শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের আলোকে খলিফা উমর (রা.)-এর পারস্য বিজয়ের ঘটনাবলি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: খলিফা উমর (রা.) ৬৩৪ সাল থেকে ৬৪১ সাল পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করে সমগ্র পারস্য বিজয় করেন। পারস্য বিজয়ের প্রথম যুদ্ধ ছিল ব্যাবিলনের যুদ্ধ। প্রথম খলিফা আবু বকর (রা.)-এর খিলাফতকালে ৬৩৪ খ্রিস্টাব্দে ব্যাবিলনের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এ যুদ্ধে মুসলমানরা জয়ী হয়। ইতোমধ্যে খলিফা আবু বকর (রা.) মারা যান এবং ওমর (রা.) খিলাফত লাভ করেন। পারস্য সম্রাট ব্যাবিলনে পরাজয়ের সংবাদে সুদক্ষ সেনাপতি রুস্তমের অধীনে এক বিরাট বাহিনীকে হীরা দখলের জন্য পাঠালে মুসান্না ও আবু ওবায়দা নামারক নামক স্থানে পারসিকদের সাথে মুসলমানদের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এ যুদ্ধে পারসিকরা পরাজিত হয় এবং হীরা মুসলমানদের দখলে থাকে। ব্যাবিলনের নিকটবর্তী একটি অঞ্চলে ফোরাত নদীর তীর সংলগ্ন ৬৩৪ খ্রিষ্টাব্দে ২৬ নভেম্বর সাকীফ গোত্রের আবু উবাইদার নেতৃত্বে মুসলিম বাহিনীর সাথে পারসিক বাহিনীর সেতুর যুদ্ধ হয়। এ যুদ্ধে মুসলিম বাহিনী হেরে যায়। এ যুদ্ধে ছয় হাজার মুসলিম সৈন্য শাহাদতবরণ করেন। সেতুর যুদ্ধে মুসলমানদের পরাজয়ের সংবাদ শুনে হযরত উমর (রা.) আরও অধিক সৈন্য প্রেরণ করেন ও যুদ্ধ কৌশল নির্ধারণ করে দেন। ৬৩৫ খ্রিস্টাব্দে মুসান্নার নেতৃত্বে প্রেরিত বাহিনীর সাথে বুয়ায়েব প্রান্তরে সংঘটিত যুদ্ধে পারসিক সেনাপতি মেহরানসহ বহু সৈন্য নিহত হয়। এ যুদ্ধের ফলে মাদাইন পর্যন্ত সমগ্র ভূভাগ মুসলমানদের পতাকাতলে আসে। বুয়ায়েব যুদ্ধের পরে পারস্য সাম্রাজ্যের রাজধানী টেসিফোনে রাজনৈতিক পরিবর্তন দেখা দেয়। ক্ষমতায় আসেন ইয়াজদ জারদ। তিনি ছিলেন অল্পবয়সি। তিনি মহাবীর রুস্তমের নেতৃত্বাধীন ১,২০,০০০ সৈন্যের বাহিনী মুসলিম বাহিনীর মোকাবিলা করার জন্য প্রস্তুত হয়। হযরত উমর (রা.) ৩০,০০০ সৈন্যের একটি বাহিনী সাদ বিন আবি ওয়াক্কাসের সেনাপতিত্বে প্রেরণ করেন। ৬৩৭ খ্রিষ্টাব্দের নভেম্বর মাসে কাদেসিয়ার প্রান্তরে উভয় বাহিনী মুখোমুখি হয় এবং মুসলিমরা বিজয়ী হয়। কাদেসিয়ার যুদ্ধে পরাজয় বরণ পারস্য সাম্রাজ্যের ভিত্তিতে আঘাত হানে। এ যুদ্ধের ফলাফল গোটা পারস্য সাম্রাজ্য দখলের সচনা করে। মাদাইন ছিল পারস্য সাম্রাজ্যের রাজধানী। বিনা প্রতিরোধে ৬৩৭সালের জুনে এককালের পৃথিবীর বৃহৎশক্তি পারস্য সাম্রাজ্যের রাজধানী মুসলমানদের দখলে আসে। মাদাইন থেকে একশত মাইল দূরে অবস্থিত জালুলার দুর্গ। পারস্য সম্রাট ইয়াজদ জারদ হুলওয়ানে অবস্থিত জালুলার দুর্গ দখল করলে, মুসলিম সেনাপতি হাশিম ও কা'কা ফুলওয়ান দখল করে। ৬৪১ খ্রিস্টাব্দে হামাদানের নিকটবর্তী নিহাওয়ান্দে মুসলিম সৈন্যবাহিনীর সাথে পারসিকদের যুদ্ধে মুসলিম পক্ষ বিজয়ী হয়। বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে থেকে ৬৫১ সালে তুর্কিস্তানের এক গ্রামে ধৃত হয়ে পারস্য সম্রাট ইয়াজদ-জারদ নিহত হন। এ যুদ্ধের ফলে পারস্যদের শক্তি নিঃশেষ হয়ে পড়ে এবং মুসলমানদের বিপক্ষে প্রতিরোধের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। মুসলমানগণ একে একে ফারস, কিরমান, সিস্তান, খুজিস্তান, মাফরান, খোরাসান ও আজারবাইজান দখল করেন। এভাবে সমগ্র পারস্য মুসলমানরা বিজয় করে।

