শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনার সাথে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনামলের কোন ঘটনার সাথে মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনার সাথে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনামলের ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের মিল রয়েছে। ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ১৯০৫ সালে ইংরেজ গভর্নর লর্ড কার্জন বাংলাকে ভাগ করেন। বঙ্গভঙ্গের পিছনে সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক বিবিধ কারণ বিদ্যমান ছিল। ভারতীয় উপমহাদেশের মধ্যে বাংলা প্রদেশ ছিল সবচেয়ে বড়। তাই একজন গভর্নরের পক্ষে এত বড় প্রদেশ শাসন করা কষ্টকর ছিল। তাই বাংলাকে ভাগ করে প্রশাসনে দক্ষতা আনার জন্য ইংরেজ সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। বাংলা প্রদেশের মধ্যে পূর্ব বাংলা ছিল অর্থনৈতিকভাবে অনুন্নত। তাই পূর্ব বাংলার মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের জন্য ইংরেজ সরকার বাংলাকে ভাগ করে পূর্ববঙ্গের মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়নের চেষ্টা চালায়। এছাড়া সূচতুর ইংরেজ সরকার তাদের Divide and Rule Policy বাস্তবায়ন করে ব্রিটিশ শাসনকে দীর্ঘস্থায়ী করার উদ্দেশ্যে বাংলাকে ভাগ করে। এসব প্রেক্ষাপটে ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর লর্ড কার্জন বঙ্গভঙ্গের ঘোষণা দেন। আসাম, চট্টগ্রাম, ঢাকা, রাজশাহী বিভাগ নিয়ে 'পূর্ব বাংলা ও আসাম প্রদেশ' গঠন করা হয়। পূর্ব বাংলা ও আসাম প্রদেশের রাজধানী করা হয় ঢাকা। অন্যদিকে, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে বাংলা প্রদেশ গঠন করা হয়। এর রাজধানী করা হয় কলকাতা। উদ্দীপকের শাসকগোষ্ঠী প্রশাসনিক কার্যক্রমে সুবিধা এবং পূর্বাঞ্চলের জনগণের উন্নয়ন ও কল্যাণের জন্য 'ক' রাজ্যকে পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চল নামে দুটি রাজ্যে বিভক্ত করলে জনগণের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। যা বঙ্গভঙ্গের ঘটনাকে নির্দেশ করে।

HSC Islamic History 2nd paper অধ্যায় ৪: বাংলায় কোম্পানি ও ঔপনিবেশিক শাসন (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · অধ্যায় ৪: বাংলায় কোম্পানি ও ঔপনিবেশিক শাসন (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল

উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনার সাথে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনামলের কোন ঘটনার সা…

উদ্দীপক

মগধ শাসনামলে 'ক' রাজ্যের পূর্বাঞ্চলের তুলনায় পশ্চিমাঞ্চল উন্নত ছিল। শাসকগোষ্ঠী প্রশাসনিক কার্যক্রমে সুবিধা এবং পূর্বাঞ্চলের জনগণের উন্নয়ন ও কল্যাণের জন্য 'ক' রাজ্যকে পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চল নামে দুটি রাজ্যে বিভক্ত করলে জনগণের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। জনগণের একটি অংশের প্রবল আন্দোলনের মুখে 'ক' রাজ্যকে পুনরায় একত্রীকরণ করা হয়।

উত্তর

ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ১৮৮৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়।

