শেয়ারFacebookWhatsApp

উক্ত আন্দোলন ব্যর্থ হয়েছিল কেন?

উত্তর: ১৮৫৭ খ্রিষ্টাব্দের সিপাহি বিদ্রোহ তথা মহাবিদ্রোহ নানা কারণে ব্যর্থ হয়। যেমন- প্রথমত, বিদ্রোহীদের পূর্বপরিকল্পিত কোনো উদ্দেশ্য না থাকায় এটি উত্তর প্রদেশ, রোহিলাখন্ড, অযোধ্যা, দিল্লি, বাংলা এবং বিহারে সীমাবদ্ধ ছিল। ফলে বিদ্রোহমুক্ত এলাকার জনগণ ব্রিটিশ সরকারকে সমর্থন করে বিপ্লবকে ব্যাহত করে। দ্বিতীয়ত, এ মহাবিদ্রোহে ঝাঁসির রানি, অযোধ্যার বেগম এবং অপর কয়েকজন ক্ষুদ্ররাজ্যের রাজা, তালুকদার এবং জমিদার ছাড়া অপর কেউই অংশগ্রহণ করেনি। অফলে বিদ্রোহীদের উদ্দেশ্য ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। তৃতীয়ত, বিদ্রোহীদের মধ্যে সংহতি ও আদর্শের অভাব তাদের বিফলতার অন্যতম কার। নেতৃবর্গের মধ্যে আদর্শ ও স্বার্থের দ্বন্দ্ব থাকায় সমগ্র ভারতে একই নীতি এবং কর্মপন্থা অনুসৃত হয়নি। মুঘল সম্রাট বাহাদুর শাহ, মারাঠা নেতা নানাসাহেব এবং ঝাঁসির রানি নিজ নিজ এলাকায় ক্ষমতা পুনরুদ্ধারে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। ফলে সঠিক নির্দেশনার অভাবে এ বিদ্রোহ দ্বিধাগ্রস্ত ও দুর্বল হয়ে পড়ে। সেজন্য এটি ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। চতুর্থত, সিপাহিদের পতনের অন্যতম কারণ ছিল সমগ্র ভারতে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো তাদের মধ্যে কোনো কেন্দ্রীয় নেতা ছিল না। পঞ্চমত, ভারতীয়দের তুলনায় ব্রিটিশ সামরিক বাহিনী উন্নত এবং 'সুসজ্জিত ছিল। ভারতীয় সিপাহিদের পুরাতন গাদা বন্দুকে আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত ব্রিটিশ বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে বিজয় অসম্ভব ছিল। ষষ্ঠত, লর্ড ক্যানিং ছিলেন বুদ্ধিমান এবং বিচক্ষণ শাসক। তিনি বিদ্রোহীদের প্রতি কঠোর এবং দমনমূলক নীতি গ্রহণ না করে বরং উদার এবং শান্তির নীতি অবলম্বন করেন। ফলে শীঘ্রই বিদ্রোহ প্রশমিত হয়। অতএব বলা যায়, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের অভাব, ইংরেজদের উন্নত রণকৌশল ও দমননীতি ও সিপাহিদের দুর্বলতার কারণে সিপাহি বিদ্রোহ ব্যর্থ হয়।

HSC Islamic History 2nd paper অধ্যায় ৪: বাংলায় কোম্পানি ও ঔপনিবেশিক শাসন (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · অধ্যায় ৪: বাংলায় কোম্পানি ও ঔপনিবেশিক শাসন (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল

উক্ত আন্দোলন ব্যর্থ হয়েছিল কেন?

উদ্দীপক

মঙ্গল পান্ডের নেতৃত্বে ব্যারাকপুরে এ বিদ্রোহের শুরু হয় এবং ক্রমে তা ভারতবর্ষের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে। ইংরেজ শাসনের অবসান ঘটানোর উদ্দেশ্যে এ আন্দোলন পরিচালিত হলেও এটি ভারতের ইতিহাসে নতুন যুগের সূচনা করে। এ আন্দোলনের ফলে ভারতে ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে।

