের শাসনব্যবস্থা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য রাজস্ব ও কর ব্যবস্থা ঢেলে সাজানো অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হয়ে পড়ে। হযরত উমর (রা.)-এর রাজস্বব্যবস্থাকে দুভাগে ভাগ করা হয়। যথা-(ক) আয় ও (খ) ব্যয়। হযরত উমর (রা.)-এর আমলে রাজম্বের উৎস ছিল ৭টি। যথা- ১. আল গনিমত, ২. আল জাকাত, ৩. আল উশর, ৪. আল জিজিয়া, ৫. আল খারাজ, ৬. আল ফাই এবং ৭. আল হিমা। যুদ্ধক্ষেত্রে যেসব শত্রুসম্পদ মুসলিম সৈনিকদের হাতে আসত, সেগুলোকে গনিমত বলা হতো। ৪/৫ ভাগ যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সৈনিকদের মধ্যে এবং ১/৫ ভাগ বায়তুল মালে জমা হতো। ১/৫-কে আবার ৩ ভাগে ভাগ করা হতো। মহানবি ও তাঁর আত্মীয়স্বজনের অংশ দিয়ে সামরিক বাহিনীর সরঞ্জাম এবং অবশিষ্ট অংশ দিয়ে কুরআনের নির্দেশ মতো নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের কাজে ব্যয় হতো। জাকাত একটি শরিয়ত অনুমোদিত কর। কাজেই এর নিয়মকানুন কোনো যুগেই পরিবর্তন হয়নি। হযরত উমর (রা.)-এর আমলে ঘোড়ার ব্যবসায় লাভজনক হওয়ায় ঘোড়ার ওপর যাকাত ধার্য করা হয়। জাকাত কুরআনের নির্দেশিত খাতে খরচ করা হতো। এছাড়াও খলিফা ভূমিকর বা উশর, খারাজ, জিজিয়া, খুমস, আল ফে প্রভৃতি করসমূহ অত্যন্ত যৌক্তিক হারে নির্ধারণ করেন। যার ফলে রাজস্ব ও কর ব্যবস্থার সংস্কার খলিফা উমর (রা.)-এর রাজ্যকালকে অনেক বেশি মহিমান্বিত করেছে।
HSCIslamic History 1st paperChapter 3 : খুলাফায়ে রাশেদিন
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সমশের উদ্দিন একজন বড় ব্যবসায়ী ও ধনবান ব্যক্তি। তাঁর উদারতার কথা কারো অজানা নয়। তিনি যেমন নম্র, ভদ্র ও চরিত্রবান তেমনি পরোপকারীও বটে। যে কোন সমস্যা বা দুর্যোগের সময় তিনি মানুষের সাহায্যার্থে এগিয়ে আসেন। তার দয়া-দাক্ষিণ্য, উত্তম চরিত্র ও মহত্ত্বের কারণে সকলেই তাকে সম্মান করে। ধর্মীয় ব্যাপারে তিনি যথেষ্ট আনুগত্যশীল। তিনি এলাকাবাসীর অনুরোধে নিজ খরচে একটি মসজিদ নির্মাণ করে দেন। এতে এলাকাবাসী খুবই খুশি হয়।

Rajshahi · 2017

ক
হযরত ওমর (রা)-এর উপাধি কী ছিল?
খ
দিওয়ান বলতে কী বুঝ? ব্যাখ্যা করো।
গ
সমশের উদ্দিন সাহেব কোন খলিফাকে অনুসরণ করে মসজিদের সকল ব্যয় ভার বহন করেছিলেন? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
আর্তমানবতার সেবায় সমশের সাহেবের মতো মানুষদের ভূমিকা সমাজে কী ধরনের অবদান রাখবে বলে তুমি মনে কর? মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সমশের উদ্দিন একজন বড় ব্যবসায়ী ও ধনবান ব্যক্তি। তাঁর উদারতার কথা কারো অজানা নয়। তিনি যেমন নম্র, ভদ্র ও চরিত্রবান তেমনি পরোপকারীও বটে। যে কোন সমস্যা বা দুর্যোগের সময় তিনি মানুষের সাহায্যার্থে এগিয়ে আসেন। তার দয়া-দাক্ষিণ্য, উত্তম চরিত্র ও মহত্ত্বের কারণে সকলেই তাকে সম্মান করে। ধর্মীয় ব্যাপারে তিনি যথেষ্ট আনুগত্যশীল। তিনি এলাকাবাসীর অনুরোধে নিজ খরচে একটি মসজিদ নির্মাণ করে দেন। এতে এলাকাবাসী খুবই খুশি হয়।