উত্তর

দ্বিজাতি তত্ত্বের প্রবক্তা ছিলেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ। ১৯৪০ সালের ২২ মার্চ লাহোরে অনুষ্ঠিত মুসলিম লীগের ২৭তম অধিবেশনে তিনি দ্বিজাতি তত্ত্ব ঘোষণা দেন। নেহেরু রিপোর্টের প্রেক্ষাপটে তিনি এ ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ভারতে হিন্দু-মুসলিম দুটি আলাদা জাতি। উভয়ের ধর্ম, সামাজিক রীতিনীতি এবং ইতিহাস-ঐতিহ্য সম্পূর্ণ পৃথক। তাই মুসলমানদের জন্য স্বতন্ত্র রাষ্ট্র গঠন অপরিহার্য বলে প্রস্তাব দেন। এটিই ইতিহাসে বিখ্যাত দ্বিজাতি তত্ত্ব নামে পরিচিত।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনার সাথে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনামলের ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের মিল রয়েছে। ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ১৯০৫ সালে ইংরেজ গভর্নর লর্ড কার্জন বাংলাকে ভাগ করেন। বঙ্গভঙ্গের পিছনে সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক বিবিধ কারণ বিদ্যমান ছিল। ভারতীয় উপমহাদেশের মধ্যে বাংলা প্রদেশ ছিল সবচেয়ে বড়। তাই একজন গভর্নরের পক্ষে এত বড় প্রদেশ শাসন করা কষ্টকর ছিল। তাই বাংলাকে ভাগ করে প্রশাসনে দক্ষতা আনার জন্য ইংরেজ সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। বাংলা প্রদেশের মধ্যে পূর্ব বাংলা ছিল অর্থনৈতিকভাবে অনুন্নত। তাই পূর্ব বাংলার মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের জন্য ইংরেজ সরকার বাংলাকে ভাগ করে পূর্ববঙ্গের মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়নের চেষ্টা চালায়। এছাড়া সূচতুর ইংরেজ সরকার তাদের Divide and Rule Policy বাস্তবায়ন করে ব্রিটিশ শাসনকে দীর্ঘস্থায়ী করার উদ্দেশ্যে বাংলাকে ভাগ করে। এসব প্রেক্ষাপটে ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর লর্ড কার্জন বঙ্গভঙ্গের ঘোষণা দেন। আসাম, চট্টগ্রাম, ঢাকা, রাজশাহী বিভাগ নিয়ে 'পূর্ব বাংলা ও আসাম প্রদেশ' গঠন করা হয়। পূর্ব বাংলা ও আসাম প্রদেশের রাজধানী করা হয় ঢাকা। অন্যদিকে, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে বাংলা প্রদেশ গঠন করা হয়। এর রাজধানী করা হয় কলকাতা। উদ্দীপকের শাসকগোষ্ঠী প্রশাসনিক কার্যক্রমে সুবিধা এবং পূর্বাঞ্চলের জনগণের উন্নয়ন ও কল্যাণের জন্য 'ক' রাজ্যকে পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চল নামে দুটি রাজ্যে বিভক্ত করলে জনগণের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। যা বঙ্গভঙ্গের ঘটনাকে নির্দেশ করে।