উত্তর

বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব ছিলেন সিরাজউদ্দৌলা।

উত্তর

ইংরেজি ১৭৭০ এবং বাংলা ১১৭৬ সালে উপমহাদেশে এক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। এ দুর্ভিক্ষে দেশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ না খেয়ে মারা যায়। ক্ষুধার যন্ত্রণায় জীবিত মানুষ মৃত মানুষের মাংস ভক্ষণ করে। অনাহারজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ছিল প্রতি ষোলজনের মধ্যে ছয়জন। যেখানে ১ টাকায় ১ মণ চাল পাওয়া যেত সেখানে দুর্ভিক্ষের সময় ১ টাকায় ৩ সের চাল পাওয়া ছিল দুষ্কর। বাংলা ১১৭৬ সালে ঘটে যাওয়া এ মহা দুর্ভিক্ষই ইতিহাসে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামে পরিচিত।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনার সাথে আমার পঠিত ঐতিহাসিক সিপাহি বিদ্রোহ তথা ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রামের সাদৃশ্য রয়েছে। পলাশি যুদ্ধের পর থেকে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির রাজ্য বিস্তার, একের পর এক দেশীয় রাজ্যগুলো দখল দেশীয় রাজন্যবর্গের মধ্যে ভীতি, অসন্তোষ ও তীব্র ক্ষোভের জন্ম দেয়। কোম্পানি রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের আগেই এদেশের শিল্প ধ্বংস করেছিল এবং রাজস্ব নীতির নামে ধ্বংস করা হয় দরিদ্র কৃষকের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড। হিন্দু-মুসলমান সম্প্রদায়ের সিপাহিদেরকে ব্যবহারের জন্য এনফিল্ড রাইফেলের প্রচলন করা হয়, যার টোটা দাঁত দিয়ে কেটে বন্দুকে প্রবেশ করতে হতো। সৈন্যদের মধ্যে এ গুজব ছড়িয়ে পড়ল যে, টোটোয় গরু ও শূকরের চর্বি মিশ্রিত আছে। ফলে উভয় সম্প্রদায় ধর্মনাশের কথা ভেবে বিদ্রোহী হয়ে ওঠে এবং ১৮৫৭ সালের ২৯ মার্চ বন্দুকের গুলি ছুয়ে মঙ্গল পান্ডে পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুরে বিদ্রোহের সূচনা করেন। শুরু হয় ব্রিটিশ বিরোধী প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম। দ্রুত এ বিদ্রোহ মিরাট, কানপুর, পাঞ্জাব, উত্তর প্রদেশ, বিহার, বাংলাসহ ভারতের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশে ঢাকা, চট্টগ্রাম, যশোর, সিলেট, কুমিল্লা, পাবনা, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী এই বিদ্রোহে শামিল হয়। এ সময় বাহাদুর শাহ পার্কে অনেক বিদ্রোহী সিপাহিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়। উদ্দীপকে সিপাহি বিদ্রোহের কথা বলা হয়েছে। কেননা সিপাহি বিদ্রোহ মঙ্গল পাণ্ডের মাধ্যমে ব্যারাকপুরে শুরু হয়েছিল।