HSC Islamic History 1st paper Chapter 3 : খুলাফায়ে রাশেদিন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 1st paper · Chapter 3 : খুলাফায়ে রাশেদিন · সৃজনশীল

উদ্দীপকের আলোকে খলিফা উমর (রা.)-এর পারস্য বিজয়ের ঘটনাবলি বিশ্লেষণ কর।

উদ্দীপক

নিকোপলিশের যুদ্ধ মুসলমান ও খ্রিস্টানদের মধ্যে ভাগ্য নির্ধারণী যুদ্ধ হিসেবে পরিচিত। এ যুদ্ধে সুলতান বায়েজীদ পরাজিত হলে তাকে ইউরোপ থেকে বিতাড়িত হতে হতো। এ যুদ্ধে বিজয়ের ফলে ওসমানীয়দের গোটা ইউরোপ বিজয়ের পথ উন্মুক্ত হয়ে যায়। নিকোপলিশের যুদ্ধের পর বলকান অঞ্চলের ওয়ালেচিয়া, স্টাইরিয়া, হাঙ্গেরি, মোবিয়াসহ অধিকাংশ রাজ্য ওসমানীয় সুলতান বায়েজীদের সামাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়।

Rajshahi · 2025

উত্তর

সেতুর যুদ্ধ ৬৩৪ সালে সংঘটিত হয়েছিল।

উত্তর

জেরুজালেম জয়ে ভৃত্যের প্রতি মহানুভবতার মাধ্যমে খলিফা উমর (রা.)-এর মহত্ত্ব প্রকাশ পেয়েছিল। উমর (রা.) সময়ে মুসলমানরা জেরুজালেম দখল করলে তিনি নিজে ভৃত্যসহকারে - সেখানে গমন করেন। তিনি সাধারণভাবে একটি উটে আরোহণ করে এ যাত্রা করেন। তিনি নিজে একবার উটের রশি ধরে টানেন ভৃত্য উটের পিঠে ওঠে আবার ভৃত্য রশি টানে তিনি উটের পিঠে উঠেন। এভাবে পালাক্রমে যখন জেরুজালেম পৌঁছান তখন ভৃত্য উটের পিঠে ছিল। সবাই ভৃত্যকে খলিফা ভেবে সাদরে গ্রহণ করেন। কিন্তু খলিফার আসল পরিচয় জেনে সবাই খলিফার মহত্ত্বে মোহিত হন।

