শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের আলোকে উক্ত নেতার সংগ্রামী জীবনের তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।

উত্তর: বাংলা তথা ভারতবর্ষে সমাজ সংস্কার এবং রাজনৈতিক স্বাধীনতা অর্জনের ক্ষেত্রে উক্ত নেতা অর্থাৎ তিতুমীরের সংগ্রামী জীবন তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তিতুমীর ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা প্রচার করে বাংলার মুসলিম সমাজে প্রচলিত নানা কুসংস্কার দূর করার চেষ্টা 'করেন। ১৮২২ সালে তিনি মক্কায় হজ পালন করতে গিয়েছিলেন। সেখানে উত্তর ভারতের ওয়াহাবি আন্দোলনের নেতা সৈয়দ আহমদ শহীদের সাথে তিতুমীরের সাক্ষাত হয়। তার আদর্শে প্রভাবিত হয়ে পিরপূজা, কবর পূজাসহ বিভিন্ন - অনৈসলামিক রীতিনীতির বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলেন। অতি অল্প সময়ের মধ্যে তিতুমীরের ধর্মীয় শিক্ষায় আকৃষ্ট হয়ে অনেকে তার শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন। ধর্মীয় আদর্শ প্রচারের পাশাপাশি তিতুমীর বাংলার নিপীড়িত ও নির্যাতিত মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য অত্যাচারী জমিদার ও নীলকরদের বিরুদ্ধে - সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। এ সময় জমিদাররা কৃষকের ওপর নানা অজুহাতে বিভিন্ন ধরনের কর আরোপ করে তা জোর করে আদায় করত এবং জোরপূর্বক কৃষকদের নীলচাষে বাধ্য করত। নীলকর ও জমিদারদের অত্যাচারে তখন কৃষকের জীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়েছিল। তাদের অত্যাচার থেকে কৃষকদের রক্ষার জন্য তিতুমীর লাঠিয়াল বাহিনী গড়ে তোলেন। বিহারের পূর্ণিয়ার পুড়া গ্রামের জমিদার কৃষ্ণদেব রায়, পশ্চিমবঙ্গের টাকি ও গোবরডাঙার জমিদার কালিপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায় ও মোল্লাহাটির নীলকুঠিয়াল ডেভিসের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে তিতুমীর তাদের পরাজিত করেন। ব্রিটিশ সরকার তাকে দেশদ্রোহী হিসেবে আখ্যায়িত করে। ১৮৩১ সালে তিতুমীর ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর সাথে লড়াই করে শহিদ হন। অত্যাচারী জমিদার ও নীলকরদের বিরুদ্ধে তৎকালীন বাংলার নিপীড়িত কৃষক ও তাঁতীকুলের সমন্বয়ে পরিচালিত তিতুমীরের আন্দোলন ছিল একটি গণবিপ্লব। এ বিপ্লব তখন পরিপূর্ণভাবে সফল হয়নি। তরে মানুষের অধিকার রক্ষায় তিতুমীরের আত্মত্যাগ পরবর্তীকালে ভারতীয়দের মুক্তি সংগ্রামের প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছিল।

HSC Islamic History 2nd paper অধ্যায় ৪: বাংলায় কোম্পানি ও ঔপনিবেশিক শাসন (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · অধ্যায় ৪: বাংলায় কোম্পানি ও ঔপনিবেশিক শাসন (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল

উদ্দীপকের আলোকে উক্ত নেতার সংগ্রামী জীবনের তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।

উদ্দীপক

ইনসান আলি বাল্যকাল থেকে সাহসী, মেধাবী ও ধর্মপরায়ণ ছিলেন। পরাধীন দেশে স্বজাতির নানা অসংগতি দেখে তিনি ব্যথিত হন। বিদেশি শাসকগোষ্ঠীর শোষণে ও অত্যাচারে তিনি প্রতিবাদী হয়ে ওঠেন। জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে তিনি বিদেশি শক্তির বিনাশে সশস্ত্র সংগ্রামে জড়িয়ে পড়েন। তিনি স্বদেশকে পরাধীনতার গ্লানি থেকে মুক্তির লক্ষ্যে দলবলসহ জীবনের শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে লড়াই চালিয়ে যান। তাঁর এ সংগ্রাম ব্যর্থ হলেও পরবর্তী প্রজন্মকে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্দীপ্ত করে।