Rajshahi · 2017

ক
হযরত ওমর (রা)-এর উপাধি কী ছিল?
খ
দিওয়ান বলতে কী বুঝ? ব্যাখ্যা করো।
গ
সমশের উদ্দিন সাহেব কোন খলিফাকে অনুসরণ করে মসজিদের সকল ব্যয় ভার বহন করেছিলেন? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
আর্তমানবতার সেবায় সমশের সাহেবের মতো মানুষদের ভূমিকা সমাজে কী ধরনের অবদান রাখবে বলে তুমি মনে কর? মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.দিওয়ান বলতে কী বুঝ? ব্যাখ্যা করো।

দিওয়ান বলতে কী বুঝ? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.হযরত ওমর (রা)-এর উপাধি কী ছিল?

হযরত ওমর (রা)-এর উপাধি কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাংলায় মুসলিম শাসনের প্রাক্কালে বিভিন্ন অঞ্চলে অনেক ভণ্ডপীরের আবির্ভাব হয়। তারা ইসলামের ভ্রান্ত ব্যাখ্যা দিয়ে সাধারণ মানুষকে মন্দ ও পাপ কাজে লিপ্ত করায়, যা ইসলাম পরিপন্থি। তারা প্রকৃত সত্যের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ও যুদ্ধ ঘোষণা করে। নব্য ইসলাম ধর্ম গ্রহণকারীগণ সঠিকভাবে ইসলামের মর্মবাণী অনুধাবন করতে না পারায় এবং কোনো মহান নেতার সাহচার্য না পাওয়ায় দুর্বল ইমানী শক্তি নিয়ে সঠিক পথের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

Rajshahi · 2017

ক
ধর্মত্যাগী ভন্ড নবিদের বিরুদ্ধে পরিচালিত যুদ্ধের নাম কী?
খ
হুদায়বিয়ার সন্ধিকে প্রকাশ্য বিজয় বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকের ভন্ডপিরের সাথে আবু বকর (রা) এর সময়কালের ভন্ড নবিদের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।
ঘ
রিদ্দা যুদ্ধের প্রেক্ষাপট উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাংলায় মুসলিম শাসনের প্রাক্কালে বিভিন্ন অঞ্চলে অনেক ভণ্ডপীরের আবির্ভাব হয়। তারা ইসলামের ভ্রান্ত ব্যাখ্যা দিয়ে সাধারণ মানুষকে মন্দ ও পাপ কাজে লিপ্ত করায়, যা ইসলাম পরিপন্থি। তারা প্রকৃত সত্যের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ও যুদ্ধ ঘোষণা করে। নব্য ইসলাম ধর্ম গ্রহণকারীগণ সঠিকভাবে ইসলামের মর্মবাণী অনুধাবন করতে না পারায় এবং কোনো মহান নেতার সাহচার্য না পাওয়ায় দুর্বল ইমানী শক্তি নিয়ে সঠিক পথের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

Rajshahi · 2017

ক
ধর্মত্যাগী ভন্ড নবিদের বিরুদ্ধে পরিচালিত যুদ্ধের নাম কী?
খ
হুদায়বিয়ার সন্ধিকে প্রকাশ্য বিজয় বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকের ভন্ডপিরের সাথে আবু বকর (রা) এর সময়কালের ভন্ড নবিদের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।
ঘ
রিদ্দা যুদ্ধের প্রেক্ষাপট উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.হুদায়বিয়ার সন্ধিকে প্রকাশ্য বিজয় বলা হয় কেন?

হুদায়বিয়ার সন্ধিকে প্রকাশ্য বিজয় বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.ধর্মত্যাগী ভন্ড নবিদের বিরুদ্ধে পরিচালিত যুদ্ধের নাম কী?