উত্তর

খলিফা উমর (রা.)-এর শাসনামলের নিকোপলিশের যুদ্ধের সাথে কাদেসিয়ার যুদ্ধ সাদৃশ্যপূর্ণ। উদ্দীপকে দেখা যায়, নিকোপলিশের যুদ্ধ মুসলমান ও খ্রিস্টানদের মধ্যে ভাগ্য নির্ধারণী যুদ্ধ হিসেবে পরিচিত। এ যুদ্ধে সুলতানা বায়েজীদ পরাজিত হলে তাকে ইউরোপ থেকে বিতাড়িত হতে হতো। এ যুদ্ধে বিজয়ের ফলে ওসমানীয়দের গোটা ইউরোপ বিজয়ের পথা উন্মুক্ত হয়ে যায়। নিকোপলিশের যুদ্ধের পর বলকান অঞ্চলের ওয়ালেচিয়া, স্টাইরিয়া, হাঙ্গেরি, মোবিয়াসহ অধিকাংশ রাজ্য ওসমানীয় সুলতান বায়েজীদের সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়। যা উমর (রা.)-এর পারস্য বিজয়ের সময়ে সংঘটিত কাদেসিয়ার যুদ্ধের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। বুয়ায়েবের যুদ্ধে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়ে পারস্য সম্রাট তৃতীয় ইয়াজদিগার্দ মহাবীর রুস্তমের নেতৃত্বে বিশাল সেনাবাহিনী গঠন করে। খলিফা উমর (রা.) সাদ বিন আবি ওয়াক্কাসকে প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত করে এক বিশাল বাহিনী 'কাদেসিয়ার প্রান্তরে' প্রেরণ করেন। ৬৩৬ খ্রিস্টাব্দের নভেম্বর মাসে তিন দিনব্যাপী তুমুল যুদ্ধ হয়। আরবরা প্রথমদিনকে 'বিশৃঙ্খলার দিন বা ইয়াওমুল আরমাস' বলে অভিহিত করেন। দ্বিতীয় দিনটিকে বলা হয় 'সাহায্যের দিন বা ইয়াওমুল আগওয়াহ'। তৃতীয় দিনটিকে বলা হয় দুর্দশার দিন বা 'ইয়াওমুল উম্মাছ'। তৃতীয় দিন সারা রাত যুদ্ধ চলায় একে 'লাইলাতুল হারির' বলা হয়। এ যুদ্ধে মুসলিম বাহিনী বিজয়ী হয়। ইসলামের ইতিহাসে কাদেসিয়ার যুদ্ধের গুরুত্ব' বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। এ যুদ্ধে পারসিক বাহিনীর বীর সেনানি রুস্তম নিহত হলে পারসিকদের মেরুদন্ড ভেঙে যায়। টাইগ্রিস নদীর পশ্চিম দিকসহ বিশাল উর্বর এলাকা মুসলমানদের অধিকারে আসে। ফলে তাদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জিত হয়। কাদেসিয়ার যুদ্ধ ছিল একটি মীমাংসাত্মক যুদ্ধ। এ যুদ্ধে জয়লাভের ফলে মুসলমানদের মনোবল ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায়। এটি তাদের পরবর্তী বৃহত্তর বিজয়ে উদ্বুদ্ধ করে। তাই নিকোপলিশের যুদ্ধের সাথে কাদেসিয়ার যুদ্ধ অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ।