উত্তর

১৮৫৭ খ্রিষ্টাব্দের সিপাহি বিদ্রোহ তথা মহাবিদ্রোহ নানা কারণে ব্যর্থ হয়। যেমন- প্রথমত, বিদ্রোহীদের পূর্বপরিকল্পিত কোনো উদ্দেশ্য না থাকায় এটি উত্তর প্রদেশ, রোহিলাখন্ড, অযোধ্যা, দিল্লি, বাংলা এবং বিহারে সীমাবদ্ধ ছিল। ফলে বিদ্রোহমুক্ত এলাকার জনগণ ব্রিটিশ সরকারকে সমর্থন করে বিপ্লবকে ব্যাহত করে। দ্বিতীয়ত, এ মহাবিদ্রোহে ঝাঁসির রানি, অযোধ্যার বেগম এবং অপর কয়েকজন ক্ষুদ্ররাজ্যের রাজা, তালুকদার এবং জমিদার ছাড়া অপর কেউই অংশগ্রহণ করেনি। অফলে বিদ্রোহীদের উদ্দেশ্য ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। তৃতীয়ত, বিদ্রোহীদের মধ্যে সংহতি ও আদর্শের অভাব তাদের বিফলতার অন্যতম কার। নেতৃবর্গের মধ্যে আদর্শ ও স্বার্থের দ্বন্দ্ব থাকায় সমগ্র ভারতে একই নীতি এবং কর্মপন্থা অনুসৃত হয়নি। মুঘল সম্রাট বাহাদুর শাহ, মারাঠা নেতা নানাসাহেব এবং ঝাঁসির রানি নিজ নিজ এলাকায় ক্ষমতা পুনরুদ্ধারে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। ফলে সঠিক নির্দেশনার অভাবে এ বিদ্রোহ দ্বিধাগ্রস্ত ও দুর্বল হয়ে পড়ে। সেজন্য এটি ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। চতুর্থত, সিপাহিদের পতনের অন্যতম কারণ ছিল সমগ্র ভারতে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো তাদের মধ্যে কোনো কেন্দ্রীয় নেতা ছিল না। পঞ্চমত, ভারতীয়দের তুলনায় ব্রিটিশ সামরিক বাহিনী উন্নত এবং 'সুসজ্জিত ছিল। ভারতীয় সিপাহিদের পুরাতন গাদা বন্দুকে আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত ব্রিটিশ বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে বিজয় অসম্ভব ছিল। ষষ্ঠত, লর্ড ক্যানিং ছিলেন বুদ্ধিমান এবং বিচক্ষণ শাসক। তিনি বিদ্রোহীদের প্রতি কঠোর এবং দমনমূলক নীতি গ্রহণ না করে বরং উদার এবং শান্তির নীতি অবলম্বন করেন। ফলে শীঘ্রই বিদ্রোহ প্রশমিত হয়। অতএব বলা যায়, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের অভাব, ইংরেজদের উন্নত রণকৌশল ও দমননীতি ও সিপাহিদের দুর্বলতার কারণে সিপাহি বিদ্রোহ ব্যর্থ হয়।
HSCIslamic History 2nd paperঅধ্যায় ৪: বাংলায় কোম্পানি ও ঔপনিবেশিক শাসন (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত ও শোষিত না হলে কখনো প্রতিবাদী হয়ে ওঠে না। ইংরেজরা ভারতীয়দের ওপর যে রাজস্বনীতি গ্রহণ করেছিল তাতে কৃষকদের অর্থনৈতিক মেরুদন্ড ভেঙে পড়ে। ফলে কৃষকরা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে। এছাড়া খাজনা বৃদ্ধি, পথকর ও জলকর প্রভৃতি কর আরোপের কারণে ভারতীয়রা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে।
ক
১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?
খ
১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর
গ
উদ্দীপকে ১৮৫৭ সালের বিপ্লবের যে কারণটির প্রতিচ্ছবি প্রতিফলিত হয়েছে তার ব্যাখ্যা দাও
ঘ
নানা কারণে ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয় - বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত ও শোষিত না হলে কখনো প্রতিবাদী হয়ে ওঠে না। ইংরেজরা ভারতীয়দের ওপর যে রাজস্বনীতি গ্রহণ করেছিল তাতে কৃষকদের অর্থনৈতিক মেরুদন্ড ভেঙে পড়ে। ফলে কৃষকরা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে। এছাড়া খাজনা বৃদ্ধি, পথকর ও জলকর প্রভৃতি কর আরোপের কারণে ভারতীয়রা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে।
ক
১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?
খ
১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর
গ
উদ্দীপকে ১৮৫৭ সালের বিপ্লবের যে কারণটির প্রতিচ্ছবি প্রতিফলিত হয়েছে তার ব্যাখ্যা দাও
ঘ
নানা কারণে ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয় - বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর

১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?

১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

যশোরের অভয়নগর উপজেলাটি আয়তনে বিশাল এবং এর জনসংখ্যাও অনেক। যার ফলশ্রুতিতে প্রশাসনিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন কাজে এটি ভেঙে দুটি উপজেলা করার দাবি ওঠে। সরকার ন্যায্য দাবি মনে করে উপজেলাটিকে দু অংশে ভাগ করে দুটি উপজেলা ঘোষণা করে। কিন্তু একশ্রেণির মানুষ নিজেদের দুরভিসন্ধি বাস্তবায়নের জন্য, অখণ্ডতার দাবির পক্ষে জোরালো আবেদন করে। এতে করে সরকার পুনরায় দু উপজেলাকে একটি উপজেলায় পরিণত করে। যার ফলে অত্র অঞ্চলের বেশিরভাগ মানুষ স্থায়ী ক্ষতির মুখে পতিত হয়।
ক
বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?
খ
হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?
গ
উদ্দীপকের ঘটনাটি বাংলার ইতিহাসের কোন ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানেরা লাভবান হয়; আবার এটি রদের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানদের অপরিমেয় ক্ষতি সাধিত হয়- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