ধর্মত্যাগী ভন্ড নবিদের বিরুদ্ধে পরিচালিত যুদ্ধের নাম কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব 'ক' পৌরসভার নির্বাচিত চেয়ারম্যান। মেয়াদের প্রথম দিকে তিনি জনগণের কাছে বেশ জনপ্রিয় ছিলেন। কিন্তু মেয়াদের শেষের দিকে পৌরসভার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদে আপনজনদের নিয়োগ দিয়ে তিনি সমালোচনার পাত্রে পরিণত হন। বিরোধীপক্ষ তার বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতি ছাড়াও আরও অনেক অভিযোগ তুলতে থাকে। জনাব 'ক' সকল অভিযোগ তদন্ত করে দেখবেন এবং প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তি দিবেন- এই মর্মে আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়। কিন্তু পৌরসভার সচিবের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে তিনি সফল হতে পারেননি। ফলে পৌরসভায় স্থায়ী অরাজকতা ও অশান্তি সৃষ্টি হয়।

Dhaka · 2017

ক
'যুন্নুরাইন' অর্থ কী?
খ
হযরত ওসমান (রা) কীভাবে খলিফা নির্বাচিত হন? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের সচিবের সাথে খলিফা ওসমান (রা) এর প্রশাসনের কোন চরিত্রের মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে আনীত অভিযোগের আলোকে খলিফা ওসমান (রা) এর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ পর্যালোচনা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব 'ক' পৌরসভার নির্বাচিত চেয়ারম্যান। মেয়াদের প্রথম দিকে তিনি জনগণের কাছে বেশ জনপ্রিয় ছিলেন। কিন্তু মেয়াদের শেষের দিকে পৌরসভার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদে আপনজনদের নিয়োগ দিয়ে তিনি সমালোচনার পাত্রে পরিণত হন। বিরোধীপক্ষ তার বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতি ছাড়াও আরও অনেক অভিযোগ তুলতে থাকে। জনাব 'ক' সকল অভিযোগ তদন্ত করে দেখবেন এবং প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তি দিবেন- এই মর্মে আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়। কিন্তু পৌরসভার সচিবের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে তিনি সফল হতে পারেননি। ফলে পৌরসভায় স্থায়ী অরাজকতা ও অশান্তি সৃষ্টি হয়।

Dhaka · 2017

ক
'যুন্নুরাইন' অর্থ কী?
খ
হযরত ওসমান (রা) কীভাবে খলিফা নির্বাচিত হন? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের সচিবের সাথে খলিফা ওসমান (রা) এর প্রশাসনের কোন চরিত্রের মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে আনীত অভিযোগের আলোকে খলিফা ওসমান (রা) এর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ পর্যালোচনা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.হযরত ওসমান (রা) কীভাবে খলিফা নির্বাচিত হন? ব্যাখ্যা করো।

হযরত ওসমান (রা) কীভাবে খলিফা নির্বাচিত হন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.'যুন্নুরাইন' অর্থ কী?

'যুন্নুরাইন' অর্থ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আর্তমানবতার সেবায় সমশের সাহেবের মতো মানুষদের ভূমিকা সমাজে কী ধরনের অবদান রাখবে বসমশের উদ্দিন সাহেব কোন খলিফাকে অনুসরণ করে মসজিদের সকল ব্যয় ভার বহন করেছিলেন? ব্যদিওয়ান বলতে কী বুঝ? ব্যাখ্যা করো।হযরত ওমর (রা)-এর উপাধি কী ছিল?রিদ্দা যুদ্ধের প্রেক্ষাপট উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপকের ভন্ডপিরের সাথে আবু বকর (রা) এর সময়কালের ভন্ড নবিদের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কহুদায়বিয়ার সন্ধিকে প্রকাশ্য বিজয় বলা হয় কেন?ধর্মত্যাগী ভন্ড নবিদের বিরুদ্ধে পরিচালিত যুদ্ধের নাম কী?উদ্দীপকে আনীত অভিযোগের আলোকে খলিফা ওসমান (রা) এর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ পর্যালোচনাউদ্দীপকের সচিবের সাথে খলিফা ওসমান (রা) এর প্রশাসনের কোন চরিত্রের মিল রয়েছে? ব্যাহযরত ওসমান (রা) কীভাবে খলিফা নির্বাচিত হন? ব্যাখ্যা করো।'যুন্নুরাইন' অর্থ কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।