উত্তর

খলিফা উমর (রা.) ৬৩৪ সাল থেকে ৬৪১ সাল পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করে সমগ্র পারস্য বিজয় করেন। পারস্য বিজয়ের প্রথম যুদ্ধ ছিল ব্যাবিলনের যুদ্ধ। প্রথম খলিফা আবু বকর (রা.)-এর খিলাফতকালে ৬৩৪ খ্রিস্টাব্দে ব্যাবিলনের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এ যুদ্ধে মুসলমানরা জয়ী হয়। ইতোমধ্যে খলিফা আবু বকর (রা.) মারা যান এবং ওমর (রা.) খিলাফত লাভ করেন। পারস্য সম্রাট ব্যাবিলনে পরাজয়ের সংবাদে সুদক্ষ সেনাপতি রুস্তমের অধীনে এক বিরাট বাহিনীকে হীরা দখলের জন্য পাঠালে মুসান্না ও আবু ওবায়দা নামারক নামক স্থানে পারসিকদের সাথে মুসলমানদের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এ যুদ্ধে পারসিকরা পরাজিত হয় এবং হীরা মুসলমানদের দখলে থাকে। ব্যাবিলনের নিকটবর্তী একটি অঞ্চলে ফোরাত নদীর তীর সংলগ্ন ৬৩৪ খ্রিষ্টাব্দে ২৬ নভেম্বর সাকীফ গোত্রের আবু উবাইদার নেতৃত্বে মুসলিম বাহিনীর সাথে পারসিক বাহিনীর সেতুর যুদ্ধ হয়। এ যুদ্ধে মুসলিম বাহিনী হেরে যায়। এ যুদ্ধে ছয় হাজার মুসলিম সৈন্য শাহাদতবরণ করেন। সেতুর যুদ্ধে মুসলমানদের পরাজয়ের সংবাদ শুনে হযরত উমর (রা.) আরও অধিক সৈন্য প্রেরণ করেন ও যুদ্ধ কৌশল নির্ধারণ করে দেন। ৬৩৫ খ্রিস্টাব্দে মুসান্নার নেতৃত্বে প্রেরিত বাহিনীর সাথে বুয়ায়েব প্রান্তরে সংঘটিত যুদ্ধে পারসিক সেনাপতি মেহরানসহ বহু সৈন্য নিহত হয়। এ যুদ্ধের ফলে মাদাইন পর্যন্ত সমগ্র ভূভাগ মুসলমানদের পতাকাতলে আসে। বুয়ায়েব যুদ্ধের পরে পারস্য সাম্রাজ্যের রাজধানী টেসিফোনে রাজনৈতিক পরিবর্তন দেখা দেয়। ক্ষমতায় আসেন ইয়াজদ জারদ। তিনি ছিলেন অল্পবয়সি। তিনি মহাবীর রুস্তমের নেতৃত্বাধীন ১,২০,০০০ সৈন্যের বাহিনী মুসলিম বাহিনীর মোকাবিলা করার জন্য প্রস্তুত হয়। হযরত উমর (রা.) ৩০,০০০ সৈন্যের একটি বাহিনী সাদ বিন আবি ওয়াক্কাসের সেনাপতিত্বে প্রেরণ করেন। ৬৩৭ খ্রিষ্টাব্দের নভেম্বর মাসে কাদেসিয়ার প্রান্তরে উভয় বাহিনী মুখোমুখি হয় এবং মুসলিমরা বিজয়ী হয়। কাদেসিয়ার যুদ্ধে পরাজয় বরণ পারস্য সাম্রাজ্যের ভিত্তিতে আঘাত হানে। এ যুদ্ধের ফলাফল গোটা পারস্য সাম্রাজ্য দখলের সচনা করে। মাদাইন ছিল পারস্য সাম্রাজ্যের রাজধানী। বিনা প্রতিরোধে ৬৩৭সালের জুনে এককালের পৃথিবীর বৃহৎশক্তি পারস্য সাম্রাজ্যের রাজধানী মুসলমানদের দখলে আসে। মাদাইন থেকে একশত মাইল দূরে অবস্থিত জালুলার দুর্গ। পারস্য সম্রাট ইয়াজদ জারদ হুলওয়ানে অবস্থিত জালুলার দুর্গ দখল করলে, মুসলিম সেনাপতি হাশিম ও কা'কা ফুলওয়ান দখল করে। ৬৪১ খ্রিস্টাব্দে হামাদানের নিকটবর্তী নিহাওয়ান্দে মুসলিম সৈন্যবাহিনীর সাথে পারসিকদের যুদ্ধে মুসলিম পক্ষ বিজয়ী হয়। বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে থেকে ৬৫১ সালে তুর্কিস্তানের এক গ্রামে ধৃত হয়ে পারস্য সম্রাট ইয়াজদ-জারদ নিহত হন। এ যুদ্ধের ফলে পারস্যদের শক্তি নিঃশেষ হয়ে পড়ে এবং মুসলমানদের বিপক্ষে প্রতিরোধের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। মুসলমানগণ একে একে ফারস, কিরমান, সিস্তান, খুজিস্তান, মাফরান, খোরাসান ও আজারবাইজান দখল করেন। এভাবে সমগ্র পারস্য মুসলমানরা বিজয় করে।
HSCIslamic History 1st paperChapter 3 : খুলাফায়ে রাশেদিন
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সমশের উদ্দিন একজন বড় ব্যবসায়ী ও ধনবান ব্যক্তি। তাঁর উদারতার কথা কারো অজানা নয়। তিনি যেমন নম্র, ভদ্র ও চরিত্রবান তেমনি পরোপকারীও বটে। যে কোন সমস্যা বা দুর্যোগের সময় তিনি মানুষের সাহায্যার্থে এগিয়ে আসেন। তার দয়া-দাক্ষিণ্য, উত্তম চরিত্র ও মহত্ত্বের কারণে সকলেই তাকে সম্মান করে। ধর্মীয় ব্যাপারে তিনি যথেষ্ট আনুগত্যশীল। তিনি এলাকাবাসীর অনুরোধে নিজ খরচে একটি মসজিদ নির্মাণ করে দেন। এতে এলাকাবাসী খুবই খুশি হয়।