উত্তর

আরবি 'ফরজ' শব্দ থেকে 'ফরায়েজি' শব্দের উৎপত্তি হয়েছে।

উত্তর

নেতৃত্বের অভাবে ফরায়েজি আন্দোলন ব্যর্থ হয়। ফরায়েজি আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা হাজি শরীয়তউল্লাহর মৃত্যুর পর তার পুত্র দুদু মিয়া এই আন্দোলনের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। দুদু মিয়ার মৃত্যুর পর যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে ফরায়েজি আন্দোলনের গতি স্তিমিত হয়ে পড়ে। এছাড়া সংকীর্ণ ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি এবং দুদু মিয়ার উত্তরাধিকারীদের অদূরদর্শিতা ও আন্দোলনের লক্ষ্য সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণার অভাবে ফরায়েজি আন্দোলন ব্যর্থ হয়।

উত্তর

উদ্দীপকের চরিত্র অর্থাৎ ইনসান আলির সাথে ঊনবিংশ শতকে বাংলার নিপীড়িত মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামী নেতা তিতুমীরের মিল পাওয়া যায়। মীর নিসার আলী ওরফে তিতুমীর বাল্যকাল থেকেই খুব মেধাবী ছিলেন। তিনি অল্প বয়সে আরবি, ফার্সি ও উর্দুভাষা, শরিয়তের বিভিন্ন বিষয় এবং অঙ্কশাস্ত্রে বিশেষ জ্ঞান অর্জন করেন। মুসলিম সমাজ ও ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলন এবং ব্রিটিশবিরোধী সংগ্রাম পরিচালনা করে তিনি বাংলার মুসলিম জাগরণের অগ্রসৈনিক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। উদ্দীপকেও এরূপ বিষয় বর্ণিত হয়েছে। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, বিভিন্ন গুণের অধীকারী ইনসান আলি স্বজাতির নানা অসংগতি দেখে ব্যথিত হন। তিনি বিদেশি শাসকগোষ্ঠীর শোষণ ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে ইনসান আলি প্রতিবাদী হয়ে ওঠেন। দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে ইনসান আলি বিদেশি শক্তির বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামে জড়িয়ে পড়েন। তার এ সংগ্রাম ব্যর্থ হলেও তা পরবর্তী প্রজন্মকে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্দীপ্ত করে। একইভাবে তিতুমীর মুসলিম সমাজের নানা কুসংস্কার এবং ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনে সাধারণ মানুষের দুর্গতি দেখে ব্যথিত হন। সে সময় বাংলার নিরীহ ও দরিদ্র কৃষক সম্প্রদায়ের ওপর অত্যাচারী জমিদার ও নীলকরদের শোষণ ওউৎপীড়ন মারাত্মক আকার ধারণ করে। এসব অত্যাচারী জমিদার ও নীলকরদের বিরুদ্ধে তিতুমীর বাংলার কৃষকদের সংগঠিত করে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। ইংরেজ সেনাবাহিনীর আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য তিনি পশ্চিমবঙ্গের বারাসাতের নারিকেলবাড়িয়া গ্রামে একটি বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন। কিন্তু ইংরেজদের উন্নত অস্ত্রের আক্রমণে তিতুমীর তার দলের অনেক সৈন্যসহ শহিদ হন। তার এ সংগ্রাম পরবর্তী সময়ে বাংলার মানুষকে স্বাধীনতা সংগ্রামে অনুপ্রেরণা দেয়। সুতরাং বলা যায়, ইনসান আলির সাথে উনবিংশ শতকের বাংলার নেতা তিতুমীরের মিল রয়েছে।