উত্তর

'ক' রাজ্যের বিভক্তিকরণে পূর্বাঞ্চলের উন্নয়ন হয়েছিল- মন্তব্যটি যথার্থ। বঙ্গভঙ্গ বাংলার ঔপনিবেশিক শাসনামলের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।বঙ্গভঙ্গের ফলে বাংলার মানুষ তাদের ভাগ্যোন্নয়নের নতুন সূর্য দেখেছিল যদিও তা দীর্ঘস্থায়ী হয়। বঙ্গভঙ্গের মাধ্যমে পূর্ব বাংলার মানুষ তাদের ভাগ্যের উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা দেখেছিল। পূর্ব বাংলার অর্থনীতির চাকা যে নতুন গতি পেয়েছিল তা কয়েকটি পত্রিকার প্রতিবেদনে ওঠে আসে। ১৯০৬ সালের ১৬ অক্টোবর বঙ্গভঙ্গের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পূর্ব বাংলা ও আসাম প্রদেশের 'ইরা' পত্রিকায় প্রদেশ প্রতিষ্ঠার ৮টি সুবিধার কথা উল্লেখ করে। এগুলো হচ্ছে- ১. ঢাকা নগরের পুনর্জন্ম ও চট্টগ্রাম বন্দরের উন্নতি। ২. নদী ও খালগুলোর উন্নতি, রেল লাইনের সম্প্রসারণ এবং চট্টগ্রামের সঙ্গে এর সংযোগ স্থাপন। ৩. নতুন প্রাদেশিক পরিষদ গঠিত হওয়ার ফলে জমিদার ও শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণির প্রতিনিধিদের পক্ষে জনসাধারণের অভাব-অভিযোগের প্রতি সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করার সুযোগ-সুবিধা। ৪. সুষ্ঠু শাসন ও জনসাধারণের জানমালের অধিকতর নিরাপত্তা। ৫. পূর্ব বাংলার শিক্ষিত লোকদের সংস্পর্শে আসায় অনুন্নত আসামের অধিবাসীদের উন্নয়ন। ৬. পূর্ব বাংলার জন্য দক্ষ পুলিশ বাহিনীর ব্যবস্থা। ৭. প্রদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি। ৮. প্রদেশের প্রধান কর্মকর্তার সাথে জনসাধারণের সান্নিধ্য। এছাড়া বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ব বাংলায় শিক্ষা-সংস্কৃতি এবং রাজনীতি-অর্থনীতির সকল ক্ষেত্রে উন্নয়ন দেখা দেয়। উপরিউক্ত আলোচনা শেষে বলা যায়, বঙ্গভঙ্গের ফলে 'ক' অঞ্চলের মতো পূর্ব বাংলায় উন্নয়নের জোয়ার আসতে শুরু করেছিল। কিন্তু বর্ণবাদী হিন্দু ও কংগ্রেসের বিরোধিতার কারণে তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি।
HSCIslamic History 2nd paperঅধ্যায় ৪: বাংলায় কোম্পানি ও ঔপনিবেশিক শাসন (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত ও শোষিত না হলে কখনো প্রতিবাদী হয়ে ওঠে না। ইংরেজরা ভারতীয়দের ওপর যে রাজস্বনীতি গ্রহণ করেছিল তাতে কৃষকদের অর্থনৈতিক মেরুদন্ড ভেঙে পড়ে। ফলে কৃষকরা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে। এছাড়া খাজনা বৃদ্ধি, পথকর ও জলকর প্রভৃতি কর আরোপের কারণে ভারতীয়রা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে।
১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?
১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর
উদ্দীপকে ১৮৫৭ সালের বিপ্লবের যে কারণটির প্রতিচ্ছবি প্রতিফলিত হয়েছে তার ব্যাখ্যা দাও
নানা কারণে ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয় - বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত ও শোষিত না হলে কখনো প্রতিবাদী হয়ে ওঠে না। ইংরেজরা ভারতীয়দের ওপর যে রাজস্বনীতি গ্রহণ করেছিল তাতে কৃষকদের অর্থনৈতিক মেরুদন্ড ভেঙে পড়ে। ফলে কৃষকরা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে। এছাড়া খাজনা বৃদ্ধি, পথকর ও জলকর প্রভৃতি কর আরোপের কারণে ভারতীয়রা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে।
১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?
১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর
উদ্দীপকে ১৮৫৭ সালের বিপ্লবের যে কারণটির প্রতিচ্ছবি প্রতিফলিত হয়েছে তার ব্যাখ্যা দাও
নানা কারণে ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয় - বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর

১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?

১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

যশোরের অভয়নগর উপজেলাটি আয়তনে বিশাল এবং এর জনসংখ্যাও অনেক। যার ফলশ্রুতিতে প্রশাসনিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন কাজে এটি ভেঙে দুটি উপজেলা করার দাবি ওঠে। সরকার ন্যায্য দাবি মনে করে উপজেলাটিকে দু অংশে ভাগ করে দুটি উপজেলা ঘোষণা করে। কিন্তু একশ্রেণির মানুষ নিজেদের দুরভিসন্ধি বাস্তবায়নের জন্য, অখণ্ডতার দাবির পক্ষে জোরালো আবেদন করে। এতে করে সরকার পুনরায় দু উপজেলাকে একটি উপজেলায় পরিণত করে। যার ফলে অত্র অঞ্চলের বেশিরভাগ মানুষ স্থায়ী ক্ষতির মুখে পতিত হয়।
বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?
হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?
উদ্দীপকের ঘটনাটি বাংলার ইতিহাসের কোন ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা কর।
বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানেরা লাভবান হয়; আবার এটি রদের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানদের অপরিমেয় ক্ষতি সাধিত হয়- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

যশোরের অভয়নগর উপজেলাটি আয়তনে বিশাল এবং এর জনসংখ্যাও অনেক। যার ফলশ্রুতিতে প্রশাসনিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন কাজে এটি ভেঙে দুটি উপজেলা করার দাবি ওঠে। সরকার ন্যায্য দাবি মনে করে উপজেলাটিকে দু অংশে ভাগ করে দুটি উপজেলা ঘোষণা করে। কিন্তু একশ্রেণির মানুষ নিজেদের দুরভিসন্ধি বাস্তবায়নের জন্য, অখণ্ডতার দাবির পক্ষে জোরালো আবেদন করে। এতে করে সরকার পুনরায় দু উপজেলাকে একটি উপজেলায় পরিণত করে। যার ফলে অত্র অঞ্চলের বেশিরভাগ মানুষ স্থায়ী ক্ষতির মুখে পতিত হয়।
বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?
হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?
উদ্দীপকের ঘটনাটি বাংলার ইতিহাসের কোন ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা কর।
বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানেরা লাভবান হয়; আবার এটি রদের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানদের অপরিমেয় ক্ষতি সাধিত হয়- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?

হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?

বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ঝিনাইদহ জেলার শংকরপুর ইউনিয়ন একটি হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা। হরিশচন্দ্র দেব ঐ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। সে এলাকার সংখ্যালঘু মুসলমানদের ওপর নির্যাতন চালাত এবং মুসলমানদের ধর্মীয় কার্যাদিতে বাধা প্রদান করত। শংকরপুরের মুসলমানদেরকে অত্যাচারী শাসকের হাত থেকে রক্ষার তাগিদে আমজাদ আলী এগিয়ে আসেন। তিনি ছিলেন ধর্মভীরু ও সমাজ সংস্কারক। তিনি হিন্দু চেয়ারম্যানের অত্যাচারের হাত থেকে রক্ষার জন্য শক্তিশালী লাঠিয়াল বাহিনী গঠন করেন এবং তাদের নিয়ে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলেন। তার এ আন্দোলন মুসলমানদের ওপর নির্যাতন রক্ষার্থে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে। এ মহৎ কাজের জন্য সমাজের মানুষের কাছে তিনি অমর হয়ে আছেন।
ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?
রবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।
উদ্দীপকের আমজাদ আলীর আন্দোলনের সাথে ভারতের কোন আন্দোলনের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? বর্ণনা কর।
আমজাদ আলীর আন্দোলন শংকরপুরের মুসলমানদের ওপর অত্যাচার থেকে রক্ষার্থে যে ভূমিকা পালন করেছিল তা পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ঝিনাইদহ জেলার শংকরপুর ইউনিয়ন একটি হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা। হরিশচন্দ্র দেব ঐ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। সে এলাকার সংখ্যালঘু মুসলমানদের ওপর নির্যাতন চালাত এবং মুসলমানদের ধর্মীয় কার্যাদিতে বাধা প্রদান করত। শংকরপুরের মুসলমানদেরকে অত্যাচারী শাসকের হাত থেকে রক্ষার তাগিদে আমজাদ আলী এগিয়ে আসেন। তিনি ছিলেন ধর্মভীরু ও সমাজ সংস্কারক। তিনি হিন্দু চেয়ারম্যানের অত্যাচারের হাত থেকে রক্ষার জন্য শক্তিশালী লাঠিয়াল বাহিনী গঠন করেন এবং তাদের নিয়ে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলেন। তার এ আন্দোলন মুসলমানদের ওপর নির্যাতন রক্ষার্থে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে। এ মহৎ কাজের জন্য সমাজের মানুষের কাছে তিনি অমর হয়ে আছেন।
ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?
রবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।
উদ্দীপকের আমজাদ আলীর আন্দোলনের সাথে ভারতের কোন আন্দোলনের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? বর্ণনা কর।
আমজাদ আলীর আন্দোলন শংকরপুরের মুসলমানদের ওপর অত্যাচার থেকে রক্ষার্থে যে ভূমিকা পালন করেছিল তা পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.রবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।

রবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?

ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

নানা কারণে ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয় - বিশ্লেষণ কর।উদ্দীপকে ১৮৫৭ সালের বিপ্লবের যে কারণটির প্রতিচ্ছবি প্রতিফলিত হয়েছে তার ব্যাখ্যা ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানেরা লাভবান হয়; আবার এটি রদের ফলে পূর্ব বাংলারউদ্দীপকের ঘটনাটি বাংলার ইতিহাসের কোন ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা কর।হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?আমজাদ আলীর আন্দোলন শংকরপুরের মুসলমানদের ওপর অত্যাচার থেকে রক্ষার্থে যে ভূমিকা পাউদ্দীপকের আমজাদ আলীর আন্দোলনের সাথে ভারতের কোন আন্দোলনের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? বর্ণরবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।