Rajshahi · 2017

ক
হযরত ওমর (রা)-এর উপাধি কী ছিল?
খ
দিওয়ান বলতে কী বুঝ? ব্যাখ্যা করো।
গ
সমশের উদ্দিন সাহেব কোন খলিফাকে অনুসরণ করে মসজিদের সকল ব্যয় ভার বহন করেছিলেন? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
আর্তমানবতার সেবায় সমশের সাহেবের মতো মানুষদের ভূমিকা সমাজে কী ধরনের অবদান রাখবে বলে তুমি মনে কর? মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সমশের উদ্দিন একজন বড় ব্যবসায়ী ও ধনবান ব্যক্তি। তাঁর উদারতার কথা কারো অজানা নয়। তিনি যেমন নম্র, ভদ্র ও চরিত্রবান তেমনি পরোপকারীও বটে। যে কোন সমস্যা বা দুর্যোগের সময় তিনি মানুষের সাহায্যার্থে এগিয়ে আসেন। তার দয়া-দাক্ষিণ্য, উত্তম চরিত্র ও মহত্ত্বের কারণে সকলেই তাকে সম্মান করে। ধর্মীয় ব্যাপারে তিনি যথেষ্ট আনুগত্যশীল। তিনি এলাকাবাসীর অনুরোধে নিজ খরচে একটি মসজিদ নির্মাণ করে দেন। এতে এলাকাবাসী খুবই খুশি হয়।

Rajshahi · 2017

ক
হযরত ওমর (রা)-এর উপাধি কী ছিল?
খ
দিওয়ান বলতে কী বুঝ? ব্যাখ্যা করো।
গ
সমশের উদ্দিন সাহেব কোন খলিফাকে অনুসরণ করে মসজিদের সকল ব্যয় ভার বহন করেছিলেন? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
আর্তমানবতার সেবায় সমশের সাহেবের মতো মানুষদের ভূমিকা সমাজে কী ধরনের অবদান রাখবে বলে তুমি মনে কর? মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.দিওয়ান বলতে কী বুঝ? ব্যাখ্যা করো।

দিওয়ান বলতে কী বুঝ? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.হযরত ওমর (রা)-এর উপাধি কী ছিল?

হযরত ওমর (রা)-এর উপাধি কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাংলায় মুসলিম শাসনের প্রাক্কালে বিভিন্ন অঞ্চলে অনেক ভণ্ডপীরের আবির্ভাব হয়। তারা ইসলামের ভ্রান্ত ব্যাখ্যা দিয়ে সাধারণ মানুষকে মন্দ ও পাপ কাজে লিপ্ত করায়, যা ইসলাম পরিপন্থি। তারা প্রকৃত সত্যের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ও যুদ্ধ ঘোষণা করে। নব্য ইসলাম ধর্ম গ্রহণকারীগণ সঠিকভাবে ইসলামের মর্মবাণী অনুধাবন করতে না পারায় এবং কোনো মহান নেতার সাহচার্য না পাওয়ায় দুর্বল ইমানী শক্তি নিয়ে সঠিক পথের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

Rajshahi · 2017

ক
ধর্মত্যাগী ভন্ড নবিদের বিরুদ্ধে পরিচালিত যুদ্ধের নাম কী?
খ
হুদায়বিয়ার সন্ধিকে প্রকাশ্য বিজয় বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকের ভন্ডপিরের সাথে আবু বকর (রা) এর সময়কালের ভন্ড নবিদের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।
ঘ
রিদ্দা যুদ্ধের প্রেক্ষাপট উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাংলায় মুসলিম শাসনের প্রাক্কালে বিভিন্ন অঞ্চলে অনেক ভণ্ডপীরের আবির্ভাব হয়। তারা ইসলামের ভ্রান্ত ব্যাখ্যা দিয়ে সাধারণ মানুষকে মন্দ ও পাপ কাজে লিপ্ত করায়, যা ইসলাম পরিপন্থি। তারা প্রকৃত সত্যের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ও যুদ্ধ ঘোষণা করে। নব্য ইসলাম ধর্ম গ্রহণকারীগণ সঠিকভাবে ইসলামের মর্মবাণী অনুধাবন করতে না পারায় এবং কোনো মহান নেতার সাহচার্য না পাওয়ায় দুর্বল ইমানী শক্তি নিয়ে সঠিক পথের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

Rajshahi · 2017

ক
ধর্মত্যাগী ভন্ড নবিদের বিরুদ্ধে পরিচালিত যুদ্ধের নাম কী?
খ
হুদায়বিয়ার সন্ধিকে প্রকাশ্য বিজয় বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকের ভন্ডপিরের সাথে আবু বকর (রা) এর সময়কালের ভন্ড নবিদের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।
ঘ
রিদ্দা যুদ্ধের প্রেক্ষাপট উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.হুদায়বিয়ার সন্ধিকে প্রকাশ্য বিজয় বলা হয় কেন?

হুদায়বিয়ার সন্ধিকে প্রকাশ্য বিজয় বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.ধর্মত্যাগী ভন্ড নবিদের বিরুদ্ধে পরিচালিত যুদ্ধের নাম কী?