উত্তর

বাংলা তথা ভারতবর্ষে সমাজ সংস্কার এবং রাজনৈতিক স্বাধীনতা অর্জনের ক্ষেত্রে উক্ত নেতা অর্থাৎ তিতুমীরের সংগ্রামী জীবন তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তিতুমীর ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা প্রচার করে বাংলার মুসলিম সমাজে প্রচলিত নানা কুসংস্কার দূর করার চেষ্টা 'করেন। ১৮২২ সালে তিনি মক্কায় হজ পালন করতে গিয়েছিলেন। সেখানে উত্তর ভারতের ওয়াহাবি আন্দোলনের নেতা সৈয়দ আহমদ শহীদের সাথে তিতুমীরের সাক্ষাত হয়। তার আদর্শে প্রভাবিত হয়ে পিরপূজা, কবর পূজাসহ বিভিন্ন - অনৈসলামিক রীতিনীতির বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলেন। অতি অল্প সময়ের মধ্যে তিতুমীরের ধর্মীয় শিক্ষায় আকৃষ্ট হয়ে অনেকে তার শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন। ধর্মীয় আদর্শ প্রচারের পাশাপাশি তিতুমীর বাংলার নিপীড়িত ও নির্যাতিত মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য অত্যাচারী জমিদার ও নীলকরদের বিরুদ্ধে - সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। এ সময় জমিদাররা কৃষকের ওপর নানা অজুহাতে বিভিন্ন ধরনের কর আরোপ করে তা জোর করে আদায় করত এবং জোরপূর্বক কৃষকদের নীলচাষে বাধ্য করত। নীলকর ও জমিদারদের অত্যাচারে তখন কৃষকের জীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়েছিল। তাদের অত্যাচার থেকে কৃষকদের রক্ষার জন্য তিতুমীর লাঠিয়াল বাহিনী গড়ে তোলেন। বিহারের পূর্ণিয়ার পুড়া গ্রামের জমিদার কৃষ্ণদেব রায়, পশ্চিমবঙ্গের টাকি ও গোবরডাঙার জমিদার কালিপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায় ও মোল্লাহাটির নীলকুঠিয়াল ডেভিসের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে তিতুমীর তাদের পরাজিত করেন। ব্রিটিশ সরকার তাকে দেশদ্রোহী হিসেবে আখ্যায়িত করে। ১৮৩১ সালে তিতুমীর ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর সাথে লড়াই করে শহিদ হন। অত্যাচারী জমিদার ও নীলকরদের বিরুদ্ধে তৎকালীন বাংলার নিপীড়িত কৃষক ও তাঁতীকুলের সমন্বয়ে পরিচালিত তিতুমীরের আন্দোলন ছিল একটি গণবিপ্লব। এ বিপ্লব তখন পরিপূর্ণভাবে সফল হয়নি। তরে মানুষের অধিকার রক্ষায় তিতুমীরের আত্মত্যাগ পরবর্তীকালে ভারতীয়দের মুক্তি সংগ্রামের প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছিল।
HSCIslamic History 2nd paperঅধ্যায় ৪: বাংলায় কোম্পানি ও ঔপনিবেশিক শাসন (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত ও শোষিত না হলে কখনো প্রতিবাদী হয়ে ওঠে না। ইংরেজরা ভারতীয়দের ওপর যে রাজস্বনীতি গ্রহণ করেছিল তাতে কৃষকদের অর্থনৈতিক মেরুদন্ড ভেঙে পড়ে। ফলে কৃষকরা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে। এছাড়া খাজনা বৃদ্ধি, পথকর ও জলকর প্রভৃতি কর আরোপের কারণে ভারতীয়রা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে।
ক
১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?
খ
১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর
গ
উদ্দীপকে ১৮৫৭ সালের বিপ্লবের যে কারণটির প্রতিচ্ছবি প্রতিফলিত হয়েছে তার ব্যাখ্যা দাও
ঘ
নানা কারণে ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয় - বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত ও শোষিত না হলে কখনো প্রতিবাদী হয়ে ওঠে না। ইংরেজরা ভারতীয়দের ওপর যে রাজস্বনীতি গ্রহণ করেছিল তাতে কৃষকদের অর্থনৈতিক মেরুদন্ড ভেঙে পড়ে। ফলে কৃষকরা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে। এছাড়া খাজনা বৃদ্ধি, পথকর ও জলকর প্রভৃতি কর আরোপের কারণে ভারতীয়রা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে।
ক
১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?
খ
১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর
গ
উদ্দীপকে ১৮৫৭ সালের বিপ্লবের যে কারণটির প্রতিচ্ছবি প্রতিফলিত হয়েছে তার ব্যাখ্যা দাও
ঘ
নানা কারণে ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয় - বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর

১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?

১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

যশোরের অভয়নগর উপজেলাটি আয়তনে বিশাল এবং এর জনসংখ্যাও অনেক। যার ফলশ্রুতিতে প্রশাসনিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন কাজে এটি ভেঙে দুটি উপজেলা করার দাবি ওঠে। সরকার ন্যায্য দাবি মনে করে উপজেলাটিকে দু অংশে ভাগ করে দুটি উপজেলা ঘোষণা করে। কিন্তু একশ্রেণির মানুষ নিজেদের দুরভিসন্ধি বাস্তবায়নের জন্য, অখণ্ডতার দাবির পক্ষে জোরালো আবেদন করে। এতে করে সরকার পুনরায় দু উপজেলাকে একটি উপজেলায় পরিণত করে। যার ফলে অত্র অঞ্চলের বেশিরভাগ মানুষ স্থায়ী ক্ষতির মুখে পতিত হয়।
ক
বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?
খ
হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?
গ
উদ্দীপকের ঘটনাটি বাংলার ইতিহাসের কোন ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানেরা লাভবান হয়; আবার এটি রদের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানদের অপরিমেয় ক্ষতি সাধিত হয়- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