যশোরের অভয়নগর উপজেলাটি আয়তনে বিশাল এবং এর জনসংখ্যাও অনেক। যার ফলশ্রুতিতে প্রশাসনিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন কাজে এটি ভেঙে দুটি উপজেলা করার দাবি ওঠে। সরকার ন্যায্য দাবি মনে করে উপজেলাটিকে দু অংশে ভাগ করে দুটি উপজেলা ঘোষণা করে। কিন্তু একশ্রেণির মানুষ নিজেদের দুরভিসন্ধি বাস্তবায়নের জন্য, অখণ্ডতার দাবির পক্ষে জোরালো আবেদন করে। এতে করে সরকার পুনরায় দু উপজেলাকে একটি উপজেলায় পরিণত করে। যার ফলে অত্র অঞ্চলের বেশিরভাগ মানুষ স্থায়ী ক্ষতির মুখে পতিত হয়।
ক
বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?
খ
হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?
গ
উদ্দীপকের ঘটনাটি বাংলার ইতিহাসের কোন ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানেরা লাভবান হয়; আবার এটি রদের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানদের অপরিমেয় ক্ষতি সাধিত হয়- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?

হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?

বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ঝিনাইদহ জেলার শংকরপুর ইউনিয়ন একটি হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা। হরিশচন্দ্র দেব ঐ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। সে এলাকার সংখ্যালঘু মুসলমানদের ওপর নির্যাতন চালাত এবং মুসলমানদের ধর্মীয় কার্যাদিতে বাধা প্রদান করত। শংকরপুরের মুসলমানদেরকে অত্যাচারী শাসকের হাত থেকে রক্ষার তাগিদে আমজাদ আলী এগিয়ে আসেন। তিনি ছিলেন ধর্মভীরু ও সমাজ সংস্কারক। তিনি হিন্দু চেয়ারম্যানের অত্যাচারের হাত থেকে রক্ষার জন্য শক্তিশালী লাঠিয়াল বাহিনী গঠন করেন এবং তাদের নিয়ে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলেন। তার এ আন্দোলন মুসলমানদের ওপর নির্যাতন রক্ষার্থে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে। এ মহৎ কাজের জন্য সমাজের মানুষের কাছে তিনি অমর হয়ে আছেন।
ক
ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?
খ
রবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।
গ
উদ্দীপকের আমজাদ আলীর আন্দোলনের সাথে ভারতের কোন আন্দোলনের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? বর্ণনা কর।
ঘ
আমজাদ আলীর আন্দোলন শংকরপুরের মুসলমানদের ওপর অত্যাচার থেকে রক্ষার্থে যে ভূমিকা পালন করেছিল তা পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ঝিনাইদহ জেলার শংকরপুর ইউনিয়ন একটি হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা। হরিশচন্দ্র দেব ঐ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। সে এলাকার সংখ্যালঘু মুসলমানদের ওপর নির্যাতন চালাত এবং মুসলমানদের ধর্মীয় কার্যাদিতে বাধা প্রদান করত। শংকরপুরের মুসলমানদেরকে অত্যাচারী শাসকের হাত থেকে রক্ষার তাগিদে আমজাদ আলী এগিয়ে আসেন। তিনি ছিলেন ধর্মভীরু ও সমাজ সংস্কারক। তিনি হিন্দু চেয়ারম্যানের অত্যাচারের হাত থেকে রক্ষার জন্য শক্তিশালী লাঠিয়াল বাহিনী গঠন করেন এবং তাদের নিয়ে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলেন। তার এ আন্দোলন মুসলমানদের ওপর নির্যাতন রক্ষার্থে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে। এ মহৎ কাজের জন্য সমাজের মানুষের কাছে তিনি অমর হয়ে আছেন।
ক
ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?
খ
রবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।
গ
উদ্দীপকের আমজাদ আলীর আন্দোলনের সাথে ভারতের কোন আন্দোলনের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? বর্ণনা কর।
ঘ
আমজাদ আলীর আন্দোলন শংকরপুরের মুসলমানদের ওপর অত্যাচার থেকে রক্ষার্থে যে ভূমিকা পালন করেছিল তা পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.রবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।

রবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?

ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

নানা কারণে ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয় - বিশ্লেষণ কর।উদ্দীপকে ১৮৫৭ সালের বিপ্লবের যে কারণটির প্রতিচ্ছবি প্রতিফলিত হয়েছে তার ব্যাখ্যা ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানেরা লাভবান হয়; আবার এটি রদের ফলে পূর্ব বাংলারউদ্দীপকের ঘটনাটি বাংলার ইতিহাসের কোন ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা কর।হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?আমজাদ আলীর আন্দোলন শংকরপুরের মুসলমানদের ওপর অত্যাচার থেকে রক্ষার্থে যে ভূমিকা পাউদ্দীপকের আমজাদ আলীর আন্দোলনের সাথে ভারতের কোন আন্দোলনের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? বর্ণরবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।