ধর্মত্যাগী ভন্ড নবিদের বিরুদ্ধে পরিচালিত যুদ্ধের নাম কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব 'ক' পৌরসভার নির্বাচিত চেয়ারম্যান। মেয়াদের প্রথম দিকে তিনি জনগণের কাছে বেশ জনপ্রিয় ছিলেন। কিন্তু মেয়াদের শেষের দিকে পৌরসভার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদে আপনজনদের নিয়োগ দিয়ে তিনি সমালোচনার পাত্রে পরিণত হন। বিরোধীপক্ষ তার বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতি ছাড়াও আরও অনেক অভিযোগ তুলতে থাকে। জনাব 'ক' সকল অভিযোগ তদন্ত করে দেখবেন এবং প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তি দিবেন- এই মর্মে আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়। কিন্তু পৌরসভার সচিবের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে তিনি সফল হতে পারেননি। ফলে পৌরসভায় স্থায়ী অরাজকতা ও অশান্তি সৃষ্টি হয়।

Dhaka · 2017

ক
'যুন্নুরাইন' অর্থ কী?
খ
হযরত ওসমান (রা) কীভাবে খলিফা নির্বাচিত হন? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের সচিবের সাথে খলিফা ওসমান (রা) এর প্রশাসনের কোন চরিত্রের মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে আনীত অভিযোগের আলোকে খলিফা ওসমান (রা) এর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ পর্যালোচনা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব 'ক' পৌরসভার নির্বাচিত চেয়ারম্যান। মেয়াদের প্রথম দিকে তিনি জনগণের কাছে বেশ জনপ্রিয় ছিলেন। কিন্তু মেয়াদের শেষের দিকে পৌরসভার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদে আপনজনদের নিয়োগ দিয়ে তিনি সমালোচনার পাত্রে পরিণত হন। বিরোধীপক্ষ তার বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতি ছাড়াও আরও অনেক অভিযোগ তুলতে থাকে। জনাব 'ক' সকল অভিযোগ তদন্ত করে দেখবেন এবং প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তি দিবেন- এই মর্মে আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়। কিন্তু পৌরসভার সচিবের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে তিনি সফল হতে পারেননি। ফলে পৌরসভায় স্থায়ী অরাজকতা ও অশান্তি সৃষ্টি হয়।

Dhaka · 2017

ক
'যুন্নুরাইন' অর্থ কী?
খ
হযরত ওসমান (রা) কীভাবে খলিফা নির্বাচিত হন? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের সচিবের সাথে খলিফা ওসমান (রা) এর প্রশাসনের কোন চরিত্রের মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে আনীত অভিযোগের আলোকে খলিফা ওসমান (রা) এর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ পর্যালোচনা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.হযরত ওসমান (রা) কীভাবে খলিফা নির্বাচিত হন? ব্যাখ্যা করো।

হযরত ওসমান (রা) কীভাবে খলিফা নির্বাচিত হন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.'যুন্নুরাইন' অর্থ কী?

'যুন্নুরাইন' অর্থ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আর্তমানবতার সেবায় সমশের সাহেবের মতো মানুষদের ভূমিকা সমাজে কী ধরনের অবদান রাখবে বসমশের উদ্দিন সাহেব কোন খলিফাকে অনুসরণ করে মসজিদের সকল ব্যয় ভার বহন করেছিলেন? ব্যদিওয়ান বলতে কী বুঝ? ব্যাখ্যা করো।হযরত ওমর (রা)-এর উপাধি কী ছিল?রিদ্দা যুদ্ধের প্রেক্ষাপট উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপকের ভন্ডপিরের সাথে আবু বকর (রা) এর সময়কালের ভন্ড নবিদের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কহুদায়বিয়ার সন্ধিকে প্রকাশ্য বিজয় বলা হয় কেন?ধর্মত্যাগী ভন্ড নবিদের বিরুদ্ধে পরিচালিত যুদ্ধের নাম কী?উদ্দীপকে আনীত অভিযোগের আলোকে খলিফা ওসমান (রা) এর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ পর্যালোচনাউদ্দীপকের সচিবের সাথে খলিফা ওসমান (রা) এর প্রশাসনের কোন চরিত্রের মিল রয়েছে? ব্যাহযরত ওসমান (রা) কীভাবে খলিফা নির্বাচিত হন? ব্যাখ্যা করো।'যুন্নুরাইন' অর্থ কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।