যশোরের অভয়নগর উপজেলাটি আয়তনে বিশাল এবং এর জনসংখ্যাও অনেক। যার ফলশ্রুতিতে প্রশাসনিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন কাজে এটি ভেঙে দুটি উপজেলা করার দাবি ওঠে। সরকার ন্যায্য দাবি মনে করে উপজেলাটিকে দু অংশে ভাগ করে দুটি উপজেলা ঘোষণা করে। কিন্তু একশ্রেণির মানুষ নিজেদের দুরভিসন্ধি বাস্তবায়নের জন্য, অখণ্ডতার দাবির পক্ষে জোরালো আবেদন করে। এতে করে সরকার পুনরায় দু উপজেলাকে একটি উপজেলায় পরিণত করে। যার ফলে অত্র অঞ্চলের বেশিরভাগ মানুষ স্থায়ী ক্ষতির মুখে পতিত হয়।
ক
বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?
খ
হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?
গ
উদ্দীপকের ঘটনাটি বাংলার ইতিহাসের কোন ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানেরা লাভবান হয়; আবার এটি রদের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানদের অপরিমেয় ক্ষতি সাধিত হয়- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?

হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?

বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ঝিনাইদহ জেলার শংকরপুর ইউনিয়ন একটি হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা। হরিশচন্দ্র দেব ঐ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। সে এলাকার সংখ্যালঘু মুসলমানদের ওপর নির্যাতন চালাত এবং মুসলমানদের ধর্মীয় কার্যাদিতে বাধা প্রদান করত। শংকরপুরের মুসলমানদেরকে অত্যাচারী শাসকের হাত থেকে রক্ষার তাগিদে আমজাদ আলী এগিয়ে আসেন। তিনি ছিলেন ধর্মভীরু ও সমাজ সংস্কারক। তিনি হিন্দু চেয়ারম্যানের অত্যাচারের হাত থেকে রক্ষার জন্য শক্তিশালী লাঠিয়াল বাহিনী গঠন করেন এবং তাদের নিয়ে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলেন। তার এ আন্দোলন মুসলমানদের ওপর নির্যাতন রক্ষার্থে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে। এ মহৎ কাজের জন্য সমাজের মানুষের কাছে তিনি অমর হয়ে আছেন।
ক
ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?
খ
রবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।
গ
উদ্দীপকের আমজাদ আলীর আন্দোলনের সাথে ভারতের কোন আন্দোলনের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? বর্ণনা কর।
ঘ
আমজাদ আলীর আন্দোলন শংকরপুরের মুসলমানদের ওপর অত্যাচার থেকে রক্ষার্থে যে ভূমিকা পালন করেছিল তা পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ঝিনাইদহ জেলার শংকরপুর ইউনিয়ন একটি হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা। হরিশচন্দ্র দেব ঐ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। সে এলাকার সংখ্যালঘু মুসলমানদের ওপর নির্যাতন চালাত এবং মুসলমানদের ধর্মীয় কার্যাদিতে বাধা প্রদান করত। শংকরপুরের মুসলমানদেরকে অত্যাচারী শাসকের হাত থেকে রক্ষার তাগিদে আমজাদ আলী এগিয়ে আসেন। তিনি ছিলেন ধর্মভীরু ও সমাজ সংস্কারক। তিনি হিন্দু চেয়ারম্যানের অত্যাচারের হাত থেকে রক্ষার জন্য শক্তিশালী লাঠিয়াল বাহিনী গঠন করেন এবং তাদের নিয়ে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলেন। তার এ আন্দোলন মুসলমানদের ওপর নির্যাতন রক্ষার্থে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে। এ মহৎ কাজের জন্য সমাজের মানুষের কাছে তিনি অমর হয়ে আছেন।
ক
ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?
খ
রবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।
গ
উদ্দীপকের আমজাদ আলীর আন্দোলনের সাথে ভারতের কোন আন্দোলনের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? বর্ণনা কর।
ঘ
আমজাদ আলীর আন্দোলন শংকরপুরের মুসলমানদের ওপর অত্যাচার থেকে রক্ষার্থে যে ভূমিকা পালন করেছিল তা পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.রবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।

রবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?

ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

নানা কারণে ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয় - বিশ্লেষণ কর।উদ্দীপকে ১৮৫৭ সালের বিপ্লবের যে কারণটির প্রতিচ্ছবি প্রতিফলিত হয়েছে তার ব্যাখ্যা ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানেরা লাভবান হয়; আবার এটি রদের ফলে পূর্ব বাংলারউদ্দীপকের ঘটনাটি বাংলার ইতিহাসের কোন ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা কর।হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?আমজাদ আলীর আন্দোলন শংকরপুরের মুসলমানদের ওপর অত্যাচার থেকে রক্ষার্থে যে ভূমিকা পাউদ্দীপকের আমজাদ আলীর আন্দোলনের সাথে ভারতের কোন আন্দোলনের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? বর্ণরবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।